০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ২২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

আওয়ামীলীগ ছাড়া আর কোন সরকারই মুক্তিযোদ্ধাদের মুল্যায়ন করেনি : কেসিসি মেয়র

####

 

রামপাল-মোংলা বাগেরহাট-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন শিক্ষার গুনগতমান বৃদ্ধির সাথে সাথে ছেলেমেয়েরা যাতে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারে তার জন্য দক্ষ ও মেধাবী শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। এসরকারের সময় রামপালে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতার সাথে কোন কিছ্রু বিনিময় ছাড়াই আড়াই হাজারেরও বেশি মেধাবী শিক্ষক- কর্মচারী নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সরকার শিক্ষার গুনগত মান উন্নয়নের সাথে সাথে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরও ব্যাপক উন্নয়ন করেছে। বিএনপি- জামায়াত ক্ষমতায় এসে রামপাল -মোংলার কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন বরাদ্দ কেটে নিয়ে যায়। ১৯৯৬ সালে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় এসে সেইসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করেছে। এখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নারীদের কর্মক্ষেত্র বেড়েছে। যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্যই হয়েছে। যারা লেখাপড়ায় জাতীয় ভাবে কৃতিত্ব অর্জন করেছে এবং যারা জিপিএ -৫ পেয়েছে তাদেরকে মুল্যায়ন করতে হবে। কারন তারাই আগামী দিনে দেশ ও জাতির নেতৃত্ব দেবে। তিনি বলেন বিএনপি –জামায়াত ক্ষমতায় এসে মোংলা বন্দর বন্ধ করে দিয়েছিল। আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় এসে আবারো মোংলা বন্দর সচল করে। ২০০৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মোংলায় সাড়ে তিন’শ একর জমিতে ইপিেিজড করেন। এখন সেই ইপিজেড-এ এই এলাকার হাজার হাজার নারী পুরুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।  আমদানী করা সবচেয়ে বেশি গাড়ি খালাস হয় মোংলা বন্দরে। এখন সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকার কাজ চলছে মোংলা  বন্দরের উন্নয়নে। তিনি বলেন দেশ স্বাধীনের পর আওয়ামীলীগ সরকার ছাড়া আর কোন সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের মুল্যায়ন করেনি। বর্তমান সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা চালূ করেছে। তাদের সন্তানদের চাকুরি দিচ্ছে। তাদের বাড়ি করে দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আছে বলে এসব কিছু সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন সবাইকে নিয়ে দলের জন্য কাজ করতে হবে। আগামী নির্বাচনের আগে দলের মধ্যে কোন বিভেদ মান অভিমান থাকলে তা দুর করে এক সাথে কাজ করতে হবে। দেশের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে হলে আবারো নেীকা মার্কায় ভোট দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আবারো ক্ষমতায় বসাতে হবে। রামপাল- মোংলার উন্নয়ন ও অগ্রযাতায় এ আসনে আগামী নির্বাচনে যাকে নৌকা প্রতীকে মনোয়নয় দেয়া হবে তার পক্ষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ রকরতে হবে। রামপাল -মোংলার মানুষ আমার সাথে বেঈমানী করেনি। তারা আমাকে সম্মান দিয়েছে। আমি তাদের কাছে চির কৃতঞ্জ। তাই যতদিন বেচে থাকবো ততদিন রামপাল-মাংলার মানুষের পাশে থাকবো। তিনি ১৫ জুলাই শনিবার সকাল ১০ টায় রামপাল সরকারি ডিগ্রি কলেজের পক্ষ থেকে তাকে ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সম্মিলিত দেশ সেরাদের মেধা তালিকায় ৯ম স্থান পাওয়া ছাত্রীদের পাশাপাশি ২০২২ সালে -৫ প্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা  ও মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বই বিতরন অনুষ্ঠানে পৃথক ভাবে তার বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এসময় উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোল্লা আব্দুর রঊফ, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শেখ মোজাফ্ফর হোসেন, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রেবেকা সুলতানা, সাবেক অধ্যক্ষ মজনুর রহমান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আনোয়ারুল কুদ্দুস, প্রভাষক সাইফুল আলম বখতিয়ার প্রমুখ। এ সময় উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ শেখ আ. ওহাব, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানআলহাজ জামিল হাসান জামু, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল হক লিপন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হোসনেয়ারা মিলি, ইউপি চেয়ারম্যান,আব্দুল্লাহ ফকির, সুলতানা পারভিন ময়না, তপন গোলদার, সাবেক অধ্যক্ষ মোতাহার রহমান, জেলা পরিষদ সদস্য মনির আহমেদ প্রিন্স, সাবেক প্রভাষক আলহাজ আকবর আলী, আরাফাত হোসেন কচি,সাবেক চেয়ারম্যান গাজী গিয়াস উদ্দিন, আলহাজ মোহাম্মদ আলী, গাজী আকতারুজ্জামান, মো, নুরুল আমিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। ##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik Madhumati

আওয়ামীলীগ ছাড়া আর কোন সরকারই মুক্তিযোদ্ধাদের মুল্যায়ন করেনি : কেসিসি মেয়র

প্রকাশিত সময় : ০৮:০২:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুলাই ২০২৩

####

 

রামপাল-মোংলা বাগেরহাট-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন শিক্ষার গুনগতমান বৃদ্ধির সাথে সাথে ছেলেমেয়েরা যাতে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারে তার জন্য দক্ষ ও মেধাবী শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। এসরকারের সময় রামপালে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতার সাথে কোন কিছ্রু বিনিময় ছাড়াই আড়াই হাজারেরও বেশি মেধাবী শিক্ষক- কর্মচারী নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সরকার শিক্ষার গুনগত মান উন্নয়নের সাথে সাথে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরও ব্যাপক উন্নয়ন করেছে। বিএনপি- জামায়াত ক্ষমতায় এসে রামপাল -মোংলার কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন বরাদ্দ কেটে নিয়ে যায়। ১৯৯৬ সালে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় এসে সেইসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করেছে। এখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নারীদের কর্মক্ষেত্র বেড়েছে। যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্যই হয়েছে। যারা লেখাপড়ায় জাতীয় ভাবে কৃতিত্ব অর্জন করেছে এবং যারা জিপিএ -৫ পেয়েছে তাদেরকে মুল্যায়ন করতে হবে। কারন তারাই আগামী দিনে দেশ ও জাতির নেতৃত্ব দেবে। তিনি বলেন বিএনপি –জামায়াত ক্ষমতায় এসে মোংলা বন্দর বন্ধ করে দিয়েছিল। আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় এসে আবারো মোংলা বন্দর সচল করে। ২০০৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মোংলায় সাড়ে তিন’শ একর জমিতে ইপিেিজড করেন। এখন সেই ইপিজেড-এ এই এলাকার হাজার হাজার নারী পুরুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।  আমদানী করা সবচেয়ে বেশি গাড়ি খালাস হয় মোংলা বন্দরে। এখন সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকার কাজ চলছে মোংলা  বন্দরের উন্নয়নে। তিনি বলেন দেশ স্বাধীনের পর আওয়ামীলীগ সরকার ছাড়া আর কোন সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের মুল্যায়ন করেনি। বর্তমান সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা চালূ করেছে। তাদের সন্তানদের চাকুরি দিচ্ছে। তাদের বাড়ি করে দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আছে বলে এসব কিছু সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন সবাইকে নিয়ে দলের জন্য কাজ করতে হবে। আগামী নির্বাচনের আগে দলের মধ্যে কোন বিভেদ মান অভিমান থাকলে তা দুর করে এক সাথে কাজ করতে হবে। দেশের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে হলে আবারো নেীকা মার্কায় ভোট দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আবারো ক্ষমতায় বসাতে হবে। রামপাল- মোংলার উন্নয়ন ও অগ্রযাতায় এ আসনে আগামী নির্বাচনে যাকে নৌকা প্রতীকে মনোয়নয় দেয়া হবে তার পক্ষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ রকরতে হবে। রামপাল -মোংলার মানুষ আমার সাথে বেঈমানী করেনি। তারা আমাকে সম্মান দিয়েছে। আমি তাদের কাছে চির কৃতঞ্জ। তাই যতদিন বেচে থাকবো ততদিন রামপাল-মাংলার মানুষের পাশে থাকবো। তিনি ১৫ জুলাই শনিবার সকাল ১০ টায় রামপাল সরকারি ডিগ্রি কলেজের পক্ষ থেকে তাকে ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সম্মিলিত দেশ সেরাদের মেধা তালিকায় ৯ম স্থান পাওয়া ছাত্রীদের পাশাপাশি ২০২২ সালে -৫ প্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা  ও মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বই বিতরন অনুষ্ঠানে পৃথক ভাবে তার বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এসময় উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোল্লা আব্দুর রঊফ, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শেখ মোজাফ্ফর হোসেন, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রেবেকা সুলতানা, সাবেক অধ্যক্ষ মজনুর রহমান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আনোয়ারুল কুদ্দুস, প্রভাষক সাইফুল আলম বখতিয়ার প্রমুখ। এ সময় উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ শেখ আ. ওহাব, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানআলহাজ জামিল হাসান জামু, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল হক লিপন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হোসনেয়ারা মিলি, ইউপি চেয়ারম্যান,আব্দুল্লাহ ফকির, সুলতানা পারভিন ময়না, তপন গোলদার, সাবেক অধ্যক্ষ মোতাহার রহমান, জেলা পরিষদ সদস্য মনির আহমেদ প্রিন্স, সাবেক প্রভাষক আলহাজ আকবর আলী, আরাফাত হোসেন কচি,সাবেক চেয়ারম্যান গাজী গিয়াস উদ্দিন, আলহাজ মোহাম্মদ আলী, গাজী আকতারুজ্জামান, মো, নুরুল আমিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। ##