০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
খুলনায় আগস্টে শ্রমিক জাগরণের সমাবেশের ঘোষনা :

খুলনার বিভাগীয় শ্রমিক কর্মচারী সমাবেশ থেকেই হাসিনা সরকারের বিদায় ঘন্টা বাজবে

####

 

সারা দেশে পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। হাসিনার বিদায়ের ঘণ্টা বেজে গেছে। জাতিসংঘসহ পশ্চিমা বিশ্ব সেই জানান দিচ্ছে, অথচ বর্তমান সরকার তা বোঝার চেষ্টা করছে না উল্লেখ করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেছেন, এই সরকার আজ ভোট চোর হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এই ভোট চোরের নেতৃত্বে বাংলাদেশে আর  কোন ভোট হবে না। জিনিসপত্রের এত দাম যে বাজারে গেলে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্তরা কান্না করে ফিরে আসেন।  খুলনায় আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে শ্রমিক জাগরণের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। খুলনার মৃত শিল্পাঞ্চলকে খুলনাকে আবারো জাগিয়ে তুলতে হবে। বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উপস্থিতে খুলনার বিভাগীয় শ্রমিক কর্মচারী সমাবেশ থেকেই হাসিনা সরকারের বিদায় ঘন্টা বাজবে। বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) বিকালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের উদ্যোগে খুলনা জেলা আইনজীবী মিলনায়তনেনিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য মুল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে,  শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়, বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম  খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্ববধায়ক সরকারের অধীনের জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের সমাবেশ আয়োজনের লক্ষ্যে খুলনা বিভাগীয় প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শিমুল বিশ্বাস বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আগামী দিনের রাষ্ট্র নায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে গরিব-দুঃখী, অত্যাচারিত ও দিন আনে দিন খাওয়া মানুষগুলো আজ বিএনপির পতাকাতলে সমাবেত হয়েছে। তিনি আরো বলেন তারেক রহমানের ধমনীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার রক্ত; তারেক রহমানের নেতৃত্বেই হাসিনার পতন হবে। বাংলার ইতিহাসে সকল আন্দোলনের সফলতা এসেছে শ্রমিক, মেহনতি মানুষের আন্দোলনের মাধ্যমে। এ সরকারেরও পতন হবে শ্রমিকদের আন্দোলনের মাধ্যমে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গনতন্ত্রের প্রবক্তা, আধুনিক বাংলাদেশের রুপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম নিজেকে শ্রমিক পরিচয় দিতে গর্ববোধ করতেন। ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান, ৭১ এর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ, ৯০ এর স্বৈরাচার হটাও আন্দোলনে শ্রমিক মেহনতি মানুষের অতীত ঐতিহ্য রয়েছে। বর্তমান অবৈধ ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়বো না। তিনি বলেন সরকারের পক্ষ থেকে সংলাপের প্রস্তাব দেয়া হচ্ছে কিন্তু আগে হাসিনার পদত্যাগ করতে হবে তারপর সংলাপের বিষয় বিএনপি ভাববেন। যারা এতদিন উন্নয়নের স্লোগান দিয়েছেন তারা কোথায়? প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, সেই সকল উন্নয়নের গল্পকাররা পালিয়েছে। তাদের খোঁজ মিলছে না গনমাধ্যমে। তিনি বলেন বর্তমান সরকার হিরো আলমকেও আজ ভয় পায়; তাই ঢাকা ১৭ আসনে হিরো আলমের নির্বাচনি প্রচারনায় তারা হামলা চালাচ্ছে। তিনি বলেন সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের ৫% মহার্ঘ্যভাতা দেয়ার কথা থাকলেও হাসিনা সেটাকে ১০% ঘোষনা দিয়েছে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের পক্ষে নিতে কিন্তু হাসিনার সে স্বপ্ন পুরণ হবে না। নিজেদের পাতানো নির্বাচন কমিশনকেও ভয় পাচ্ছে হাসিনা সরকার তাই তারা তথাকথিত নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা খর্ব করেছে। সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীরা দুর্নীতি করলে তাদের অনুমোতি ছাড়া গ্রেফতার করা যাবে বলে আইন পাশ করে সরকার দুর্নীতিবাজদের পক্ষে নেয়ার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন ব্যাংকের দুর্নীতিবাজ পরিচালকদের পক্ষে নেয়ার জন্য তাদের মেয়াদ বৃদ্ধির ঘোষনা দিয়েছে। কিন্তু এসব করে আর লাভ হবে না। দেশের শ্রমিক-মেহনতি মানুষ, ছাত্র যুবক এখন একাট্টা হয়ে রাপথে নেমেছে হাসিনা পতন করেই সবাই ঘরে ফিরবে। শ্রমিকদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ সভাপতি মতিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন শ্রমিকদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি মো. আনোয়ার হোসাইন। খুলনা মহানগর শ্রমিকদলের আহবায়ক মজিবর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেনবিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির শ্রম বিষয়ক সহ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর খান, খুলনা মহানগর বিএনপির আহবায়ক এড. শফিকুল আলম মনা, জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খান, খুলনা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পি, কেন্দ্রীয় শ্রমিক নেতা আব্দুর রহিম বক্স দুদু, কেন্দ্রীয় নেতা মো. আব্দুস সামাদ, মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু, আসাদুজ্জামান, সুমন ভূইয়া, মিজানুর রহমান, মো. টোকন জমাদ্দার, শাহাবুদ্দিন, আতিয়ার রহমান, আব্দুর রশিদ, রবিউল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম শফি,  জ্জল কুমার সাহা, দীন মোহাম্মাদ, খান ইসমাইল হোসেন প্রমূখ।

