০৮:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

চলমান আন্দোলনের ঢেউ শেখ হাসিনার তক্তে-তাউস ধ্বংস করে দেবে : নিতাই রায় চৌধুরী

  • অফিস ডেক্স।।
  • প্রকাশিত সময় : ০৯:১২:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ মে ২০২৩
  • ২০ পড়েছেন

###     সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এড. নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, দেশের জনগণ স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে জেগে উঠেছে। দেশের জনগন আর হাসিনা সরকারকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না। আওয়ামী লীগ সরকার মুখে মুক্তিযুদ্ধের কথা বলে কিন্তু তারা মুক্তিযুদ্ধ করেনি। তারা মুক্তিযুদ্ধের সময়ের পলাতক শক্তি। এদেশের স্বাধীনতার ডাক দিয়ে ছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তিঁনি (জিয়াউর রহমান) কালুঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে ডাক না দিলে এদেশ স্বাধীন হতো না। তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে ছিলো এদেশের জনগন। বর্তমান শেখ হাসিনা সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে কুক্ষিগত করে বাকশালী পন্থায় দেশ পরিচালনা করছে। আপদমস্তক দুর্নীতিবাজ সরকারকে আর এদেশের মানুষ ক্ষমতায় দেখতে চায় না। সারাদেশে আন্দোলনের যে ঢেউ উঠেছে- সে ঢেউয়ে সরকার ভেসে যাবে। শেখ হাসিনা আগুন নিয়ে খেলা করছে উল্লেখ করে সাবেক এ মন্ত্রী  বলেন, হাত দিয়ে যেমন সুর্য্যরে কিরণ ঠেকানো যায় না, নদীর টেউ যেমন বাধ দেয়া যায় না, ঠিক তেমনি দেশজুড়ে আন্দোলনের যে ঢেউ ঊঠেছে, সেই ঢেউয়ে শেখ হাসিনার  তক্ততাউস ধ্বংস করে দিবে। শেখ হাসিনার পতন ঠেকানো যাবে না। অচিরেই শেখ হাসিনার পতন হবে। তিনি পুলিশ প্রশাসনকে হুশিয়ারি উচ্চরন করে বলেন আপনারা জনগণের পক্ষে কাজ করুন; বিএনপি জনগনের পক্ষে কথা বলছে, দ্রব্যমুল্য নিয়ন্ত্রনের কথা বলছি, জনগনের ভোটাধিকারের কথা বলছে। আপনারা (পুলিশ প্রশাসন) যদি গণদাবীর বিপক্ষে অবস্থান করেন তাহলে ভবিষতে চরমমুল্য দিতে হবে। রবিবার (২৮ মে) বিকাল ৪টায় দ্রব্যমুল্যের লাগাতার উর্ধ্বগতি, বিদ্যুতের লোডশেডিং, সরকারের লাগামহীন দুনীর্তি, মিথ্যা ও গায়েবী মামলা দায়ের, গ্রেফতার, জামিন বাতিল, দমন নিপীড়নের প্রতিবাদে ও গনতন্ত্র বিরোধী সরকারের পদত্যাগ, নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনসহ ১০ দফা দাবিতে দলীয় কার্যালয়ে সামনে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির উদ্যোগে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসুচির অংশ হিসেবে পদযাত্রা কর্মসুচি পুর্ব সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, শেখ মুজিবের আমলে রক্ষিবাহিনী দিয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যা করেছে। শেখ মুজিব নিজেই বলেছিলেন সবাই পেয়েছে সোনার খনি আর আমি পেয়েছি চোরের খনি। সিরাজ শিকদারকে হত্যা করে শেখ মুজিব সংসদে দাড়িয়ে বলেছিলেন কোথায় সেই সিরাজ শিকদার। পিতার মতই শেখ হাসিনা গনতন্ত্র হত্যা করে মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করে দেশকে তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিনত করেছে। শেখ হাসিনা সাধারণ মানুষের দাবি বন্দুকের নলে বন্ধ করতে চায়। মহানগর বিএনপির আহবায়ক এড. শফিকুল আলম মনা’র সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন’র পরিচালনায় পদযাত্রা কর্মসুচিতে প্রধান বক্তার বক্তব্যে জাতীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেন বর্তমান সরকার ভালো মানুষের মুখোশ পড়ে দেশ পরিচালনা করছে, মুলতঃ তারা রাষ্ট্রদ্রোহি। