১১:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কর্মসূচিতে বাঁধা এলে দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে : এ্যাড. মনা

###   খুলনায় মিছিলে বাধা দেওয়ায় পুলিশের সাথে বিএনপি নেতাকর্মীদের ধস্তাধস্তি ও তীব্র বাক বিতন্ডা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় নগরীর রেল স্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। চলমান গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলন এবং জ¦ালানী তেল সহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিএনপি ঘোষিত কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে নিহত ভোলার নুরে আলম ও আব্দুর রহিম, নারায়নগঞ্জের শাওন, মুন্সিগঞ্জের শহিদুল ইসলাম শাওন এবং যশোরে আওয়ামী সন্ত্রাসী কর্তৃক নির্মমভাবে হত্যার শিকার আব্দুল আলিম স্মরণে কেন্দ্র থেকে শোক র‌্যালী কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। বিকেল ৩টার পর থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে রেল স্টেশন ও সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান নেন। সাড়ে ৩টার দিকে হঠাৎ করেই বিপুল সংখ্যক পুলিশ হুইসেল বাজিয়ে লাঠি উচিয়ে স্টেশন এলাকায় অবস্থানরত নেতাকর্মীদের দিকে ধেয়ে যায় এবং তাদেরকে তাড়া করে বের করে দেয়ার চেষ্টা করে। এ সময় জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খান, মহানগর সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন, আবু হোসেন বাবু সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দের সাথে তীব্র বাকবিতন্ডা হয়। সেখানে দীর্ঘ সময় পুলিশের সাথে বাকবিতন্ডা এবং ধস্তাধস্তি হয়।

পরে পাওয়ার হাউজ মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি ফেরীঘাট, ডাকবাংলা, পিকচার প্যালেস মোড়, থানার মোড় হয়ে কে ডি ঘোষ রোডে দলীয় কার্যালয়ে আসে। নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই মূল মিছিল বের হয়ে গেলেও এরপর খালিশপুর, দৌলতপুর, খানজাহান আলী থানা, ডুমুরিয়া, রূপসা ও দিঘলিয়া থানা থেকে এবং নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে একের পর এক বিশাল বিশাল মিছিল দলীয় কার্যালয় চত্বরে এসে জমায়েত হয়। দলীয় কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মহানগর বিএনপির আহবায়ক শফিকুল আলম মনা পুলিশের ভূমিকার তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানান। এ সময় তিনি বলেন, শোক র‌্যালীর মতো নীরিহ শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাঁধা দিয়ে পুলিশ তার চাকরি বিধি লঙ্ঘন করেছে। বিএনপির নেতাকর্মীরা সংক্ষুব্ধ হয়েছে, কিন্ত তারা সহিংস হয়নি। বাঁধার ব্যারিকেড ভেঙ্গে এই নগরীতে বিশাল মিছিল করেছে। সরকারের পতন ঘন্টা বাজছে, কোন পেটোয়া বাহিনী বা দলীয় ক্যাডার লেলিয়ে দিয়ে গণতন্ত্র মুুক্তির সংগ্রামের রাজপথের সৈনিকদের হঠানো যাবেনা। রাজপথ আমাদের দখলে। দেশনেত্রী মুক্ত না করে এবং গণতন্ত্র ফিরিয়ে না এনে আমরা আর ঘরে ফিরে যাবো না। মনা আরও বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে আগামী ১০ অক্টোবর আবারও শোক র‌্যালী কর্মসুচি অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন বিকেল ৩টায় রেল স্টেশন থেকে কর্মসূচির সূচনা হবে। কর্মসূচি নিয়ে কোন ধরনের ষড়যন্ত্র বা টালবাহানা করা হলে বিএনপির নেতাকর্মীরা রাজপথেই দাঁতভাঙ্গা জবাব দেবে।  এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন জেলা আহবায়ক আমীর এজাজ খান, নগর সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক তরিকুল ইসলাম জহির, জেলা যুগ্ম আহবায়ক আবু হোসেন বাবু প্রমুখ। কর্মসূচিতে অংশ নেন খান জুলফিকার আলী জুলু, স ম আব্দুর রহমান, এস এ রহমান বাবুল, কাজী মাহমুদ আলী, আব্দুর রকিব মল্লিক, শের আলম সান্টু, মোস্তফা উল বারী লাভলু, আবুল কালাম জিয়া, মোল্লা মোশারফ হোসেন মফিজ, বদরুল আনাম খান, মাহবুব হাসান পিয়ারু, শেখ তৈয়েবুর রহমান, চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, আশরাফুল আলম নান্নু, একরামুল হক হেলাল, মাসুদ পারভেজ বাবু, শেখ সাদী, চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, এনামুল হক সজল, শেখ জাহিদুল ইসলাম, আব্দুর রাজ্জাক, হাফিজুর রহমান মনি, আশফাকুর রহমান কাকন, খাযরুল ইসলাম খান জনি, ওয়াহিদুর রহমান দীপু, বেগ তানভিরুল আযম, শেখ শাহিনুল ইসলাম পাখী, রুবায়েত হোসেন বাবু, মুুরশিদ কামাল, ইলিয়াস হোসেন মল্লিক, শেখ আসগর আলী, কে এম হুমায়ুন কবির, বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস, সাজ্জাদ হোসেন তোতন, মোঃ হাফিজুর রহমান, সৈয়দ সাজ্জাদ আহসান পরাগ, এহতেশামুল হক শাওন, এ্যাড. তৌহিদুর রহমান চৌধুরী তুষার, একরামুল কবির মিল্টন, নাজিরউদ্দিন আহমেদ নান্নু, হাবিবুর রহমান বিশ^াস, আরিফুর রহমান, খন্দকার ফারুক হোসেন, হাসানউল্লাহ বুলবুল, এ্যাড. মোহাম্মদ আলী বাবু, শেখ জামালউদ্দিন, সরোয়ার হোসেন, রফিকুল ইসলাম বাবু, আবু সাইদ হাওলাদার আব্বাস, গাজী আফসারউদ্দিন, হাসনাত রিজভী মার্শাল, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, সরদার আব্দুল মালেক, আনসার আলী, রাহাত আলী লাচ্চু, নাসির খান, আব্দুস সালাম, মনির হাসান টিটো, আলমগীর হোসেন, আব্দুর রহমান ডিনো, ফারুক হোসেন হিল্টন, তারিকুল ইসলাম, দিদারুল হোসেন, খন্দকার হাসিনুল ইসলাম নিক, মোঃ জাহিদুল হোসেন জাহিদ, জাফরী নেওয়াজ চন্দন, মিজানুর রহমান মিলটন, শফিকুল ইসলাম শফি, আলী আক্কাস, ফারুক হোসেন, মুজিবর রহমান, আজিজা খানম এলিজা,যুবদলের কাজী নেহিবুল হাসান নেহিম, আব্দুল আজিজ সুমন, ছাত্রদলের গোলাম মোস্তফা তুহিন, মোঃ তাজিম বিশ^াস, স্বেচ্ছাসেবক দলের আতাউর রহমান রুনু, শফিকুল ইসলাম শাহিন, ইউসুফ মোল্লা, মহিলা দলের এ্যাড. তছলিমা খাতুন ছন্দা, এ্যাড. কানিজ ফাতেমা আমিন, কৃষক দলের আক্তারুজ্জামান তালুকদার সজীব, মোল্লা কবির হোসেন, শেখ আবু সাঈদ, শ্রমিক দলের খান ইসমাইল হোসেন, তাঁতীদলের আবু সাঈদ শেখ, জাসাসের ইঞ্জিনিয়ার নুর ইসলাম বাচ্চু, নুরুজ্জামান নিশাত, আজাদ আবুল কালাম প্রমুখ। #

