১০:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ২২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

খুলনায় ধানের নতুন জাত উদ্ভাবনের গল্প বলা ও  কৃষকদের মিলনমেলা

###     দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকরা খুলনায় এক মিলন মেলার মাধ্যমে তাঁদের ধানের জাত উদ্ভাবনের নানা পরিক্রমা তুলে ধরছেন। বুধবার (০৩ মে)  খুলনা মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার সম্মেলন কক্ষে ধানের নতুন জাত উদ্ভাবনের গল্প বিষয়ক এক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে নেত্রকোনার ব্রিডার কৃষক নয়ন মিয়া ও সৈয়দ আহম্মেদ খান বাচ্চু, মানিকগঞ্জ-এর মো: মনোয়ার হোসাইন, রংপুরের আদিবাসী কৃষক মালতী মিনজি, ময়মনসিংহ-এর মো: আব্দুল বারী, সাতক্ষীরার মো: শেখ সিরাজুল ইসলাম ও দিলীপ তরফদার, রাজশাহীর নূর মোহাম্মদ এবং খুলনার আরুনি সরকার; তাঁদের এলাকা উপযোগী ধানের নতুন জাত ও এই সকল জাত উদ্ভাবনের অভিজ্ঞতা তথ্য তুলে ধরেন। বেসরকারি উন্নয়ন সংগঠন লোকজ-এর আয়োজন এবং মিজরিও-জার্মানীর সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত কর্মসূচিটিতে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট সাংবাদিক-গবেষক, লোকজ-এর সভাপতি গৌরাঙ্গ নন্দী। লোকজ-এর নির্বাহী পরিচালক দেবপ্রসাদ সরকারের স্বাগত বক্তব্য এবং কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট সাবেক অধ্যাক্ষ ড. এস এম ফেরদৌস-এর তথ্য উপাত্ত্ব উপস্থাপনের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে ব্রিডার কৃষকদের অভিজ্ঞতার উপর প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বক্তব্য রাখেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মরিরুল ইসলাম রিপন, প্রফেসর ড. মো: রায়হান আলী, প্রফেসর ড. মো: রেজাউল ইসলাম, প্রফেসর ড. সাঈদা রেহেনা, ডিএই অতিরিক্ত পরিচালক খুলনাঞ্চল মোহন কুমার ঘোষ, ব্রি সাতক্ষীরার প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. তাহমিদ আনসারি, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, বারি, সরেজমিন গবেষণা বিভাগ দৌলতপুর, খুলনা ড. হারুন-অর রশিদ, জেলা বীজ প্রত্যায়ণ অফিসার মো: নজরুল ইসলাম, বিনা-র উদ্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো: বাবুল আক্তার, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়-এর জনসংযোগ কর্মকর্তা এসএম আতিয়ার রহমান, বটিয়াঘাটা উপজেলা কৃষি অফিসার মো: রবিউল ইসলাম প্রমুখ:। অনুষ্ঠানে খুলনার শিক্ষাবিদ, কৃষি গবেষক, সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন উন্নয়ন সংগঠন ও সিভিল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ, বিভিন্ন পর্যায়ের কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।

ধানের নতুন জাত উদ্ভাবনের গল্প অনুষ্ঠানে নেত্রকোনার ব্রিডার কৃষক নয়ন মিয়া ০৪টি ও সৈয়দ আহম্মেদ খান বাচ্চু ০৪টি, মানিকগঞ্জের মো: মনোয়ার হোসাইন ০৩টি, ময়মনসিংহের মো: আব্দুল বারী ০২টি, সাতক্ষীরার মো: শেখ সিরাজুল ইসলাম ০১টি ও দিলীপ তরফদার ০২টি, রংপুরের আদিবাসী কৃষক মালতী মিনজি ০১টি, রাজশাহীর নূর মোহাম্মদ প্রায় ২০০টি এবং খুলনার আরুনি সরকার ১০টি উদ্ভাবনের নানা পর্যায়ে রয়েছে জানানো হয়। অনুষ্ঠানে বক্তরা এলাকা উপযোগী বিভিন্ন ধান উদ্ভাবনে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

