১০:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

খুলনায় আয়কর, শুল্ক ও মুশক বিষয়ে সরকারী দপ্তরের প্রধানদের মতবিনিময়

###    খুলনায় সরকারী দফতরের বিভাগীয় প্রধানদের সাথে আয়কর, শুল্ক ও মুশক বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহষ্পতিবার (০২র্মাচ) সকালে খুলনার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব র্বোডের চেয়ারম্যান ও আভ্যন্তরীন সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব আবু হেনা মো: রহমাতুল মুনিম।খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মো: জিল্লুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তৃতা করেন জাতীয় রাজস্ব র্বোডের সদস্য মো: মাসুদ সাদিক, ড. সামস উদ্দিন আহমেদ ও জাকিয়া সুলতানা, খুলনার জেলা প্রশাসক খোন্দকার ইয়াসির আরেফিন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো: রকিবুল ইসলাম প্রমুখ।
মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি বলেন, বর্তমান সরকারের প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাওয়ায় বাজেট যেমন বাড়ছে। তেমনি রাজস্ব আদায়ও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০০৮-০৯ সালে দেশের বাজেট ছিল মাত্র ৯৯.৯কোটি। সেখানে ২০২২-২৩ সালে বাজেট বেড়ে দাড়িয়েছে ৬লাখ ৯২হাাজর কোটি টাকায়। একইভাবে ২০০৮-০৯সালে রাজস্ব আদায় ছিল ৭৯কোটি টাকা। সেখানে ২০২২-২৩সালে রাজস্ব আদায়ের পরিমান দাড়িয়েছে ৩লাখ ৪হাজার কোটি টাকায়।এদিকে, করোনা মহামারির সময়ে রাজস্ব প্রবৃদ্ধিও কমে যায়। করোনার আগের বছরে রাজস্ব প্রবৃদ্ধি ছিল ১২.৮২শতাংশ। কিন্তু করোনার সময়ে ২০১৯-২০ সালে নেগেটিভ হয়ে যায়। তবে ২০২০-২১ ও ২০২১-২২সালে গড়ে প্রবৃদ্ধি ১৮শতাংশে দাড়িয়েছে। তিনি আরও বলেন, দেশ উন্নত হলে প্রাতিষ্ঠানিক করদাতাদের চেয়ে ব্যক্তিখাতের আয়কর ও ভ্যাট আদায়ের উপর র্নিভরতা বাড়বে। বিদেশী পন্য ও বাজারের সাথে দেশীয় পন্য ও বাজারের প্রতিযোগীতা বাড়বে। এজন্য নতুন নতুন কলকারখানা, শিল্প প্রতিষ্টান গড়ে উৎপাদন বাড়াতে হবে। একই সাথে নতুন উদ্যোক্তা ও র্কমসংস্থানও বাড়াতে উদ্যোগী হতে হবে।
তিনি আরও জানান, ১৯৭২সালে আয়কর আদায় ছিল ১৬কোটি টাকা, ১৯৮২সালে ছিল ২৯২কোটি এবং ২০২২সালে সেটা দাড়ায় ১লাখ ০৩হাজার কোটি টাকায়।তবুও দেশে রাজস্ব আদায় আশাব্যঞ্জক নয়। রাজস্ব আদায় বাড়াতে আয়কর ও ভ্যাট কালেকশনের ক্ষেত্র বাড়াতে হবে। প্রত্যক্ষ আয়করের ক্ষেত্রে যারা এখনও বাইরে আছে তাদেরকে আয়করের আওতায় আনতে হবে।রাজস্ব আদায়েল ক্ষেত্রে অস্বচ্ছতার কারনে দেশে করফাকি ও কর আদায়ে ঘাটতি রয়ে যাচ্ছে। এজণ্য ইতিমধ্যেই রাজস্ব সেবা বিশেষ করে ব্যক্তি আয়কর কালেকশনের ক্ষেত্রে অটোমেশন করা হয়েছে। সবক্ষেত্রে অটোমেশন করা সম্ভব হলে দেশে আয়কর আদায়ও বৃদ্ধি পাবে।তিনি বলেন, দেশে শিল্পায়ন বাড়লেও দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবলের সংকট রয়েছে। এজণ্য সরকার কাজ করছে। সবাইকে দক্ষ জনবল তৈরীতে মনোযোগী হতে হবে। তবেই আমরা মিডিল ক্লাস পন্য ও সেবার জন্য চাইনিজ, ইন্ডিয়ান বা ইন্দোনেশিয়ার পন্য বাদ দিয়ে দেশীয় পন্য ব্যবহারের উদ্যোগ নিতে পারবো। যা দেশের উন্নয়নকে স্থায়ীত্বশীল করবে।মতবিনিময় সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পুলক কুমার মন্ডল, মুকুল মৈত্রসহ রাজস্ব বিভাগ এবং খুলনার বিভিন্ন দপ্তর ও অধিদপ্তরের বিভাগীয় প্রধানবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