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik Madhumati

জনপ্রিয়

কর্মসূচিতে বাঁধা এলে দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে : এ্যাড. মনা

প্রকাশিত সময় : ০৭:৫৭:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অক্টোবর ২০২২

###   খুলনায় মিছিলে বাধা দেওয়ায় পুলিশের সাথে বিএনপি নেতাকর্মীদের ধস্তাধস্তি ও তীব্র বাক বিতন্ডা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় নগরীর রেল স্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। চলমান গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলন এবং জ¦ালানী তেল সহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিএনপি ঘোষিত কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে নিহত ভোলার নুরে আলম ও আব্দুর রহিম, নারায়নগঞ্জের শাওন, মুন্সিগঞ্জের শহিদুল ইসলাম শাওন এবং যশোরে আওয়ামী সন্ত্রাসী কর্তৃক নির্মমভাবে হত্যার শিকার আব্দুল আলিম স্মরণে কেন্দ্র থেকে শোক র‌্যালী কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। বিকেল ৩টার পর থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে রেল স্টেশন ও সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান নেন। সাড়ে ৩টার দিকে হঠাৎ করেই বিপুল সংখ্যক পুলিশ হুইসেল বাজিয়ে লাঠি উচিয়ে স্টেশন এলাকায় অবস্থানরত নেতাকর্মীদের দিকে ধেয়ে যায় এবং তাদেরকে তাড়া করে বের করে দেয়ার চেষ্টা করে। এ সময় জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খান, মহানগর সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন, আবু হোসেন বাবু সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দের সাথে তীব্র বাকবিতন্ডা হয়। সেখানে দীর্ঘ সময় পুলিশের সাথে বাকবিতন্ডা এবং ধস্তাধস্তি হয়।

