০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দাকোপ-বটিয়াঘাটার কৃষকদের উৎপাদিত তরমুজে বাজারজাতকরণ ও পরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবী

  • অফিস ডেক্স।।
  • প্রকাশিত সময় : ০৯:৪৩:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ মার্চ ২০২৩
  • ৫২ পড়েছেন

###    খুলনার দাকোপ-বটিয়াঘাটার কৃষকদের উৎপাদিত তরমুজে লাভজনক দাম, বাজারজাতকরণের সুষ্ঠ ব্যবস্থা, পরিবহন ও সরবরাহের চাঁদাবাজি বন্ধ এবং পানখালী ফেরী পারাপারে যানজট মুক্তির জন্য অতিরিক্ত ফেরীর ব্যবস্থা করার দাবী জানিয়েছে কৃষক সমিতির নেতৃবৃন্দ। শুক্রবার দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ কৃষক সমিতি খুলনা জেলা কমিটির সভায় এ দাবী জানানো হয়। জেলা সভাপতি কৃষকনেতা নিতাই গাইনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুল হান্নানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি এস এ রশীদ, কৃষকনেতা এড. সন্দীপ রায়, এড. এম এম রুহুল আমিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা কিংশুক রায়, কিশোর রায়, এড. সুব্রত কু-ু, আফজাল হোসেন রাজু, মোল্লা ওয়াদুদ আলী, শেখ আব্দুল হালিম, মোঃ হাবিবুর রহমান, সমীরণ রায়, মৃত্যুঞ্জয় গোলদার, পলাশ দাস, বিনয় কৃষ্ণ বিশ্বাস, খান আজরফ হোসেন মামুন, মোঃ জাকির হোসেন প্রমুখ।
সভায় বক্তারা অভিলম্বে আমুল ভূমি সংস্কার করে ভূমি ব্যবহার ও কৃষি নীতিমালা কার্যকর করা, খাস জমি প্রকৃত কৃষকদের বন্দোবস্ত দেয়া, ইউনিয়ন পর্যায় সরকারি ক্রয় কেন্দ্র চালু করে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয় করা, পর্যাপ্ত সংখ্যক খাদ্য গুদাম ও হিমাগার নির্মাণ করা, পল্লী রেশন ও শস্য বিমা এবং ষাটোর্ধ্ব কৃষকের পেনশন ব্যবস্থা চালু করার দাবি জানান। কঠোর পরিশ্রম করে কৃষক ফসল ফলায়, কিন্তু বাজার কিন্ডিকেটের কারণে কৃষক প্রকৃত দাম পায় না। এ সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম থেকে কৃষকদের বাঁচাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বক্তারা আরও বলেন, বাজারে ভেজাল সার, কীটনাশকে ভরে গেছে, যা সাধারণ কৃষকদের যাচাই-বাছাই করা সম্ভব নয়। ফলে কৃষকরা শারীরিক, আর্থিক ও উৎপাদনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অবিলম্বে সরকার প্রশাসনের মাধ্যমে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং কৃষি সম্প্রসারণ দপ্তরের মাধ্যমে সার-কীটনাশক ও বীজ ন্যায্যমূল্যে কৃষকদের মধ্যে সরবরহ করার দাবি জানান বক্তারা। সভায় অপর এক প্রস্তাবে আগামী তিন মাসের মধ্যে যে সকল উপজেলায় এখনও কমিটি গঠন করা হয়নি সে সকল উপজেলায় দ্রুত কমিটি করে কৃষকদের দাবি-দাওয়া আদায়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে বলেও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

জনপ্রিয়

গলাচিপায় অবৈধ দোকান উচ্ছেদের মাধ্যমে রাস্তা উন্মুক্ত করায় প্রসংশিত মেয়র

দাকোপ-বটিয়াঘাটার কৃষকদের উৎপাদিত তরমুজে বাজারজাতকরণ ও পরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবী

প্রকাশিত সময় : ০৯:৪৩:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ মার্চ ২০২৩

###    খুলনার দাকোপ-বটিয়াঘাটার কৃষকদের উৎপাদিত তরমুজে লাভজনক দাম, বাজারজাতকরণের সুষ্ঠ ব্যবস্থা, পরিবহন ও সরবরাহের চাঁদাবাজি বন্ধ এবং পানখালী ফেরী পারাপারে যানজট মুক্তির জন্য অতিরিক্ত ফেরীর ব্যবস্থা করার দাবী জানিয়েছে কৃষক সমিতির নেতৃবৃন্দ। শুক্রবার দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ কৃষক সমিতি খুলনা জেলা কমিটির সভায় এ দাবী জানানো হয়। জেলা সভাপতি কৃষকনেতা নিতাই গাইনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুল হান্নানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি এস এ রশীদ, কৃষকনেতা এড. সন্দীপ রায়, এড. এম এম রুহুল আমিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা কিংশুক রায়, কিশোর রায়, এড. সুব্রত কু-ু, আফজাল হোসেন রাজু, মোল্লা ওয়াদুদ আলী, শেখ আব্দুল হালিম, মোঃ হাবিবুর রহমান, সমীরণ রায়, মৃত্যুঞ্জয় গোলদার, পলাশ দাস, বিনয় কৃষ্ণ বিশ্বাস, খান আজরফ হোসেন মামুন, মোঃ জাকির হোসেন প্রমুখ।
সভায় বক্তারা অভিলম্বে আমুল ভূমি সংস্কার করে ভূমি ব্যবহার ও কৃষি নীতিমালা কার্যকর করা, খাস জমি প্রকৃত কৃষকদের বন্দোবস্ত দেয়া, ইউনিয়ন পর্যায় সরকারি ক্রয় কেন্দ্র চালু করে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয় করা, পর্যাপ্ত সংখ্যক খাদ্য গুদাম ও হিমাগার নির্মাণ করা, পল্লী রেশন ও শস্য বিমা এবং ষাটোর্ধ্ব কৃষকের পেনশন ব্যবস্থা চালু করার দাবি জানান। কঠোর পরিশ্রম করে কৃষক ফসল ফলায়, কিন্তু বাজার কিন্ডিকেটের কারণে কৃষক প্রকৃত দাম পায় না। এ সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম থেকে কৃষকদের বাঁচাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বক্তারা আরও বলেন, বাজারে ভেজাল সার, কীটনাশকে ভরে গেছে, যা সাধারণ কৃষকদের যাচাই-বাছাই করা সম্ভব নয়। ফলে কৃষকরা শারীরিক, আর্থিক ও উৎপাদনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অবিলম্বে সরকার প্রশাসনের মাধ্যমে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং কৃষি সম্প্রসারণ দপ্তরের মাধ্যমে সার-কীটনাশক ও বীজ ন্যায্যমূল্যে কৃষকদের মধ্যে সরবরহ করার দাবি জানান বক্তারা। সভায় অপর এক প্রস্তাবে আগামী তিন মাসের মধ্যে যে সকল উপজেলায় এখনও কমিটি গঠন করা হয়নি সে সকল উপজেলায় দ্রুত কমিটি করে কৃষকদের দাবি-দাওয়া আদায়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে বলেও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ##