০১:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
কেসিসির মেয়র-কোউন্সিলর প্রার্থীদের প্রতিক বরাদ্ধ-প্রচারনা শুরু :

আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ার প্রতিশ্রুতি ০৪মেয়র প্রার্থীর

###     খুলনা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামীলীগ, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন ও জাকের পার্টিসহ চার মেয়র প্রার্থী, ১৩৬জন সাধারন কাউন্সিলর ও ৩৯জন সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থীর প্রতিক বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। শুক্রবার সকালে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে এ প্রতিক বরাদ্ধ দেয়া হয়।কেসিসি নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মো: আলাউদ্দিন প্রথমে জাকের পার্টির প্রার্থী মো: ছাব্বির হোসেনকে গোলাপফুল প্রতিক বরাদ্ধ করেন। পরে আওয়ামীলীগের প্রার্থী ও সদ্য বিদায়ী মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেককে নৌকা, ইসলামী আন্দোলনের আ: আউয়ালকে হাতপাখা ও জাতীয় পার্টির শফিকুল ইসলাম মধুকে লাঙ্গল প্রতিক বরাদ্ধ দেন। পরে সকাল এগারোটা থেকে কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রতিক বরাদ্ধ দেয়া শুরু হয়। এদিন বিকেল চারটা পর্যন্ত ৩১টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রতিক বরাদ্ধ সম্পন্ন হয়। প্রতিক পেয়েই নির্বাচন অফিসের সামনে থেকেই প্রচারণা শুরু করে চার মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা। মেয়র পদে আওয়ামীলীগের প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে নগরীর নিউ মার্কেট এলাকা, কাচা বাজার, কেডিএ এ্যাপ্রোচ রোড, বয়রা রোডসহ শিববাড়ি এলাকায় প্রচারনা চালান। এ সময় তালুকদার খালেক বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার খুলনার উন্নয়নে বিশষে নজর রয়েছে। সে কারনে গত ৫বছরে খুলনা সিটি করপোরেশন বিগত ৩৩বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বরাদ্ধ পেয়েছে। যার মাধ্যমে খুলনা মহানগরীকে আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও মডেল নগরী হিসেবে গড়ে তোলার কাজ করা হয়েছে। এখনও কয়েকশো কোটি টাকার কাজ চলছে। নগরীল উন্নয়ন কাজের ধারাবাহিকতা রক্ষায় তিনি নৌকা প্রতিকে ভোট দিয়ে আবারও তাকে বিজয়ী করার জন্য ভোটারদের প্রতি আহবান জানান। তিনি আরও বলেন, চলমান কাজ বাস্তবায়িত হলে খুলনা একটি পরিচ্ছন্ন ও মডেল শহর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। এ সময় মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, দপ্তর সম্পাদক মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, এ্যাড. বাদশা, তছলিম আহমেদ আশা, মফিদুল ইসলাম টুটুলসহ নেতাকর্মীরা প্রচারনায় অংশ গ্রহন করেন।

এদিকে, ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী মো: আব্দুল আউয়াল নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে প্রচার-প্রচারনা শুরু করেন। তিনি নগরীর ডাকবাংলা, রুপসা, নিউমার্কেট, নতুন রাস্তা, সোনাডাঙ্গা, খালিশপুর, দৌলতপুর বাজার, ফুলবাড়িগেটসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও পথসভায় অংশ নেন। এ সময় আব্দুল আউয়াল বলেন, দেশবাসী আজ পরিবর্তন চায়। আর এ পরিবর্তনের সূচনা খুলনা থেকেই শুরু হবে ইনশাআল্লাহ। সে কারনে আমি বিশ্বাস করি নগরবাসী একজন সৎ, যোগ্য, শিক্ষিত এবং আল্লাহভীরু লোককে নিজেদের নগর পিতা হিসেবে বেছে নেবেন। তিনি আরো বলেন, অতীতে যারাই ক্ষমতায় ছিলো তারাই সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও মাদকের মাধ্যমে দেশকে তলাবিহীন ঝুঁড়িতে পরিণত করেছে। নগরবাসীর সমস্যা লাঘবে ব্যর্থ হয়েছেন বার বার। জলাবদ্ধতা, মশকনিধন ও দুষণমুক্ত নগর গড়তে পারেননি তারা।সুতরাং আগামী ১২ই জুন সিটি নির্বাচনে সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত উন্নত সিটি গড়তে আল্লাহভীরু মেয়র নির্বাচিত করতে হাতপাকায় ভোট দেয়ার আহবান জানান। এ সময় ইসলামী আন্দোলন কেসিসি নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান পরিচালক মোঃ নাসির উদ্দিন, সহকারী পরিচালক মুফতি আমানুল্লাহ, সমন্বয়নকারী মুফতি ইমরান হুসাইন, নির্বাচনী প্রধান এজেন্ট শেখ হাসান ওবায়দুল করিম, অর্থ সমন্বয়নকারী আবু গালিব, সহ সম্বয়নকারী রবিউল ইসলাম তুষার, মিডিয়া সমন্বয়কারী আব্দুল্লাহ আল নোমান, ফেরদৌস গাজী সুমন, গনসংযোগ সমন্বয়কারী মোঃ সাইফুল ইসলাম, সহ মিডিয়া সমন্বয়ক আব্দুল্লাহ আল-মামুন, সহ মিডিয়া সমন্বয়ক এম এ সাদী, প্রকাশনা সমন্বয়কারী মাহাদী হাসান মুন্নাসহ থানা ও ওয়ার্ডের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ তার সঙ্গে ছিলেন।

 

এছাড়া প্রতিক পেয়ে প্রচার-প্রচারনায় পিছিয়ে নেই জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মধু ও জাকের পার্টির প্রার্থী মো: ছাব্বির হোসেন। জাতীয় পার্টির প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মধু নগরীর ডাকবাংরা মোড়ে জাতীয় পার্টির অফিসে দোয়া মোনাত করে নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রচারনা শুরু করেন। তিনি ডাকবাংলা, সিমেট্রি রোড, যমোর রোড, চেম্বার বিল্ডিং এলাকা ও সোনাডাঙ্গা এরাকায় গনসংযোগ ও প্রচারনায় অংশ নেন। এ সময় সাবেক মন্ত্রী সৈয়দ দিদার বখতসহ দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় শফিকুল ইসলাম মদু বলেন, খুলনার উন্নয়ন প্রায় সবই জাতীয় পার্টির সরকারের সময়ে হয়েছে। তারপরে যারাই ক্ষমতায় এসেছেন তারা খুলনার তেমন কোন উন্নয়ণ করেননি। বিশেষ করে গত ৫বছরে যিনি মেয়র ছিলেন তিনি একজন দক্ষ রাজনীতিক কিন্তু তিনি মেয়র হিসেবে ব্যর্থ হয়েছে। গত ৫বছরে সরকার বরাদ্ধ দিলেও তিনি তেমন কোন দৃশ্যমান কাজ তিনি করতে পারেননি। তাই আগামীতে আধুনিক ও উন্নত খুলনা গড়তে বোটাররা আবারও জাতীয় পার্টির প্রার্থীকে ভোট দিবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অন্যদিকে, জাকের পার্টির প্রার্থী মো: ছাব্বির হোসেনও প্রতিক পেয়ে গনসংযোগ ও প্রচারনা শুরু করেন। তিনি সোনাডাঙ্গা, মোল্লাবাড়ী মোড়, কেডিএ এভিনিউসহ কয়েকটি এলাকায় গনসংযোগ ও প্রচারনায় অংশ নেন। এ সময় তিনি বলেন, মহানগরীর অবকাটামোগত উন্নয়নের পামাপাশি মানবিক ও ইসলামী ভাবধারার উন্নয়নে তিনি বেশী আগ্রহী হবেন। একই সাথে জাকের পার্টির মেনিফেষ্ট ও নীতির সাথে সহযোগীতামূলকভাবে সবাইকে নিয়ে সমন্বয়ের মাধ্যমে সকল কাজ বাস্তবায়ন করবেন বলে জানান। তিনি শান্তির একটি শহর গড়ে তোলার জন্য গোলাপফুল প্রতিকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করার জন্য নগরবাসীকে আহবান জানান। এ সময় তার সাথে দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আগামী ১২জুন কেসিসি নির্বাচনে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে। এবারের খুলনা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে মোট ভোটার ৫লাখ ৩৫হাজার ৫২৯জন। এরম্যেধ পুরুষ ভোটার ২লাখ ৬৮হাজার ৮৩৩ ও নারী ভোটার ২লাখ ৬৬হাজার ৬৯৬জন। এর আগে ২০০৮ সালের ৪ আগষ্ট তৃতীয় নির্বাচন, ২০১৩ সালের ১৫ জুন কেসিসির চতুর্থ নির্বাচন ও ২০১৮ সালের ১৫মে পঞ্চম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

জনপ্রিয়

কেসিসির মেয়র-কোউন্সিলর প্রার্থীদের প্রতিক বরাদ্ধ-প্রচারনা শুরু :

আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ার প্রতিশ্রুতি ০৪মেয়র প্রার্থীর

প্রকাশিত সময় : ০৯:২১:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ মে ২০২৩

###     খুলনা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামীলীগ, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন ও জাকের পার্টিসহ চার মেয়র প্রার্থী, ১৩৬জন সাধারন কাউন্সিলর ও ৩৯জন সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থীর প্রতিক বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। শুক্রবার সকালে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে এ প্রতিক বরাদ্ধ দেয়া হয়।কেসিসি নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মো: আলাউদ্দিন প্রথমে জাকের পার্টির প্রার্থী মো: ছাব্বির হোসেনকে গোলাপফুল প্রতিক বরাদ্ধ করেন। পরে আওয়ামীলীগের প্রার্থী ও সদ্য বিদায়ী মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেককে নৌকা, ইসলামী আন্দোলনের আ: আউয়ালকে হাতপাখা ও জাতীয় পার্টির শফিকুল ইসলাম মধুকে লাঙ্গল প্রতিক বরাদ্ধ দেন। পরে সকাল এগারোটা থেকে কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রতিক বরাদ্ধ দেয়া শুরু হয়। এদিন বিকেল চারটা পর্যন্ত ৩১টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রতিক বরাদ্ধ সম্পন্ন হয়। প্রতিক পেয়েই নির্বাচন অফিসের সামনে থেকেই প্রচারণা শুরু করে চার মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা। মেয়র পদে আওয়ামীলীগের প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে নগরীর নিউ মার্কেট এলাকা, কাচা বাজার, কেডিএ এ্যাপ্রোচ রোড, বয়রা রোডসহ শিববাড়ি এলাকায় প্রচারনা চালান। এ সময় তালুকদার খালেক বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার খুলনার উন্নয়নে বিশষে নজর রয়েছে। সে কারনে গত ৫বছরে খুলনা সিটি করপোরেশন বিগত ৩৩বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বরাদ্ধ পেয়েছে। যার মাধ্যমে খুলনা মহানগরীকে আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও মডেল নগরী হিসেবে গড়ে তোলার কাজ করা হয়েছে। এখনও কয়েকশো কোটি টাকার কাজ চলছে। নগরীল উন্নয়ন কাজের ধারাবাহিকতা রক্ষায় তিনি নৌকা প্রতিকে ভোট দিয়ে আবারও তাকে বিজয়ী করার জন্য ভোটারদের প্রতি আহবান জানান। তিনি আরও বলেন, চলমান কাজ বাস্তবায়িত হলে খুলনা একটি পরিচ্ছন্ন ও মডেল শহর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। এ সময় মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, দপ্তর সম্পাদক মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, এ্যাড. বাদশা, তছলিম আহমেদ আশা, মফিদুল ইসলাম টুটুলসহ নেতাকর্মীরা প্রচারনায় অংশ গ্রহন করেন।

এদিকে, ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী মো: আব্দুল আউয়াল নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে প্রচার-প্রচারনা শুরু করেন। তিনি নগরীর ডাকবাংলা, রুপসা, নিউমার্কেট, নতুন রাস্তা, সোনাডাঙ্গা, খালিশপুর, দৌলতপুর বাজার, ফুলবাড়িগেটসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও পথসভায় অংশ নেন। এ সময় আব্দুল আউয়াল বলেন, দেশবাসী আজ পরিবর্তন চায়। আর এ পরিবর্তনের সূচনা খুলনা থেকেই শুরু হবে ইনশাআল্লাহ। সে কারনে আমি বিশ্বাস করি নগরবাসী একজন সৎ, যোগ্য, শিক্ষিত এবং আল্লাহভীরু লোককে নিজেদের নগর পিতা হিসেবে বেছে নেবেন। তিনি আরো বলেন, অতীতে যারাই ক্ষমতায় ছিলো তারাই সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও মাদকের মাধ্যমে দেশকে তলাবিহীন ঝুঁড়িতে পরিণত করেছে। নগরবাসীর সমস্যা লাঘবে ব্যর্থ হয়েছেন বার বার। জলাবদ্ধতা, মশকনিধন ও দুষণমুক্ত নগর গড়তে পারেননি তারা।সুতরাং আগামী ১২ই জুন সিটি নির্বাচনে সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত উন্নত সিটি গড়তে আল্লাহভীরু মেয়র নির্বাচিত করতে হাতপাকায় ভোট দেয়ার আহবান জানান। এ সময় ইসলামী আন্দোলন কেসিসি নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান পরিচালক মোঃ নাসির উদ্দিন, সহকারী পরিচালক মুফতি আমানুল্লাহ, সমন্বয়নকারী মুফতি ইমরান হুসাইন, নির্বাচনী প্রধান এজেন্ট শেখ হাসান ওবায়দুল করিম, অর্থ সমন্বয়নকারী আবু গালিব, সহ সম্বয়নকারী রবিউল ইসলাম তুষার, মিডিয়া সমন্বয়কারী আব্দুল্লাহ আল নোমান, ফেরদৌস গাজী সুমন, গনসংযোগ সমন্বয়কারী মোঃ সাইফুল ইসলাম, সহ মিডিয়া সমন্বয়ক আব্দুল্লাহ আল-মামুন, সহ মিডিয়া সমন্বয়ক এম এ সাদী, প্রকাশনা সমন্বয়কারী মাহাদী হাসান মুন্নাসহ থানা ও ওয়ার্ডের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ তার সঙ্গে ছিলেন।

 

এছাড়া প্রতিক পেয়ে প্রচার-প্রচারনায় পিছিয়ে নেই জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মধু ও জাকের পার্টির প্রার্থী মো: ছাব্বির হোসেন। জাতীয় পার্টির প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মধু নগরীর ডাকবাংরা মোড়ে জাতীয় পার্টির অফিসে দোয়া মোনাত করে নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রচারনা শুরু করেন। তিনি ডাকবাংলা, সিমেট্রি রোড, যমোর রোড, চেম্বার বিল্ডিং এলাকা ও সোনাডাঙ্গা এরাকায় গনসংযোগ ও প্রচারনায় অংশ নেন। এ সময় সাবেক মন্ত্রী সৈয়দ দিদার বখতসহ দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় শফিকুল ইসলাম মদু বলেন, খুলনার উন্নয়ন প্রায় সবই জাতীয় পার্টির সরকারের সময়ে হয়েছে। তারপরে যারাই ক্ষমতায় এসেছেন তারা খুলনার তেমন কোন উন্নয়ণ করেননি। বিশেষ করে গত ৫বছরে যিনি মেয়র ছিলেন তিনি একজন দক্ষ রাজনীতিক কিন্তু তিনি মেয়র হিসেবে ব্যর্থ হয়েছে। গত ৫বছরে সরকার বরাদ্ধ দিলেও তিনি তেমন কোন দৃশ্যমান কাজ তিনি করতে পারেননি। তাই আগামীতে আধুনিক ও উন্নত খুলনা গড়তে বোটাররা আবারও জাতীয় পার্টির প্রার্থীকে ভোট দিবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অন্যদিকে, জাকের পার্টির প্রার্থী মো: ছাব্বির হোসেনও প্রতিক পেয়ে গনসংযোগ ও প্রচারনা শুরু করেন। তিনি সোনাডাঙ্গা, মোল্লাবাড়ী মোড়, কেডিএ এভিনিউসহ কয়েকটি এলাকায় গনসংযোগ ও প্রচারনায় অংশ নেন। এ সময় তিনি বলেন, মহানগরীর অবকাটামোগত উন্নয়নের পামাপাশি মানবিক ও ইসলামী ভাবধারার উন্নয়নে তিনি বেশী আগ্রহী হবেন। একই সাথে জাকের পার্টির মেনিফেষ্ট ও নীতির সাথে সহযোগীতামূলকভাবে সবাইকে নিয়ে সমন্বয়ের মাধ্যমে সকল কাজ বাস্তবায়ন করবেন বলে জানান। তিনি শান্তির একটি শহর গড়ে তোলার জন্য গোলাপফুল প্রতিকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করার জন্য নগরবাসীকে আহবান জানান। এ সময় তার সাথে দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আগামী ১২জুন কেসিসি নির্বাচনে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে। এবারের খুলনা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে মোট ভোটার ৫লাখ ৩৫হাজার ৫২৯জন। এরম্যেধ পুরুষ ভোটার ২লাখ ৬৮হাজার ৮৩৩ ও নারী ভোটার ২লাখ ৬৬হাজার ৬৯৬জন। এর আগে ২০০৮ সালের ৪ আগষ্ট তৃতীয় নির্বাচন, ২০১৩ সালের ১৫ জুন কেসিসির চতুর্থ নির্বাচন ও ২০১৮ সালের ১৫মে পঞ্চম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ##