১২:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ডুমুরিয়ায় স্লুইচ গেট খুলে লবণ পানি উত্তোলন : হুমকিতে ৫বিলের হাজার হেক্টর জমির ধান

###     খুলনার ডুমুরিয়ায় মাছ চাষের জন্য আঁধারমানিক স্লুইচ গেটের কপাট তুলে লবন পানি ঢুকিয়েছে একটি চক্র। সোমবার মাঝ রাতে  এ চক্রের সদস্যরা লবন পানি উত্তোলন করে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে এলাকার ৫টি বিলের এক হাজার হেক্টর বোরো ধান ক্ষেত হুমকীতে পড়েছে। এলাকার কৃষকরা দ্রুত এ চক্রের বিুরদ্ধে আইনগত ব্যবস্তাসহ লবন পানি  উত্তোলন বন্ধের দাবী জানিয়েছে।

জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে বাপাউবো’র ১৭/১ পোল্ডার আওতায় ডুমুরিয়া উপজেলার আঁধারমানিক স্লুইচগেট ক্যাসমেট এলাকায় পারমাদারতলা, চিত্রামারী, হোগলাবুনিয়া, গজালিয়া ও খোরেরাবাদ বিলে প্রায় ২হাজার বিঘা জমিতে ধানের আবাদ হয়েছে। যে কারণে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে স্লুইচ গেটের কপাট বন্ধ করে দেয়া হয়। কিন্তু এলাকার একটি স্বার্থেন্বেষী চক্র সংবদ্ধ হয়ে সোমবার গভীর রাতে স্লুইচ গেটের কপাট খুলে ভিতরের ধানের জমিতে লবন পানি প্রবেশ করায়। এতে এলাকার ৫টি বিলের এক হাজারের বেশী জমির ধান নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। গজালিয়া গ্রামের কৃষক মৃনাল সানা জানান, তিনি ৪ বিঘা জমিতে বোরো ধানের চাষ করেছেন।

ধানে কেবল থোড় আসতে শুরু করেছে। কিন্তু মাছ চাষ করার স্বার্থে কতিপয় স্বার্থেন্বেষী ব্যাক্তি গেটের কপাট খুলে ভিতরে লবন জল ঢুকিয়েছে। এতে তার ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় কৃষক সুজিত মন্ডল জানান, ওই চক্রটি রাতের আঁধারে স্লুইচ গেটের কপাট খুলে নিয়ে গেছে। জোয়ারের পানিতে বিল প্লাবিত হচ্ছে। এই পানি বের করারও কোন পথ নেই। বোরো আবাদের শেষমুহুর্তে এতোবড় ক্ষতি মেনে নেয়া যায় না। আমরা তাৎক্ষনিক উপজেলা প্রশাসনকেও জানিয়েছিলাম। কিন্তু এখনও কোন ব্যবস্তা নেয়া হয়নি। এদিকে, অভিযোগ পেয়ে ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শরীফ আসিফ রহমান, থানা অফিসার ইনচার্জ কনি মিয়া ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসডি মিজানুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ধানের জমিতে লবন পানি উত্তোলন প্রতিরোধে তাৎক্ষনিক স্লুইচ গেটে বাঁধ দিয়ে বন্ধ করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শরীফ আসিফ রহমান। ##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

জনপ্রিয়

ডুমুরিয়ায় স্লুইচ গেট খুলে লবণ পানি উত্তোলন : হুমকিতে ৫বিলের হাজার হেক্টর জমির ধান

প্রকাশিত সময় : ০৯:৫৭:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল ২০২৩

###     খুলনার ডুমুরিয়ায় মাছ চাষের জন্য আঁধারমানিক স্লুইচ গেটের কপাট তুলে লবন পানি ঢুকিয়েছে একটি চক্র। সোমবার মাঝ রাতে  এ চক্রের সদস্যরা লবন পানি উত্তোলন করে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে এলাকার ৫টি বিলের এক হাজার হেক্টর বোরো ধান ক্ষেত হুমকীতে পড়েছে। এলাকার কৃষকরা দ্রুত এ চক্রের বিুরদ্ধে আইনগত ব্যবস্তাসহ লবন পানি  উত্তোলন বন্ধের দাবী জানিয়েছে।

জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে বাপাউবো’র ১৭/১ পোল্ডার আওতায় ডুমুরিয়া উপজেলার আঁধারমানিক স্লুইচগেট ক্যাসমেট এলাকায় পারমাদারতলা, চিত্রামারী, হোগলাবুনিয়া, গজালিয়া ও খোরেরাবাদ বিলে প্রায় ২হাজার বিঘা জমিতে ধানের আবাদ হয়েছে। যে কারণে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে স্লুইচ গেটের কপাট বন্ধ করে দেয়া হয়। কিন্তু এলাকার একটি স্বার্থেন্বেষী চক্র সংবদ্ধ হয়ে সোমবার গভীর রাতে স্লুইচ গেটের কপাট খুলে ভিতরের ধানের জমিতে লবন পানি প্রবেশ করায়। এতে এলাকার ৫টি বিলের এক হাজারের বেশী জমির ধান নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। গজালিয়া গ্রামের কৃষক মৃনাল সানা জানান, তিনি ৪ বিঘা জমিতে বোরো ধানের চাষ করেছেন।

ধানে কেবল থোড় আসতে শুরু করেছে। কিন্তু মাছ চাষ করার স্বার্থে কতিপয় স্বার্থেন্বেষী ব্যাক্তি গেটের কপাট খুলে ভিতরে লবন জল ঢুকিয়েছে। এতে তার ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় কৃষক সুজিত মন্ডল জানান, ওই চক্রটি রাতের আঁধারে স্লুইচ গেটের কপাট খুলে নিয়ে গেছে। জোয়ারের পানিতে বিল প্লাবিত হচ্ছে। এই পানি বের করারও কোন পথ নেই। বোরো আবাদের শেষমুহুর্তে এতোবড় ক্ষতি মেনে নেয়া যায় না। আমরা তাৎক্ষনিক উপজেলা প্রশাসনকেও জানিয়েছিলাম। কিন্তু এখনও কোন ব্যবস্তা নেয়া হয়নি। এদিকে, অভিযোগ পেয়ে ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শরীফ আসিফ রহমান, থানা অফিসার ইনচার্জ কনি মিয়া ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসডি মিজানুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ধানের জমিতে লবন পানি উত্তোলন প্রতিরোধে তাৎক্ষনিক স্লুইচ গেটে বাঁধ দিয়ে বন্ধ করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শরীফ আসিফ রহমান। ##