১০:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ২২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

খুলনা সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে আ’লীগ-জাপাসহ ০৭জন ও কাউন্সিলর পদে ১৮৮জনের মনোনয়নপত্র দাখিল

###    খুলনা সিটি করপোরেশন(কেসিসি) নির্বাচনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও দাখিলের শেষ দিনে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মেয়র পদে ০৭জন এবং  সাধারন কাউন্সিলর পদে ১৪৯ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৯জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। মঙ্গলবার মেয়র পদে আওয়ামীলীগ ও জাকের পার্টি এবং স্বতন্ত্র ৩জনসহ মোট ০৫জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এরআগে জাতীয় পার্টি ও ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থীরাও মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এদিন সকাল ১১টায় মেয়র পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী সদ্য সাবেক মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক। এরপর স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএম শফিকুর রহমসান মুশফিক মেয়র পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। পরে স্বতন্ত্র প্রার্থী আগুয়ান-৭১ সংগঠনের আল আমীন মো: আবদুল্রাহ চৌধুরী মেয়র পদে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আগুয়ান-৭১ সংগঠনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব আবিদ শান্ত, যুগ্ম সদস্য সচিব রেজওয়ান আহমেদ। এছাড়া জাকের পার্টির এসএম. সাব্বির হোসেন ও সৈয়দ কামরুল ইসলামও মনোনয়নপত্র জমা দেন। এরআগে সোমবার জাতীয় পার্টির শফিকুল ইসলাম মধু ও রবিবার ইসলামী আন্দোলনের মো: আব্দুল আউয়াল তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তবে প্রধান বিরোধীদল বিএনপি বা তাদের সমর্থক কেউ এখনও মেয়র পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও দাখিল করেনি। এছাড়া সাধারন কাউন্সিলর পদে ১৪৯জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৯জন তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

মেয়র পদে মনোনয়ণপত্র দাখিল শেষে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী সদ্য সাবেক মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক সাংবাদিকদের বলেন, কেসিসি নির্বাচনে কে অংশগ্রহন করলো বা কে প্রার্থী হলো এবং কোন কোন দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তা যাচাই-বাছাইয়ের পরে আনুষ্টানিক প্রচার-প্রচারনার সময় জানা যাবে। তবে আমি মনে করি এটা স্থানীয় সরকার নির্বাচন তাই সব দলের ও নেতাদের জনপ্রিয়তা প্রমানে এ নির্বাচনে অংশগ্রহন করা উচিত। দলের ও নেতাদের সাধারন মানুষের কাছে জনপ্রিয়তার যাচাইয়ের অন্যতম মাধ্যম রাজপতের আন্দোলন নয় নির্বাচন। সিটি নির্বাচনকে পরীক্ষা হিসেবে নেয়ার আহবান জানালেও কেউ কেউ সাড়া দেয়নি। কাজেই আমি মনে করি বাংলাদেশে  সংবিধানের বাইরে গিয়ে অনির্বাচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার নির্বাচন আর হবে না। কারন নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী আইন পরিবর্তিত হয়েছে। তবে আমি মনে করি, স্তানীয় সরকারের নির্বাচন একটা গুরুত্বর্ণ স্তর। এটাতে দলমত র্বিশেষে সবারই অংশগ্রহন করা উচিত।খুলনার উন্নয়ন করতে হলে নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিজয়ী হয়েই তবে উন্নয়নের কাজ করা সম্ভব। নির্বাচনে অংশগ্রহন ছাড়া উন্নয়ন করা সম্ভব নয়। কেউ যদি নির্বাচনে অংশগ্রহন না করেন তবে তার উন্নয়ন বিষয়ে কোন কথা বলার অধিকার নেই বলে তিনি মনে করেন। তিনি আরও বলেন, গত ৫বছরে মেয়র হিসেবে তিনি প্রায় শতভাগ কাজ করেছেন। তারপরও করোনার কারনে দুই বছর কাজ করতে না পারায় এখনও কিছু কাজ চলমান রয়েছে। বাকী কাজ সমাপ্ত করতে তিনি নগরবাসীর সমর্থন চান। তিনি নগরবাসীকে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ভোট প্রদানের আহবান জানান। ইভিএমে ভোট গ্রহনের বিষয়ে তিনি বলেন, ইভিএম বিশ্বব্যাপী একটি আধুনিক ভোট গ্রহন পদ্ধতি। তবে বেশীরভাগ মানুষ ইভিএমে ভোট দেয়ার বিষয়ে সচেতন নয়। বোট গ্রহনের আগেই সাধারন ভোটারদেরকে ইভিএম বিষয়ে সচেতন করার দাবীও জানান তিনি।

এদিকে, স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী জাতীয় পার্টির সাবেক নেতা এসএম শফিকুর রহমান মুশফিক সাংবাদিকদের বলেন, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন নিয়ে সন্দেহের মধ্যে রয়েছেন। এ নির্বাচন একটি প্রশ্নবিদ্ধ র্বাচন কারন একটি বড় রাজনৈতিক দল অংশগ্রহন করছে না।  জনগন ভোট দিতে গেলে দিতে পারবে নাকি আগেই হয়ে যাবে। এ প্রশ্নের উত্তর সরকার ও নির্বাচন কমিশনের কাছেই রয়েছে। তবে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের যদি সদিচ্ছা ও আন্তরিকতা তাকে জনগনের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেবেন তাহলেই গ্রহনযোগ্য নির্বাচন সম্ভব। সে ক্ষেত্রে ইভিএম বা ব্যালটে ভোট গ্রহন কোন সমস্যা নয়। তিনি বলেন, খুলনাবাসী ভারো নেই। তাই জনগনের হয়ে তিনি মেয়র পদে প্রার্থী হয়েছেন। সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহন করা নেতৃত্বের পরির্তনের একটা প্রতিবাদী কৌশল, একটা সংগ্রাম ও আন্দোলনের অংশ। সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন হলে খুলনাবাসী নেতৃত্ব পরির্তনের জন্যই বিপুল ভোট দিয়েই তাকে মেয়র নির্বাচিত করবেন বলেও তিনি প্রত্যাশা করেন।

রিটার্নিং অফিসারের দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন পর্যন্ত কেসিসির ৩১টি ওয়ার্ডের সাধারন কাউন্সিলর পদে ১৪৯জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৯জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এরমধ্যে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১নং ওয়ার্ডে ০৭জন, ২নং ওয়ার্ডে ০৩জন, ৩নং ওয়ার্ডে ০৫জন, ৪নং ওয়ার্ডে ০৫জন, ৫নং ওয়ার্ডে ০৪জন, ৬নং ওয়ার্ডে ০৪জন, ৭নং ওয়ার্ডে ০৩জন, ৮নং ওয়ার্ডে ০৩জন, ৯নং ওয়ার্ডে ০৬জন, ১০নং ওয়ার্ডে ০৬জন, ১১নং ওয়ার্ডে ০৭জন, ১২নং ওয়ার্ডে ০৭জন, ১৩নং ওয়ার্ডে ০১জন, ১৪নং ওয়ার্ডে ০১২জন, ১৫নং ওয়ার্ডে ০৩জন, ১৬নং ওয়ার্ডে ০৯জন, ১৭নং ওয়ার্ডে ০৫জন, ১৮নং ওয়ার্ডে ০৮জন, ১৯নং ওয়ার্ডে ০৮জন, ২০নং ওয়ার্ডে ০৩জন, ২১নং ওয়ার্ডে ০৭জন, ২২নং ওয়ার্ডে ০৬জন, ২৩নং ওয়ার্ডে ০৩জন, ২৪নং ওয়ার্ডে ০২জন, ২৫নং ওয়ার্ডে ০৩জন, ২৬নং ওয়ার্ডে ০২জন, ২৭নং ওয়ার্ডে ০৩জন, ২৮নং ওয়ার্ডে ০৪জন, ২৯নং ওয়ার্ডে ০২জন, ৩০নং ওয়ার্ডে ০৮জন, ৩১নং ওয়ার্ডে ০৭জন। এছাড়া সংরক্ষিত ১নং ওয়ার্ডে ০২জন, সংরক্ষিত ২নং ওয়ার্ডে ০৩জন,  সংরক্ষিত ৩নং ওয়ার্ডে ০জন, সংরক্ষিত ৪নং ওয়ার্ডে ০৩জন, সংরক্ষিত ৫নং ওয়ার্ডে ০৪জন,  সংরক্ষিত ৬নং ওয়ার্ডে ০৩জন, সংরক্ষিত ৭নং ওয়ার্ডে ০৫জন, সংরক্ষিত ৮নং ওয়ার্ডে ০৫জন,  সংরক্ষিত ৯নং ওয়ার্ডে ০৪জন  ও সংরক্ষিত ১০নং ওয়ার্ডে ০৭জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফশীল অনুসারে আগামী ১৮মে যাচাই-বাচাই ও ২৫মে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন এবং ২৬মে বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিক বিতরন করা হবে। আগামী ১২জুন কেসিসি নির্বাচনের ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে। এবারের নির্বাচনে মহানগরের ৩১টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার ৫ লাখ ৩৫ হাজার ৫২৯ জন।এরমধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছে ২লাখ ৬৮হাজার ৮৩৩ ও নারী ভোটার ২লাখ ৬৬হাজার ৬৯৬জন। ##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