পরে পাওয়ার হাউজ মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি ফেরীঘাট, ডাকবাংলা, পিকচার প্যালেস মোড়, থানার মোড় হয়ে কে ডি ঘোষ রোডে দলীয় কার্যালয়ে আসে। নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই মূল মিছিল বের হয়ে গেলেও এরপর খালিশপুর, দৌলতপুর, খানজাহান আলী থানা, ডুমুরিয়া, রূপসা ও দিঘলিয়া থানা থেকে এবং নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে একের পর এক বিশাল বিশাল মিছিল দলীয় কার্যালয় চত্বরে এসে জমায়েত হয়। দলীয় কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মহানগর বিএনপির আহবায়ক শফিকুল আলম মনা পুলিশের ভূমিকার তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানান। এ সময় তিনি বলেন, শোক র‌্যালীর মতো নীরিহ শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাঁধা দিয়ে পুলিশ তার চাকরি বিধি লঙ্ঘন করেছে। বিএনপির নেতাকর্মীরা সংক্ষুব্ধ হয়েছে, কিন্ত তারা সহিংস হয়নি। বাঁধার ব্যারিকেড ভেঙ্গে এই নগরীতে বিশাল মিছিল করেছে। সরকারের পতন ঘন্টা বাজছে, কোন পেটোয়া বাহিনী বা দলীয় ক্যাডার লেলিয়ে দিয়ে গণতন্ত্র মুুক্তির সংগ্রামের রাজপথের সৈনিকদের হঠানো যাবেনা। রাজপথ আমাদের দখলে। দেশনেত্রী মুক্ত না করে এবং গণতন্ত্র ফিরিয়ে না এনে আমরা আর ঘরে ফিরে যাবো না। মনা আরও বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে আগামী ১০ অক্টোবর আবারও শোক র‌্যালী কর্মসুচি অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন বিকেল ৩টায় রেল স্টেশন থেকে কর্মসূচির সূচনা হবে। কর্মসূচি নিয়ে কোন ধরনের ষড়যন্ত্র বা টালবাহানা করা হলে বিএনপির নেতাকর্মীরা রাজপথেই দাঁতভাঙ্গা জবাব দেবে।  এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন জেলা আহবায়ক আমীর এজাজ খান, নগর সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক তরিকুল ইসলাম জহির, জেলা যুগ্ম আহবায়ক আবু হোসেন বাবু প্রমুখ। কর্মসূচিতে অংশ নেন খান জুলফিকার আলী জুলু, স ম আব্দুর রহমান, এস এ রহমান বাবুল, কাজী মাহমুদ আলী, আব্দুর রকিব মল্লিক, শের আলম সান্টু, মোস্তফা উল বারী লাভলু, আবুল কালাম জিয়া, মোল্লা মোশারফ হোসেন মফিজ, বদরুল আনাম খান, মাহবুব হাসান পিয়ারু, শেখ তৈয়েবুর রহমান, চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, আশরাফুল আলম নান্নু, একরামুল হক হেলাল, মাসুদ পারভেজ বাবু, শেখ সাদী, চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, এনামুল হক সজল, শেখ জাহিদুল ইসলাম, আব্দুর রাজ্জাক, হাফিজুর রহমান মনি, আশফাকুর রহমান কাকন, খাযরুল ইসলাম খান জনি, ওয়াহিদুর রহমান দীপু, বেগ তানভিরুল আযম, শেখ শাহিনুল ইসলাম পাখী, রুবায়েত হোসেন বাবু, মুুরশিদ কামাল, ইলিয়াস হোসেন মল্লিক, শেখ আসগর আলী, কে এম হুমায়ুন কবির, বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস, সাজ্জাদ হোসেন তোতন, মোঃ হাফিজুর রহমান, সৈয়দ সাজ্জাদ আহসান পরাগ, এহতেশামুল হক শাওন, এ্যাড. তৌহিদুর রহমান চৌধুরী তুষার, একরামুল কবির মিল্টন, নাজিরউদ্দিন আহমেদ নান্নু, হাবিবুর রহমান বিশ^াস, আরিফুর রহমান, খন্দকার ফারুক হোসেন, হাসানউল্লাহ বুলবুল, এ্যাড. মোহাম্মদ আলী বাবু, শেখ জামালউদ্দিন, সরোয়ার হোসেন, রফিকুল ইসলাম বাবু, আবু সাইদ হাওলাদার আব্বাস, গাজী আফসারউদ্দিন, হাসনাত রিজভী মার্শাল, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, সরদার আব্দুল মালেক, আনসার আলী, রাহাত আলী লাচ্চু, নাসির খান, আব্দুস সালাম, মনির হাসান টিটো, আলমগীর হোসেন, আব্দুর রহমান ডিনো, ফারুক হোসেন হিল্টন, তারিকুল ইসলাম, দিদারুল হোসেন, খন্দকার হাসিনুল ইসলাম নিক, মোঃ জাহিদুল হোসেন জাহিদ, জাফরী নেওয়াজ চন্দন, মিজানুর রহমান মিলটন, শফিকুল ইসলাম শফি, আলী আক্কাস, ফারুক হোসেন, মুজিবর রহমান, আজিজা খানম এলিজা,যুবদলের কাজী নেহিবুল হাসান নেহিম, আব্দুল আজিজ সুমন, ছাত্রদলের গোলাম মোস্তফা তুহিন, মোঃ তাজিম বিশ^াস, স্বেচ্ছাসেবক দলের আতাউর রহমান রুনু, শফিকুল ইসলাম শাহিন, ইউসুফ মোল্লা, মহিলা দলের এ্যাড. তছলিমা খাতুন ছন্দা, এ্যাড. কানিজ ফাতেমা আমিন, কৃষক দলের আক্তারুজ্জামান তালুকদার সজীব, মোল্লা কবির হোসেন, শেখ আবু সাঈদ, শ্রমিক দলের খান ইসমাইল হোসেন, তাঁতীদলের আবু সাঈদ শেখ, জাসাসের ইঞ্জিনিয়ার নুর ইসলাম বাচ্চু, নুরুজ্জামান নিশাত, আজাদ আবুল কালাম প্রমুখ। #