০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দূর্নীতিমুক্ত জনবান্ধব ও আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক নগরী গড়ে তোলা হবে: মেয়র প্রার্থী আব্দুল আউয়াল

###    খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি)কে দুর্নীতি, সন্ত্রাসমুক্ত ও জনবান্ধব আন্তর্জাতিক আধুনিক নগরী গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২৮দফা র্বাচনী ইশতেহার ঘোষনা করেছেন ইসলামী আন্দোলনের মেয়রপ্রার্থী আব্দুল আউয়াল। তিনি বলেন, কেসিসিতে অনিয়ম, টেন্ডারবাজি, অপরিকল্পিত কর্মকান্ড, স্বজনপ্রীতি ও  ক্ষমতাসীন দলের অশুভ প্রভাব থাকবে না। রোববার (২৮ মে) দুপুরে খুলনা প্রেস ক্লাবের হুমায়ুন কবির বালু মিলনায়তনে তিনি নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন। কেসিসির মেয়র প্রার্থী আব্দুল আউয়াল ইশতেহারের দফা ভিত্তিক বিষয় উল্লেখ করে বলেন, নাগরিক সেবা প্রদানে সহনশীল হয়ে মানবিক কারণে পায়ে চালিত রিকশা, ভ্যান ও ঠেলাগাড়ির লাইসেন্স ফি মওকুফ করা হবে। ব্যাটারি চালিত রিকশা, ইজি-অটোবাইক এবং জ্বালানি তেল চালিত মাহিন্দ্রাসহ অন্য হালকা যানবাহনের লাইসেন্স ফি অর্ধেক করা হবে। কেবল প্রকৃত ড্রাইভারদের লাইসেন্স দেওয়া হবে। খুলনা সিটির বিভিন্ন গাড়ির স্ট্যান্ড এবং নদী তীরে মালামাল ওঠা-নামার ঘাটগুলোতে চাঁদাবাজি বন্ধ করা হবে। একই সাথে নগরবাসীর আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনায় নিয়ে ৩০ শতাংশ হোল্ডিং ট্যাক্স মওকুফ করা হবে। ব্যবসায়ীদের ট্রেড লাইসেন্স ফি অর্ধেক করা হবে। তরুন প্রজন্মের জন্য কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাস্তবসম্মত প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। টেকসই ও উন্নত রাস্তাঘাট নির্মাণ এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেসিসিতে টেন্ডারবাজি রোধে ই-টেন্ডারিং চালু করা হবে। কেসিসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে সামগ্রিক আয়-ব্যয়ের রিপোর্ট প্রতিবছর প্রকাশ করা হবে।

তিনি বলেন, শিল্প নগরী হিসেবে খুলনার পুরাতন ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে খালিশপুর-দৌলতপুর পাটকল চালু এবং নতুন শিল্প-কারকানা স্থাপন করা হবে। স্বাস্থ্য সেবার মানোন্নয়ন, নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরন, কবরস্তান ও শশ্মানের উন্নয়ণ, প্রযুক্তি নির্ভর নগরী গড়তে সব ধরনের সেবাকে ডিজিটালকরন করা, ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক ও সুস্থ্য বিনোদনের ব্যভস্থা, সংখ্যালঘু ও অবহেলিত জনগোষ্টির জীবনমান উন্নয়ণ, নারী-শিশুদের নায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, আধুনিক পয়:নিষ্কাশন ও পানি সরবরাহ ব্যবস্তা, নগরীকে বর্ধিত করে সুপরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা, যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন, হজকারদের জন্য পৃথক হকার্স মার্কেট স্থাপন ও রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন। ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী আরও বলেন, কেসিসির সীমানা বর্ধিতকরণ প্রকল্পের আওতায় যেসব নতুন এলাকা যুক্ত করা হয়েছে। সেসব এলাকার হোল্ডিং ট্যাক্স পাঁচ বছরের জন্য মওকুফ করা হবে। তাদের পানির লাইন বিনা খরচে দেওয়া হবে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নতুন এলাকার রাস্তাঘাট ও স্যুয়ারেজ লাইন মানসম্মতভাবে স্বল্প সময়ের মধ্যে করা হবে। বিশেষ করে খুলনার প্রধান সমস্যা জরাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানে সবার আগে প্রকল্প নেয়া হবে। ইতেহার ঘোষনা অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা মো: আশরাফ আলী আকন, প্রচার কমিটির প্রধান মো: নাসির উদ্দিন, মুফতি ইমরান হোসেন, মুফতি মো: আমান উল্লিাহ, মো: হাসিব গোলদার, মাওলানা দ্বীন ইসলাম, মো: সাইফুল ইসলাম, মো: আমিরুল ইসলাম, মো: মইনউদ্দিন, মো: মাহাদী হাসান, আল মাহমুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। ##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

