১০:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত যশোরবাসী

###    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত যশোরবাসী। পাঁচ বছর পর বৃহস্পতিবার(২৪নভেম্বর) যশোরে আসছেন তিনি। এদিন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিকেল ৩টায় যশোর স্টেডিয়ামের জনসভায় ভাষণ দেবেন। সমাবেশস্থলে ইতোমধ্যে নৌকার আদলে সভামঞ্চ প্রস্তুত সম্পন্ন হয়েছে। এ মঞ্চের দৈর্ঘ্য ১২০ ফুট ও প্রস্থ ৪০ ফুট। মূল মঞ্চ করা হয়েছে ৮০ ফুট বাই ৪০ ফুট। মঞ্চের পেছনে ৭৬ ফুট বাই ১০ ফুট ব্যানার টাঙানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে উৎসবের শহরে পরিণত হয়েছে যশোর। শহরের অলিগলি থেকে গ্রামের রাস্তাঘাটে চলছে মাইকিং, টাঙানো হয়েছে ব্যানার, ফেস্টুন, বিলবোর্ড ও তোরণ। আনা হয়েছে বিশেষ ডগ স্কোয়াড।

বুধবার বিকেলে যশোরের পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন ও জনসমাবেশে যদি কোনো পুলিশ সদস্য দায়িত্বে বিন্দুমাত্র অবহেলা করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পুলিশ লাইন্স মাঠে জনসভায় নিরাপত্তা নিয়ে জেলা পুলিশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ব্রিফিং প্যারেডে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে সমগ্র যশোর জেলা ইতোমধ্যেই নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা রয়েছে। এখানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যাপ্ত সংখ্যক সদস্য নিয়োজিত রয়েছেন। সাদা পোশাকেও ডিউটিতে থাকবেন অনেকে। ব্রিফিং অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশ কর্মকর্তাসহ অন্যান্য জেলা থেকে আসা বিভিন্ন পদ মর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। জনসভাস্থল ইতিমধ্যে বিশেষ ডগস্কোয়াড পরীক্ষা করে গেছে।

যশোর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহিদ পারভেজ জানান, প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশ উপলক্ষে স্টেডিয়াম ও আব্দুর রাজ্জাক কলেজ মাঠে অস্থায়ী ৮০টি টয়লেট-বাথরুম স্থাপন করা হয়েছে। সুপেয় পানির জন্য বসানো হয়েছে ৪টি সাবমার্সিবল ও ৪টি টিউবওয়েল। ২০টি ট্যাঙ্কি থেকে পানি যাবে ২৬০টি ট্যাপকলে। খাবার পানির জন্য সরবরাহ করা হয়েছে ২৬০ পিস মগ (গ্লাস)। গ্যালারির চারপাশে জনসচেতনামূলক লেখা সম্বলিত ৮০পিছ প্যানা টানানো হয়েছে। এসব মাঠের সৌন্দর্য বর্ধনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

যশোর ট্রাফিক বিভাগ অফিস সূত্রে জানা গেছে, গাড়ি পার্কিয়ের নির্ধারিত স্থানগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে। কোন স্পটে কোন ধরণের গাড়ি পার্কিং করা যাবে তা জানিয়ে দেয়া হয়েছে। এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে আশায় বুক বেধেছেন যশোরবাসী। যশোর ৫শ’ শয্যা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, যশোর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিককরণ, ভবদহ জলাবদ্ধতা দূর ও যশোরকে সিটি করপোরেশন ঘোষণাসহ নানা দাবিতে মুখর জেলাবাসী।

স্বপ্নের পদ্মা সেতু ও কালনায় মধুমতি সেতু চালু হওয়ায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। ফলে যশোরসহ এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক, সামাজিক অবস্থা এবং মানুষের জীবনযাত্রায় উন্নয়ন ঘটেছে। এ উন্নয়ন ও দিন বদলের নেতৃত্ব দেয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বরণ করতে এবং তার মুখে আগামীর বার্তা শুনতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন যশোরবাসী। উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালের ২৬ ডিসেম্বর যশোর স্টেডিয়ামে ভাষণ দিয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এর ৫০বছর পর সেই মাঠেই ভাষণ দেবেন বঙ্গবন্ধু কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik Madhumati

