১০:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ২২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
খুলনার কয়রা এখন বাহারুল বাহিনীর বনদস্যু ও সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য

ছাত্রলীগের সাবেক নেতা জাহাঙ্গীর আলম হত্যা চেষ্টা মামলার ০২ আসামী গ্রেফতার

###    খুলনার কয়রায় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা জাহাঙ্গীর আলম আকাশকে হত্যা চেষ্টা মামলার ০২ আসামী গ্রেফতারকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। সোমবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খুলনা সদর থানার ময়লাপোতা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ দুই আসামীকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলো-কয়রার মদিনাবাদ এলাকার আশরাফুল ইসলামের ছেলে মো: আশিক ও ১নং কয়রার মো: শফিকুল ইসলামের ছেলে আরাফাত হোসেন।

র‌্যাব জানায়, খুলনার কয়রা উপজেলার ছাত্রলীগের সাবেক নেতা জাহাঙ্গীর আলম আকাশের সাথে মো: আশিকসহ তাঁর লোকজনের পূর্ব হতে বিরোধ চলে আসছিল। গত ১৮ফেব্রুয়ারি বিকেলে কয়রা বাজার থেকে জাহাঙ্গীর আলম আকাশ বাড়ি ফিরছিল। পূর্ব শক্রতার জেরে কয়রা সদর ইউপি চেয়ারম্যান বাহারুল ইসলামের ভাগ্নে মদিনাবাদ এলাকার আশরাফুল ইসলামের ছেলে মো: আশিক, ১নং কয়রার মো: শফিকুল ইসলামের ছেলে আরাফাত হোসেন, ২নং কয়রার মাজাহারুল ইসলাম ঢালীর ছেলে সজীবসহ ৫-৬জন পথিমধ্যে চাইনিজ কুড়াল, ধারালো দা নিয়ে হামলা করে পিটিয়ে ও কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এ সময় আকাশ মাটিতে লুটিয়ে পড়লে আসামীরা লোহার রড দিয়ে তার সমস্ত শরীরে আঘাত করে মৃত ভেবে ফেলে রেখে যায়। এ সময় সন্ত্রাসীরা আকামের কাছে থাকা গরু বিক্রির একলাখ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে মারাত্নক আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন আকাশকে উদ্ধার করে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যায়। পরবর্তীতে ভিকটিমের মা মোছা: রিজিয়া খাতুন বাধী হয়ে কয়রা থানায় একটি হত্যা চেষ্টা মামলা দায়ের করেন। ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‌্যাব গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে।২৭ ফেব্রুয়ারি র‌্যাব-৬ স্পেশাল কোম্পানি খুলনার একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খুলনা সদর থানার ময়লাপোতা এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই আসামীকে আটক করে। গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে কয়রা  থানায় হস্তান্তর করেছে র‌্যাব। এদিকে, হামলার শিকার ছাত্রলীগের সাবেক নেতা জাহাঙ্গীর আলম আকাশ মুঠোফোনে জানান, কয়রা উপজেলা এখন সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম বাহারুল আলমের সন্ত্রাসী বাহিনীর অত্যাচার-নির্যাতনে সাধারন মানুষ জিম্মি হয়ে পড়েছে। পুরো উপজেলা বাহারুল বাহিনীর বনদস্যু ও সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিনত হয়েছে। তার সন্ত্রাসী বাহিনীর হাত থেকে সাধারন মানুষের পাশাপাশি আওয়ামীলীগের ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও রেহাই পাচ্ছে না। সন্ত্রাসীদের গড ফাদার ইউপি চেয়ারম্যান বাহারুল ইসলাম গত ২০২২সালেও তাকে ধরে নিয়ে তার র্চার সেলে আটকে রেখে অত্যাচার-নির্যাতন করেছিল বলেও অভিযোগ করেন। তিনি সন্ত্রাসীদের গডফাদার ইউপি চেয়ারম্যান বাহারুল ইসলাম ও তার বাহিনীর সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার ও কঠোর শাস্তির জন্য প্রধানমন্ত্রীল হস্তক্ষেপ কামনা করেন।  ##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

খুলনার কয়রা এখন বাহারুল বাহিনীর বনদস্যু ও সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য

ছাত্রলীগের সাবেক নেতা জাহাঙ্গীর আলম হত্যা চেষ্টা মামলার ০২ আসামী গ্রেফতার

প্রকাশিত সময় : ০৩:৪০:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ মার্চ ২০২৩

###    খুলনার কয়রায় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা জাহাঙ্গীর আলম আকাশকে হত্যা চেষ্টা মামলার ০২ আসামী গ্রেফতারকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। সোমবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খুলনা সদর থানার ময়লাপোতা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ দুই আসামীকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলো-কয়রার মদিনাবাদ এলাকার আশরাফুল ইসলামের ছেলে মো: আশিক ও ১নং কয়রার মো: শফিকুল ইসলামের ছেলে আরাফাত হোসেন।

র‌্যাব জানায়, খুলনার কয়রা উপজেলার ছাত্রলীগের সাবেক নেতা জাহাঙ্গীর আলম আকাশের সাথে মো: আশিকসহ তাঁর লোকজনের পূর্ব হতে বিরোধ চলে আসছিল। গত ১৮ফেব্রুয়ারি বিকেলে কয়রা বাজার থেকে জাহাঙ্গীর আলম আকাশ বাড়ি ফিরছিল। পূর্ব শক্রতার জেরে কয়রা সদর ইউপি চেয়ারম্যান বাহারুল ইসলামের ভাগ্নে মদিনাবাদ এলাকার আশরাফুল ইসলামের ছেলে মো: আশিক, ১নং কয়রার মো: শফিকুল ইসলামের ছেলে আরাফাত হোসেন, ২নং কয়রার মাজাহারুল ইসলাম ঢালীর ছেলে সজীবসহ ৫-৬জন পথিমধ্যে চাইনিজ কুড়াল, ধারালো দা নিয়ে হামলা করে পিটিয়ে ও কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এ সময় আকাশ মাটিতে লুটিয়ে পড়লে আসামীরা লোহার রড দিয়ে তার সমস্ত শরীরে আঘাত করে মৃত ভেবে ফেলে রেখে যায়। এ সময় সন্ত্রাসীরা আকামের কাছে থাকা গরু বিক্রির একলাখ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে মারাত্নক আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন আকাশকে উদ্ধার করে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যায়। পরবর্তীতে ভিকটিমের মা মোছা: রিজিয়া খাতুন বাধী হয়ে কয়রা থানায় একটি হত্যা চেষ্টা মামলা দায়ের করেন। ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‌্যাব গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে।২৭ ফেব্রুয়ারি র‌্যাব-৬ স্পেশাল কোম্পানি খুলনার একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খুলনা সদর থানার ময়লাপোতা এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই আসামীকে আটক করে। গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে কয়রা  থানায় হস্তান্তর করেছে র‌্যাব। এদিকে, হামলার শিকার ছাত্রলীগের সাবেক নেতা জাহাঙ্গীর আলম আকাশ মুঠোফোনে জানান, কয়রা উপজেলা এখন সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম বাহারুল আলমের সন্ত্রাসী বাহিনীর অত্যাচার-নির্যাতনে সাধারন মানুষ জিম্মি হয়ে পড়েছে। পুরো উপজেলা বাহারুল বাহিনীর বনদস্যু ও সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিনত হয়েছে। তার সন্ত্রাসী বাহিনীর হাত থেকে সাধারন মানুষের পাশাপাশি আওয়ামীলীগের ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও রেহাই পাচ্ছে না। সন্ত্রাসীদের গড ফাদার ইউপি চেয়ারম্যান বাহারুল ইসলাম গত ২০২২সালেও তাকে ধরে নিয়ে তার র্চার সেলে আটকে রেখে অত্যাচার-নির্যাতন করেছিল বলেও অভিযোগ করেন। তিনি সন্ত্রাসীদের গডফাদার ইউপি চেয়ারম্যান বাহারুল ইসলাম ও তার বাহিনীর সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার ও কঠোর শাস্তির জন্য প্রধানমন্ত্রীল হস্তক্ষেপ কামনা করেন।  ##