১২:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

খুবিতে বিশ্ব পানি দিবস উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত

###    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সয়েল ওয়াটার এন্ড এনভায়রনমেন্ট ডিসিপ্লিনের উদ্যোগে ‘পানি ও স্যানিটেশন সংকট সমাধানের জন্য পরিবর্তনের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিতকরণ’ শীর্ষক প্রতিপাদ্যে ২২মার্চ (বুধবার) বিশ্ব পানি দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি হাদী চত্বর থেকে শুরু হয়ে শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ ভবন ঘুরে আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।এ সময় সংক্ষিপ্ত সমাবেশে উপাচার্য বলেন, পানি সম্পদের ওপর আমাদের সকলের অধিকার রয়েছে। কিন্তু বিশ্বায়নের এই সময়ে আমাদের বড় সমস্যা পানি ব্যবস্থাপনা। আমরা এখনও বুঝতে পারছি না আমাদের দেশ কোন পর্যায়ে আছে। তবে বিশ্বের অনেক দেশে এখন নিরাপদ খাবার পানি নেই। এজন্য অনেকেই বলে থাকেন- পৃথিবীতে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ বাঁধলে তার মূল কারণ হবে পানি। তিনি বলেন, নদী, হৃদ, সাগর, মহাসাগরসহ পানির যেসব প্রাকৃতিক উৎস রয়েছে অনেক ক্ষেত্রেই আমরা তা নষ্ট করে ফেলছি। পানির সাথে জীববৈচিত্র্যের একটি বড় সংযোগ রয়েছে। এই পানি দূষণের ফলে আমরাও আক্রান্ত হচ্ছি।
উপাচার্য বলেন, বিশ্ব পানি দিবস উদযাপন করা হয় জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য। সয়েল ওয়াটার এন্ড এনভায়রনমেন্ট ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব পানি দূষণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা। বিভিন্ন ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানুষকে পানিসম্পদ রক্ষার ব্যাপারে আরও বেশি সচেতন করা। আমি এই কর্মকাণ্ডকে স্বাগত জানাই এবং আশা করছি এর মাধ্যমে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পানি ব্যবহারে সচেতনতা বাড়বে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও সে ব্যপারে চিন্তা-ভাবনা করছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা জানি খুলনা অঞ্চল পানির একটা ক্রাইসিস রয়েছে। আমরা ক্রমাগত ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহার করছি। এজন্য আমাদের ভবিষ্যতকে দেশে এখনই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তিনি এই ধরনের আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
এসময় আরও বক্তব্য রাখেন সয়েল ওয়াটার এন্ড এনভায়রনমেন্ট ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মো. সানাউল ইসলাম। সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

জনপ্রিয়

কুয়েটে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার জামাত সকাল ৭ টায় 

খুবিতে বিশ্ব পানি দিবস উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত সময় : ০৯:৪১:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মার্চ ২০২৩

###    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সয়েল ওয়াটার এন্ড এনভায়রনমেন্ট ডিসিপ্লিনের উদ্যোগে ‘পানি ও স্যানিটেশন সংকট সমাধানের জন্য পরিবর্তনের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিতকরণ’ শীর্ষক প্রতিপাদ্যে ২২মার্চ (বুধবার) বিশ্ব পানি দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি হাদী চত্বর থেকে শুরু হয়ে শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ ভবন ঘুরে আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।এ সময় সংক্ষিপ্ত সমাবেশে উপাচার্য বলেন, পানি সম্পদের ওপর আমাদের সকলের অধিকার রয়েছে। কিন্তু বিশ্বায়নের এই সময়ে আমাদের বড় সমস্যা পানি ব্যবস্থাপনা। আমরা এখনও বুঝতে পারছি না আমাদের দেশ কোন পর্যায়ে আছে। তবে বিশ্বের অনেক দেশে এখন নিরাপদ খাবার পানি নেই। এজন্য অনেকেই বলে থাকেন- পৃথিবীতে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ বাঁধলে তার মূল কারণ হবে পানি। তিনি বলেন, নদী, হৃদ, সাগর, মহাসাগরসহ পানির যেসব প্রাকৃতিক উৎস রয়েছে অনেক ক্ষেত্রেই আমরা তা নষ্ট করে ফেলছি। পানির সাথে জীববৈচিত্র্যের একটি বড় সংযোগ রয়েছে। এই পানি দূষণের ফলে আমরাও আক্রান্ত হচ্ছি।
উপাচার্য বলেন, বিশ্ব পানি দিবস উদযাপন করা হয় জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য। সয়েল ওয়াটার এন্ড এনভায়রনমেন্ট ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব পানি দূষণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা। বিভিন্ন ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানুষকে পানিসম্পদ রক্ষার ব্যাপারে আরও বেশি সচেতন করা। আমি এই কর্মকাণ্ডকে স্বাগত জানাই এবং আশা করছি এর মাধ্যমে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পানি ব্যবহারে সচেতনতা বাড়বে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও সে ব্যপারে চিন্তা-ভাবনা করছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা জানি খুলনা অঞ্চল পানির একটা ক্রাইসিস রয়েছে। আমরা ক্রমাগত ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহার করছি। এজন্য আমাদের ভবিষ্যতকে দেশে এখনই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তিনি এই ধরনের আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
এসময় আরও বক্তব্য রাখেন সয়েল ওয়াটার এন্ড এনভায়রনমেন্ট ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মো. সানাউল ইসলাম। সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।##