০৬:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পটুয়াখালীর দুমকিতে  চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলায় আহত-৫

###    পটুয়াখালীর দুমকি থানার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের চরগরবদি গ্রামে চাঁদা না দেয়ায় সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে বসতঘর ও দোকানপাট ভাংচুর সহ একই পরিবারের  ৫ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত হওয়র খবর পাওয়া গেছে।  গত বুধবার ২৬ শে এপ্রিল দুমকী থানার চরগরবদী ইউনিয়নে এ হতাহতের ঘটনাটি ঘটে। হামলায় গুরুত্বর আহত হারুন মৃধা(৫০), হাসান মৃধা (৩০), জাহাঙ্গীর মৃধা (৫০), শিরিন বেগম (৪০) ও মাহিনুর (২৫) কে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এঘটনায় দুমকি থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। হামকারীরা হলেন, রিফাত, আবরুল সিকদার, জাকারিয়া, মামুন, মারুফ, হৃদয়, রিয়াজ, সাকিব গাজি, বাদল, রুহুল আমিনসহ অজ্ঞাত আরো ৩০ জন এ হামলায় জড়িত বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে হাসপাতালে ভর্তি হাসান মৃধা জানান,  সে জাহাজে চাকরি করেন। বিভিন্ন সময় রিফাত গং তার কাছে চাদা দাবী করে আসছে। ঈদের আগে চিঙ্গুরিয়া স্লুয়িজ ঘাটে জাহাজ নোংঙ্গর করলে রিফাত গং তার কাছে চাদা দাবী করে। সে চাদা না দেয়ায় বিভিন্ন হুমকি ধামকি  প্রদান করে। মঙ্গলবার বিকেলে তার ছোট ভাইকে দোকানে একা পেয়ে নেশাগ্রস্থ আবরুলসহ ৮/১০ জন মিলে বেধরক মারধর করে। পরে বুধবার বিকাল ৫.৩০ মিনিটের সময়  তারা দোকান ভাংচুর করে টাকা পয়সা লুট করে এবং দোকানে থাকা ছোট ভাইয়ের স্ত্রী মাহিনুরের হাত ভেঙ্গে ফেলে। এর কিছুক্ষন পরে রিফাতসহ ৫০ জনের মতো সন্ত্রাসী বাহিনী দেশীয় অস্ত্র সস্রে সজ্জিত হইয়া  বাড়ী গিয়ে তাকে ঘর থেকে টেনে হেচড়ে বের করে মারধর শুরু করে। এসময়  বাধা দিলে সন্ত্রাসীরা তাকেসহ তার বাবা, মা, ও চাচাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম এবং বসত ঘর ভাংচুর করে। এসময় স্থানীয়রা তাদের দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেলে সন্ত্রাসীরা সেখানেও হামলা চালায়। পরে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসে তাদের  ভর্তি করা হয়। আহত হারুন মৃধা জানান, তারা  এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে বেড়ায় এবং নেশাগ্রস্থ। এরা এলাকার কাউকে মানে না এবং আইনের তোয়াক্কা করে না। এদের কাজই মারামারি, চাদাবাজী সহ বিভিন্ন অপকর্ম। এরা নেশা সেবন করে এবং বিক্রির সাথে জড়িত। তার ছেলের কাছে  এরা ৫ লক্ষ টাকা চাদা দাবী করে। টাকা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে তাদের আহত করে এবং ঘরবাড়ী ভাংচুর করে।  তারা আহত অবস্থায় দুমকি থানায় গেলে থানা কর্তৃপক্ষ তাদের হাসপাপতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেওয়া কথা বলে। এসময় তিনি আরো বলেন,  তিনি আইনের কাছে এই সন্ত্রাসী হামলার বিচার সহ হামলাকারীদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবি জানান তিনি। এ বিষয়ে দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আবুল বাসার জানান, ঘটনা শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ  পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। ##
Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

দশমিনায় অসহায় ও দরিদ্রদের মাঝে চেক বিতরণ

পটুয়াখালীর দুমকিতে  চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলায় আহত-৫

প্রকাশিত সময় : ১০:০০:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৩
###    পটুয়াখালীর দুমকি থানার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের চরগরবদি গ্রামে চাঁদা না দেয়ায় সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে বসতঘর ও দোকানপাট ভাংচুর সহ একই পরিবারের  ৫ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত হওয়র খবর পাওয়া গেছে।  গত বুধবার ২৬ শে এপ্রিল দুমকী থানার চরগরবদী ইউনিয়নে এ হতাহতের ঘটনাটি ঘটে। হামলায় গুরুত্বর আহত হারুন মৃধা(৫০), হাসান মৃধা (৩০), জাহাঙ্গীর মৃধা (৫০), শিরিন বেগম (৪০) ও মাহিনুর (২৫) কে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এঘটনায় দুমকি থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। হামকারীরা হলেন, রিফাত, আবরুল সিকদার, জাকারিয়া, মামুন, মারুফ, হৃদয়, রিয়াজ, সাকিব গাজি, বাদল, রুহুল আমিনসহ অজ্ঞাত আরো ৩০ জন এ হামলায় জড়িত বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে হাসপাতালে ভর্তি হাসান মৃধা জানান,  সে জাহাজে চাকরি করেন। বিভিন্ন সময় রিফাত গং তার কাছে চাদা দাবী করে আসছে। ঈদের আগে চিঙ্গুরিয়া স্লুয়িজ ঘাটে জাহাজ নোংঙ্গর করলে রিফাত গং তার কাছে চাদা দাবী করে। সে চাদা না দেয়ায় বিভিন্ন হুমকি ধামকি  প্রদান করে। মঙ্গলবার বিকেলে তার ছোট ভাইকে দোকানে একা পেয়ে নেশাগ্রস্থ আবরুলসহ ৮/১০ জন মিলে বেধরক মারধর করে। পরে বুধবার বিকাল ৫.৩০ মিনিটের সময়  তারা দোকান ভাংচুর করে টাকা পয়সা লুট করে এবং দোকানে থাকা ছোট ভাইয়ের স্ত্রী মাহিনুরের হাত ভেঙ্গে ফেলে। এর কিছুক্ষন পরে রিফাতসহ ৫০ জনের মতো সন্ত্রাসী বাহিনী দেশীয় অস্ত্র সস্রে সজ্জিত হইয়া  বাড়ী গিয়ে তাকে ঘর থেকে টেনে হেচড়ে বের করে মারধর শুরু করে। এসময়  বাধা দিলে সন্ত্রাসীরা তাকেসহ তার বাবা, মা, ও চাচাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম এবং বসত ঘর ভাংচুর করে। এসময় স্থানীয়রা তাদের দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেলে সন্ত্রাসীরা সেখানেও হামলা চালায়। পরে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসে তাদের  ভর্তি করা হয়। আহত হারুন মৃধা জানান, তারা  এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে বেড়ায় এবং নেশাগ্রস্থ। এরা এলাকার কাউকে মানে না এবং আইনের তোয়াক্কা করে না। এদের কাজই মারামারি, চাদাবাজী সহ বিভিন্ন অপকর্ম। এরা নেশা সেবন করে এবং বিক্রির সাথে জড়িত। তার ছেলের কাছে  এরা ৫ লক্ষ টাকা চাদা দাবী করে। টাকা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে তাদের আহত করে এবং ঘরবাড়ী ভাংচুর করে।  তারা আহত অবস্থায় দুমকি থানায় গেলে থানা কর্তৃপক্ষ তাদের হাসপাপতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেওয়া কথা বলে। এসময় তিনি আরো বলেন,  তিনি আইনের কাছে এই সন্ত্রাসী হামলার বিচার সহ হামলাকারীদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবি জানান তিনি। এ বিষয়ে দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আবুল বাসার জানান, ঘটনা শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ  পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। ##