০৫:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পুঠিয়ায় দুঃস্থমাতা কার্ডের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছে এক নারী

####

রাজশাহীর পুঠিয়ায় দুঃস্থমাতা কার্ডের জন্য শেফালী রানী নামের এক নারী দ্বারে দ্বারে ঘুরছে বলে অভিযোগ উঠেছে।ঘটনাটি উপজেলার ভালুকগাছী ইউনিয়নের নওপাড়া গ্রামে। ভুুক্তভোগী নারী নওপাড়া গ্রামের ৭ নং ওয়ার্ডের নিতাই কেরকাটার স্ত্রী।
জানাগেছে, দুই মেয়ে ও এক ছেলে নিয়ে মোট ৫ সদস্য নিয়ে তার সংসার। স্বামী ভ্যান চালক। আবাদযোগ্য কোন জমিজমা তাদের নেই। অভাব অনটনে সংসারে একটু সচ্ছলতার আশায় দুঃস্থমাতার কার্ডের জন্য তার আবেদন। এছাড়াও বিগত চেয়রম্যানের সময় সে দুঃস্থমাতা কার্ডের জন্য আবেদন করেছিলেন। সেসময় তাকে কার্ডে দেওয়া হয়নি বলে শেফালী রানী অভি যোগ করেন। পুনরায় চলতি বছরের মে মাসে শেফালী রানী দুস্থমাতার কার্ডে জন্য আবেদন করেন ভালুকগাছী ইউনিয়ন পরিষদে। এর পর বেশ কয়েক মাস পেরিয়ে গেলেও তার কোন সুখর তিনি পাননি। পরে নিরুপায় হয়ে স্থানীয় মেম্বার চেয়ারম্যনসহ ্স্থানীয় নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের কাছে ধরনা ধরেন কিন্তু কিছুতেই তার কোন কাজ হচ্ছে না।নিরুপায় হয়ে কার্ডের আশা ছেড়ে দিয়েছেন বলে শেফালী রানী অভিযোগ করে বলেন, আমরা গরিব মানুষ তাই আমা দের কোন কাজ হয়না। আমি টাকা পয়সা দিতে না পারায় দুঃস্থামাতার কার্ড আমাকে দেওয়া হচ্ছে না।

এ বিষয়ে ভালুকগাছী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান বলেন, বিগত চেয়ারম্যান দুঃস্থমাতা সব কার্ড বিলি করেছন। তাই আমি বর্তমানে কাউকে এ কার্ড দিতে পারছিনা। আগামীতে আমার বরাদ্দ আসলে আমি অবশ্যই তাকে দুঃস্থমাতার কার্ড দিব বলে এ জনপ্রতিনিধি জানান। #

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik Madhumati

জনপ্রিয়

রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক একীভূতকরণের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন, ষড়যন্ত্রমূলক অপতৎপরতা রুখে দাড়ানোর আহবান

পুঠিয়ায় দুঃস্থমাতা কার্ডের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছে এক নারী

প্রকাশিত সময় : ০২:০৬:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুলাই ২০২৩

####

রাজশাহীর পুঠিয়ায় দুঃস্থমাতা কার্ডের জন্য শেফালী রানী নামের এক নারী দ্বারে দ্বারে ঘুরছে বলে অভিযোগ উঠেছে।ঘটনাটি উপজেলার ভালুকগাছী ইউনিয়নের নওপাড়া গ্রামে। ভুুক্তভোগী নারী নওপাড়া গ্রামের ৭ নং ওয়ার্ডের নিতাই কেরকাটার স্ত্রী।
জানাগেছে, দুই মেয়ে ও এক ছেলে নিয়ে মোট ৫ সদস্য নিয়ে তার সংসার। স্বামী ভ্যান চালক। আবাদযোগ্য কোন জমিজমা তাদের নেই। অভাব অনটনে সংসারে একটু সচ্ছলতার আশায় দুঃস্থমাতার কার্ডের জন্য তার আবেদন। এছাড়াও বিগত চেয়রম্যানের সময় সে দুঃস্থমাতা কার্ডের জন্য আবেদন করেছিলেন। সেসময় তাকে কার্ডে দেওয়া হয়নি বলে শেফালী রানী অভি যোগ করেন। পুনরায় চলতি বছরের মে মাসে শেফালী রানী দুস্থমাতার কার্ডে জন্য আবেদন করেন ভালুকগাছী ইউনিয়ন পরিষদে। এর পর বেশ কয়েক মাস পেরিয়ে গেলেও তার কোন সুখর তিনি পাননি। পরে নিরুপায় হয়ে স্থানীয় মেম্বার চেয়ারম্যনসহ ্স্থানীয় নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের কাছে ধরনা ধরেন কিন্তু কিছুতেই তার কোন কাজ হচ্ছে না।নিরুপায় হয়ে কার্ডের আশা ছেড়ে দিয়েছেন বলে শেফালী রানী অভিযোগ করে বলেন, আমরা গরিব মানুষ তাই আমা দের কোন কাজ হয়না। আমি টাকা পয়সা দিতে না পারায় দুঃস্থামাতার কার্ড আমাকে দেওয়া হচ্ছে না।

এ বিষয়ে ভালুকগাছী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান বলেন, বিগত চেয়ারম্যান দুঃস্থমাতা সব কার্ড বিলি করেছন। তাই আমি বর্তমানে কাউকে এ কার্ড দিতে পারছিনা। আগামীতে আমার বরাদ্দ আসলে আমি অবশ্যই তাকে দুঃস্থমাতার কার্ড দিব বলে এ জনপ্রতিনিধি জানান। #