জনপ্রিয়

কুয়েটে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার জামাত সকাল ৭ টায় 

খুলনায় আয়কর, শুল্ক ও মুশক বিষয়ে সরকারী দপ্তরের প্রধানদের মতবিনিময়

প্রকাশিত সময় : ০২:১১:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ মার্চ ২০২৩

###    খুলনায় সরকারী দফতরের বিভাগীয় প্রধানদের সাথে আয়কর, শুল্ক ও মুশক বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহষ্পতিবার (০২র্মাচ) সকালে খুলনার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব র্বোডের চেয়ারম্যান ও আভ্যন্তরীন সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব আবু হেনা মো: রহমাতুল মুনিম।খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মো: জিল্লুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তৃতা করেন জাতীয় রাজস্ব র্বোডের সদস্য মো: মাসুদ সাদিক, ড. সামস উদ্দিন আহমেদ ও জাকিয়া সুলতানা, খুলনার জেলা প্রশাসক খোন্দকার ইয়াসির আরেফিন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো: রকিবুল ইসলাম প্রমুখ।
মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি বলেন, বর্তমান সরকারের প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাওয়ায় বাজেট যেমন বাড়ছে। তেমনি রাজস্ব আদায়ও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০০৮-০৯ সালে দেশের বাজেট ছিল মাত্র ৯৯.৯কোটি। সেখানে ২০২২-২৩ সালে বাজেট বেড়ে দাড়িয়েছে ৬লাখ ৯২হাাজর কোটি টাকায়। একইভাবে ২০০৮-০৯সালে রাজস্ব আদায় ছিল ৭৯কোটি টাকা। সেখানে ২০২২-২৩সালে রাজস্ব আদায়ের পরিমান দাড়িয়েছে ৩লাখ ৪হাজার কোটি টাকায়।এদিকে, করোনা মহামারির সময়ে রাজস্ব প্রবৃদ্ধিও কমে যায়। করোনার আগের বছরে রাজস্ব প্রবৃদ্ধি ছিল ১২.৮২শতাংশ। কিন্তু করোনার সময়ে ২০১৯-২০ সালে নেগেটিভ হয়ে যায়। তবে ২০২০-২১ ও ২০২১-২২সালে গড়ে প্রবৃদ্ধি ১৮শতাংশে দাড়িয়েছে। তিনি আরও বলেন, দেশ উন্নত হলে প্রাতিষ্ঠানিক করদাতাদের চেয়ে ব্যক্তিখাতের আয়কর ও ভ্যাট আদায়ের উপর র্নিভরতা বাড়বে। বিদেশী পন্য ও বাজারের সাথে দেশীয় পন্য ও বাজারের প্রতিযোগীতা বাড়বে। এজন্য নতুন নতুন কলকারখানা, শিল্প প্রতিষ্টান গড়ে উৎপাদন বাড়াতে হবে। একই সাথে নতুন উদ্যোক্তা ও র্কমসংস্থানও বাড়াতে উদ্যোগী হতে হবে।
তিনি আরও জানান, ১৯৭২সালে আয়কর আদায় ছিল ১৬কোটি টাকা, ১৯৮২সালে ছিল ২৯২কোটি এবং ২০২২সালে সেটা দাড়ায় ১লাখ ০৩হাজার কোটি টাকায়।তবুও দেশে রাজস্ব আদায় আশাব্যঞ্জক নয়। রাজস্ব আদায় বাড়াতে আয়কর ও ভ্যাট কালেকশনের ক্ষেত্র বাড়াতে হবে। প্রত্যক্ষ আয়করের ক্ষেত্রে যারা এখনও বাইরে আছে তাদেরকে আয়করের আওতায় আনতে হবে।রাজস্ব আদায়েল ক্ষেত্রে অস্বচ্ছতার কারনে দেশে করফাকি ও কর আদায়ে ঘাটতি রয়ে যাচ্ছে। এজণ্য ইতিমধ্যেই রাজস্ব সেবা বিশেষ করে ব্যক্তি আয়কর কালেকশনের ক্ষেত্রে অটোমেশন করা হয়েছে। সবক্ষেত্রে অটোমেশন করা সম্ভব হলে দেশে আয়কর আদায়ও বৃদ্ধি পাবে।তিনি বলেন, দেশে শিল্পায়ন বাড়লেও দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবলের সংকট রয়েছে। এজণ্য সরকার কাজ করছে। সবাইকে দক্ষ জনবল তৈরীতে মনোযোগী হতে হবে। তবেই আমরা মিডিল ক্লাস পন্য ও সেবার জন্য চাইনিজ, ইন্ডিয়ান বা ইন্দোনেশিয়ার পন্য বাদ দিয়ে দেশীয় পন্য ব্যবহারের উদ্যোগ নিতে পারবো। যা দেশের উন্নয়নকে স্থায়ীত্বশীল করবে।মতবিনিময় সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পুলক কুমার মন্ডল, মুকুল মৈত্রসহ রাজস্ব বিভাগ এবং খুলনার বিভিন্ন দপ্তর ও অধিদপ্তরের বিভাগীয় প্রধানবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ##