০৫:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

খুলনায় দানবীর হাজী ছেপের উদ্দিনের  মৃত্যুবর্ষিকীতে স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠান

###   পাইকগাছার শিক্ষানুরাগী, দানবীর হাজী ছেপের উদ্দিনের ৩৬তম মৃত্যুবর্ষিকী উপলক্ষ্যে স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দানবীর হাজী ছেপের উদ্দিন স্মৃতি সংসদেও উদ্যোগে নগরীর আযম খান সরকারি কমার্স কলেজের অডিটোরিয়ামে স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অংশগ্রহণ করেন দখিনার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, পাইকগাছা-খুলনার প্রথম জাতীয় সংসদ সদস্য ও পাইকগাছা উপজেলার বার বার নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান, বীর মক্তিযোদ্ধা স, ম, বাবর আলী অ্যাডভোকেট, আযম খান সরকারি কমার্স কলেজের অধ্যক্ষ কার্ত্তিক চন্দ্র মÐল, আযম খান সরকারি কমার্স কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর অশোক কুমার ঘোষ, দখিনার বর্তমান সভাপতি ও নৌ পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব ওয়াহিদ্জ্জুামান  খান পল্টু, , ডা. মুহাম্মদ কওসার আলী গাজী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি আলহাজ আব্দুল জব্¦ার মোল্ল্যা (সিআইপি), অতিরিক্ত পাবলিক প্রতিকিউটর অ্যাডভোকেট হেমন্ত, সরকারি ব্রজলাল কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ হারুন অর রশিদ, সরকারি ব্রজলাল কলেজের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ হাবিবুর রহমান, খুলনা প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী মোতাহার রহমান বাবু, সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট অচিন্ত্য কুমার দাস, মোঃ শামশের আলী ভাদু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জাহিদ হাবিব, জি এম ইউনুস আলী, আলহাজ গাজী অহিদুজ্জামান খোকন, প্রকৌশলী বেনজির আহম্মেদ জুয়েল, ব্যাংকার শরিফুল ইসলাম, মোঃ রাশেদ রানা, মোঃ নাজমুল হক খোকন, মোহাম্মদ ফজলুল বারী মল্লিক, শারমিন বারী প্রমুখ।  সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন হাজী ছেপের উদ্দিনের দৌহিত্রদ্বয় যথাক্রমে সরকারি পাইওনিয়ার মহিলা কলেজের ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ মোকাররম হোসেন, খুলনা ওয়াসার ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল আলম সরদার, দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা সায়েদুল্লাহ।

স্মরণ সভায় ছেপের উদ্দিনের পাইকগাছা উপজেলা পরিষদ চত্বরে বৃক্ষ রোপণ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অর্থিক অনুদান ও সমাজ হিতৈষী কার্যকলাপ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়। একজন নিরক্ষর, অশিক্ষিত গ্রাম্য সাধারণ মানুষ কিভাবে শিক্ষার আলোকবর্তিকা জ¦ালিয়ে নিজ এলাকাকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হরিঢালী ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কপিলমুনি কলেজ, হরিঢালী প্রাথমিক বিদ্যালয়, হরিঢালী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, নোয়াকাটি কায়েম আলী ফোরকানিয়া মাদ্রাসা, নোয়াকাটি কেন্দ্রীয় মসজিদ, পাঠাগার, ইউনিয়ন পরিষদ ভবন ইত্যাদি। ছেপের উদ্দিন শুধু নিজের সম্পদ নয়, নিজের মূল্যাবান সময়, মেধা, মনন, শ্রমও ব্যয় করেছেন এ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতির জন্য। দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা করেই ক্ষান্ত হননি তাদের বিনা পয়সায় থাকা ও খাওয়ারও ব্যবস্থা করেছিলেন। কপিলমুনি কলেজ ও হরিঢালী ইউনিয়ন মাধ্যামিক বিদ্যালয়ে দুটি ট্রাস্ট করেন, যার সুফল এখনও প্রতিষ্ঠান দুটি ভোগ কারছে। হাজী ছেপের উদ্দিনের উচিত কথা বলা এবং উচিত কাজটি করা তার স্বভাবসুলভ চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। নিজ প্রাপ্ত বুঝে নিতে তিনি কখনও পিছপা হননি। আবার গরীবের হক দিতে কখনও কার্পণ্য করেননি। তার জীবনের একটি মন্ত্র ছিল, যার হন তাকে পৌঁছে দেও এবং নিজ হক বুঝে নেও। তিনি অত্যন্ত ন্যায়পরায়ন, বিচক্ষণ ও প্রজ্ঞাবান ছিলেন। বিচার সালিশে তার জুড়ি মেলা ভার। তিনি যে সিদ্ধান্ত নিতেন তা মুসলিম আইন ও ইক্যুইটির উপর ভিত্তি করে যেমন কোনো বিচারক জাজমেন্ট দেন ঠিক তেমনই হতো।##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik Madhumati

জনপ্রিয়

রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক একীভূতকরণের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন, ষড়যন্ত্রমূলক অপতৎপরতা রুখে দাড়ানোর আহবান