খুলনায় ধানের নতুন জাত উদ্ভাবনের গল্প বলা ও  কৃষকদের মিলনমেলা

প্রকাশিত সময় : ০৫:৩০:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ মে ২০২৩

###     দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকরা খুলনায় এক মিলন মেলার মাধ্যমে তাঁদের ধানের জাত উদ্ভাবনের নানা পরিক্রমা তুলে ধরছেন। বুধবার (০৩ মে)  খুলনা মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার সম্মেলন কক্ষে ধানের নতুন জাত উদ্ভাবনের গল্প বিষয়ক এক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে নেত্রকোনার ব্রিডার কৃষক নয়ন মিয়া ও সৈয়দ আহম্মেদ খান বাচ্চু, মানিকগঞ্জ-এর মো: মনোয়ার হোসাইন, রংপুরের আদিবাসী কৃষক মালতী মিনজি, ময়মনসিংহ-এর মো: আব্দুল বারী, সাতক্ষীরার মো: শেখ সিরাজুল ইসলাম ও দিলীপ তরফদার, রাজশাহীর নূর মোহাম্মদ এবং খুলনার আরুনি সরকার; তাঁদের এলাকা উপযোগী ধানের নতুন জাত ও এই সকল জাত উদ্ভাবনের অভিজ্ঞতা তথ্য তুলে ধরেন। বেসরকারি উন্নয়ন সংগঠন লোকজ-এর আয়োজন এবং মিজরিও-জার্মানীর সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত কর্মসূচিটিতে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট সাংবাদিক-গবেষক, লোকজ-এর সভাপতি গৌরাঙ্গ নন্দী। লোকজ-এর নির্বাহী পরিচালক দেবপ্রসাদ সরকারের স্বাগত বক্তব্য এবং কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট সাবেক অধ্যাক্ষ ড. এস এম ফেরদৌস-এর তথ্য উপাত্ত্ব উপস্থাপনের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে ব্রিডার কৃষকদের অভিজ্ঞতার উপর প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বক্তব্য রাখেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মরিরুল ইসলাম রিপন, প্রফেসর ড. মো: রায়হান আলী, প্রফেসর ড. মো: রেজাউল ইসলাম, প্রফেসর ড. সাঈদা রেহেনা, ডিএই অতিরিক্ত পরিচালক খুলনাঞ্চল মোহন কুমার ঘোষ, ব্রি সাতক্ষীরার প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. তাহমিদ আনসারি, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, বারি, সরেজমিন গবেষণা বিভাগ দৌলতপুর, খুলনা ড. হারুন-অর রশিদ, জেলা বীজ প্রত্যায়ণ অফিসার মো: নজরুল ইসলাম, বিনা-র উদ্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো: বাবুল আক্তার, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়-এর জনসংযোগ কর্মকর্তা এসএম আতিয়ার রহমান, বটিয়াঘাটা উপজেলা কৃষি অফিসার মো: রবিউল ইসলাম প্রমুখ:। অনুষ্ঠানে খুলনার শিক্ষাবিদ, কৃষি গবেষক, সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন উন্নয়ন সংগঠন ও সিভিল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ, বিভিন্ন পর্যায়ের কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।

ধানের নতুন জাত উদ্ভাবনের গল্প অনুষ্ঠানে নেত্রকোনার ব্রিডার কৃষক নয়ন মিয়া ০৪টি ও সৈয়দ আহম্মেদ খান বাচ্চু ০৪টি, মানিকগঞ্জের মো: মনোয়ার হোসাইন ০৩টি, ময়মনসিংহের মো: আব্দুল বারী ০২টি, সাতক্ষীরার মো: শেখ সিরাজুল ইসলাম ০১টি ও দিলীপ তরফদার ০২টি, রংপুরের আদিবাসী কৃষক মালতী মিনজি ০১টি, রাজশাহীর নূর মোহাম্মদ প্রায় ২০০টি এবং খুলনার আরুনি সরকার ১০টি উদ্ভাবনের নানা পর্যায়ে রয়েছে জানানো হয়। অনুষ্ঠানে বক্তরা এলাকা উপযোগী বিভিন্ন ধান উদ্ভাবনে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।##