১১:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
ডুমুরিয়ায় জেলা বিএনপির আহবায়ক ও সদস্য সচিবকে অবাঞ্চিত ঘোষনা-৩দিনের আল্টিমেটাম

অর্থের বিনিময়ে দালাল, অযোগ্য, ও মাদক ব্যবসায়ীদের দিয়ে বিএনপির কমিটি প্রত্যাখান

###    খুলনা জেলা বিএনপির অসাংগঠনিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে ডুমুরিয়া উপজেলার নতুন আহবায়ক কমিটি প্রত্যাখ্যান করেছে উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ্।বৃহষ্পতিবার খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ূন কবীল বালু মিলনায়তনে সাংবাদ সম্মেলনে জেলা কমিটির আহবায়ক আমী এজাজ খান ও সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পী অগঠনতান্ত্রিকভাবে অর্থের বিনিময়ে সরকারের দালাল, বহিষ্কৃত, অযোগ্য ও মাদক ব্যবসায়ীদের দিয়ে গঠিত কমিটি আগামী ৩দিনের মধ্যে বাতিল করে দলের ত্যাগী ও প্রকৃত নেতার্মীদের নিয়ে কমিটি গঠনের দাবীতে আল্টিমেটামও দেয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির সদস্য ও ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান  গাজী আব্দুল হালিম লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। সংবাদ সম্মেলনে ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ বলেন, গত ২৪এপ্রিলে ঈদ পুনর্মিলনী করে সকল রাজাতৈতিক কর্মকান্ড শেষ করে বাড়িতে যেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখি ডুমুরিয়া উপজেলাসহ ৫টি উপজেলার ২টি পৌরসভার আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। আমরা বিস্ময়ে লক্ষ্য করলাম কোন রকম পূর্বাভাস, সমাবেশ, আলোচনা অথবা জেলা বিএনপির কোন সভা অথবা ভোটবিহীনভাবে জেলা আহবায়ক এবং সদস্য সচিবের পকেটের কর্মীদের নিয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। যাদের বিগত দিনে কোন রাজনৈতিক পরিচয় নেই, আন্দোলন সংগ্রামে নেই কোন ভূমি সামাজিক অবস্থাও নেই। হঠাৎ করে এই ধরণের লোকদের দিয়ে কমিটি দেওযায় ডুমুরিয়া বিএনপির সকল কর্মীরা হতবাক হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আমরা হতবাক হয়েছি এই ভেবে যে, বিগত দিনের আহবায়ক কমিটি প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত। সেই কমিটিকে বাইপাস করে ত্যাগী ও পরীক্ষিত রাজনৈতিক কর্মিদের বাদ দিয়ে আহবায়ক ও সদস্য সচিবের ব্যক্তিগত সম্পর্কযুক্ত লোককে আহবায়ক করা হয়েছে। আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমানের ঘোষনা এক নেতা এক পদ। সেই সিদ্ধান্তকে অমান্য করে খুলনা জেলা বিএনপির ৫ নম্বর যুগ্ম-আহবায়ককে ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির আহবায়ক হিসেবে পুনরায় মনোনীত করা হয়েছে। আর সদস্য সচিব হিসেবে যাকে মনোনীত করা হয়েছে তার ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির রাজনীতিতে কখনও কোনদিন কোনো রাজনৈতিক ভূমিকা ছিলো না। সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ বলেন, বর্তমান ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির যুগ্ম-আহবায়ক হিসেবে মনোনীত হয়েছে ৫নং আটলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শেখ হেলাল উদ্দিন। যিনি ৬মাস পূর্বে আওয়ামীলীগের এমপির সাথে মিটিংয়ে দেয়া বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় জেলা বিএনপি তাৎক্ষণিক তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে। সে আবারও টাকার বিনিময়ে আহবায়ক এবং সদস্য সচিবকে ম্যানেজ করে যুগ্ম-আহবায়ক হিসাবে মনোনীত হয়েছে। আহবায়ক কমিটির আর এক সদস্য মোল্লা মাহাবুবুর রহমান কোনদিন রাজ পথে কোন মিছিল করে নাই তিনি বর্তমান আহবায়কের ব্যবসায়িক পার্টনার। সেই কারনে তাকে যুগ্ম-আহবায়ক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। কিন্তু দু:খজনক হলেও সত্য, ‘বর্তমানে নির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোহম্মদ জহুরুল ইসলামকে এই কমিটিতে রাখা হয়নি। আব্দুস সালাম নির্বাচিত ইউপি সদস্য এবং আটলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তাকে এই কমিটিতে সদস্য রাখা হয়নি। সরদার দৌলত হোসেন সাধারন সম্পাদক আটলিয়া ইউনিয়ন বিএনপি এবং ধানের শীষ মনোনীত চেয়ারম্যান ছিলো এবং ১০টার অধিক মিথ্যা মামলার আসামী। তাকে এই কমিটিতে অসম্মান করা হয়েছে। মোহাম্মদ জহুরুল আকুঞ্জি জেলা বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা। তাকে সদস্য পদ পর্যন্ত দেওয়া হয় নাই। রঘুনাথপুর ইউনিয়ন বিএনপি সাধারণ সম্পাদক এবং ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শাহাদুজ্জামান বাবুকে এই কমিটির সদস্য পদে রাখা হয়নি, ৪ নম্বর খর্ণিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি দিদারুল ইসলাম দিদারকে এই কমিটিতে অসম্মান করা হয়েছে। গাজি আব্দুল হালিম খুলনা জেলায় একমাত্র নির্বাচিত উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তাকে সামাজিক ভাবে অসম্মান করা হয়েছে। এছাড়া সাবেক ছাত্রনেতা আমিনুর মোড়ল, ফরহাদ হোসেন, শহিদুজ্জামান শহিদ, মশিউর রহমান লিটন, হাবিবুর রহমান হবি, পরিতোষ কুমার বালা, নজরুল ইসলাম মোড়ল,আজমল হুদা মিঠু, শেখ শাহিনুর রহমান শাহিন সহ অসংখ্য ত্যগী রাজনৈতিক পরীক্ষিত কর্মি যারা পারিবারিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ সামাজিক অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া তাদেরকে বাদ দিয়েছে যে কমিটি করা হয়েছে সেই কমিটি আমরা প্রত্যাখ্যান করছি। সেই সাথে খুলনা জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খান এবং সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পীকে ডুমুরিয়ার মাটিতে তাদেরকে অবাঞ্চিত ঘোষনা করছি।’ নেতৃবৃন্দ বলেন, জেলা বিএনপির আহবায়ক এবং সদস্য সচিব আগামী ৩ দিনের মধ্যে যদি কমিটি পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত না নেয় এবং পূর্বের সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে না আসে তাহলে উদ্বুদ্ধ পরিস্থিতির দায় তাদেরকে নিতে হবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে আল্টিমেটাম দেয়া হয়। সংবাদ সম্মেলনে ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্মআহবায়ক হাবিবুর রহমান হবি, ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুর রহমান, আটলিয়া ইউপি বিএনপির সবাপতি আত্দস সালাম মহালদার, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক ইউপি সদস্য সরদার দৌলত হোসেন, মো: মহসীন, মাগুরাঘোনা ইউপি ছাত্রদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক শহিদুজ্জামান শহিদ, সাবেক যুগ্মআহবায়ক নজরুল ইসলাম, জিল্লুর রহমান, মো: সেলিম ও হাফিজুর রহমানসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