জনপ্রিয়

গলাচিপায় অবৈধ দোকান উচ্ছেদের মাধ্যমে রাস্তা উন্মুক্ত করায় প্রসংশিত মেয়র

দূর্নীতিমুক্ত জনবান্ধব ও আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক নগরী গড়ে তোলা হবে: মেয়র প্রার্থী আব্দুল আউয়াল

প্রকাশিত সময় : ০৯:২২:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ মে ২০২৩

###    খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি)কে দুর্নীতি, সন্ত্রাসমুক্ত ও জনবান্ধব আন্তর্জাতিক আধুনিক নগরী গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২৮দফা র্বাচনী ইশতেহার ঘোষনা করেছেন ইসলামী আন্দোলনের মেয়রপ্রার্থী আব্দুল আউয়াল। তিনি বলেন, কেসিসিতে অনিয়ম, টেন্ডারবাজি, অপরিকল্পিত কর্মকান্ড, স্বজনপ্রীতি ও  ক্ষমতাসীন দলের অশুভ প্রভাব থাকবে না। রোববার (২৮ মে) দুপুরে খুলনা প্রেস ক্লাবের হুমায়ুন কবির বালু মিলনায়তনে তিনি নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন। কেসিসির মেয়র প্রার্থী আব্দুল আউয়াল ইশতেহারের দফা ভিত্তিক বিষয় উল্লেখ করে বলেন, নাগরিক সেবা প্রদানে সহনশীল হয়ে মানবিক কারণে পায়ে চালিত রিকশা, ভ্যান ও ঠেলাগাড়ির লাইসেন্স ফি মওকুফ করা হবে। ব্যাটারি চালিত রিকশা, ইজি-অটোবাইক এবং জ্বালানি তেল চালিত মাহিন্দ্রাসহ অন্য হালকা যানবাহনের লাইসেন্স ফি অর্ধেক করা হবে। কেবল প্রকৃত ড্রাইভারদের লাইসেন্স দেওয়া হবে। খুলনা সিটির বিভিন্ন গাড়ির স্ট্যান্ড এবং নদী তীরে মালামাল ওঠা-নামার ঘাটগুলোতে চাঁদাবাজি বন্ধ করা হবে। একই সাথে নগরবাসীর আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনায় নিয়ে ৩০ শতাংশ হোল্ডিং ট্যাক্স মওকুফ করা হবে। ব্যবসায়ীদের ট্রেড লাইসেন্স ফি অর্ধেক করা হবে। তরুন প্রজন্মের জন্য কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাস্তবসম্মত প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। টেকসই ও উন্নত রাস্তাঘাট নির্মাণ এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেসিসিতে টেন্ডারবাজি রোধে ই-টেন্ডারিং চালু করা হবে। কেসিসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে সামগ্রিক আয়-ব্যয়ের রিপোর্ট প্রতিবছর প্রকাশ করা হবে।

তিনি বলেন, শিল্প নগরী হিসেবে খুলনার পুরাতন ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে খালিশপুর-দৌলতপুর পাটকল চালু এবং নতুন শিল্প-কারকানা স্থাপন করা হবে। স্বাস্থ্য সেবার মানোন্নয়ন, নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরন, কবরস্তান ও শশ্মানের উন্নয়ণ, প্রযুক্তি নির্ভর নগরী গড়তে সব ধরনের সেবাকে ডিজিটালকরন করা, ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক ও সুস্থ্য বিনোদনের ব্যভস্থা, সংখ্যালঘু ও অবহেলিত জনগোষ্টির জীবনমান উন্নয়ণ, নারী-শিশুদের নায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, আধুনিক পয়:নিষ্কাশন ও পানি সরবরাহ ব্যবস্তা, নগরীকে বর্ধিত করে সুপরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা, যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন, হজকারদের জন্য পৃথক হকার্স মার্কেট স্থাপন ও রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন। ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী আরও বলেন, কেসিসির সীমানা বর্ধিতকরণ প্রকল্পের আওতায় যেসব নতুন এলাকা যুক্ত করা হয়েছে। সেসব এলাকার হোল্ডিং ট্যাক্স পাঁচ বছরের জন্য মওকুফ করা হবে। তাদের পানির লাইন বিনা খরচে দেওয়া হবে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নতুন এলাকার রাস্তাঘাট ও স্যুয়ারেজ লাইন মানসম্মতভাবে স্বল্প সময়ের মধ্যে করা হবে। বিশেষ করে খুলনার প্রধান সমস্যা জরাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানে সবার আগে প্রকল্প নেয়া হবে। ইতেহার ঘোষনা অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা মো: আশরাফ আলী আকন, প্রচার কমিটির প্রধান মো: নাসির উদ্দিন, মুফতি ইমরান হোসেন, মুফতি মো: আমান উল্লিাহ, মো: হাসিব গোলদার, মাওলানা দ্বীন ইসলাম, মো: সাইফুল ইসলাম, মো: আমিরুল ইসলাম, মো: মইনউদ্দিন, মো: মাহাদী হাসান, আল মাহমুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। ##