০৯:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

তেরখাদায় বিএনপি নেতা হাবিব আটক : নিন্দা-মুক্তি দাবি

####

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি এসএম জিলানী গত ২৬ জুন পরিবারিক কোরবানীর গরু কিনতে তেরখাদার ইখড়ি গরু-ছাগলের হাটে এসেছিলেন। তার সাথে সৌজন্য সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে জেলা বিএনপি’র আহবায়ক আমীর এজাজ খান ও সদস্য সচিব এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পীসহ নেতাকর্মীরা তেরখাদায় গিয়েছিলেন। ওইদিন দুপুরে বাসায় তাদের খাবার আয়োজন করেছিলেন তেরখাদা উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব। এখবর জানতে পেরে দুপুরের খাবার প্রস্তুতের পর ও পরিবেশনের পূর্বেই বিএনপি নেতাদের দাওয়াত করে খাওয়ানোর ঠুনকো অভিযোগে হাবিবুর রহমান হাবিবকে বাড়ী থেকে আটক করে থানায় নিয়ে পেন্ডিং মামলায় গ্রেফতার দেখায় পুলিশ। এঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে গতকাল মঙ্গলবার (২৭ জুন) বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান হাবিবের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন খুলনা জেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, গত ২৩ জুন দিঘলিয়ায় বাড়ী থেকে ধরে নিয়ে ছাত্রদল নেতা রবিউল হাসান সবুজকে অস্ত্র মামলায় গ্রেফতার দেখিয়েছে অতিউৎসাহী কতিপয় পুলিশ সদস্য। শুধু তেরখাদা ও দিঘলিয়া নয়, জেলার নয়টি উপজেলা বিএনপি’র নিরীহ নেতাকর্মীদের গেল ১৪টি বছর সীমাহীন হয়রানি করেছে/করছে পুলিশ। অতিউৎসাহী কতিপয় পুলিশ সদস্য অর্থ ও স্বার্থের প্রলোভনে আওয়ামী পাতি নেতাদের ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করতে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কল্পকাহিনী সাজিয়ে প্রতিহিংসা ও হয়রানিমুলক মামলায় জড়িয়ে দিচ্ছে। ভোটডাকাত আ’লীগ ক্ষমতায় ঠিকে থাকার সর্বশেষ অস্ত্র হিসেবে নিরাপরাধ সাধারণ মানুষের মুখোমুখী দাঁড় করিয়েছে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী পুলিশকে। কিন্তু এতে শেখ হাসিনার লুটেরা সরকারের শেষরক্ষা তো হবেই না, বরং বিরোধী দল-মতের নেতাকর্মীদের হয়রানি করতে দমন-নিপীড়নকারী খুলনার পুলিশ সদস্যদের আরও একটি তালিকা প্রস্তুত করে কেন্দ্রে প্রেরণ করা হবে বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন নেতৃবৃন্দ। ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার হরণে পুলিশ ও প্রশাসনের কারণে ইতোমধ্যে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের স্যাংশন ও ভিসানীতি’র কবলে প্রিয় বাংলাদেশ এবং ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ। বিরোধী দল-মতের এমন জনবিরোধী কার্যক্রম চলতে থাকলে জাতিসংঘ শান্তি মিশন থেকে পুলিশ-প্রশাসন না বাদ পড়ে যায়! তাই অবিলম্বে গ্রেফতারকৃত সকল রাজবন্দীর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন খুলনা জেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ।বিবৃতিদাতারা হলেন খুলনা জেলা বিএনপি’র আহবায়ক আমীর এজাজ খান, সদস্য সচিব এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী ও যুগ্ম-আহবায়ক শেখ আবু হোসেন বাবু প্রমুখ।

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik Madhumati

জনপ্রিয়

বাকেরগঞ্জে কৃষি ব্যাংকের গ্রাহকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা

তেরখাদায় বিএনপি নেতা হাবিব আটক : নিন্দা-মুক্তি দাবি

প্রকাশিত সময় : ০৩:২২:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জুন ২০২৩

####

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি এসএম জিলানী গত ২৬ জুন পরিবারিক কোরবানীর গরু কিনতে তেরখাদার ইখড়ি গরু-ছাগলের হাটে এসেছিলেন। তার সাথে সৌজন্য সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে জেলা বিএনপি’র আহবায়ক আমীর এজাজ খান ও সদস্য সচিব এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পীসহ নেতাকর্মীরা তেরখাদায় গিয়েছিলেন। ওইদিন দুপুরে বাসায় তাদের খাবার আয়োজন করেছিলেন তেরখাদা উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব। এখবর জানতে পেরে দুপুরের খাবার প্রস্তুতের পর ও পরিবেশনের পূর্বেই বিএনপি নেতাদের দাওয়াত করে খাওয়ানোর ঠুনকো অভিযোগে হাবিবুর রহমান হাবিবকে বাড়ী থেকে আটক করে থানায় নিয়ে পেন্ডিং মামলায় গ্রেফতার দেখায় পুলিশ। এঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে গতকাল মঙ্গলবার (২৭ জুন) বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান হাবিবের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন খুলনা জেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, গত ২৩ জুন দিঘলিয়ায় বাড়ী থেকে ধরে নিয়ে ছাত্রদল নেতা রবিউল হাসান সবুজকে অস্ত্র মামলায় গ্রেফতার দেখিয়েছে অতিউৎসাহী কতিপয় পুলিশ সদস্য। শুধু তেরখাদা ও দিঘলিয়া নয়, জেলার নয়টি উপজেলা বিএনপি’র নিরীহ নেতাকর্মীদের গেল ১৪টি বছর সীমাহীন হয়রানি করেছে/করছে পুলিশ। অতিউৎসাহী কতিপয় পুলিশ সদস্য অর্থ ও স্বার্থের প্রলোভনে আওয়ামী পাতি নেতাদের ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করতে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কল্পকাহিনী সাজিয়ে প্রতিহিংসা ও হয়রানিমুলক মামলায় জড়িয়ে দিচ্ছে। ভোটডাকাত আ’লীগ ক্ষমতায় ঠিকে থাকার সর্বশেষ অস্ত্র হিসেবে নিরাপরাধ সাধারণ মানুষের মুখোমুখী দাঁড় করিয়েছে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী পুলিশকে। কিন্তু এতে শেখ হাসিনার লুটেরা সরকারের শেষরক্ষা তো হবেই না, বরং বিরোধী দল-মতের নেতাকর্মীদের হয়রানি করতে দমন-নিপীড়নকারী খুলনার পুলিশ সদস্যদের আরও একটি তালিকা প্রস্তুত করে কেন্দ্রে প্রেরণ করা হবে বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন নেতৃবৃন্দ। ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার হরণে পুলিশ ও প্রশাসনের কারণে ইতোমধ্যে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের স্যাংশন ও ভিসানীতি’র কবলে প্রিয় বাংলাদেশ এবং ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ। বিরোধী দল-মতের এমন জনবিরোধী কার্যক্রম চলতে থাকলে জাতিসংঘ শান্তি মিশন থেকে পুলিশ-প্রশাসন না বাদ পড়ে যায়! তাই অবিলম্বে গ্রেফতারকৃত সকল রাজবন্দীর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন খুলনা জেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ।বিবৃতিদাতারা হলেন খুলনা জেলা বিএনপি’র আহবায়ক আমীর এজাজ খান, সদস্য সচিব এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী ও যুগ্ম-আহবায়ক শেখ আবু হোসেন বাবু প্রমুখ।