০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চীনে নার্স-ডাক্তাররা কাজের চাপে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন

করোনার গ্রাসে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ অসুস্থ্য হচ্ছেন চীনে। রোগীর চাপে হাসপাতালগুলোতে জায়গা সংকুলান হচ্ছে না। এমন অবস্থায় দেশটির তিয়ানজিন মেডিকেল ইউনিভার্সিটি জেনারেল হাসপাতালের এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরল দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।

গণমাধ্যটির দাবি, রোগীর অতিরিক্ত চাপে নাজেহাল অবস্থা হাসপাতালটির নার্স এবং ডাক্তারদের। ইতোমধ্যেই সংকট দেখা দিয়েছে বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জামের। আসন সংকটে বারান্দায় ঠাঁই নিয়েছেন অসংখ্য রোগী।

নিউইয়র্ক টাইমসের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নার্স এবং ডাক্তাররা কাজের চাপে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। করোনায় আক্রান্ত হয়েও এক চিকিৎসক একদিনে দুটি অপারেশন করতে বাধ্য হয়েছেন।

এক চিকিৎসাবিজ্ঞানী বলেন, ‘হাসপাতালের সব সরঞ্জাম ফুরিয়ে এসেছে।  আগে যে ওয়ার্ডে নার্স থাকত ১০-১৫ জন, সেখানে এখন মাত্র ২-৩ জন থাকেন। অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্যে কাজ করতে হচ্ছে। আমার আশপাশে প্রায় ৮০-৯০ জন করোনায় আক্রান্ত।’

২০২০ সাল থেকে জিরো-কোভিড নীতির আওতায় চীনে করোনার কঠোর বিধিনিষেধ চলছিল। সম্প্রতি ওই বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে রাস্তায় নামেন দেশটির অনেক শহরের বাসিন্দা। এরপর চলতি মাসের শুরুর দিকে বেশির ভাগ বিধিনিষেধ তুলে নেয় চীন সরকার। তার পর থেকেই দেশটিতে করোনার সংক্রমণ বাড়তে দেখা গেছে। সম্প্রতি করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা প্রকাশ করা বন্ধ করে দিয়েছে চীন।

এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলেছে যে, দেশটিতে নতুন করে কোভিড ঢেউ আঘাতের বিষয়ে উদ্বেগের মধ্যে চীনের হাসপাতালগুলোতে রোগী দিয়ে পূর্ণ হয়ে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

জনপ্রিয়

চীনে নার্স-ডাক্তাররা কাজের চাপে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন

প্রকাশিত সময় : ০৬:০৩:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২২

করোনার গ্রাসে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ অসুস্থ্য হচ্ছেন চীনে। রোগীর চাপে হাসপাতালগুলোতে জায়গা সংকুলান হচ্ছে না। এমন অবস্থায় দেশটির তিয়ানজিন মেডিকেল ইউনিভার্সিটি জেনারেল হাসপাতালের এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরল দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।

গণমাধ্যটির দাবি, রোগীর অতিরিক্ত চাপে নাজেহাল অবস্থা হাসপাতালটির নার্স এবং ডাক্তারদের। ইতোমধ্যেই সংকট দেখা দিয়েছে বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জামের। আসন সংকটে বারান্দায় ঠাঁই নিয়েছেন অসংখ্য রোগী।

নিউইয়র্ক টাইমসের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নার্স এবং ডাক্তাররা কাজের চাপে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। করোনায় আক্রান্ত হয়েও এক চিকিৎসক একদিনে দুটি অপারেশন করতে বাধ্য হয়েছেন।

এক চিকিৎসাবিজ্ঞানী বলেন, ‘হাসপাতালের সব সরঞ্জাম ফুরিয়ে এসেছে।  আগে যে ওয়ার্ডে নার্স থাকত ১০-১৫ জন, সেখানে এখন মাত্র ২-৩ জন থাকেন। অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্যে কাজ করতে হচ্ছে। আমার আশপাশে প্রায় ৮০-৯০ জন করোনায় আক্রান্ত।’

২০২০ সাল থেকে জিরো-কোভিড নীতির আওতায় চীনে করোনার কঠোর বিধিনিষেধ চলছিল। সম্প্রতি ওই বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে রাস্তায় নামেন দেশটির অনেক শহরের বাসিন্দা। এরপর চলতি মাসের শুরুর দিকে বেশির ভাগ বিধিনিষেধ তুলে নেয় চীন সরকার। তার পর থেকেই দেশটিতে করোনার সংক্রমণ বাড়তে দেখা গেছে। সম্প্রতি করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা প্রকাশ করা বন্ধ করে দিয়েছে চীন।

এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলেছে যে, দেশটিতে নতুন করে কোভিড ঢেউ আঘাতের বিষয়ে উদ্বেগের মধ্যে চীনের হাসপাতালগুলোতে রোগী দিয়ে পূর্ণ হয়ে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।