১১:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী ও প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড

###   ঝিনাইদহে দ্বিতীয় স্ত্রী মাজেদা খাতুনকে হত্যার দায়ে স্বামী শহিদুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী চম্পা খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৭ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে ঝিনাইদহের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মিজানুর রহমান এ রায় দেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- ঝিনাইদহ  সদর উপজেলার শহিদুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী চম্পা খাতুন। বর্তমানে তারা দুই জনই পলাতক। মামলা ও রায়ের বিবরণে জানা যায়, মাজেদা খাতুন কুড়িগ্রামের বাসিন্দা। তিনি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হলিাধানি বাজারে এসে ডিম ও তরকারি ব্যবসা করতেন। সেই সূত্র ধরেই শহিদুলের সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে শহিদুল প্রথম স্ত্রী থাকার পরেও মাজেদা খাতুনকে বিয়ে করেন। পরে মাজেদাকে নিয়ে শহিদুল রামচন্দ্রপুরের নিজ বাড়িতে সংসার করতে থাকেন। বিয়ের কিছুদিন পর শহিদুল ও তার প্রথম  স্ত্রী চম্পা খাতুন মিলে মাজেদা খাতুনের কাছে ৫০ হাজার টাকা যৌতুক দাবি করেন। মাজেদা খাতুন টাকা দিতে অস্বীকার করলে শুরু হয় নির্যাতন। ২০১২ সালের ২৩ জানুয়ারি রাতে স্বামী শহিদুল ও চম্পা খাতুন মিলে ঘুমন্ত মাজেদা খাতুনের শরীরে কেরোসিন তেল দিয়ে আগুন লাগিয়ে দেন। এতে তিনি গুরুতর দগ্ধ হন। পরে প্রতিবেশীরা মাজেদা খাতুনকে উদ্ধার করে প্রথমে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল ও পরে ঢাকা বার্ন ইউনিটে নিয়ে ভর্তি করেন। সেখানে এক সপ্তাহ পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাজেদা খাতুনের মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগে মাজেদা খাতুন পুলিশের কাছে জবানবন্দী দিয়ে ঘটনার বিবরণ দেন। এ ঘটনায় মাজেদা খাতুনের পক্ষে স্থানীয় চৌকিদার বাদী হয়ে শহিদুল ও তার প্রথম স্ত্রী চম্পা খাতুনকে আসামি করে সদর থানায় মামলা করেন। মামলা দায়ের হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত শহিদুল ও চম্পা খাতুন পলাতক রয়েছেন। ##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

জনপ্রিয়

কুয়েটে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার জামাত সকাল ৭ টায় 

ঝিনাইদহে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী ও প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত সময় : ০৩:০৫:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মার্চ ২০২৩

###   ঝিনাইদহে দ্বিতীয় স্ত্রী মাজেদা খাতুনকে হত্যার দায়ে স্বামী শহিদুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী চম্পা খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৭ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে ঝিনাইদহের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মিজানুর রহমান এ রায় দেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- ঝিনাইদহ  সদর উপজেলার শহিদুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী চম্পা খাতুন। বর্তমানে তারা দুই জনই পলাতক। মামলা ও রায়ের বিবরণে জানা যায়, মাজেদা খাতুন কুড়িগ্রামের বাসিন্দা। তিনি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হলিাধানি বাজারে এসে ডিম ও তরকারি ব্যবসা করতেন। সেই সূত্র ধরেই শহিদুলের সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে শহিদুল প্রথম স্ত্রী থাকার পরেও মাজেদা খাতুনকে বিয়ে করেন। পরে মাজেদাকে নিয়ে শহিদুল রামচন্দ্রপুরের নিজ বাড়িতে সংসার করতে থাকেন। বিয়ের কিছুদিন পর শহিদুল ও তার প্রথম  স্ত্রী চম্পা খাতুন মিলে মাজেদা খাতুনের কাছে ৫০ হাজার টাকা যৌতুক দাবি করেন। মাজেদা খাতুন টাকা দিতে অস্বীকার করলে শুরু হয় নির্যাতন। ২০১২ সালের ২৩ জানুয়ারি রাতে স্বামী শহিদুল ও চম্পা খাতুন মিলে ঘুমন্ত মাজেদা খাতুনের শরীরে কেরোসিন তেল দিয়ে আগুন লাগিয়ে দেন। এতে তিনি গুরুতর দগ্ধ হন। পরে প্রতিবেশীরা মাজেদা খাতুনকে উদ্ধার করে প্রথমে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল ও পরে ঢাকা বার্ন ইউনিটে নিয়ে ভর্তি করেন। সেখানে এক সপ্তাহ পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাজেদা খাতুনের মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগে মাজেদা খাতুন পুলিশের কাছে জবানবন্দী দিয়ে ঘটনার বিবরণ দেন। এ ঘটনায় মাজেদা খাতুনের পক্ষে স্থানীয় চৌকিদার বাদী হয়ে শহিদুল ও তার প্রথম স্ত্রী চম্পা খাতুনকে আসামি করে সদর থানায় মামলা করেন। মামলা দায়ের হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত শহিদুল ও চম্পা খাতুন পলাতক রয়েছেন। ##