০৯:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

খুলনার তেরখাদায় হেড মাস্টারের ভাইকে অবৈধ সার্টিফিকেটে চাকরী, নিয়োগ বাতিলের দাবি এলাকাবাসীর

###    খুলনার তেরখাদা উপজেলার বিআরবি আজগড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অবৈধ সার্টিফিকেট চাকুরি পাওয়া সহঃগ্রন্থাগারিক বিনোদ টিকাদারের নিয়োগ বাতিলের দাবিতে সোচ্চার বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। বিদ্যালয়ের হেড মাস্টার রমেন্দ্রনাথ মল্লিকের আপন মামাতো ভাই হওয়ার সুবাদে অবৈধ সার্টিফিকেটেই চাকুরি পেয়েছেন বিনোদ। এই ঘটনায় এলাকার সর্বস্তরের মানুষ বিনোদ টিকাদারের অবৈধ নিয়োগ বাতিলের দাবি জানিয়েছে। সরেজমিন পরিদর্শনে জানা গেছে, বিনোদ টিকাদার ২০১৫ সালের ১৭ ডিসেম্বর বিআরবি আজগড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহঃগ্রস্থাগারিক পদে চাকুরিতে যোগদান করেন। চাকুরির আবদনের সময় তিনি ২০১৪ সালে দারুল আহসান ইউনিভার্সিটি থেকে লাইব্রেরি এন্ড ইনফরমেশন সাইন্সে ডিপ্লোমা পাশ করা একটি সার্টিফিকেট জমা দেন। তবে এই সার্টিফিকেটের কোন বৈধতা নেই। কারণ দারুল আহসান ইউনিভার্সিটির কোন বৈধতা না থাকায় হাই কোর্টের রায়ে এটি বন্ধ রয়েছে। আর দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদের বৈধতা সংক্রান্ত সম্পর্কিত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের স্বাক্ষরিত পত্রে বলা হয়েছে, দারুল ইহসানের সনদের বৈধতা দেয়ার ব্যাপাওে কোন চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি। এমনকি ইউজিসিও বলছে, বিশ্ববিদ্যালয়টির কোন বৈধতা নেই। ইউজিসির বৈধ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় দারুল ইহসান ইউনিভার্সিটর নাম নেই। বিশিষ্টজনেরা বলছেন, দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যায়ের সকল ক্যম্পাস হাইকোর্টের নির্দেশে বন্ধ করে দেয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বেশ কয়েকটি রিট করে। এখনও পর্যন্ত কোন বৈধতা দেয়নি আদালতে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়টির কোন অবৈধতা নেই। যে কারণে অবৈধ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন সার্টিফিকেটের বৈধতা নেই। এই সার্টিফিকেটের মাধ্যমে কেউ চাকুরি নিলে তা মোটেই বৈধ নয়। নিয়োগ কর্তৃপক্ষের উচিত হবে অবিলম্বে নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল করে অনৈতিক পন্থা অবলম্বন করায় তাকে আইনের আওতায় আনা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, জাল-অবৈধ সার্টিফিকেটে চাকুরি নেয়া শিক্ষক বিনোদ টিকাদার, হেডমাস্টার রমেন্দ্র নাথ মল্লিক এবং তৎকালিন স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি যোগসাজসে অনৈতিক পন্থায় বিনোদকে নিয়োগ দিয়েছে। জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ প্রাপ্ত কোন শিক্ষকের কাছ থেকে জাতি কিছুই আশা করতে পারেন না। অবিলম্বে বিনোদ টিকাদার, হেড মাস্টার এবং তৎকালিন সভাপতিকে আইনের আওতায় আওতায় আনা উচিত।
বিদ্যালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র বলছে, বিনোদ টিকাদারকে সহ গ্রহন্তগারিক পদে স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে নিয়োগ দেয় হয়েছে। তাকে নিয়োগ দেয়ার জন্য মাত্র ৩ জনের অংশ গ্রহণে একটি সাজানো পরীক্ষা নেয়া হয়। অপর দুই জন ছিলো বিনোদের আত্মীয়। যেহেতু হেড মাস্টার ও সভাপতি ছিলো নিয়োগের মুখ্য ভুমিকায় সেহেতু কারো কথায় তারা তখন কর্ণপাত করেনি। সম্প্রতি তেরখাদা উপজেলা শিক্ষা অফিসার, জেলা শিক্ষা অফিসার, উপ-পরিচালক, জেলা প্রশাসন সহ বিভিন্ন দপ্তরে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তথাপি বিনোদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। তাই এই অবৈধ নিয়োগ বাতিল এবং প্রক্রিয়ার সাথে সম্পৃক্ত দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে তীব্র আন্দোলনে যাচ্ছেন এলাকার সর্বস্তরের মানুষ।
বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎসাহী সদস্য অপুর্ব মল্লিক জানান, আমরা অনৈতিকতা বিরোধী নিয়োগ প্রাপ্ত কোন শিক্ষককে বিদ্যালয়ে দেখতে চাইনা। বিগত সময়ে নিয়োগ পাওয়া সহঃকারি গ্রন্থগারিকের সার্টিফিকেটের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ। বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভায় তাকে চাকুরিচ্যুত করার দাবি উঠেছে বহুবার। তথাপি এখনও পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানাচ্ছি।
তেরখাদা উপজেলা শিক্ষা অফিসার আজিজুর রহমানের মতে, যে ইউনিভার্সিটির বৈধতা থাকেনা সেই ইউনিভার্সিটির সার্টিফিকেটেরও বৈধতা নেই। অবৈধ সার্টিফিকেট দিয়ে কেউ চাকরি নিলে তারও বৈধতা নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে এমন অনৈতিক ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে নিশ্চই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এব্যাপারে ইউজিসির সদস্য প্রফেসর ডক্টর আলমগীর হোসেন জানিয়েছেন, দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় ইউজিসির তালিকাভুক্ত নয়। বিশ্ববিদ্যালয়টির কোন বৈধতা না থাকায় তার সার্টিফিকেটেরও বৈধতা নেই। অবৈধ সার্টিফিকেটে কেউ চাকরি নিলে তার চাকুরিও অবৈধ হবে এটাই স্বাভাবিক। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর খুলনা অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর শেখ হারুনর রশীদ জানিয়েছেন, হাই কোর্টের নির্দেশে দারুল ইহসান ইনিভার্সিটির সকল ক্যম্পাস বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বেশ কয়েকটি রিটের আবেদনও খারিজ করেছে হাই কোর্ট। যে কারণে বিশ্ববিদ্যালয় বা ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন সার্টিফিকেটের বৈধতার কোন প্রশ্ন ওঠেনা। এই সার্টিফিকেটের মাধ্যমে কেউ চাকুরি নিলে তা বৈধ নয়। এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক বিনোদ টিকাদারকে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোন সন্তোষ জনক উত্তর না দিয়ে বার বার প্রসংগ ঘোরানোর চেষ্টা করেছেন। কত টাকা দিয়ে সার্টিফিকেট ক্রয় করা হয়েছে এমন প্রশ্নের কোন জবাব না দিয়ে চুপ করে থেকেছেন। হেড মাস্টার তার আপন মামাতো ভাই বলেও স্বীকার করেছেন। তবে হেডমাস্টার রমেন্দ্রনাথ মল্লিক তার আপন মামাতো ভাই বলেও স্বীকার করেছেন। এদিকে, প্রধান শিক্ষক রমেন্দ্রনাথ মল্লিকের কাছে সাংবাদিকরা বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করে অপপ্রচার বলে মন্তব্য করেছেন। ##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

জনপ্রিয়

কেইউজের নির্বাচন ২৯ জুন :  ভুয়া কমিটি নিয়ে বিভ্রান্ত না হতে সদস্যদের প্রতি নেতৃবৃন্দের আহ্বান

