১০:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

খুব শীঘ্রই অসহযোগের মত কঠোর কর্মসূচী দেয়া হবে : গয়েশ্বর

####

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর রায় বলেছেন, ভোটের ও গনতন্ত্রের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবীতে এক দফার আন্দোলন শুরু হয়েছে। শুধুমাত্র যুবক ও ছাত্ররা পথে নেমেছে সেটাতেই ভয়ে হামলা ও পুলিশ দিয়ে হত্যা শুরু করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিকেরা হামলা, মামলা ও গুলিতে ভয় পায় না। বিএনপিসহ ৩৬দলের ঘোষনা মোতাবেক চুড়ান্ত আন্দোলনের মাধ্যমে অবৈধ সরকারের পতন ঘটিয়েই তবে ঘরে ফিরবো। যদি সম্মান নিয়ে বাচতে চান এখনই পদত্যাগ করে ক্ষমতা ছাড়ুন। অন্যথায় গনরোষের তান্ডবে পালাবার পথ পাবেন না। তিনি আরও বলেন, বিএনপি তারুন্যের সমাবেশ করে দেখিয়ে দিয়েছে জনগন কাদের সাথে আছে। মঙ্গলবার যেমন ঢাকা বিএনপির নেতাকর্মীদের দখলে ছিল। আগামী ২২জুলাই ঢাকা শহরকে স্থবির করে দিয়ে শেখ হাসিনা পদত্যাগ না করা পর্যন্ত সবকিছুই অবরুদ্ধ করে রাখা হবে। বুধবার বিকেলে খুলনায় বিএনপির পদযাত্রা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। নগরীর কেডি ঘোষ রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশী বেষ্টনীর মধ্যে এ পদযাত্রা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

গয়েশ্বর রায় বলেন, আপনাদের তো সভা-সমাবেশ করতে বাধা নেই। বিএনপি যখন কোন মিছিল-সমাবেশের ঘোষনা দেয় সেই একই দিনে কেন পুলকিত হয়ে ওঠেন। আপনারাও সেই দিনেই শান্তির নামে অশান্তি ও নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। বিএনপি নিজের স্বার্থে রাজনীতি করে না। জনগনের জন্য রাজনীতি করে। আর শেখ হাসিনা সরকার দেশের সবকিছুই লুটপাট করে বিদেশে পাচার করছে। অনেক হয়েছে পদত্যাগ করে এবার দেশের মানুষকে একটু শান্তিতে থাকতে দেন।বিএনপি এক দফা দিয়েছে। কাজেই পদত্যাগ করে নিরপেক্ষ সরকারের অীধনে নির্বাচন দিয়ে সেই নির্বাচনে আপনারাও অংশ নিয়ে জনপ্রিয়তা প্রমান করুন। আমরা যে কোন মূল্যেই তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন করবোই। শেখ হাসিনার অধীনে কোন নির্বাচন হবে না। তিনি বলেন, হাতে বেশী সময় নেই। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি তীব্র আন্দোলনের মা্যধমে এ সরকারকে হটিয়েই ছাড়বো। এজন্য খুব শীঘ্রই অসহযোগের মত কঠোর কর্মসূচী গ্রহন করা হবে বলেও হুশিয়ারী দেন গয়েশ্বর রায়। তিনি পুলিশ ও প্রশাসনের কর্শকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা কোন ব্যক্তি বা দলের চাকুরী করেন না। রাষ্ট্রের চাকরী করেন। কাজেই প্রধানমন্ত্রী বা সরকারী দলের নেতার নির্দেশে দেমের সাধারন মানুষের উপর গুলি চালাবেন না। লাঠি চার্জ করবেন না। যখন-তখন মামলা দিয়ে আটক করবেন না। এটা যদি কেউ করেন তবে বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্তা নিতে পিচপা হবে না।

কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সরকারের পদত্যাগে একদফা ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবীতে মহানগর বিএনপির আহবায়ক এ্যাড. শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে পদযাত্রা সমাবেশে বক্তৃতা করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারি হেলাল, কেন্দ্রীয় সদস্য রবিু্ল ইসলাম রবি, সাবেক সংসদ সদস্য শেখ মুজিবর রহমান, জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খান, সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পী, আবু হোসেন বাবু, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল ইসলাম তুহিন, মহিলা দলের সবাপতি আজিজা খানম এলিজা, এ্যাড. তছলিমা কাতুন ছন্দা, শ্রমিকদলের মজিবর রহমান, যুবদলের সজিব তালুকদার প্রমুখ। পরে কেডি ঘোষ রোডস্থ দলীয় কার্যালয় থেকে পদযাত্রা র‌্যালী বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। ##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik Madhumati

