০২:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

উন্নয়নের পক্ষে খালেকের উপরই আস্থা রাখলো নগরবাসী

####

খুলনা মহানগরীর উন্নয়নে দেয়া ওয়াদার পক্ষেই আস্থা রেখে ভোট দিয়ে তালুকদার খালেককেই সিটি মেয়র নির্বাচিত করলো নগরবাসী। সোমাবর কেসিসি নির্বাচনে ভোট দিয়ে তৃতীয়বারের মত নগর পিতা নির্বাচিত করে দেড় লক্ষাধিক ভোটার। খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ২৮৯টি কেন্দ্রের ঘোষিত ফলাফলে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। কেসিসি নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় ফলাফল ঘোষনা কেন্দ্র জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে এ ফলাফল ঘোষনা করেন। ঘোষিত ফলাফলে তালুকদার আব্দুল খালেক পেয়েছেন ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮২৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল আউয়াল পেয়েছেন ৬০ হাজার ৬৪ ভোট। এ সময় নির্বাচন কমিশনের যুগ্মসচিব মো: মনিুরজ্জামান তালুকদার, জেলা প্রশাসক মো: ইয়াসির আরেফিন, জেলা নির্বাচন অফিসার ফারাজী বেনজীর আহমেদসহ সহকারী রিটার্নিং অফিসারবৃন্দ এবং সাংবাদিকবৃন্দ ও আওয়ামীলীগের র্নিবাচন পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।  নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীর মধ্যে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম মধু লাঙল প্রতীকে পেয়েছেন ১৮ হাজার ৭৪ ভোট, জাকের পার্টির এস এম সাব্বির হোসেন গোলাপ ফুল প্রতীকে পেয়েছেন ৬ হাজার ৯৬ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএম শফিকুর রহমান টেবিল ঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ১৭ হাজার ২১৮ ভোট।

বিজয়ী ঘোষনার পরে তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় নতুন মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, এ বিজয় খুলনা নগরবাসীর বিজয়। পুনরায় তাকে ভোট দিয়ে মেয়র নির্বাচিত করার জন্য নগরীর সকল শ্রেনী-পেশার মানুষের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, নগরবাসীর জন্য আমার দেয়া সকল প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নই হবে প্রথম ও একমাত্র কর্তব্য। তার এ বিজয়ে দলের নেতাকর্মী, বিভিন্ন শ্রেনী ও পেশার মানুষ এবং সাংবাদিকসহ সবারই অবদান রয়েছে। তিনি তাকে মেয়র পদে মনোনয়ন দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকেও ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি আগামীতে নগরবাসীর মতামত ও সবাইকে নিয়ে খুলনার উন্নয়নের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করবেন বলেও জানান। পরে তিনি দলীয় নেতার্কমীদের আনন্দ-উচ্ছ্বাস এবং শ্লোাগনের মধ্য দিয়ে তাকে স্বাগত জানায়। ফরাফল ঘোষনা কেন্দ্র থেকে বের হয়ে তিনি দলীয় র্কাযালয়ে যান। দলীয় কার্যালয়ে মহানগর ও জেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্চাসেবকলীগ, মহিলালীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগ, যুবমহিলা লীগ, কৃষকলীগসহ বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

এরআগে সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত খুলনা সিটি করপোরেশনে(কেসিসি) উৎসব মুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।  প্রথমবারের মতো ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)-এ ভোট দিয়েছে ৫লাখ ৩৫হাজার ৫২৯ জন ভোটার। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৮ হাজার ৩০০ সদস্য মোতায়েন করা হয়। সব মিলিয়ে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। নির্বাচনকে ঘিরে খুলনায় বিজিবির ১১ প্লাটুন সদস্য ছাড়াও নির্বাচনি মাঠে ছিলেন ৪৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ১০ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। এবার কেসিসি নির্বাচনে পাঁচজন মেয়র প্রার্থী, ৩১টি সাধারণ ওয়ার্ডে ১৩৬ জন কাউন্সিলর প্রার্থী এবং সংরক্ষিত ১০টি ওয়ার্ডে ৩৯জন নারী কাউন্সিলর প্রার্থীসহ মোট ১৮০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তবে কাউন্সিলর পদে সাধারণ ওয়ার্ডের দুজন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচনে ভোটাররা ২৮৯টি ভোটকেন্দ্রের এক হাজার ৭৩২টি কক্ষে ইভিএমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik Madhumati

জনপ্রিয়

উন্নয়নের পক্ষে খালেকের উপরই আস্থা রাখলো নগরবাসী

প্রকাশিত সময় : ০৮:৩৪:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন ২০২৩

####

খুলনা মহানগরীর উন্নয়নে দেয়া ওয়াদার পক্ষেই আস্থা রেখে ভোট দিয়ে তালুকদার খালেককেই সিটি মেয়র নির্বাচিত করলো নগরবাসী। সোমাবর কেসিসি নির্বাচনে ভোট দিয়ে তৃতীয়বারের মত নগর পিতা নির্বাচিত করে দেড় লক্ষাধিক ভোটার। খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ২৮৯টি কেন্দ্রের ঘোষিত ফলাফলে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। কেসিসি নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় ফলাফল ঘোষনা কেন্দ্র জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে এ ফলাফল ঘোষনা করেন। ঘোষিত ফলাফলে তালুকদার আব্দুল খালেক পেয়েছেন ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮২৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল আউয়াল পেয়েছেন ৬০ হাজার ৬৪ ভোট। এ সময় নির্বাচন কমিশনের যুগ্মসচিব মো: মনিুরজ্জামান তালুকদার, জেলা প্রশাসক মো: ইয়াসির আরেফিন, জেলা নির্বাচন অফিসার ফারাজী বেনজীর আহমেদসহ সহকারী রিটার্নিং অফিসারবৃন্দ এবং সাংবাদিকবৃন্দ ও আওয়ামীলীগের র্নিবাচন পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।  নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীর মধ্যে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম মধু লাঙল প্রতীকে পেয়েছেন ১৮ হাজার ৭৪ ভোট, জাকের পার্টির এস এম সাব্বির হোসেন গোলাপ ফুল প্রতীকে পেয়েছেন ৬ হাজার ৯৬ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএম শফিকুর রহমান টেবিল ঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ১৭ হাজার ২১৮ ভোট।

বিজয়ী ঘোষনার পরে তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় নতুন মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, এ বিজয় খুলনা নগরবাসীর বিজয়। পুনরায় তাকে ভোট দিয়ে মেয়র নির্বাচিত করার জন্য নগরীর সকল শ্রেনী-পেশার মানুষের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, নগরবাসীর জন্য আমার দেয়া সকল প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নই হবে প্রথম ও একমাত্র কর্তব্য। তার এ বিজয়ে দলের নেতাকর্মী, বিভিন্ন শ্রেনী ও পেশার মানুষ এবং সাংবাদিকসহ সবারই অবদান রয়েছে। তিনি তাকে মেয়র পদে মনোনয়ন দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকেও ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি আগামীতে নগরবাসীর মতামত ও সবাইকে নিয়ে খুলনার উন্নয়নের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করবেন বলেও জানান। পরে তিনি দলীয় নেতার্কমীদের আনন্দ-উচ্ছ্বাস এবং শ্লোাগনের মধ্য দিয়ে তাকে স্বাগত জানায়। ফরাফল ঘোষনা কেন্দ্র থেকে বের হয়ে তিনি দলীয় র্কাযালয়ে যান। দলীয় কার্যালয়ে মহানগর ও জেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্চাসেবকলীগ, মহিলালীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগ, যুবমহিলা লীগ, কৃষকলীগসহ বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

এরআগে সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত খুলনা সিটি করপোরেশনে(কেসিসি) উৎসব মুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।  প্রথমবারের মতো ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)-এ ভোট দিয়েছে ৫লাখ ৩৫হাজার ৫২৯ জন ভোটার। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৮ হাজার ৩০০ সদস্য মোতায়েন করা হয়। সব মিলিয়ে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। নির্বাচনকে ঘিরে খুলনায় বিজিবির ১১ প্লাটুন সদস্য ছাড়াও নির্বাচনি মাঠে ছিলেন ৪৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ১০ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। এবার কেসিসি নির্বাচনে পাঁচজন মেয়র প্রার্থী, ৩১টি সাধারণ ওয়ার্ডে ১৩৬ জন কাউন্সিলর প্রার্থী এবং সংরক্ষিত ১০টি ওয়ার্ডে ৩৯জন নারী কাউন্সিলর প্রার্থীসহ মোট ১৮০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তবে কাউন্সিলর পদে সাধারণ ওয়ার্ডের দুজন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচনে ভোটাররা ২৮৯টি ভোটকেন্দ্রের এক হাজার ৭৩২টি কক্ষে ইভিএমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ##