০৯:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

খুলনায় বিএনপি রাজপথে ব্যাপক শোডাউনের প্রস্তুতি

###    খুলনায় ১০ দফা দাবী আদায়ের লক্ষ্যে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি শানিবার বিভাগীয় সমাবেশকে কেন্দ্র করে ব্যাপক শোডাউনের প্রস্তুতি নিয়েছে বিএনপি। এ জন্য দিন-রাত দৌড়ঝাঁপ করছেন দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটির হাফ ডজন নেতাসহ বিভাগের সিনিয়র নেতারা। এটি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিএনপির আন্দোলন জোরদারের কৌশল। বিভাগীয় সমাবেশ থেকেই সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি আদায়ে সরকারকে আলটিমেটাম দেবে দলের নেতারা। তাই এই সমাবেশকে কেন্দ্র করে বিভাগের সর্বস্তরের বিএনপি নেতাকর্মীরা সর্বোচ্চ জনসমাগমের প্রস্তুতি নিয়েছে। আওয়ামী সন্ত্রাস, সরকারের দমন-পীড়ন ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি, বিদ্যুৎ এবং নিত্যপণ্যের দাম কমানোসহ ১০ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চলমান আন্দোলনের ৫ম দফায় ৪ ফেব্রুয়ারি শনিবার সারাদেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহরের ন্যায় খুলনায় বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। দলীয় সূত্র জানায়, সমাবেশ করার জন্য নগরীর সোনালী ব্যাংক চত্ত্বর অথবা হাদিস পার্ক ব্যবহারের অনুমতি চেয়ে সিটি কর্পোরেশনের কাছে চিঠি দিয়েছেন বিএনপি। একই সাথে কেএমপি কমিশনারকে অবহিত করেছেন। সমাবেশে আসার পথে নেতাকর্মীরা যেন কোনো বাধার সম্মুখীন না হন সে জন্য পুলিশের সহযোগিতা চেয়েছেন। তবে বুধবার (০১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পর্যন্ত সমাবেশের স্থানের ব্যপারে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। খুলনা জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খান বলেন, চলমান গনতান্ত্রিক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতা থেকে বিদায় নিতে হবে। আন্দোলনে গুণগত পরিবর্তন এসেছে। বিএনপির কর্মসূচিতে জনগণের অংশগ্রহণ বাড়ছে। হামলা হলে পাল্টা হামলার মাধ্যমে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হচ্ছে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে রাজপথ দখলে রাখার জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে নেতাকর্মীরা প্রস্তত আছেন। ৪ ফেব্রুয়ারির সমাবেশে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হবে বলে তিনি জানান। খুলনা মহানগর বিএনপির আহবায়ক এড. শফিকুল আলম মনা বলেন, ৪ ফেব্রুয়ারি খুলনায় বিএনপির সমাবেশের অনুমতি চেয়ে কেসিসি ও কেএমপিকে চিঠি দিয়েছি। সোনালী ব্যাংক চত্ত্বর অথবা শহীদ হাদিস পার্কে সমাবেশ করার অনুমতি চেয়েছি। সমাবেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের আসতে যাতে বাধা দেওয়া না হয় সে বিষয়ে কেএমপি কমিশনারকে জানিয়েছি। আমরা বলেছি শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ হবে, কোনো ধরনের বিশৃংখলা হবে না। আমাদের সমাবেশে যারা আসবে তাদের যেন বাধা না দেওয়া হয় এবং তাদের ওপর যেন কোনো আক্রমণ না করা হয়। ৪ ফেব্রুয়ারির কর্মসূচি সফল করতে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা কাজ করছেন। আশা করছি অন্যান্য বিভাগের মতো খুলনার সমাবেশ সফল করার মধ্য দিয়ে সরকারকে আমরা বার্তা দিতে পারবো অবিলম্বে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মেনে নিন। তা না হলে দুর্বার আন্দোলনে এ সরকারের পতন হবে।

উল্লেখ্য, রাজপথের আন্দোলনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জুলাই মাস থেকেই ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন শুরু করে বিএনপি। বিগত ২২ অক্টোবর খুলনায় গণ-সমাবেশে বিএনপির বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতি ঘটায় দলটির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত হয়। নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনসহ ১০ দফা দাবিতে গত বছরের ১০ ডিসেম্বর ঢাকার গণসমাবেশ থেকে যুগপৎ আন্দোলনের ঘোষণা দেয় বিএনপি। #

