০৪:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

খুলনায় “ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ” দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

###     খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় আজ (মঙ্গলবার) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের স্মৃতি বিজড়িত ৭ই মার্চ দিবস-২০২৩ উদযাপন করা হয়। এ উপলক্ষ্যে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি-আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

সকালে খুলনা কালেক্টরেট প্রাঙ্গণে অবস্থিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ খুলনা জেলা ও মহানগর কমান্ড, কেসিসি’র মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, বিভাগীয় প্রশাসন, কেএমপি’র পুলিশ কমিশনার মোঃ মাসুদুর রহমান ভূঞা, রেঞ্জ ডিআইজি মঈনুল হক, জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন, জেলা পরিষদ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠন, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পেশাজীবী সংগঠন এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক-সাহিত্য সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

দিবসটি উপলক্ষ্যে সকালে নগরীর শহিদ হাদিস পার্ক থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি শুরু হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে খুলনা কালেক্টরেট প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। র‌্যালিতে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ প্রচার করা হয়। দিবসটি উপলক্ষ্যে জেলার সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়। সরকারি-আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহে আলোকসজ্জা ও ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ সম্বলিত তোরণ স্থাপন করা হয়।

জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, জাতির পিতার ৭ই মার্চের ভাষণ বিশে^র অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষণ। মহান মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণা ছিলো এই ভাষণ। এ ভাষণের কথামালা বাঙালির হৃদয়ের সাহস সঞ্চার করে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত দেশের মানুষের জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। এজন্য তাঁকে ১৪ বছর কারাগারে বন্দী থাকতে হয়েছে এবং দুইবার ফাঁসির মঞ্চ পর্যন্ত যেতে হয়েছে। জাতির পিতা পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ২৪ বছর লড়াই-সংগ্রামকালে জেল-জুলুম অত্যাচার সহ্য করে সকল আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মোঃ শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেএমপি’র পুলিশ কমিশনার মোঃ মাসুদুর রহমান ভূঞা, অতিরিক্ত রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ ইকবাল, জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তানভীর আহমদ, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আলমগীর কবির ও সরদার মাহাবুবার রহমান। ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ দিবস উপলক্ষ্যে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে বিকাল ৩টা ২০ মিনিটে বঙ্গবন্ধুর সাজে-সজ্জিত হয়ে ১৯২০ জন ক্ষুদে বক্তা বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ পরিবেশন করে। স্থানীয় পত্রিকাগুলো এ উপলক্ষ্যে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করে এবং বাংলাদেশ বেতারের খুলনা কেন্দ্র বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করে। খুলনার উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদসমূহে অনুরূপভাবে দিবসটি উদযাপন করা হয়।##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

জনপ্রিয়

ইঞ্জিন চালিত বাইক চোর সিন্ডিকেটের ৫ সদস্য গ্রেফতার

খুলনায় “ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ” দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

প্রকাশিত সময় : ০৩:৫৮:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মার্চ ২০২৩

###     খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় আজ (মঙ্গলবার) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের স্মৃতি বিজড়িত ৭ই মার্চ দিবস-২০২৩ উদযাপন করা হয়। এ উপলক্ষ্যে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি-আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

সকালে খুলনা কালেক্টরেট প্রাঙ্গণে অবস্থিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ খুলনা জেলা ও মহানগর কমান্ড, কেসিসি’র মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, বিভাগীয় প্রশাসন, কেএমপি’র পুলিশ কমিশনার মোঃ মাসুদুর রহমান ভূঞা, রেঞ্জ ডিআইজি মঈনুল হক, জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন, জেলা পরিষদ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠন, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পেশাজীবী সংগঠন এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক-সাহিত্য সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

দিবসটি উপলক্ষ্যে সকালে নগরীর শহিদ হাদিস পার্ক থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি শুরু হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে খুলনা কালেক্টরেট প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। র‌্যালিতে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ প্রচার করা হয়। দিবসটি উপলক্ষ্যে জেলার সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়। সরকারি-আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহে আলোকসজ্জা ও ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ সম্বলিত তোরণ স্থাপন করা হয়।

জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, জাতির পিতার ৭ই মার্চের ভাষণ বিশে^র অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষণ। মহান মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণা ছিলো এই ভাষণ। এ ভাষণের কথামালা বাঙালির হৃদয়ের সাহস সঞ্চার করে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত দেশের মানুষের জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। এজন্য তাঁকে ১৪ বছর কারাগারে বন্দী থাকতে হয়েছে এবং দুইবার ফাঁসির মঞ্চ পর্যন্ত যেতে হয়েছে। জাতির পিতা পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ২৪ বছর লড়াই-সংগ্রামকালে জেল-জুলুম অত্যাচার সহ্য করে সকল আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মোঃ শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেএমপি’র পুলিশ কমিশনার মোঃ মাসুদুর রহমান ভূঞা, অতিরিক্ত রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ ইকবাল, জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তানভীর আহমদ, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আলমগীর কবির ও সরদার মাহাবুবার রহমান। ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ দিবস উপলক্ষ্যে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে বিকাল ৩টা ২০ মিনিটে বঙ্গবন্ধুর সাজে-সজ্জিত হয়ে ১৯২০ জন ক্ষুদে বক্তা বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ পরিবেশন করে। স্থানীয় পত্রিকাগুলো এ উপলক্ষ্যে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করে এবং বাংলাদেশ বেতারের খুলনা কেন্দ্র বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করে। খুলনার উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদসমূহে অনুরূপভাবে দিবসটি উদযাপন করা হয়।##