খুলনার তেরখাদায় হেড মাস্টারের ভাইকে অবৈধ সার্টিফিকেটে চাকরী, নিয়োগ বাতিলের দাবি এলাকাবাসীর

প্রকাশিত সময় : ১০:৩৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ ২০২৩

###    খুলনার তেরখাদা উপজেলার বিআরবি আজগড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অবৈধ সার্টিফিকেট চাকুরি পাওয়া সহঃগ্রন্থাগারিক বিনোদ টিকাদারের নিয়োগ বাতিলের দাবিতে সোচ্চার বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। বিদ্যালয়ের হেড মাস্টার রমেন্দ্রনাথ মল্লিকের আপন মামাতো ভাই হওয়ার সুবাদে অবৈধ সার্টিফিকেটেই চাকুরি পেয়েছেন বিনোদ। এই ঘটনায় এলাকার সর্বস্তরের মানুষ বিনোদ টিকাদারের অবৈধ নিয়োগ বাতিলের দাবি জানিয়েছে। সরেজমিন পরিদর্শনে জানা গেছে, বিনোদ টিকাদার ২০১৫ সালের ১৭ ডিসেম্বর বিআরবি আজগড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহঃগ্রস্থাগারিক পদে চাকুরিতে যোগদান করেন। চাকুরির আবদনের সময় তিনি ২০১৪ সালে দারুল আহসান ইউনিভার্সিটি থেকে লাইব্রেরি এন্ড ইনফরমেশন সাইন্সে ডিপ্লোমা পাশ করা একটি সার্টিফিকেট জমা দেন। তবে এই সার্টিফিকেটের কোন বৈধতা নেই। কারণ দারুল আহসান ইউনিভার্সিটির কোন বৈধতা না থাকায় হাই কোর্টের রায়ে এটি বন্ধ রয়েছে। আর দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদের বৈধতা সংক্রান্ত সম্পর্কিত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের স্বাক্ষরিত পত্রে বলা হয়েছে, দারুল ইহসানের সনদের বৈধতা দেয়ার ব্যাপাওে কোন চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি। এমনকি ইউজিসিও বলছে, বিশ্ববিদ্যালয়টির কোন বৈধতা নেই। ইউজিসির বৈধ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় দারুল ইহসান ইউনিভার্সিটর নাম নেই। বিশিষ্টজনেরা বলছেন, দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যায়ের সকল ক্যম্পাস হাইকোর্টের নির্দেশে বন্ধ করে দেয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বেশ কয়েকটি রিট করে। এখনও পর্যন্ত কোন বৈধতা দেয়নি আদালতে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়টির কোন অবৈধতা নেই। যে কারণে অবৈধ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন সার্টিফিকেটের বৈধতা নেই। এই সার্টিফিকেটের মাধ্যমে কেউ চাকুরি নিলে তা মোটেই বৈধ নয়। নিয়োগ কর্তৃপক্ষের উচিত হবে অবিলম্বে নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল করে অনৈতিক পন্থা অবলম্বন করায় তাকে আইনের আওতায় আনা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, জাল-অবৈধ সার্টিফিকেটে চাকুরি নেয়া শিক্ষক বিনোদ টিকাদার, হেডমাস্টার রমেন্দ্র নাথ মল্লিক এবং তৎকালিন স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি যোগসাজসে অনৈতিক পন্থায় বিনোদকে নিয়োগ দিয়েছে। জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ প্রাপ্ত কোন শিক্ষকের কাছ থেকে জাতি কিছুই আশা করতে পারেন না। অবিলম্বে বিনোদ টিকাদার, হেড মাস্টার এবং তৎকালিন সভাপতিকে আইনের আওতায় আওতায় আনা উচিত।