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

জনপ্রিয়

খুলনায় বিএনপি রাজপথে ব্যাপক শোডাউনের প্রস্তুতি

প্রকাশিত সময় : ০৮:৩৭:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

###    খুলনায় ১০ দফা দাবী আদায়ের লক্ষ্যে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি শানিবার বিভাগীয় সমাবেশকে কেন্দ্র করে ব্যাপক শোডাউনের প্রস্তুতি নিয়েছে বিএনপি। এ জন্য দিন-রাত দৌড়ঝাঁপ করছেন দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটির হাফ ডজন নেতাসহ বিভাগের সিনিয়র নেতারা। এটি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিএনপির আন্দোলন জোরদারের কৌশল। বিভাগীয় সমাবেশ থেকেই সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি আদায়ে সরকারকে আলটিমেটাম দেবে দলের নেতারা। তাই এই সমাবেশকে কেন্দ্র করে বিভাগের সর্বস্তরের বিএনপি নেতাকর্মীরা সর্বোচ্চ জনসমাগমের প্রস্তুতি নিয়েছে। আওয়ামী সন্ত্রাস, সরকারের দমন-পীড়ন ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি, বিদ্যুৎ এবং নিত্যপণ্যের দাম কমানোসহ ১০ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চলমান আন্দোলনের ৫ম দফায় ৪ ফেব্রুয়ারি শনিবার সারাদেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহরের ন্যায় খুলনায় বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। দলীয় সূত্র জানায়, সমাবেশ করার জন্য নগরীর সোনালী ব্যাংক চত্ত্বর অথবা হাদিস পার্ক ব্যবহারের অনুমতি চেয়ে সিটি কর্পোরেশনের কাছে চিঠি দিয়েছেন বিএনপি। একই সাথে কেএমপি কমিশনারকে অবহিত করেছেন। সমাবেশে আসার পথে নেতাকর্মীরা যেন কোনো বাধার সম্মুখীন না হন সে জন্য পুলিশের সহযোগিতা চেয়েছেন। তবে বুধবার (০১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পর্যন্ত সমাবেশের স্থানের ব্যপারে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। খুলনা জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খান বলেন, চলমান গনতান্ত্রিক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতা থেকে বিদায় নিতে হবে। আন্দোলনে গুণগত পরিবর্তন এসেছে। বিএনপির কর্মসূচিতে জনগণের অংশগ্রহণ বাড়ছে। হামলা হলে পাল্টা হামলার মাধ্যমে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হচ্ছে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে রাজপথ দখলে রাখার জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে নেতাকর্মীরা প্রস্তত আছেন। ৪ ফেব্রুয়ারির সমাবেশে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হবে বলে তিনি জানান। খুলনা মহানগর বিএনপির আহবায়ক এড. শফিকুল আলম মনা বলেন, ৪ ফেব্রুয়ারি খুলনায় বিএনপির সমাবেশের অনুমতি চেয়ে কেসিসি ও কেএমপিকে চিঠি দিয়েছি। সোনালী ব্যাংক চত্ত্বর অথবা শহীদ হাদিস পার্কে সমাবেশ করার অনুমতি চেয়েছি। সমাবেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের আসতে যাতে বাধা দেওয়া না হয় সে বিষয়ে কেএমপি কমিশনারকে জানিয়েছি। আমরা বলেছি শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ হবে, কোনো ধরনের বিশৃংখলা হবে না। আমাদের সমাবেশে যারা আসবে তাদের যেন বাধা না দেওয়া হয় এবং তাদের ওপর যেন কোনো আক্রমণ না করা হয়। ৪ ফেব্রুয়ারির কর্মসূচি সফল করতে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা কাজ করছেন। আশা করছি অন্যান্য বিভাগের মতো খুলনার সমাবেশ সফল করার মধ্য দিয়ে সরকারকে আমরা বার্তা দিতে পারবো অবিলম্বে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মেনে নিন। তা না হলে দুর্বার আন্দোলনে এ সরকারের পতন হবে।

উল্লেখ্য, রাজপথের আন্দোলনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জুলাই মাস থেকেই ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন শুরু করে বিএনপি। বিগত ২২ অক্টোবর খুলনায় গণ-সমাবেশে বিএনপির বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতি ঘটায় দলটির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত হয়। নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনসহ ১০ দফা দাবিতে গত বছরের ১০ ডিসেম্বর ঢাকার গণসমাবেশ থেকে যুগপৎ আন্দোলনের ঘোষণা দেয় বিএনপি। #