জনপ্রিয়

কুয়েটে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার জামাত সকাল ৭ টায় 

খুব শীঘ্রই অসহযোগের মত কঠোর কর্মসূচী দেয়া হবে : গয়েশ্বর

প্রকাশিত সময় : ০১:৩২:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০২৩

####

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর রায় বলেছেন, ভোটের ও গনতন্ত্রের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবীতে এক দফার আন্দোলন শুরু হয়েছে। শুধুমাত্র যুবক ও ছাত্ররা পথে নেমেছে সেটাতেই ভয়ে হামলা ও পুলিশ দিয়ে হত্যা শুরু করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিকেরা হামলা, মামলা ও গুলিতে ভয় পায় না। বিএনপিসহ ৩৬দলের ঘোষনা মোতাবেক চুড়ান্ত আন্দোলনের মাধ্যমে অবৈধ সরকারের পতন ঘটিয়েই তবে ঘরে ফিরবো। যদি সম্মান নিয়ে বাচতে চান এখনই পদত্যাগ করে ক্ষমতা ছাড়ুন। অন্যথায় গনরোষের তান্ডবে পালাবার পথ পাবেন না। তিনি আরও বলেন, বিএনপি তারুন্যের সমাবেশ করে দেখিয়ে দিয়েছে জনগন কাদের সাথে আছে। মঙ্গলবার যেমন ঢাকা বিএনপির নেতাকর্মীদের দখলে ছিল। আগামী ২২জুলাই ঢাকা শহরকে স্থবির করে দিয়ে শেখ হাসিনা পদত্যাগ না করা পর্যন্ত সবকিছুই অবরুদ্ধ করে রাখা হবে। বুধবার বিকেলে খুলনায় বিএনপির পদযাত্রা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। নগরীর কেডি ঘোষ রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশী বেষ্টনীর মধ্যে এ পদযাত্রা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

গয়েশ্বর রায় বলেন, আপনাদের তো সভা-সমাবেশ করতে বাধা নেই। বিএনপি যখন কোন মিছিল-সমাবেশের ঘোষনা দেয় সেই একই দিনে কেন পুলকিত হয়ে ওঠেন। আপনারাও সেই দিনেই শান্তির নামে অশান্তি ও নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। বিএনপি নিজের স্বার্থে রাজনীতি করে না। জনগনের জন্য রাজনীতি করে। আর শেখ হাসিনা সরকার দেশের সবকিছুই লুটপাট করে বিদেশে পাচার করছে। অনেক হয়েছে পদত্যাগ করে এবার দেশের মানুষকে একটু শান্তিতে থাকতে দেন।বিএনপি এক দফা দিয়েছে। কাজেই পদত্যাগ করে নিরপেক্ষ সরকারের অীধনে নির্বাচন দিয়ে সেই নির্বাচনে আপনারাও অংশ নিয়ে জনপ্রিয়তা প্রমান করুন। আমরা যে কোন মূল্যেই তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন করবোই। শেখ হাসিনার অধীনে কোন নির্বাচন হবে না। তিনি বলেন, হাতে বেশী সময় নেই। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি তীব্র আন্দোলনের মা্যধমে এ সরকারকে হটিয়েই ছাড়বো। এজন্য খুব শীঘ্রই অসহযোগের মত কঠোর কর্মসূচী গ্রহন করা হবে বলেও হুশিয়ারী দেন গয়েশ্বর রায়। তিনি পুলিশ ও প্রশাসনের কর্শকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা কোন ব্যক্তি বা দলের চাকুরী করেন না। রাষ্ট্রের চাকরী করেন। কাজেই প্রধানমন্ত্রী বা সরকারী দলের নেতার নির্দেশে দেমের সাধারন মানুষের উপর গুলি চালাবেন না। লাঠি চার্জ করবেন না। যখন-তখন মামলা দিয়ে আটক করবেন না। এটা যদি কেউ করেন তবে বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্তা নিতে পিচপা হবে না।

কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সরকারের পদত্যাগে একদফা ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবীতে মহানগর বিএনপির আহবায়ক এ্যাড. শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে পদযাত্রা সমাবেশে বক্তৃতা করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারি হেলাল, কেন্দ্রীয় সদস্য রবিু্ল ইসলাম রবি, সাবেক সংসদ সদস্য শেখ মুজিবর রহমান, জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খান, সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পী, আবু হোসেন বাবু, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল ইসলাম তুহিন, মহিলা দলের সবাপতি আজিজা খানম এলিজা, এ্যাড. তছলিমা কাতুন ছন্দা, শ্রমিকদলের মজিবর রহমান, যুবদলের সজিব তালুকদার প্রমুখ। পরে কেডি ঘোষ রোডস্থ দলীয় কার্যালয় থেকে পদযাত্রা র‌্যালী বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। ##