১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
চার থানার সম্মেলনের তারিখ ঘোষনা

খুলনা সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহন করলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা: বিএনপি

  • অফিস ডেক্স।।
  • প্রকাশিত সময় : ০১:১০:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ মে ২০২৩
  • ৩৬ পড়েছেন

###    খুলনা মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ বলেছেন, আওয়ামী সরকারের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ধরে রাখার দুরভিসন্ধি জাতীয় রাজনীতিতে বিপজ্জনক অস্থিরতার জন্ম দিচ্ছে। ভোটারবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক ধ্বংস করায় বড় ধরনের খেসারত দিতে হবে সরকারকে। কোনো দেন-দরবার নয়, কোনো আলোচনা নয়। অবৈধ ও নিশিরাতের ভোটের সরকারকে অপসারণ করতে হবে, পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হবে। সরকারের দুঃশাসনে দেশের জনগণ আজ অতিষ্ট। সরকার দেশের বাকস্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও অর্থনীতিকে ধ্বংস করা দিয়েছি। জনবিচ্ছিন্ন সরকারকে মানুষ আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। এদের যত তাড়াতাড়ি বিদায় করা যাবে ততই দেশের জন্য মঙ্গল হবে। শনিবার খুলনা মহানগর বিএনপির নির্বাহী কমিটির সভায় বক্তারা আরো বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর সরকারের নির্যাতন-নিপীড়ন যত বাড়বে প্রতিবাদের গতি ততই তীব্র হবে। কর্তৃত্ববাদী সরকার বুঝতে পেরেছে তাদের সময় ফুরিয়ে এসেছে। সেজন্যই তারা বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের মরণকামড় দিতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। কোন ধরণের মামলা ছাড়া নেতাকর্মীদের গ্রেফতার, বাড়িতে বাড়িতে তল্লাশির নামে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে। এভাবে আর চলতে দেয়া যায় না। মহানগর বিএনপির আহবায়ক এড. শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিনের পরিচালনায় নির্বাহী কমিটির সভায় বক্তারা বর্তমান শাসকগোষ্ঠী দেশকে বিরোধী দলশূন্য করে নিজেদের একচ্ছত্র শাসন দীর্ঘায়িত করার গভীর চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে উল্লেখ করে দেশের জনগনকে সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে সকল চক্রান্ত প্রতিহত করার আহবান জানান। সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম জহির, কাজী মো. রাশেদ, স ম আ. রহমান, সৈয়দা রেহেনা ইসা, শের আলম সান্টু, যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম জিয়া, বদরুল আনাম খান,  মাহাবুব হাসান পিয়ারু, চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক একরামুল হক হেলাল,  মাসুদ পারভেজ বাবু, শেখ সাদি, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসানুর রশিদ চৌধুরী মিরাজ, সদস্য
ফকরুল আলম, জালাল শরিফ, আ. রাজ্জাক, হাফিজুর রহমান মনি, আশফাকুর রহমান কাকন, ওয়াহিদুর রহমান দিপু, বেগ তানভিরুল আজম, শাহিনুল ইসলাম পাখি, রুবায়েত হোসেন বাবু, মুরশিদ কামাল, আরিফ ইমতিয়াজ খান তুহিন, অ্যাডভোকেট মাসুম রশিদ, কে এম হুমায়ূন কবির, বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস, সৈয়দ সাজ্জাদ আহসান পরাগ, কাজী মিজানুর রহমান, অ্যাডভোকেট চৌধুরী তৌহিদুর রহমান তুষার,  একরামুল কবির মিল্টন, জহর মীর, নাজির উদ্দিন নান্নু, শেখ ইমাম হোসেন, হাবিবুর রহমান বিশ্বাস, আহসান উল্লাহ বুলবুল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী বাবু, শেখ জামাল উদ্দিন, আবু সাইদ হাওলাদার আব্বাস, গাজী আফসার উদ্দিন, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, আনসার আলী,  নাসির খান,  আব্দুস সালাম, আলমগীর হোসেন, কাজী শাহ নেওয়াজ নিরু, আব্দুর রহমান ডিনো, তারিকুল ইসলাম, খন্দকার হাসিনুল ইসলাম নিক, মো. জাহিদ হোসেন, মিজানুর রহমান মিলটন, শফিকুল ইসলাম শফি,  আলী আক্কাস ,  ফারুক হোসেন,  মুজিবর রহমান, আজিজা খানম এলিজা। ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক যথাক্রমে সরদার শফিকুল আমিন লাভলু, এমদাদ হোসেন, মোঃ আব্দুল ওহাব, শেখ রিয়াজ সাহেদ, আসাদুজ্জামান আসাদ,কাজী কামরুল ইসলাম বাবু, মোঃ শহীদ খান, মোঃ মতলুবুর রহমান মিতুল মোড়ল, সিরাজুল ইসলাম লিটন প্রমূখ। যেহেতু বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে দল কোন নির্বাচনে যাবে না সেহেতু সভা থেকে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দলের কেউ অংশগ্রহন করলে বা কোন প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছে এমন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে সেই বা সেই সকল নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। সভা থেকে আগামী ৮. ৯. ১০ ও ১১ মে’২৩ মহানগরীর খুলনা সদর,সোনাডাঙ্গা থানা, দৌলতপুর থানা ও খানজাহান আলী থানা বিএনপির সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। সভা থেকে সৈয়দা রেহেনা ঈসাকে আহবায়ক করে এড. নুরুল হাসান রুবা ও এড. মাসুম রশিদকে সদস্য করে তিন সদস্যে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়। সভা থেকে নির্বাচন কমিশন আজ (৩০ এপ্রিল) থেকে দলীয়
কার্যালয়ে থানার সম্মেলন সম্পন্ন করতে কর্মকান্ড শুরু করবেন বলে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। ##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

জনপ্রিয়

কেইউজের নির্বাচন ২৯ জুন :  ভুয়া কমিটি নিয়ে বিভ্রান্ত না হতে সদস্যদের প্রতি নেতৃবৃন্দের আহ্বান

চার থানার সম্মেলনের তারিখ ঘোষনা

খুলনা সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহন করলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা: বিএনপি

প্রকাশিত সময় : ০১:১০:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ মে ২০২৩

###    খুলনা মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ বলেছেন, আওয়ামী সরকারের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ধরে রাখার দুরভিসন্ধি জাতীয় রাজনীতিতে বিপজ্জনক অস্থিরতার জন্ম দিচ্ছে। ভোটারবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক ধ্বংস করায় বড় ধরনের খেসারত দিতে হবে সরকারকে। কোনো দেন-দরবার নয়, কোনো আলোচনা নয়। অবৈধ ও নিশিরাতের ভোটের সরকারকে অপসারণ করতে হবে, পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হবে। সরকারের দুঃশাসনে দেশের জনগণ আজ অতিষ্ট। সরকার দেশের বাকস্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও অর্থনীতিকে ধ্বংস করা দিয়েছি। জনবিচ্ছিন্ন সরকারকে মানুষ আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। এদের যত তাড়াতাড়ি বিদায় করা যাবে ততই দেশের জন্য মঙ্গল হবে। শনিবার খুলনা মহানগর বিএনপির নির্বাহী কমিটির সভায় বক্তারা আরো বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর সরকারের নির্যাতন-নিপীড়ন যত বাড়বে প্রতিবাদের গতি ততই তীব্র হবে। কর্তৃত্ববাদী সরকার বুঝতে পেরেছে তাদের সময় ফুরিয়ে এসেছে। সেজন্যই তারা বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের মরণকামড় দিতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। কোন ধরণের মামলা ছাড়া নেতাকর্মীদের গ্রেফতার, বাড়িতে বাড়িতে তল্লাশির নামে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে। এভাবে আর চলতে দেয়া যায় না। মহানগর বিএনপির আহবায়ক এড. শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিনের পরিচালনায় নির্বাহী কমিটির সভায় বক্তারা বর্তমান শাসকগোষ্ঠী দেশকে বিরোধী দলশূন্য করে নিজেদের একচ্ছত্র শাসন দীর্ঘায়িত করার গভীর চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে উল্লেখ করে দেশের জনগনকে সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে সকল চক্রান্ত প্রতিহত করার আহবান জানান। সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম জহির, কাজী মো. রাশেদ, স ম আ. রহমান, সৈয়দা রেহেনা ইসা, শের আলম সান্টু, যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম জিয়া, বদরুল আনাম খান,  মাহাবুব