১০:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

খুলনায় মজলুম জননেতা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

###   খুলনায় মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেছে বিএনপি। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় দলীয় কার্যালয়ে মহানগর ও জেলা বিএনপির যৌথ উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় অংশ নিয়ে মহানগর বিএনপির আহবায়ক শফিকুল আলম মনা বলেন, মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ইনসাফ ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং গণমানুষের মুক্তির লক্ষ্যে আজীবন লড়াই করেছেন। আফ্রো-এশিয়ার নির্যাতিত, শোষিত, বঞ্চিত, অধিকারহারা মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। ভাষা আন্দোলন, গণঅভ্যূত্থান, স্বায়ত্ত¡শাসন আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ সংগঠনে তিনি অনন্য অবদান রেখেছেন। স্বাধীন বাংলাদেশে যখন গণমানুষের স্বপ্ন ভঙ্গ হওয়ায় তিনি বেদনাহত, সে সময় রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সততা, সাহস, দেশপ্রেম ও দূর্নীতি স্বজনপ্রীতিমুক্ত শাসন ব্যবস্থা তাকে খুশি করেছিল। ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে মাওলানা ভাসানীর ফারাক্কা লংমার্চ ঐতিহাসিক মর্যাদা লাভ করেছে।
সরকার ইতিহাস থেকে সবার নাম মুছে ফেলে মাত্র একটি নামকে প্রতিষ্ঠিত করতে চায় অভিযোগ করে মনা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার জিগির তুললেও রাতের ভোটের সরকার স্বাধীনতার সকল মূলমন্ত্রকে ভূলুন্ঠিত করেছে। সীমাহীন লুটপাটে দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে ভাতের অধিকার কেড়েছে। রাতের বেলায় ভোট আয়োজন করে মানুষের ভোটের অধিকার কেড়েছে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কেড়েছে। গণমাধ্যম ও মুক্তপ্রকাশের স্বাধীনতাকে হত্যা করেছে। গুম, খুন, অপহরণ ও বিরোধী মত দমনে তাদের বর্বরতা অনেক ক্ষেত্রে হানাদার বাহিনীকেও হার মানিয়েছে।
মনা বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে দেশের জনগণ আজ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। এই সরকারকে মসনদ থেকে হঠাতে সম্মিলিতভাবে মাওলানা ভাসানীর মতো ‘খামোশ’ উচ্চারণ করতে হবে। মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিনের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খান, সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পী, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আবু হোসেন বাবু। উপস্থিত ছিলেন স ম আব্দুর রহমান, সৈয়দা রেহানা ঈসা, কাজী মাহমুদ আলী, শের আলম সান্টু, মোস্তফা উল বারী লাভলু, আবুল কালাম জিয়া, বদরুল আনাম খান, চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, একরামুল হক হেলাল, আশরাফুল আলম খান নান্নু, শেখ সাদী, এনামুল হক সজল,
আব্দুর রাজ্জাক, শাহিনুল ইসলাম পাখী, ইলিয়াস হোসেন মল্লিক, এহতেশামুল হক শাওন, মনিরুজ্জামান লেলিন, এস এম মুর্শিদুর রহমান লিটন, নাজমুস সাকির পিন্টু, নাজিরউদ্দিন আহমেদ নান্নু, শেখ ইমাম হোসেন, রফিকুল ইসলাম বাবু, সরদার আব্দুল মালেক, খন্দকার হাসিনুল ইসলাম নিক, মোঃ জাহিদুল হোসেন জাহিদ, মিজানুর রহমান মিলটন, শফিকুল ইসলাম শফি, আলী আক্কাস, মোঃ মজিবর রহমান, যুবদলের ইবাদুল হক রুবায়েত, ছাত্রদলের ইসতিয়াক আহমেদ ইস্তি, মোঃ তাজিম বিশ্বাস, স্বেচ্ছাসেবক দলের ওয়াহিদুজ্জামান হাওলাদার, মুনতাসির আল মামুন, মহিলা দলেল নিঘাত সীমা, মঞ্জুয়ারা বেগম, পাপিয়া রহমান পারুল, জাসাসের শহিদুল ইসলাম, মোঃ আব্দুল ওহাব, মোঃ পারভেজ ইসলাম, মোঃ লিটন খান, আসাদুজ্জামান আসাদ, শেখ হাবিবুর রহমান হাবিব, আবু ওয়ারা, কে এম মাহবুব আলম, মোল্লা সালাহউদ্দিন বুলবুল প্রমুখ। আলোচনা শেষে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মোনাজাত করেন ওলামা দল নেতা হাফেজ জাহিদুর রহমান। #

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik Madhumati

জনপ্রিয়

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে গলাচিপায় বেড়েছে বাতাস ও নদীর পানি

