০৮:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ডাচ-বাংলা ব্যাংকের লুট হওয়া টাকার উদ্ধার

  • অফিস ডেক্স।।
  • প্রকাশিত সময় : ০৭:৫১:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মার্চ ২০২৩
  • ৫৯ পড়েছেন

###    ঢাকার উত্তরা ডাচ বাংলা ব্যাংকের লুট হওয়া সোয়া ১১ কোটি টাকার ‘বেশিরভাগ’ই উদ্ধারের কথা জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় গণমাধ্যম কর্মীদের এ কথা জানান, “রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকার লো মেরিডিয়ান হোটেলের আশপাশের এলাকা থেকে লুট হওয়া বেশিরভাগ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এখনও অভিযান অব্যাহত আছে।” তিনি আরো বলেন, মোট ৪ ট্রাঙ্ক টাকা লুট হয়েছিল। এর মধ্যে ৩ ট্রাঙ্ক উদ্ধার হয়েছে। এখনও গোনা হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, এতে মোট ৯ কোটি টাকা থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।” বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ৭টার দিকে উত্তরার ১৬ নম্বর সেক্টরের ১১ নম্বর সেতু এলাকায় সোয়া ১১ কোটি টাকাসহ একটি মাইক্রোবাস ছিনতাই হওয়ার কথা জানিয়েছিল পুলিশ। ডাচ বাংলা ব্যাংকের জনসংযোগ কর্মকর্তা সগীর আহমেদ জানান, মানি প্ল্যান্ট লিংক প্রাইভেট লিমিটেড নামের একটি কোম্পানি বার্ষিক চুক্তিতে ডাচ বাংলা ব্যাংকের নির্ধারিত বুথে টাকা পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্বে আছে। তাদের হাত থেকেই টানা ছিনতাই হয়। এ বিষয়ে মানি প্লান্ট লিংক প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক যশোদা জীবন দেবনাথ বলেন, “আমাদের কোম্পানি প্রতিদিনই এটিএম বুথে টাকা লোড করে। বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে সাভার ইপিজেডে যাচ্ছিল। উত্তরা দিয়াবাড়ি দিয়ে যাওয়ার সময় কালো রঙের একটি মাইক্রোবাস আমাদের টাকার গাড়ির সামনে এসে পথ আটকে দেয়। “এরপর ওই মাইক্রোবাস থেকে ৪/৫জন লোক বের হয়ে আমাদের ড্রাইভারসহ সিকিউরিটি গার্ডকে মারধর করে চাবি কেড়ে নেয় এবং গাড়ি থেকে লোকজনকে ফেলে দেয়। এরপর তাদের একজন আমাদের গাড়িটা ড্রাইভ করে চলে যায়।” একে ‘ডাকাতি’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, “আমাদের গাড়ি নিয়ে কিছু দূর গিয়ে তারা দেখে তখনও আমাদের একজন লোক গাড়িতে ছিল। গাড়ি থামিয়ে তাকে মারধর করে ফেলে দেয়। এরপর চারটা (টাকার) ট্রাংক নিয়ে ‘ডাকাতরা’ তাদের গাড়িতে উঠে চলে যায়।” এরপর তুরাগ থানায় গিয়ে পুলিশকে অবহিত করলে তৎপরতা শুরু হয় বলে জানান যশোদা। তিনি আরো, “সারাদিন আমরা ডাচ বাংলা ব্যাংকের বিভিন্ন বুথ থেকে টাকা সংগ্রহ করে ওই টাকা আবার ছেঁড়া-ফাটা বাছাই করে ভালো টাকাগুলো আবার লোড করি। এটাই আমাদের সার্ভিস।”##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

জনপ্রিয়

মোংলায় দারুল আমীন নূরানী মাদ্রাসার সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ 

ডাচ-বাংলা ব্যাংকের লুট হওয়া টাকার উদ্ধার

প্রকাশিত সময় : ০৭:৫১:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মার্চ ২০২৩

###    ঢাকার উত্তরা ডাচ বাংলা ব্যাংকের লুট হওয়া সোয়া ১১ কোটি টাকার ‘বেশিরভাগ’ই উদ্ধারের কথা জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় গণমাধ্যম কর্মীদের এ কথা জানান, “রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকার লো মেরিডিয়ান হোটেলের আশপাশের এলাকা থেকে লুট হওয়া বেশিরভাগ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এখনও অভিযান অব্যাহত আছে।” তিনি আরো বলেন, মোট ৪ ট্রাঙ্ক টাকা লুট হয়েছিল। এর মধ্যে ৩ ট্রাঙ্ক উদ্ধার হয়েছে। এখনও গোনা হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, এতে মোট ৯ কোটি টাকা থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।” বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ৭টার দিকে উত্তরার ১৬ নম্বর সেক্টরের ১১ নম্বর সেতু এলাকায় সোয়া ১১ কোটি টাকাসহ একটি মাইক্রোবাস ছিনতাই হওয়ার কথা জানিয়েছিল পুলিশ। ডাচ বাংলা ব্যাংকের জনসংযোগ কর্মকর্তা সগীর আহমেদ জানান, মানি প্ল্যান্ট লিংক প্রাইভেট লিমিটেড নামের একটি কোম্পানি বার্ষিক চুক্তিতে ডাচ বাংলা ব্যাংকের নির্ধারিত বুথে টাকা পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্বে আছে। তাদের হাত থেকেই টানা ছিনতাই হয়। এ বিষয়ে মানি প্লান্ট লিংক প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক যশোদা জীবন দেবনাথ বলেন, “আমাদের কোম্পানি প্রতিদিনই এটিএম বুথে টাকা লোড করে। বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে সাভার ইপিজেডে যাচ্ছিল। উত্তরা দিয়াবাড়ি দিয়ে যাওয়ার সময় কালো রঙের একটি মাইক্রোবাস আমাদের টাকার গাড়ির সামনে এসে পথ আটকে দেয়। “এরপর ওই মাইক্রোবাস থেকে ৪/৫জন লোক বের হয়ে আমাদের ড্রাইভারসহ সিকিউরিটি গার্ডকে মারধর করে চাবি কেড়ে নেয় এবং গাড়ি থেকে লোকজনকে ফেলে দেয়। এরপর তাদের একজন আমাদের গাড়িটা ড্রাইভ করে চলে যায়।” একে ‘ডাকাতি’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, “আমাদের গাড়ি নিয়ে কিছু দূর গিয়ে তারা দেখে তখনও আমাদের একজন লোক গাড়িতে ছিল। গাড়ি থামিয়ে তাকে মারধর করে ফেলে দেয়। এরপর চারটা (টাকার) ট্রাংক নিয়ে ‘ডাকাতরা’ তাদের গাড়িতে উঠে চলে যায়।” এরপর তুরাগ থানায় গিয়ে পুলিশকে অবহিত করলে তৎপরতা শুরু হয় বলে জানান যশোদা। তিনি আরো, “সারাদিন আমরা ডাচ বাংলা ব্যাংকের বিভিন্ন বুথ থেকে টাকা সংগ্রহ করে ওই টাকা আবার ছেঁড়া-ফাটা বাছাই করে ভালো টাকাগুলো আবার লোড করি। এটাই আমাদের সার্ভিস।”##