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ঘোষনা দিয়েছেন, আর কোন শান্তি সমাবেশ করবেন না; তারা প্রতিহত করবেন। তার নির্দেশেই খুলনাসহ সারা দেশে বিএনপির শান্তিপুর্ণ কর্মসুচিতে হামলা চালাচ্ছে। হাজার হাজার বিএনপির নেতাকর্মীকে আহত করা হচ্ছে। তিনি পুলিশের উদ্দেশ্যে বলেন, এদেশ আমাদের, এদেশে কথা বলার অধিকার আমাদের আছে। কিন্তু খুলনার কিছু সংখ্যাক পুলিশ বেশি আওয়ামী লীগ হয়ে কর্মসুচিতে বাধা দিচ্ছে। হেলাল বলেন আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করিনা। তবে পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেলে পরিনাম শুভ হবে না। তিনি অবিলম্বে গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের মুক্তি দাবি করেন। গায়েবী মামলা দায়ের করা থেকে বিরত থাকাসহ পুলিশ প্রশাসনকে প্রজাতন্ত্রের সেবক হিসেবে কাজ করার আহবান জানান। কর্মসুচিতে বিশেষ অতিথি ছিলেন, খুলনা জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খান। এ সময় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পি, খান জুলফিকার আলী, স ম আব্দুর রহমান, সাইফুর রহমান মিন্টু, বেগম রেহেনা ঈসা, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, কাজী মাহমুদ আলী, মো. রকিব মল্লিক, শের আলম সান্টু, আবুল কালাম জিয়া, মোল্লা মোশাররফ হোসেন মফিজ, বদরুল আনাম খান, শেখ তৈয়বুর রহমান, চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, শামীম কবীর, আশরাফুল আলম খান নান্নু, মাসুদ পারভেজ বাবু, শামসুল আলম পিন্টু, শেখ সাদী, হাসানুর রশিদ চৌধুরী মিরাজ, এনামুল হক সজল, কেএম হুমায়ুন কবীর, হাফিজুর রহমান মনি, আবু মো. মুরশিদ কামাল, কাজী মিজানুর রহমান, মোল্লা ফরিদ আহদেম, সাজ্জাদ আহসান পরাগ, শেখ ইমাম হোসেন, আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, শেখ জাহিদুল ইসলাম, চৌধুরী কাওসার আলী, এ্যাড. মোমরেজুল ইসলাম, আবদুল মজিদ, খায়রুল ইসলাম খান জনি,  বিএম  তানভিরুল আজম,  শাকিল আহমেদ দিলু,  আরিফ ইমতিয়াজ খান তুহিন, ইলিয়াস হোসেন মল্লিক,  শেখ আজগর আলী, বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস,  মোল্লা এনামুল কবির, আনিছুর রহমান,  সুলতান মাহমুদ, অ্যাড. চৌধুরী তৌহিদুর রহমান তুষার,  জিএম রফিকুল ইসলাম, মুর্শিদুর রহমান লিটন,  নাজমুর সাকির পিন্টু, হাবিবুর রহমান বিশ্বাস, অ্যাড. মোহাম্মদ আলী বাবু , আরিফুর রহমান, খন্দকার ফারুক হোসেন, শেখ জামাল উদ্দিন,  রবিউল হোসেন,  সরোয়ার হোসেন,  রফিকুল ইসলাম বাবু, নাসির খান,  সরদার আব্দুল মালেক, আব্দুস সালাম, রাহাত আলী লাচ্চু, আলমগীর হোসেন, কাজী শাহ নেওয়াজ নিরু, মনির হাসান টিটো, আব্দুর রহমান ডিনো, নাজমুল হুদা চৌধুরী সাগর, ফারুক হোসেন হিলটন,  শেখ আবুল বাশার,  তারিকুল ইসলাম,  মো. জাহিদ হোসেন,  গাজী আব্দুল হালিম, মিজানুর রহমান মিলটন, জাফরি নেওয়াজ চন্দন,  শফিকুল ইসলাম শফি,  আলী আক্কাস, শামসুল বারিক পান্না, মুজিবর রহমান, মহিলা দলের অজিজা খানম এলিজা, এড. তছলিমা খাতুন ছন্দা, সেতারা সুলতানা, জাসাসের নুর ইসলাম বাচ্চু, শহিদুল ইসলাম, আজাদ আমিন, যুবদলের এবাদুল হক রুবায়েত, নেহিবুল হাসান নেহিম, আব্দুল্লাহিল কাফি সখা, আব্দুল আজিজ সুমন,  মো. জাবির আলী, কৃষকদলের মোল্লা কবির হোসেন, ছাত্রদলের ইস্তিয়াক আহমেদ ইস্তি, আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি, গোলাম মোস্তফা তুহিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের শফিকুল ইসলাম শাহিন, শ্রমিকদলে শেখ হেমায়েত হোসেন। ##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

জনপ্রিয়

মোংলায় দারুল আমীন নূরানী মাদ্রাসার সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ 

চলমান আন্দোলনের ঢেউ শেখ হাসিনার তক্তে-তাউস ধ্বংস করে দেবে : নিতাই রায় চৌধুরী

প্রকাশিত সময় : ০৯:১২:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ মে ২০২৩

###     সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এড. নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, দেশের জনগণ স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে জেগে উঠেছে। দেশের জনগন আর হাসিনা সরকারকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না। আওয়ামী লীগ সরকার মুখে মুক্তিযুদ্ধের কথা বলে কিন্তু তারা মুক্তিযুদ্ধ করেনি। তারা মুক্তিযুদ্ধের সময়ের পলাতক শক্তি। এদেশের স্বাধীনতার ডাক দিয়ে ছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তিঁনি (জিয়াউর রহমান) কালুঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে ডাক না দিলে এদেশ স্বাধীন হতো না। তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে ছিলো এদেশের জনগন। বর্তমান শেখ হাসিনা সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে কুক্ষিগত করে বাকশালী পন্থায় দেশ পরিচালনা করছে। আপদমস্তক দুর্নীতিবাজ সরকারকে আর এদেশের মানুষ ক্ষমতায় দেখতে চায় না। সারাদেশে আন্দোলনের যে ঢেউ উঠেছে- সে ঢেউয়ে সরকার ভেসে যাবে। শেখ হাসিনা আগুন নিয়ে খেলা করছে উল্লেখ করে সাবেক এ মন্ত্রী  বলেন, হাত দিয়ে যেমন সুর্য্যরে কিরণ ঠেকানো যায় না, নদীর টেউ যেমন বাধ দেয়া যায় না, ঠিক তেমনি দেশজুড়ে আন্দোলনের যে ঢেউ ঊঠেছে, সেই ঢেউয়ে শেখ হাসিনার  তক্ততাউস ধ্বংস করে দিবে। শেখ হাসিনার পতন ঠেকানো যাবে না। অচিরেই শেখ হাসিনার পতন হবে। তিনি পুলিশ প্রশাসনকে হুশিয়ারি উচ্চরন করে বলেন আপনারা জনগণের পক্ষে কাজ করুন; বিএনপি জনগনের পক্ষে কথা বলছে, দ্রব্যমুল্য নিয়ন্ত্রনের কথা বলছি, জনগনের ভোটাধিকারের কথা বলছে। আপনারা (পুলিশ প্রশাসন) যদি গণদাবীর বিপক্ষে অবস্থান করেন তাহলে ভবিষতে চরমমুল্য দিতে হবে। রবিবার (২৮ মে) বিকাল ৪টায় দ্রব্যমুল্যের লাগাতার উর্ধ্বগতি, বিদ্যুতের লোডশেডিং, সরকারের লাগামহীন দুনীর্তি, মিথ্যা ও গায়েবী মামলা দায়ের, গ্রেফতার, জামিন বাতিল, দমন নিপীড়নের প্রতিবাদে ও গনতন্ত্র বিরোধী সরকারের পদত্যাগ, নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনসহ ১০ দফা দাবিতে দলীয় কার্যালয়ে সামনে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির উদ্যোগে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসুচির অংশ হিসেবে পদযাত্রা কর্মসুচি পুর্ব সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, শেখ মুজিবের আমলে রক্ষিবাহিনী দিয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যা করেছে। শেখ মুজিব নিজেই বলেছিলেন সবাই পেয়েছে সোনার খনি আর আমি পেয়েছি চোরের খনি। সিরাজ শিকদারকে হত্যা করে শেখ মুজিব সংসদে দাড়িয়ে বলেছিলেন কোথায় সেই সিরাজ শিকদার। পিতার মতই শেখ হাসিনা গনতন্ত্র হত্যা করে মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করে দেশকে তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিনত করেছে। শেখ হাসিনা সাধারণ মানুষের দাবি বন্দুকের নলে বন্ধ করতে চায়। মহানগর বিএনপির আহবায়ক এড. শফিকুল আলম মনা’র সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন’র পরিচালনায় পদযাত্রা কর্মসুচিতে প্রধান বক্তার বক্তব্যে জাতীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেন বর্তমান সরকার ভালো মানুষের মুখোশ পড়ে দেশ পরিচালনা করছে, মুলতঃ তারা রাষ্ট্রদ্রোহি। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ঘোষনা দিয়েছেন, আর কোন শান্তি সমাবেশ করবেন না; তারা প্রতিহত করবেন। তার নির্দেশেই খুলনাসহ সারা দেশে বিএনপির শান্তিপুর্ণ কর্মসুচিতে হামলা চালাচ্ছে। হাজার হাজার বিএনপির নেতাকর্মীকে আহত করা হচ্ছে। তিনি পুলিশের উদ্দেশ্যে বলেন, এদেশ আমাদের, এদেশে কথা বলার অধিকার আমাদের আছে। কিন্তু খুলনার কিছু সংখ্যাক পুলিশ বেশি আওয়ামী লীগ হয়ে কর্মসুচিতে বাধা দিচ্ছে। হেলাল বলেন আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করিনা। তবে পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেলে পরিনাম শুভ হবে না। তিনি অবিলম্বে গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের মুক্তি দাবি করেন। গায়েবী মামলা দায়ের করা থেকে বিরত থাকাসহ পুলিশ প্রশাসনকে প্রজাতন্ত্রের সেবক হিসেবে কাজ করার আহবান জানান। কর্মসুচিতে বিশেষ অতিথি ছিলেন, খুলনা জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খান। এ সময় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পি, খান জুলফিকার আলী, স ম আব্দুর রহমান, সাইফুর রহমান মিন্টু, বেগম রেহেনা ঈসা, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, কাজী মাহমুদ আলী, মো. রকিব মল্লিক, শের আলম সান্টু, আবুল কালাম জিয়া, মোল্লা মোশাররফ হোসেন মফিজ, বদরুল আনাম খান, শেখ তৈয়বুর রহমান, চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, শামীম কবীর, আশরাফুল আলম খান নান্নু, মাসুদ পারভেজ বাবু, শামসুল আলম পিন্টু, শেখ সাদী, হাসানুর রশিদ চৌধুরী মিরাজ, এনামুল হক সজল, কেএম হুমায়ুন কবীর, হাফিজুর রহমান মনি, আবু মো. মুরশিদ কামাল, কাজী মিজানুর রহমান, মোল্লা ফরিদ আহদেম, সাজ্জাদ আহসান পরাগ, শেখ ইমাম হোসেন, আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, শেখ জাহিদুল ইসলাম, চৌধুরী কাওসার আলী, এ্যাড. মোমরেজুল ইসলাম, আবদুল মজিদ, খায়রুল ইসলাম খান জনি,  বিএম  তানভিরুল আজম,  শাকিল আহমেদ দিলু,  আরিফ ইমতিয়াজ খান তুহিন, ইলিয়াস হোসেন মল্লিক,  শেখ আজগর আলী, বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস,  মোল্লা এনামুল কবির, আনিছুর রহমান,  সুলতান মাহমুদ, অ্যাড. চৌধুরী তৌহিদুর রহমান তুষার,  জিএম রফিকুল ইসলাম, মুর্শিদুর রহমান লিটন,  নাজমুর সাকির পিন্টু, হাবিবুর রহমান বিশ্বাস, অ্যাড. মোহাম্মদ আলী বাবু , আরিফুর রহমান, খন্দকার ফারুক হোসেন, শেখ জামাল উদ্দিন,  রবিউল হোসেন,  সরোয়ার হোসেন,  রফিকুল ইসলাম বাবু, নাসির খান,  সরদার আব্দুল মালেক, আব্দুস সালাম, রাহাত আলী লাচ্চু, আলমগীর হোসেন, কাজী শাহ নেওয়াজ নিরু, মনির হাসান টিটো, আব্দুর রহমান ডিনো, নাজমুল হুদা চৌধুরী সাগর, ফারুক হোসেন হিলটন,  শেখ আবুল বাশার,  তারিকুল ইসলাম,  মো. জাহিদ হোসেন,  গাজী আব্দুল হালিম, মিজানুর রহমান মিলটন, জাফরি নেওয়াজ চন্দন,  শফিকুল ইসলাম শফি,  আলী আক্কাস, শামসুল বারিক পান্না, মুজিবর রহমান, মহিলা দলের অজিজা খানম এলিজা, এড. তছলিমা খাতুন ছন্দা, সেতারা সুলতানা, জাসাসের নুর ইসলাম বাচ্চু, শহিদুল ইসলাম, আজাদ আমিন, যুবদলের এবাদুল হক রুবায়েত, নেহিবুল হাসান নেহিম, আব্দুল্লাহিল কাফি সখা, আব্দুল আজিজ সুমন,  মো. জাবির আলী, কৃষকদলের মোল্লা কবির হোসেন, ছাত্রদলের ইস্তিয়াক আহমেদ ইস্তি, আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি, গোলাম মোস্তফা তুহিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের শফিকুল ইসলাম শাহিন, শ্রমিকদলে শেখ হেমায়েত হোসেন। ##