
####
খুলনায় পুলিশের লুণ্ঠিত অস্ত্র গোলা-বারুদসহ ২জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ্। বৃহষ্পতিবার সকালে নগরীর হরিণটানা থানার বাঙ্গালবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করা হয়। বৃহষ্পতিবার বিকেলে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর দপ্তর সম্মেলন কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মোহাম্মদ সালেহ প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
কেএমপি ব্রিফিংয়ে জানায়, ২এপ্রিল বুধবার রাতে হরিণটানা থানার রায়েরমহল বাঙ্গালবাড়ি রোডে সন্ত্রাসী দুই গ্রুপের মধ্যে গোলা-গুলিতে একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে বলে পুলিশ জানতে পরে। পরে হরিণটানা এবং আড়ংঘাটা থানা পুলিশ অনুসন্ধান চালিয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে ডুমুরিয়ার কাঁঠালতলার সবুর সরদারের ছেলে চিকিৎসাধীন খাইরুল সরদার (২৭)কে সনাক্ত করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে বাঙ্গালবাড়ি এলাকায় অস্ত্র কিনতে গিয়ে অস্ত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সময় অসর্তকতার কারণে তার হাতে থাকা পিস্তলের গুলি ফায়ার হয়ে তার বাম হাতের তালুতে লেগে জখমপ্রাপ্ত হয়েছে।
পরে ৩ এপ্রিল বৃহষ্পতিবার সকালে তাকে নিয়ে হরিণটানা থানা ও গোয়েন্দা পুলিশ বাঙ্গালবাড়ি এলাকায় অভিযান চালায়। সেখানে গুলিবিদ্ধ খাইরুলের তথ্য মোতাবেক অস্ত্র বিক্রেতা পিরোজপুরের চরকচুড়িয়ার আব্দুল খালেকের ছেলে ফারুক হোসেনের বাড়িতে তল্লাশী করে। এ সময় ফারুককে গ্রেফতার এবং তার রান্না ঘরের জ্বালানি কাঠের স্তুপের মধ্য থেকে ২টি বিদেশী পিস্তল, তার বসত ঘরের মধ্যে থাকা টিনের বাক্সে রাখা একটি শটগান এবং শটগানের ৭রাউন্ড কার্তুজ, ঘরের ভিতরের দেওয়ালের উপর থেকে পিস্তলের ৮রাউন্ড তাজা গুলি এবং ১রাউন্ড এমটি কার্তুজ ও বসত ঘরের খাটের নিচ থেকে ১টি বড় রামদা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া অবৈধ অস্ত্র বেচা-কেনার কাজে ব্যবহৃত ১টি মোটরসাইকেল এবং ১ টি মোবাইল সেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত শটগান এবং শটগানের ৭ রাউন্ড কার্তুজ পুলিশের লুণ্ঠিত অস্ত্র গোলা-বারুদ বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়।
গ্রেফতারকৃত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে মামলা মোকদমা আছে কি-না তা যাচাই করা হচ্ছে। সন্ত্রাসীদের সহযোগীদের গ্রেফতার এবং আরও অস্ত্র গোলা-বারুদ উদ্ধারের জন্য অভিযান এখনো চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ।##