জনপ্রিয়

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত যশোরবাসী

প্রকাশিত সময় : ০১:৪৪:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর ২০২২

###    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত যশোরবাসী। পাঁচ বছর পর বৃহস্পতিবার(২৪নভেম্বর) যশোরে আসছেন তিনি। এদিন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিকেল ৩টায় যশোর স্টেডিয়ামের জনসভায় ভাষণ দেবেন। সমাবেশস্থলে ইতোমধ্যে নৌকার আদলে সভামঞ্চ প্রস্তুত সম্পন্ন হয়েছে। এ মঞ্চের দৈর্ঘ্য ১২০ ফুট ও প্রস্থ ৪০ ফুট। মূল মঞ্চ করা হয়েছে ৮০ ফুট বাই ৪০ ফুট। মঞ্চের পেছনে ৭৬ ফুট বাই ১০ ফুট ব্যানার টাঙানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে উৎসবের শহরে পরিণত হয়েছে যশোর। শহরের অলিগলি থেকে গ্রামের রাস্তাঘাটে চলছে মাইকিং, টাঙানো হয়েছে ব্যানার, ফেস্টুন, বিলবোর্ড ও তোরণ। আনা হয়েছে বিশেষ ডগ স্কোয়াড।

বুধবার বিকেলে যশোরের পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন ও জনসমাবেশে যদি কোনো পুলিশ সদস্য দায়িত্বে বিন্দুমাত্র অবহেলা করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পুলিশ লাইন্স মাঠে জনসভায় নিরাপত্তা নিয়ে জেলা পুলিশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ব্রিফিং প্যারেডে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে সমগ্র যশোর জেলা ইতোমধ্যেই নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা রয়েছে। এখানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যাপ্ত সংখ্যক সদস্য নিয়োজিত রয়েছেন। সাদা পোশাকেও ডিউটিতে থাকবেন অনেকে। ব্রিফিং অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশ কর্মকর্তাসহ অন্যান্য জেলা থেকে আসা বিভিন্ন পদ মর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। জনসভাস্থল ইতিমধ্যে বিশেষ ডগস্কোয়াড পরীক্ষা করে গেছে।

যশোর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহিদ পারভেজ জানান, প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশ উপলক্ষে স্টেডিয়াম ও আব্দুর রাজ্জাক কলেজ মাঠে অস্থায়ী ৮০টি টয়লেট-বাথরুম স্থাপন করা হয়েছে। সুপেয় পানির জন্য বসানো হয়েছে ৪টি সাবমার্সিবল ও ৪টি টিউবওয়েল। ২০টি ট্যাঙ্কি থেকে পানি যাবে ২৬০টি ট্যাপকলে। খাবার পানির জন্য সরবরাহ করা হয়েছে ২৬০ পিস মগ (গ্লাস)। গ্যালারির চারপাশে জনসচেতনামূলক লেখা সম্বলিত ৮০পিছ প্যানা টানানো হয়েছে। এসব মাঠের সৌন্দর্য বর্ধনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

যশোর ট্রাফিক বিভাগ অফিস সূত্রে জানা গেছে, গাড়ি পার্কিয়ের নির্ধারিত স্থানগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে। কোন স্পটে কোন ধরণের গাড়ি পার্কিং করা যাবে তা জানিয়ে দেয়া হয়েছে। এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে আশায় বুক বেধেছেন যশোরবাসী। যশোর ৫শ’ শয্যা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, যশোর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিককরণ, ভবদহ জলাবদ্ধতা দূর ও যশোরকে সিটি করপোরেশন ঘোষণাসহ নানা দাবিতে মুখর জেলাবাসী।

স্বপ্নের পদ্মা সেতু ও কালনায় মধুমতি সেতু চালু হওয়ায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। ফলে যশোরসহ এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক, সামাজিক অবস্থা এবং মানুষের জীবনযাত্রায় উন্নয়ন ঘটেছে। এ উন্নয়ন ও দিন বদলের নেতৃত্ব দেয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বরণ করতে এবং তার মুখে আগামীর বার্তা শুনতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন যশোরবাসী। উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালের ২৬ ডিসেম্বর যশোর স্টেডিয়ামে ভাষণ দিয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এর ৫০বছর পর সেই মাঠেই ভাষণ দেবেন বঙ্গবন্ধু কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।##