জনপ্রিয়

কেইউজের নির্বাচন ২৯ জুন :  ভুয়া কমিটি নিয়ে বিভ্রান্ত না হতে সদস্যদের প্রতি নেতৃবৃন্দের আহ্বান

ডুমুরিয়ায় জেলা বিএনপির আহবায়ক ও সদস্য সচিবকে অবাঞ্চিত ঘোষনা-৩দিনের আল্টিমেটাম

অর্থের বিনিময়ে দালাল, অযোগ্য, ও মাদক ব্যবসায়ীদের দিয়ে বিএনপির কমিটি প্রত্যাখান

প্রকাশিত সময় : ০৯:৪৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৩

###    খুলনা জেলা বিএনপির অসাংগঠনিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে ডুমুরিয়া উপজেলার নতুন আহবায়ক কমিটি প্রত্যাখ্যান করেছে উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ্।বৃহষ্পতিবার খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ূন কবীল বালু মিলনায়তনে সাংবাদ সম্মেলনে জেলা কমিটির আহবায়ক আমী এজাজ খান ও সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পী অগঠনতান্ত্রিকভাবে অর্থের বিনিময়ে সরকারের দালাল, বহিষ্কৃত, অযোগ্য ও মাদক ব্যবসায়ীদের দিয়ে গঠিত কমিটি আগামী ৩দিনের মধ্যে বাতিল করে দলের ত্যাগী ও প্রকৃত নেতার্মীদের নিয়ে কমিটি গঠনের দাবীতে আল্টিমেটামও দেয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির সদস্য ও ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান  গাজী আব্দুল হালিম লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। সংবাদ সম্মেলনে ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ বলেন, গত ২৪এপ্রিলে ঈদ পুনর্মিলনী করে সকল রাজাতৈতিক কর্মকান্ড শেষ করে বাড়িতে যেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখি ডুমুরিয়া উপজেলাসহ ৫টি উপজেলার ২টি পৌরসভার আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। আমরা বিস্ময়ে লক্ষ্য করলাম কোন রকম পূর্বাভাস, সমাবেশ, আলোচনা অথবা জেলা বিএনপির কোন সভা অথবা ভোটবিহীনভাবে জেলা আহবায়ক এবং সদস্য সচিবের পকেটের কর্মীদের নিয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। যাদের বিগত দিনে কোন রাজনৈতিক পরিচয় নেই, আন্দোলন সংগ্রামে নেই কোন ভূমি সামাজিক অবস্থাও নেই। হঠাৎ করে এই ধরণের লোকদের দিয়ে কমিটি দেওযায় ডুমুরিয়া বিএনপির সকল কর্মীরা হতবাক হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আমরা হতবাক হয়েছি এই ভেবে যে, বিগত দিনের আহবায়ক কমিটি প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত। সেই কমিটিকে বাইপাস করে ত্যাগী ও পরীক্ষিত রাজনৈতিক কর্মিদের বাদ দিয়ে আহবায়ক ও সদস্য সচিবের ব্যক্তিগত সম্পর্কযুক্ত লোককে আহবায়ক করা হয়েছে। আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমানের ঘোষনা এক নেতা এক পদ। সেই সিদ্ধান্তকে অমান্য করে খুলনা জেলা বিএনপির ৫ নম্বর যুগ্ম-আহবায়ককে ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির আহবায়ক হিসেবে পুনরায় মনোনীত করা হয়েছে। আর সদস্য সচিব হিসেবে যাকে মনোনীত করা হয়েছে তার ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির রাজনীতিতে কখনও কোনদিন কোনো রাজনৈতিক ভূমিকা ছিলো না। সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ বলেন, বর্তমান ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির যুগ্ম-আহবায়ক হিসেবে মনোনীত হয়েছে ৫নং আটলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শেখ হেলাল উদ্দিন। যিনি ৬মাস পূর্বে আওয়ামীলীগের এমপির সাথে মিটিংয়ে দেয়া বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় জেলা বিএনপি তাৎক্ষণিক তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে। সে আবারও টাকার বিনিময়ে আহবায়ক এবং সদস্য সচিবকে ম্যানেজ করে যুগ্ম-আহবায়ক হিসাবে মনোনীত হয়েছে। আহবায়ক কমিটির আর এক সদস্য মোল্লা মাহাবুবুর রহমান কোনদিন রাজ পথে কোন মিছিল করে নাই তিনি বর্তমান আহবায়কের ব্যবসায়িক পার্টনার। সেই কারনে তাকে যুগ্ম-আহবায়ক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। কিন্তু দু:খজনক হলেও সত্য, ‘বর্তমানে নির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোহম্মদ জহুরুল ইসলামকে এই কমিটিতে রাখা হয়নি। আব্দুস সালাম নির্বাচিত ইউপি সদস্য এবং আটলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তাকে এই কমিটিতে সদস্য রাখা হয়নি। সরদার দৌলত হোসেন সাধারন সম্পাদক আটলিয়া ইউনিয়ন বিএনপি এবং ধানের শীষ মনোনীত চেয়ারম্যান ছিলো এবং ১০টার অধিক মিথ্যা মামলার আসামী। তাকে এই কমিটিতে অসম্মান করা হয়েছে। মোহাম্মদ জহুরুল আকুঞ্জি জেলা বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা। তাকে সদস্য পদ পর্যন্ত দেওয়া হয় নাই। রঘুনাথপুর ইউনিয়ন বিএনপি সাধারণ সম্পাদক এবং ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শাহাদুজ্জামান বাবুকে এই কমিটির সদস্য পদে রাখা হয়নি, ৪ নম্বর খর্ণিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি দিদারুল ইসলাম দিদারকে এই কমিটিতে অসম্মান করা হয়েছে। গাজি আব্দুল হালিম খুলনা জেলায় একমাত্র নির্বাচিত উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তাকে সামাজিক ভাবে অসম্মান করা হয়েছে। এছাড়া সাবেক ছাত্রনেতা আমিনুর মোড়ল, ফরহাদ হোসেন, শহিদুজ্জামান শহিদ, মশিউর রহমান লিটন, হাবিবুর রহমান হবি, পরিতোষ কুমার বালা, নজরুল ইসলাম মোড়ল,আজমল হুদা মিঠু, শেখ শাহিনুর রহমান শাহিন সহ অসংখ্য ত্যগী রাজনৈতিক পরীক্ষিত কর্মি যারা পারিবারিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ সামাজিক অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া তাদেরকে বাদ দিয়েছে যে কমিটি করা হয়েছে সেই কমিটি আমরা প্রত্যাখ্যান করছি। সেই সাথে খুলনা জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খান এবং সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পীকে ডুমুরিয়ার মাটিতে তাদেরকে অবাঞ্চিত ঘোষনা করছি।’ নেতৃবৃন্দ বলেন, জেলা বিএনপির আহবায়ক এবং সদস্য সচিব আগামী ৩ দিনের মধ্যে যদি কমিটি পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত না নেয় এবং পূর্বের সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে না আসে তাহলে উদ্বুদ্ধ পরিস্থিতির দায় তাদেরকে নিতে হবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে আল্টিমেটাম দেয়া হয়। সংবাদ সম্মেলনে ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্মআহবায়ক হাবিবুর রহমান হবি, ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুর রহমান, আটলিয়া ইউপি বিএনপির সবাপতি আত্দস সালাম মহালদার, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক ইউপি সদস্য সরদার দৌলত হোসেন, মো: মহসীন, মাগুরাঘোনা ইউপি ছাত্রদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক শহিদুজ্জামান শহিদ, সাবেক যুগ্মআহবায়ক নজরুল ইসলাম, জিল্লুর রহমান, মো: সেলিম ও হাফিজুর রহমানসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ##