০২:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
খুলনার সাংবাদিকদের সাথে চিকিৎসকদের মতবিনিময় সভা

কর্মবিরতিকে না বলে ঘটনার নেপথ্যের কারণ উদঘাটন ও স্থায়ী সমাধানের মতামত সংবাদিক নেতৃবৃন্ধের

### খুলনা বিএমএ, বিপিএমপিএ ও বিপিএইচসিডিওএ এর কার্যকরী পরিষদের সাথে খুলনার সাংবাদিকদের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত । বৃহস্পতিবার(৯ মার্চ)  বেলা ১২ টায়, খুলনা বিএমএ ভবনের কাজী আজাহারুল হক মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিএমএ খুলনার সভাপতি ডা. শেখ বাহারুল আলমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ডা. মোঃ মেহেদী নেওয়াজের সঞ্চালনায় বিএমএ’র সহ-সভাপতি ডা. মঞ্জুর মোর্শেদ , খুলনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মামুন রেজা’সহ চিকিৎসক, ক্লিনিক মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্ধসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মী এসময় উপস্থিত ছিলেন।

খুলনায় শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. শেখ নিশাত আব্দুল্লাহর ওপর হামলায় জড়িতদের গ্রেফতারের ঘটনায় চিকিৎসকদের সাময়িক কর্মবিরতির স্থগিত ঘোষনার পঞ্চম দিনে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) খুলনা এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করেছে। মতবিনিময সভায় গণমাধ্যম কর্মীরা জানান, চিকিৎসকদের কর্মবিরতি স্থগিত করার পরেও সরকারি হাসপাতাল ও বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসক কার্যক্রম স্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা যায়নি। প্রতিদিনই দূর দূরান্ত থেকে আসা রোগীরা চিকিৎসা নিতে না পেরে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। হাসপাতালে ভর্তি রোগীরাও সঠিক নিয়মে সেবা পাচ্ছেন না। এতে করে চিকিৎসকদের প্রতি রোগী ও তার সজনদের মধ্যে বিরুপ প্রতিক্রিয়া সিৃষ্টি হচ্ছে। কলাম সৈনিকেরা আরো জানান, “চিকিৎসক রাষ্ট্রের, রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের চিকিৎসা সেবা দেয় চিকিৎসকের দায়িক্ত ও কর্তব্য।” কিন্তু চিকিৎসকদের ধর্মঘট চলাকালীন সময়ে চিকিৎসা না পেয়ে ৭৩ জন রোগীরা মৃত্যু হয়েছে। দুরদুরন্ত থেকে আসা হাজার হাজার রোগী চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে। শুধু একজন চিকিৎসকের জন্য হাজার হাজার মানুষের ভোগান্তি। এটা অমানবিক উল্লেখ করে সাংবাদিকরা আরো বলেন, প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. শেখ নিশাত আব্দুল্লাহ একটি সরকারি বিশেষায়িত হাসপাতালের চিকিৎসক হয়ে কেন একটি ক্লিনিকে রোগীকে চিকিৎসা নেয়াতে বাধ্য করালেন? কেন সেখানে এমন অনাকাঙখীত ঘটনার সৃষ্ঠি হলো তা খতিয়ে না দেখে চিকিৎসকদের ধর্মঘট পালন করা কতোটা যৌতিক জনমনে প্রশ্ন উঠেছে! এছাড়া, বিগত দিনে হাসপাতালে ঔষধ চুরিসহ বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতির ঘটনা নিত্য নৈমত্তিক ঘটছে সে সব ক্ষেত্রে বিএমএ’র নিরবতা জনমনে ভাবিয়ে তুলছে। এমন অসংখ্য প্রশ্নে উত্তরে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) খুলনার সভাপতি ডা. শেখ বাহারুল আলম সব দায়ভার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপর দিয়ে সরকারি হাসপাতাল ও বেসরকারি ক্লিনিকের যোগসাজসে সকল অনিয়ম দুর্নীতির বিষয় এড়িয়ে গেলেন। তাদের ঘোষিত ৭ দিনের সাময়িক স্থগিত কর্মসুচির পরে, কোন কর্মসুচি দিবেন কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন আমার কার্যকরী পরিষদের মিটিংএ শিদ্ধান্ত নিয়ে জানাবো। সভায়, চিকিৎসকদের প্রতি- কর্মবিরতি না করে অন্য কোন উপায়ে দাবী আদায়ের কর্মসুচি পালন করা, ঘটনার নেপথ্যে থাকা মূল কারণ উদঘাটন করে স্থায়ী সমাধানের মতামত জানান সংবাদিক নেতৃবৃন্ধ।##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

জনপ্রিয়

খুলনার সাংবাদিকদের সাথে চিকিৎসকদের মতবিনিময় সভা

কর্মবিরতিকে না বলে ঘটনার নেপথ্যের কারণ উদঘাটন ও স্থায়ী সমাধানের মতামত সংবাদিক নেতৃবৃন্ধের

প্রকাশিত সময় : ০৬:২৫:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মার্চ ২০২৩

### খুলনা বিএমএ, বিপিএমপিএ ও বিপিএইচসিডিওএ এর কার্যকরী পরিষদের সাথে খুলনার সাংবাদিকদের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত । বৃহস্পতিবার(৯ মার্চ)  বেলা ১২ টায়, খুলনা বিএমএ ভবনের কাজী আজাহারুল হক মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিএমএ খুলনার সভাপতি ডা. শেখ বাহারুল আলমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ডা. মোঃ মেহেদী নেওয়াজের সঞ্চালনায় বিএমএ’র সহ-সভাপতি ডা. মঞ্জুর মোর্শেদ , খুলনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মামুন রেজা’সহ চিকিৎসক, ক্লিনিক মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্ধসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মী এসময় উপস্থিত ছিলেন।

খুলনায় শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. শেখ নিশাত আব্দুল্লাহর ওপর হামলায় জড়িতদের গ্রেফতারের ঘটনায় চিকিৎসকদের সাময়িক কর্মবিরতির স্থগিত ঘোষনার পঞ্চম দিনে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) খুলনা এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করেছে। মতবিনিময সভায় গণমাধ্যম কর্মীরা জানান, চিকিৎসকদের কর্মবিরতি স্থগিত করার পরেও সরকারি হাসপাতাল ও বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসক কার্যক্রম স্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা যায়নি। প্রতিদিনই দূর দূরান্ত থেকে আসা রোগীরা চিকিৎসা নিতে না পেরে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। হাসপাতালে ভর্তি রোগীরাও সঠিক নিয়মে সেবা পাচ্ছেন না। এতে করে চিকিৎসকদের প্রতি রোগী ও তার সজনদের মধ্যে বিরুপ প্রতিক্রিয়া সিৃষ্টি হচ্ছে। কলাম সৈনিকেরা আরো জানান, “চিকিৎসক রাষ্ট্রের, রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের চিকিৎসা সেবা দেয় চিকিৎসকের দায়িক্ত ও কর্তব্য।” কিন্তু চিকিৎসকদের ধর্মঘট চলাকালীন সময়ে চিকিৎসা না পেয়ে ৭৩ জন রোগীরা মৃত্যু হয়েছে। দুরদুরন্ত থেকে আসা হাজার হাজার রোগী চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে। শুধু একজন চিকিৎসকের জন্য হাজার হাজার মানুষের ভোগান্তি। এটা অমানবিক উল্লেখ করে সাংবাদিকরা আরো বলেন, প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. শেখ নিশাত আব্দুল্লাহ একটি সরকারি বিশেষায়িত হাসপাতালের চিকিৎসক হয়ে কেন একটি ক্লিনিকে রোগীকে চিকিৎসা নেয়াতে বাধ্য করালেন? কেন সেখানে এমন অনাকাঙখীত ঘটনার সৃষ্ঠি হলো তা খতিয়ে না দেখে চিকিৎসকদের ধর্মঘট পালন করা কতোটা যৌতিক জনমনে প্রশ্ন উঠেছে! এছাড়া, বিগত দিনে হাসপাতালে ঔষধ চুরিসহ বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতির ঘটনা নিত্য নৈমত্তিক ঘটছে সে সব ক্ষেত্রে বিএমএ’র নিরবতা জনমনে ভাবিয়ে তুলছে। এমন অসংখ্য প্রশ্নে উত্তরে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) খুলনার সভাপতি ডা. শেখ বাহারুল আলম সব দায়ভার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপর দিয়ে সরকারি হাসপাতাল ও বেসরকারি ক্লিনিকের যোগসাজসে সকল অনিয়ম দুর্নীতির বিষয় এড়িয়ে গেলেন। তাদের ঘোষিত ৭ দিনের সাময়িক স্থগিত কর্মসুচির পরে, কোন কর্মসুচি দিবেন কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন আমার কার্যকরী পরিষদের মিটিংএ শিদ্ধান্ত নিয়ে জানাবো। সভায়, চিকিৎসকদের প্রতি- কর্মবিরতি না করে অন্য কোন উপায়ে দাবী আদায়ের কর্মসুচি পালন করা, ঘটনার নেপথ্যে থাকা মূল কারণ উদঘাটন করে স্থায়ী সমাধানের মতামত জানান সংবাদিক নেতৃবৃন্ধ।##