০১:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
প্রতীক না পেলেও প্রচারণায় প্রার্থীরা:

খুলনা সিটিতে মেয়র পদে ০৭জনসহ ১৮১জনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

###    খুলনা সিটি করপোরেশন(কেসিসি) নির্বাচনে আনুষ্ঠানিক মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু করেছে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়। রবিবার বিকেল পর্যন্ত নির্বাচন কার্যালয় থেকে ০৭ মেয়র প্রার্থীসহ ১৮১ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। মেয়র পদে আওয়ামীলীগ ও ১৪দল, জাতীয় পার্টি ও ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থীরাও রয়েছেন। তবে প্রধান বিরোধীদল বিএনপি বা তাদের জোট থেকে কেউ এখনও মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেনি। রবিবার জাতীয় পার্টি মনোনীত মেয়র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মধু ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মাহফুজুর রহমান মেয়র পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এ সময় দুই প্রার্থীর সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। এদিন সাধারন কাউন্সিলর পদে ১৫জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। এর আগে গত ০৩ মে আগুয়ান-৭১ সংগঠন মনোনীত তরুণ মেয়র প্রার্থী কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক মো. আব্দুল্লাহ চৌধুরী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে মনোনয়ন ফর্ম সংগ্রহ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির চার সদস্যের প্রতিনিধি দল। গত ০১ মে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেকের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন দলের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা। একই দিন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত মেয়র প্রার্থী মাওলানা আবদুল আওয়ালের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন দলের নেতাকর্মীরা। এছাড়া মেয়র পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল গফফার বিশ্বাস ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএম শফিকুর রহমান। তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেননি। খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসারের দপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কেসিসি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন বলেন, রবিবার মেয়র পদে ০২ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৫ জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ০৩ জনসহ ২০ প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এ পর্যন্ত ১৮১ জন মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন। যার মধ্যে মেয়র পদে ০৭ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৪১ জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৩ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফশীল অনুসারে আগামী ১৬ মে মনোনয়ণপত্র দাখিলের শেষ সময় এবং ১২ জুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এবারের নির্বাচনে মহানগরের ৩১টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার ৫ লাখ ৩৫ হাজার ৫২৯ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছে ২ লাখ ৬৮ হাজার ৮৩৩ ও নারী ভোটার ২ লাখ ৬৬ হাজার ৬৯৬ জন।

এদিকে, খুলনা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে মনোনয়ন জমা কিংবা প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার আগেই নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন খুলনা সিটি নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা। প্রতিদিনই প্রার্থী বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ, কর্মীসভা, এলাকায় এলাকায় বৈঠক ইত্যাদি করছেন। গণসংযোগকালে ভোটারদের কাছে দোয়া কামনা ও ভোট প্রার্থনাও করছেন প্রার্থীরা। তবে নির্বাচন কমিশন বলছে, আগামী ১৬ মে কেসিসি নির্বাচনে মনোনয়ন জমার শেষ দিন। ২৫ মে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার শেষে ২৬ মে প্রতীক বরাদ্দের পর আনুষ্ঠানিক প্রচারণা করতে পারবেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। এখনও পর্যন্ত যারা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন তার মধ্যে তিনজন প্রার্থী দলীয়ভাবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। তাদের দলীয় প্রতীক নির্ধারিত থাকলেও অন্যদের প্রতীক পেতে অপেক্ষা করতে হবে আগামী ২৫মে পর্যন্ত।