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik Madhumati

জনপ্রিয়

গলাচিপায় অবৈধ দোকান উচ্ছেদের মাধ্যমে রাস্তা উন্মুক্ত করায় প্রসংশিত মেয়র

খুলনায় আগস্টে শ্রমিক জাগরণের সমাবেশের ঘোষনা :

খুলনার বিভাগীয় শ্রমিক কর্মচারী সমাবেশ থেকেই হাসিনা সরকারের বিদায় ঘন্টা বাজবে

প্রকাশিত সময় : ০১:১৪:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ জুলাই ২০২৩

####

 

সারা দেশে পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। হাসিনার বিদায়ের ঘণ্টা বেজে গেছে। জাতিসংঘসহ পশ্চিমা বিশ্ব সেই জানান দিচ্ছে, অথচ বর্তমান সরকার তা বোঝার চেষ্টা করছে না উল্লেখ করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেছেন, এই সরকার আজ ভোট চোর হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এই ভোট চোরের নেতৃত্বে বাংলাদেশে আর  কোন ভোট হবে না। জিনিসপত্রের এত দাম যে বাজারে গেলে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্তরা কান্না করে ফিরে আসেন।  খুলনায় আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে শ্রমিক জাগরণের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। খুলনার মৃত শিল্পাঞ্চলকে খুলনাকে আবারো জাগিয়ে তুলতে হবে। বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উপস্থিতে খুলনার বিভাগীয় শ্রমিক কর্মচারী সমাবেশ থেকেই হাসিনা সরকারের বিদায় ঘন্টা বাজবে। বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) বিকালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের উদ্যোগে খুলনা জেলা আইনজীবী মিলনায়তনেনিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য মুল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে,  শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়, বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম  খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্ববধায়ক সরকারের অধীনের জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের সমাবেশ আয়োজনের লক্ষ্যে খুলনা বিভাগীয় প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শিমুল বিশ্বাস বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আগামী দিনের রাষ্ট্র নায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে গরিব-দুঃখী, অত্যাচারিত ও দিন আনে দিন খাওয়া মানুষগুলো আজ বিএনপির পতাকাতলে সমাবেত হয়েছে। তিনি আরো বলেন তারেক রহমানের ধমনীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার রক্ত; তারেক রহমানের নেতৃত্বেই হাসিনার পতন হবে। বাংলার ইতিহাসে সকল আন্দোলনের সফলতা এসেছে শ্রমিক, মেহনতি মানুষের আন্দোলনের মাধ্যমে। এ সরকারেরও পতন হবে শ্রমিকদের আন্দোলনের মাধ্যমে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গনতন্ত্রের প্রবক্তা, আধুনিক বাংলাদেশের রুপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম নিজেকে শ্রমিক পরিচয় দিতে গর্ববোধ করতেন। ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান, ৭১ এর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ, ৯০ এর স্বৈরাচার হটাও আন্দোলনে শ্রমিক মেহনতি মানুষের অতীত ঐতিহ্য রয়েছে। বর্তমান অবৈধ ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়বো না। তিনি বলেন সরকারের পক্ষ থেকে সংলাপের প্রস্তাব দেয়া হচ্ছে কিন্তু আগে হাসিনার পদত্যাগ করতে হবে তারপর সংলাপের বিষয় বিএনপি ভাববেন। যারা এতদিন উন্নয়নের স্লোগান দিয়েছেন তারা কোথায়? প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, সেই সকল উন্নয়নের গল্পকাররা পালিয়েছে। তাদের খোঁজ মিলছে না গনমাধ্যমে। তিনি বলেন বর্তমান সরকার হিরো আলমকেও আজ ভয় পায়; তাই ঢাকা ১৭ আসনে হিরো আলমের নির্বাচনি প্রচারনায় তারা হামলা চালাচ্ছে। তিনি বলেন সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের ৫% মহার্ঘ্যভাতা দেয়ার কথা থাকলেও হাসিনা সেটাকে ১০% ঘোষনা দিয়েছে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের পক্ষে নিতে কিন্তু হাসিনার সে স্বপ্ন পুরণ হবে না। নিজেদের পাতানো নির্বাচন কমিশনকেও ভয় পাচ্ছে হাসিনা সরকার তাই তারা তথাকথিত নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা খর্ব করেছে। সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীরা দুর্নীতি করলে তাদের অনুমোতি ছাড়া গ্রেফতার করা যাবে বলে আইন পাশ করে সরকার দুর্নীতিবাজদের পক্ষে নেয়ার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন ব্যাংকের দুর্নীতিবাজ পরিচালকদের পক্ষে নেয়ার জন্য তাদের মেয়াদ বৃদ্ধির ঘোষনা দিয়েছে। কিন্তু এসব করে আর লাভ হবে না। দেশের শ্রমিক-মেহনতি মানুষ, ছাত্র যুবক এখন একাট্টা হয়ে রাপথে নেমেছে হাসিনা পতন করেই সবাই ঘরে ফিরবে। শ্রমিকদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ সভাপতি মতিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন শ্রমিকদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি মো. আনোয়ার হোসাইন। খুলনা মহানগর শ্রমিকদলের আহবায়ক মজিবর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেনবিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির শ্রম বিষয়ক সহ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর খান, খুলনা মহানগর বিএনপির আহবায়ক এড. শফিকুল আলম মনা, জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খান, খুলনা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পি, কেন্দ্রীয় শ্রমিক নেতা আব্দুর রহিম বক্স দুদু, কেন্দ্রীয় নেতা মো. আব্দুস সামাদ, মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু, আসাদুজ্জামান, সুমন ভূইয়া, মিজানুর রহমান, মো. টোকন জমাদ্দার, শাহাবুদ্দিন, আতিয়ার রহমান, আব্দুর রশিদ, রবিউল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম শফি,  জ্জল কুমার সাহা, দীন মোহাম্মাদ, খান ইসমাইল হোসেন প্রমূখ।