খুলনায় মজলুম জননেতা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

প্রকাশিত সময় : ০১:১৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ নভেম্বর ২০২২

###   খুলনায় মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেছে বিএনপি। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় দলীয় কার্যালয়ে মহানগর ও জেলা বিএনপির যৌথ উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় অংশ নিয়ে মহানগর বিএনপির আহবায়ক শফিকুল আলম মনা বলেন, মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ইনসাফ ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং গণমানুষের মুক্তির লক্ষ্যে আজীবন লড়াই করেছেন। আফ্রো-এশিয়ার নির্যাতিত, শোষিত, বঞ্চিত, অধিকারহারা মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। ভাষা আন্দোলন, গণঅভ্যূত্থান, স্বায়ত্ত¡শাসন আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ সংগঠনে তিনি অনন্য অবদান রেখেছেন। স্বাধীন বাংলাদেশে যখন গণমানুষের স্বপ্ন ভঙ্গ হওয়ায় তিনি বেদনাহত, সে সময় রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সততা, সাহস, দেশপ্রেম ও দূর্নীতি স্বজনপ্রীতিমুক্ত শাসন ব্যবস্থা তাকে খুশি করেছিল। ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে মাওলানা ভাসানীর ফারাক্কা লংমার্চ ঐতিহাসিক মর্যাদা লাভ করেছে।
সরকার ইতিহাস থেকে সবার নাম মুছে ফেলে মাত্র একটি নামকে প্রতিষ্ঠিত করতে চায় অভিযোগ করে মনা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার জিগির তুললেও রাতের ভোটের সরকার স্বাধীনতার সকল মূলমন্ত্রকে ভূলুন্ঠিত করেছে। সীমাহীন লুটপাটে দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে ভাতের অধিকার কেড়েছে। রাতের বেলায় ভোট আয়োজন করে মানুষের ভোটের অধিকার কেড়েছে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কেড়েছে। গণমাধ্যম ও মুক্তপ্রকাশের স্বাধীনতাকে হত্যা করেছে। গুম, খুন, অপহরণ ও বিরোধী মত দমনে তাদের বর্বরতা অনেক ক্ষেত্রে হানাদার বাহিনীকেও হার মানিয়েছে।
মনা বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে দেশের জনগণ আজ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। এই সরকারকে মসনদ থেকে হঠাতে সম্মিলিতভাবে মাওলানা ভাসানীর মতো ‘খামোশ’ উচ্চারণ করতে হবে। মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিনের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খান, সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পী, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আবু হোসেন বাবু। উপস্থিত ছিলেন স ম আব্দুর রহমান, সৈয়দা রেহানা ঈসা, কাজী মাহমুদ আলী, শের আলম সান্টু, মোস্তফা উল বারী লাভলু, আবুল কালাম জিয়া, বদরুল আনাম খান, চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, একরামুল হক হেলাল, আশরাফুল আলম খান নান্নু, শেখ সাদী, এনামুল হক সজল,
আব্দুর রাজ্জাক, শাহিনুল ইসলাম পাখী, ইলিয়াস হোসেন মল্লিক, এহতেশামুল হক শাওন, মনিরুজ্জামান লেলিন, এস এম মুর্শিদুর রহমান লিটন, নাজমুস সাকির পিন্টু, নাজিরউদ্দিন আহমেদ নান্নু, শেখ ইমাম হোসেন, রফিকুল ইসলাম বাবু, সরদার আব্দুল মালেক, খন্দকার হাসিনুল ইসলাম নিক, মোঃ জাহিদুল হোসেন জাহিদ, মিজানুর রহমান মিলটন, শফিকুল ইসলাম শফি, আলী আক্কাস, মোঃ মজিবর রহমান, যুবদলের ইবাদুল হক রুবায়েত, ছাত্রদলের ইসতিয়াক আহমেদ ইস্তি, মোঃ তাজিম বিশ্বাস, স্বেচ্ছাসেবক দলের ওয়াহিদুজ্জামান হাওলাদার, মুনতাসির আল মামুন, মহিলা দলেল নিঘাত সীমা, মঞ্জুয়ারা বেগম, পাপিয়া রহমান পারুল, জাসাসের শহিদুল ইসলাম, মোঃ আব্দুল ওহাব, মোঃ পারভেজ ইসলাম, মোঃ লিটন খান, আসাদুজ্জামান আসাদ, শেখ হাবিবুর রহমান হাবিব, আবু ওয়ারা, কে এম মাহবুব আলম, মোল্লা সালাহউদ্দিন বুলবুল প্রমুখ। আলোচনা শেষে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মোনাজাত করেন ওলামা দল নেতা হাফেজ জাহিদুর রহমান। #