কেসিসি নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসারের দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দলের দলীয় ৩৯টি প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তাদের প্রার্থীকে দলীয় নির্ধারিত প্রতীক বরাদ্দ দিতে পারবেন। এর বাইরে মেয়র পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য আরও ১২টি প্রতীক নির্ধারণ করেছেন। সেগুলো হলো- ক্রিকেট ব্যাট, চরকা, টেলিস্কোপ, দিয়াশলাই, বাস, হরিণ, ঘোড়া, টেবিল ঘড়ি, ডিস এন্টিনা, ফ্লাস্ক, ময়ূর ও হাতি। সাধারণ কাউন্সিলর পদে নির্ধারিত প্রতীক রয়েছে ১২টি। প্রতীকগুলো হচ্ছে- এয়ারকুলার, করাত, কাটা চামচ, ঘুড়ি, ঝুড়ি, টিফিন কেরিয়ার, ট্রাক্টর, ঠেলাগাড়ি, ব্যাডমিন্টন, র‌্যাকেট, মিষ্টি কুমড়া, রেডিও এবং লাটিম। অপরদিকে সংরক্ষিত কাউন্সিলর (মহিলা) ১০টি প্রতীক নির্ধারণ করা হয়েছে সেগুলো হলো- আনারস, গ্লাস, চশমা, জীপ গাড়ি, ডলফিন, বই, সেতার, মোবাইল ফোন সেট, স্টিল আলমারি ও হেলিকপ্টার।

এ বিষয়ে খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং মো: ফারাজী বেনজির আহমেদ বলেন, শুধুমাত্র মেয়র পদে দলীয় প্রতীক নির্ধারিত রয়েছে। এর বাইরে অন্য পদগুলোতে প্রতীক নির্ধারিত নয়। সংশ্লিষ্ট পদে যে কেউ যে কোনো প্রতীক বরাদ্দ চাইতে পারেন। একাধিক ব্যক্তি যদি একই প্রতীক চান সেক্ষেত্রে লটারির মাধ্যমে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে। তবে সেটি হবে ২৫ মে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনের পর। এরপর প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা চালাতে পারবেন আনুষ্ঠানিকভাবে। এর আগে কোনো প্রার্থীর নির্বাচনে আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা করার নিয়ম নেই। যদি কোনো প্রার্থী প্রতীক সম্বলিত প্রচার প্রচারণা করেন সেটি নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন বলে বিবেচিত হবে। সে ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন কঠোর ব্যবস্থা নেবে বরেও তিনি জানান। ##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

জনপ্রিয়

প্রতীক না পেলেও প্রচারণায় প্রার্থীরা:

খুলনা সিটিতে মেয়র পদে ০৭জনসহ ১৮১জনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

প্রকাশিত সময় : ০১:২৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ মে ২০২৩

###    খুলনা সিটি করপোরেশন(কেসিসি) নির্বাচনে আনুষ্ঠানিক মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু করেছে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়। রবিবার বিকেল পর্যন্ত নির্বাচন কার্যালয় থেকে ০৭ মেয়র প্রার্থীসহ ১৮১ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। মেয়র পদে আওয়ামীলীগ ও ১৪দল, জাতীয় পার্টি ও ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থীরাও রয়েছেন। তবে প্রধান বিরোধীদল বিএনপি বা তাদের জোট থেকে কেউ এখনও মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেনি। রবিবার জাতীয় পার্টি মনোনীত মেয়র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মধু ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মাহফুজুর রহমান মেয়র পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এ সময় দুই প্রার্থীর সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। এদিন সাধারন কাউন্সিলর পদে ১৫জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। এর আগে গত ০৩ মে আগুয়ান-৭১ সংগঠন মনোনীত তরুণ মেয়র প্রার্থী কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক মো. আব্দুল্লাহ চৌধুরী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে মনোনয়ন ফর্ম সংগ্রহ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির চার সদস্যের প্রতিনিধি দল। গত ০১ মে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেকের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন দলের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা। একই দিন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত মেয়র প্রার্থী মাওলানা আবদুল আওয়ালের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন দলের নেতাকর্মীরা। এছাড়া মেয়র পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল গফফার বিশ্বাস ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএম শফিকুর রহমান। তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেননি। খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসারের দপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কেসিসি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন বলেন, রবিবার মেয়র পদে ০২ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৫ জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ০৩ জনসহ ২০ প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এ পর্যন্ত ১৮১ জন মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন। যার মধ্যে মেয়র পদে ০৭ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৪১ জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৩ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফশীল অনুসারে আগামী ১৬ মে মনোনয়ণপত্র দাখিলের শেষ সময় এবং ১২ জুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এবারের নির্বাচনে মহানগরের ৩১টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার ৫ লাখ ৩৫ হাজার ৫২৯ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছে ২ লাখ ৬৮ হাজার ৮৩৩ ও নারী ভোটার ২ লাখ ৬৬ হাজার ৬৯৬ জন।