বিদ্যালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র বলছে, বিনোদ টিকাদারকে সহ গ্রহন্তগারিক পদে স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে নিয়োগ দেয় হয়েছে। তাকে নিয়োগ দেয়ার জন্য মাত্র ৩ জনের অংশ গ্রহণে একটি সাজানো পরীক্ষা নেয়া হয়। অপর দুই জন ছিলো বিনোদের আত্মীয়। যেহেতু হেড মাস্টার ও সভাপতি ছিলো নিয়োগের মুখ্য ভুমিকায় সেহেতু কারো কথায় তারা তখন কর্ণপাত করেনি। সম্প্রতি তেরখাদা উপজেলা শিক্ষা অফিসার, জেলা শিক্ষা অফিসার, উপ-পরিচালক, জেলা প্রশাসন সহ বিভিন্ন দপ্তরে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তথাপি বিনোদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। তাই এই অবৈধ নিয়োগ বাতিল এবং প্রক্রিয়ার সাথে সম্পৃক্ত দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে তীব্র আন্দোলনে যাচ্ছেন এলাকার সর্বস্তরের মানুষ।
বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎসাহী সদস্য অপুর্ব মল্লিক জানান, আমরা অনৈতিকতা বিরোধী নিয়োগ প্রাপ্ত কোন শিক্ষককে বিদ্যালয়ে দেখতে চাইনা। বিগত সময়ে নিয়োগ পাওয়া সহঃকারি গ্রন্থগারিকের সার্টিফিকেটের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ। বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভায় তাকে চাকুরিচ্যুত করার দাবি উঠেছে বহুবার। তথাপি এখনও পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানাচ্ছি।
তেরখাদা উপজেলা শিক্ষা অফিসার আজিজুর রহমানের মতে, যে ইউনিভার্সিটির বৈধতা থাকেনা সেই ইউনিভার্সিটির সার্টিফিকেটেরও বৈধতা নেই। অবৈধ সার্টিফিকেট দিয়ে কেউ চাকরি নিলে তারও বৈধতা নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে এমন অনৈতিক ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে নিশ্চই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এব্যাপারে ইউজিসির সদস্য প্রফেসর ডক্টর আলমগীর হোসেন জানিয়েছেন, দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় ইউজিসির তালিকাভুক্ত নয়। বিশ্ববিদ্যালয়টির কোন বৈধতা না থাকায় তার সার্টিফিকেটেরও বৈধতা নেই। অবৈধ সার্টিফিকেটে কেউ চাকরি নিলে তার চাকুরিও অবৈধ হবে এটাই স্বাভাবিক। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর খুলনা অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর শেখ হারুনর রশীদ জানিয়েছেন, হাই কোর্টের নির্দেশে দারুল ইহসান ইনিভার্সিটির সকল ক্যম্পাস বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বেশ কয়েকটি রিটের আবেদনও খারিজ করেছে হাই কোর্ট। যে কারণে বিশ্ববিদ্যালয় বা ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন সার্টিফিকেটের বৈধতার কোন প্রশ্ন ওঠেনা। এই সার্টিফিকেটের মাধ্যমে কেউ চাকুরি নিলে তা বৈধ নয়। এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক বিনোদ টিকাদারকে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোন সন্তোষ জনক উত্তর না দিয়ে বার বার প্রসংগ ঘোরানোর চেষ্টা করেছেন। কত টাকা দিয়ে সার্টিফিকেট ক্রয় করা হয়েছে এমন প্রশ্নের কোন জবাব না দিয়ে চুপ করে থেকেছেন। হেড মাস্টার তার আপন মামাতো ভাই বলেও স্বীকার করেছেন। তবে হেডমাস্টার রমেন্দ্রনাথ মল্লিক তার আপন মামাতো ভাই বলেও স্বীকার করেছেন। এদিকে, প্রধান শিক্ষক রমেন্দ্রনাথ মল্লিকের কাছে সাংবাদিকরা বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করে অপপ্রচার বলে মন্তব্য করেছেন। ##