হাসান পিয়ারু, চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক একরামুল হক হেলাল,  মাসুদ পারভেজ বাবু, শেখ সাদি, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসানুর রশিদ চৌধুরী মিরাজ, সদস্য
ফকরুল আলম, জালাল শরিফ, আ. রাজ্জাক, হাফিজুর রহমান মনি, আশফাকুর রহমান কাকন, ওয়াহিদুর রহমান দিপু, বেগ তানভিরুল আজম, শাহিনুল ইসলাম পাখি, রুবায়েত হোসেন বাবু, মুরশিদ কামাল, আরিফ ইমতিয়াজ খান তুহিন, অ্যাডভোকেট মাসুম রশিদ, কে এম হুমায়ূন কবির, বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস, সৈয়দ সাজ্জাদ আহসান পরাগ, কাজী মিজানুর রহমান, অ্যাডভোকেট চৌধুরী তৌহিদুর রহমান তুষার,  একরামুল কবির মিল্টন, জহর মীর, নাজির উদ্দিন নান্নু, শেখ ইমাম হোসেন, হাবিবুর রহমান বিশ্বাস, আহসান উল্লাহ বুলবুল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী বাবু, শেখ জামাল উদ্দিন, আবু সাইদ হাওলাদার আব্বাস, গাজী আফসার উদ্দিন, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, আনসার আলী,  নাসির খান,  আব্দুস সালাম, আলমগীর হোসেন, কাজী শাহ নেওয়াজ নিরু, আব্দুর রহমান ডিনো, তারিকুল ইসলাম, খন্দকার হাসিনুল ইসলাম নিক, মো. জাহিদ হোসেন, মিজানুর রহমান মিলটন, শফিকুল ইসলাম শফি,  আলী আক্কাস ,  ফারুক হোসেন,  মুজিবর রহমান, আজিজা খানম এলিজা। ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক যথাক্রমে সরদার শফিকুল আমিন লাভলু, এমদাদ হোসেন, মোঃ আব্দুল ওহাব, শেখ রিয়াজ সাহেদ, আসাদুজ্জামান আসাদ,কাজী কামরুল ইসলাম বাবু, মোঃ শহীদ খান, মোঃ মতলুবুর রহমান মিতুল মোড়ল, সিরাজুল ইসলাম লিটন প্রমূখ। যেহেতু বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে দল কোন নির্বাচনে যাবে না সেহেতু সভা থেকে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দলের কেউ অংশগ্রহন করলে বা কোন প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছে এমন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে সেই বা সেই সকল নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। সভা থেকে আগামী ৮. ৯. ১০ ও ১১ মে’২৩ মহানগরীর খুলনা সদর,সোনাডাঙ্গা থানা, দৌলতপুর থানা ও খানজাহান আলী থানা বিএনপির সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। সভা থেকে সৈয়দা রেহেনা ঈসাকে আহবায়ক করে এড. নুরুল হাসান রুবা ও এড. মাসুম রশিদকে সদস্য করে তিন সদস্যে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়। সভা থেকে নির্বাচন কমিশন আজ (৩০ এপ্রিল) থেকে দলীয়
কার্যালয়ে থানার সম্মেলন সম্পন্ন করতে কর্মকান্ড শুরু করবেন বলে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। ##