এদিকে, খুলনা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে মনোনয়ন জমা কিংবা প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার আগেই নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন খুলনা সিটি নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা। প্রতিদিনই প্রার্থী বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ, কর্মীসভা, এলাকায় এলাকায় বৈঠক ইত্যাদি করছেন। গণসংযোগকালে ভোটারদের কাছে দোয়া কামনা ও ভোট প্রার্থনাও করছেন প্রার্থীরা। তবে নির্বাচন কমিশন বলছে, আগামী ১৬ মে কেসিসি নির্বাচনে মনোনয়ন জমার শেষ দিন। ২৫ মে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার শেষে ২৬ মে প্রতীক বরাদ্দের পর আনুষ্ঠানিক প্রচারণা করতে পারবেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। এখনও পর্যন্ত যারা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন তার মধ্যে তিনজন প্রার্থী দলীয়ভাবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। তাদের দলীয় প্রতীক নির্ধারিত থাকলেও অন্যদের প্রতীক পেতে অপেক্ষা করতে হবে আগামী ২৫মে পর্যন্ত।

কেসিসি নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসারের দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দলের দলীয় ৩৯টি প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তাদের প্রার্থীকে দলীয় নির্ধারিত প্রতীক বরাদ্দ দিতে পারবেন। এর বাইরে মেয়র পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য আরও ১২টি প্রতীক নির্ধারণ করেছেন। সেগুলো হলো- ক্রিকেট ব্যাট, চরকা, টেলিস্কোপ, দিয়াশলাই, বাস, হরিণ, ঘোড়া, টেবিল ঘড়ি, ডিস এন্টিনা, ফ্লাস্ক, ময়ূর ও হাতি। সাধারণ কাউন্সিলর পদে নির্ধারিত প্রতীক রয়েছে ১২টি। প্রতীকগুলো হচ্ছে- এয়ারকুলার, করাত, কাটা চামচ, ঘুড়ি, ঝুড়ি, টিফিন কেরিয়ার, ট্রাক্টর, ঠেলাগাড়ি, ব্যাডমিন্টন, র‌্যাকেট, মিষ্টি কুমড়া, রেডিও এবং লাটিম। অপরদিকে সংরক্ষিত কাউন্সিলর (মহিলা) ১০টি প্রতীক নির্ধারণ করা হয়েছে সেগুলো হলো- আনারস, গ্লাস, চশমা, জীপ গাড়ি, ডলফিন, বই, সেতার, মোবাইল ফোন সেট, স্টিল আলমারি ও হেলিকপ্টার।

এ বিষয়ে খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং মো: ফারাজী বেনজির আহমেদ বলেন, শুধুমাত্র মেয়র পদে দলীয় প্রতীক নির্ধারিত রয়েছে। এর বাইরে অন্য পদগুলোতে প্রতীক নির্ধারিত নয়। সংশ্লিষ্ট পদে যে কেউ যে কোনো প্রতীক বরাদ্দ চাইতে পারেন। একাধিক ব্যক্তি যদি একই প্রতীক চান সেক্ষেত্রে লটারির মাধ্যমে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে। তবে সেটি হবে ২৫ মে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনের পর। এরপর প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা চালাতে পারবেন আনুষ্ঠানিকভাবে। এর আগে কোনো প্রার্থীর নির্বাচনে আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা করার নিয়ম নেই। যদি কোনো প্রার্থী প্রতীক সম্বলিত প্রচার প্রচারণা করেন সেটি নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন বলে বিবেচিত হবে। সে ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন কঠোর ব্যবস্থা নেবে বরেও তিনি জানান। ##