খুলনা সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে আ’লীগ-জাপাসহ ০৭জন ও কাউন্সিলর পদে ১৮৮জনের মনোনয়নপত্র দাখিল

প্রকাশিত সময় : ১০:৪১:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ মে ২০২৩

###    খুলনা সিটি করপোরেশন(কেসিসি) নির্বাচনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও দাখিলের শেষ দিনে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মেয়র পদে ০৭জন এবং  সাধারন কাউন্সিলর পদে ১৪৯ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৯জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। মঙ্গলবার মেয়র পদে আওয়ামীলীগ ও জাকের পার্টি এবং স্বতন্ত্র ৩জনসহ মোট ০৫জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এরআগে জাতীয় পার্টি ও ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থীরাও মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এদিন সকাল ১১টায় মেয়র পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী সদ্য সাবেক মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক। এরপর স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএম শফিকুর রহমসান মুশফিক মেয়র পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। পরে স্বতন্ত্র প্রার্থী আগুয়ান-৭১ সংগঠনের আল আমীন মো: আবদুল্রাহ চৌধুরী মেয়র পদে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আগুয়ান-৭১ সংগঠনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব আবিদ শান্ত, যুগ্ম সদস্য সচিব রেজওয়ান আহমেদ। এছাড়া জাকের পার্টির এসএম. সাব্বির হোসেন ও সৈয়দ কামরুল ইসলামও মনোনয়নপত্র জমা দেন। এরআগে সোমবার জাতীয় পার্টির শফিকুল ইসলাম মধু ও রবিবার ইসলামী আন্দোলনের মো: আব্দুল আউয়াল তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তবে প্রধান বিরোধীদল বিএনপি বা তাদের সমর্থক কেউ এখনও মেয়র পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও দাখিল করেনি। এছাড়া সাধারন কাউন্সিলর পদে ১৪৯জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৯জন তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

মেয়র পদে মনোনয়ণপত্র দাখিল শেষে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী সদ্য সাবেক মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক সাংবাদিকদের বলেন, কেসিসি নির্বাচনে কে অংশগ্রহন করলো বা কে প্রার্থী হলো এবং কোন কোন দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তা যাচাই-বাছাইয়ের পরে আনুষ্টানিক প্রচার-প্রচারনার সময় জানা যাবে। তবে আমি মনে করি এটা স্থানীয় সরকার নির্বাচন তাই সব দলের ও নেতাদের জনপ্রিয়তা প্রমানে এ নির্বাচনে অংশগ্রহন করা উচিত। দলের ও নেতাদের সাধারন মানুষের কাছে জনপ্রিয়তার যাচাইয়ের অন্যতম মাধ্যম রাজপতের আন্দোলন নয় নির্বাচন। সিটি নির্বাচনকে পরীক্ষা হিসেবে নেয়ার আহবান জানালেও কেউ কেউ সাড়া দেয়নি। কাজেই আমি মনে করি বাংলাদেশে  সংবিধানের বাইরে গিয়ে অনির্বাচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার নির্বাচন আর হবে না। কারন নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী আইন পরিবর্তিত হয়েছে। তবে আমি মনে করি, স্তানীয় সরকারের নির্বাচন একটা গুরুত্বর্ণ স্তর। এটাতে দলমত র্বিশেষে সবারই অংশগ্রহন করা উচিত।খুলনার উন্নয়ন করতে হলে নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিজয়ী হয়েই তবে উন্নয়নের কাজ করা সম্ভব। নির্বাচনে অংশগ্রহন ছাড়া উন্নয়ন করা সম্ভব নয়। কেউ যদি নির্বাচনে অংশগ্রহন না করেন তবে তার উন্নয়ন বিষয়ে কোন কথা বলার অধিকার নেই বলে তিনি মনে করেন। তিনি আরও বলেন, গত ৫বছরে মেয়র হিসেবে তিনি প্রায় শতভাগ কাজ করেছেন। তারপরও করোনার কারনে দুই বছর কাজ করতে না পারায় এখনও কিছু কাজ চলমান রয়েছে। বাকী কাজ সমাপ্ত করতে তিনি নগরবাসীর সমর্থন চান। তিনি নগরবাসীকে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ভোট প্রদানের আহবান জানান। ইভিএমে ভোট গ্রহনের বিষয়ে তিনি বলেন, ইভিএম বিশ্বব্যাপী একটি আধুনিক ভোট গ্রহন পদ্ধতি। তবে বেশীরভাগ মানুষ ইভিএমে ভোট দেয়ার বিষয়ে সচেতন নয়। বোট গ্রহনের আগেই সাধারন ভোটারদেরকে ইভিএম বিষয়ে সচেতন করার দাবীও জানান তিনি।