খুলনায় দানবীর হাজী ছেপের উদ্দিনের  মৃত্যুবর্ষিকীতে স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠান

প্রকাশিত সময় : ০৪:৫৩:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২

###   পাইকগাছার শিক্ষানুরাগী, দানবীর হাজী ছেপের উদ্দিনের ৩৬তম মৃত্যুবর্ষিকী উপলক্ষ্যে স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দানবীর হাজী ছেপের উদ্দিন স্মৃতি সংসদেও উদ্যোগে নগরীর আযম খান সরকারি কমার্স কলেজের অডিটোরিয়ামে স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অংশগ্রহণ করেন দখিনার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, পাইকগাছা-খুলনার প্রথম জাতীয় সংসদ সদস্য ও পাইকগাছা উপজেলার বার বার নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান, বীর মক্তিযোদ্ধা স, ম, বাবর আলী অ্যাডভোকেট, আযম খান সরকারি কমার্স কলেজের অধ্যক্ষ কার্ত্তিক চন্দ্র মÐল, আযম খান সরকারি কমার্স কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর অশোক কুমার ঘোষ, দখিনার বর্তমান সভাপতি ও নৌ পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব ওয়াহিদ্জ্জুামান  খান পল্টু, , ডা. মুহাম্মদ কওসার আলী গাজী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি আলহাজ আব্দুল জব্¦ার মোল্ল্যা (সিআইপি), অতিরিক্ত পাবলিক প্রতিকিউটর অ্যাডভোকেট হেমন্ত, সরকারি ব্রজলাল কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ হারুন অর রশিদ, সরকারি ব্রজলাল কলেজের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ হাবিবুর রহমান, খুলনা প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী মোতাহার রহমান বাবু, সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট অচিন্ত্য কুমার দাস, মোঃ শামশের আলী ভাদু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জাহিদ হাবিব, জি এম ইউনুস আলী, আলহাজ গাজী অহিদুজ্জামান খোকন, প্রকৌশলী বেনজির আহম্মেদ জুয়েল, ব্যাংকার শরিফুল ইসলাম, মোঃ রাশেদ রানা, মোঃ নাজমুল হক খোকন, মোহাম্মদ ফজলুল বারী মল্লিক, শারমিন বারী প্রমুখ।  সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন হাজী ছেপের উদ্দিনের দৌহিত্রদ্বয় যথাক্রমে সরকারি পাইওনিয়ার মহিলা কলেজের ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ মোকাররম হোসেন, খুলনা ওয়াসার ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল আলম সরদার, দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা সায়েদুল্লাহ।

স্মরণ সভায় ছেপের উদ্দিনের পাইকগাছা উপজেলা পরিষদ চত্বরে বৃক্ষ রোপণ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অর্থিক অনুদান ও সমাজ হিতৈষী কার্যকলাপ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়। একজন নিরক্ষর, অশিক্ষিত গ্রাম্য সাধারণ মানুষ কিভাবে শিক্ষার আলোকবর্তিকা জ¦ালিয়ে নিজ এলাকাকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হরিঢালী ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কপিলমুনি কলেজ, হরিঢালী প্রাথমিক বিদ্যালয়, হরিঢালী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, নোয়াকাটি কায়েম আলী ফোরকানিয়া মাদ্রাসা, নোয়াকাটি কেন্দ্রীয় মসজিদ, পাঠাগার, ইউনিয়ন পরিষদ ভবন ইত্যাদি। ছেপের উদ্দিন শুধু নিজের সম্পদ নয়, নিজের মূল্যাবান সময়, মেধা, মনন, শ্রমও ব্যয় করেছেন এ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতির জন্য। দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা করেই ক্ষান্ত হননি তাদের বিনা পয়সায় থাকা ও খাওয়ারও ব্যবস্থা করেছিলেন। কপিলমুনি কলেজ ও হরিঢালী ইউনিয়ন মাধ্যামিক বিদ্যালয়ে দুটি ট্রাস্ট করেন, যার সুফল এখনও প্রতিষ্ঠান দুটি ভোগ কারছে। হাজী ছেপের উদ্দিনের উচিত কথা বলা এবং উচিত কাজটি করা তার স্বভাবসুলভ চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। নিজ প্রাপ্ত বুঝে নিতে তিনি কখনও পিছপা হননি। আবার গরীবের হক দিতে কখনও কার্পণ্য করেননি। তার জীবনের একটি মন্ত্র ছিল, যার হন তাকে পৌঁছে দেও এবং নিজ হক বুঝে নেও। তিনি অত্যন্ত ন্যায়পরায়ন, বিচক্ষণ ও প্রজ্ঞাবান ছিলেন। বিচার সালিশে তার জুড়ি মেলা ভার। তিনি যে সিদ্ধান্ত নিতেন তা মুসলিম আইন ও ইক্যুইটির উপর ভিত্তি করে যেমন কোনো বিচারক জাজমেন্ট দেন ঠিক তেমনই হতো।##