এদিকে, স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী জাতীয় পার্টির সাবেক নেতা এসএম শফিকুর রহমান মুশফিক সাংবাদিকদের বলেন, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন নিয়ে সন্দেহের মধ্যে রয়েছেন। এ নির্বাচন একটি প্রশ্নবিদ্ধ র্বাচন কারন একটি বড় রাজনৈতিক দল অংশগ্রহন করছে না।  জনগন ভোট দিতে গেলে দিতে পারবে নাকি আগেই হয়ে যাবে। এ প্রশ্নের উত্তর সরকার ও নির্বাচন কমিশনের কাছেই রয়েছে। তবে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের যদি সদিচ্ছা ও আন্তরিকতা তাকে জনগনের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেবেন তাহলেই গ্রহনযোগ্য নির্বাচন সম্ভব। সে ক্ষেত্রে ইভিএম বা ব্যালটে ভোট গ্রহন কোন সমস্যা নয়। তিনি বলেন, খুলনাবাসী ভারো নেই। তাই জনগনের হয়ে তিনি মেয়র পদে প্রার্থী হয়েছেন। সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহন করা নেতৃত্বের পরির্তনের একটা প্রতিবাদী কৌশল, একটা সংগ্রাম ও আন্দোলনের অংশ। সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন হলে খুলনাবাসী নেতৃত্ব পরির্তনের জন্যই বিপুল ভোট দিয়েই তাকে মেয়র নির্বাচিত করবেন বলেও তিনি প্রত্যাশা করেন।

রিটার্নিং অফিসারের দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন পর্যন্ত কেসিসির ৩১টি ওয়ার্ডের সাধারন কাউন্সিলর পদে ১৪৯জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৯জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এরমধ্যে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১নং ওয়ার্ডে ০৭জন, ২নং ওয়ার্ডে ০৩জন, ৩নং ওয়ার্ডে ০৫জন, ৪নং ওয়ার্ডে ০৫জন, ৫নং ওয়ার্ডে ০৪জন, ৬নং ওয়ার্ডে ০৪জন, ৭নং ওয়ার্ডে ০৩জন, ৮নং ওয়ার্ডে ০৩জন, ৯নং ওয়ার্ডে ০৬জন, ১০নং ওয়ার্ডে ০৬জন, ১১নং ওয়ার্ডে ০৭জন, ১২নং ওয়ার্ডে ০৭জন, ১৩নং ওয়ার্ডে ০১জন, ১৪নং ওয়ার্ডে ০১২জন, ১৫নং ওয়ার্ডে ০৩জন, ১৬নং ওয়ার্ডে ০৯জন, ১৭নং ওয়ার্ডে ০৫জন, ১৮নং ওয়ার্ডে ০৮জন, ১৯নং ওয়ার্ডে ০৮জন, ২০নং ওয়ার্ডে ০৩জন, ২১নং ওয়ার্ডে ০৭জন, ২২নং ওয়ার্ডে ০৬জন, ২৩নং ওয়ার্ডে ০৩জন, ২৪নং ওয়ার্ডে ০২জন, ২৫নং ওয়ার্ডে ০৩জন, ২৬নং ওয়ার্ডে ০২জন, ২৭নং ওয়ার্ডে ০৩জন, ২৮নং ওয়ার্ডে ০৪জন, ২৯নং ওয়ার্ডে ০২জন, ৩০নং ওয়ার্ডে ০৮জন, ৩১নং ওয়ার্ডে ০৭জন। এছাড়া সংরক্ষিত ১নং ওয়ার্ডে ০২জন, সংরক্ষিত ২নং ওয়ার্ডে ০৩জন,  সংরক্ষিত ৩নং ওয়ার্ডে ০জন, সংরক্ষিত ৪নং ওয়ার্ডে ০৩জন, সংরক্ষিত ৫নং ওয়ার্ডে ০৪জন,  সংরক্ষিত ৬নং ওয়ার্ডে ০৩জন, সংরক্ষিত ৭নং ওয়ার্ডে ০৫জন, সংরক্ষিত ৮নং ওয়ার্ডে ০৫জন,  সংরক্ষিত ৯নং ওয়ার্ডে ০৪জন  ও সংরক্ষিত ১০নং ওয়ার্ডে ০৭জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফশীল অনুসারে আগামী ১৮মে যাচাই-বাচাই ও ২৫মে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন এবং ২৬মে বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিক বিতরন করা হবে। আগামী ১২জুন কেসিসি নির্বাচনের ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে। এবারের নির্বাচনে মহানগরের ৩১টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার ৫ লাখ ৩৫ হাজার ৫২৯ জন।এরমধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছে ২লাখ ৬৮হাজার ৮৩৩ ও নারী ভোটার ২লাখ ৬৬হাজার ৬৯৬জন। ##