০৬:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সিনেমায় দর্শকবিমুখ হওয়ায় সিনেমা হল বন্ধের কারণ

ফেনীর সবশেষ সিনেমা হল ‘দুলাল’ স্মৃতিচিহ্ন

###    সত্তর বছর আগে ফেনীতে প্রথম প্রতিষ্ঠিত সিনেমা হলটি ভাঙার মধ্য দিয়ে মুছে যাচ্ছে এই জেলার সিনেমা হলের শেষ স্মৃতিচিহ্ন। হলটি ভেঙে সেখানে নির্মাণ করা হবে বহুতল বিপণি ভবন।১৯৫২ সালে  প্রতিষ্ঠাত  ‘দুলাল সিনেমা হল’ টি ভাঙা শুরু হয় সপ্তাহ আগে । একের পর এক সিনেমা দর্শকবিমুখ হওয়ায় দুলাল সিনেমা হল বন্ধের কারণ বলে জানিয়েছেন হলটির অন্যতম পরিচালক আবুল কালাম শফি উদ্দীন আহমেদ। এই হলে সর্বশেষ প্রদর্শিত সিনেমা ছিল ‘পরান’; এর একেকটি প্রদর্শনে ১০/১২ জনের বেশি দর্শক পাওয়া যেত না বলে মলিকপক্ষ জানিয়েছে। ফেনীর প্রবীণ সংস্কৃতিক সংগঠক, সিনেমা হল মালিক ও নানা কাগজপত্র ঘেঁটে জানা যায়, ফেনী শহরে চারটি সিনেমা হল ছিল । হল গুলো হলো- দুলাল সিনেমা হল, সুরত মহল, বিলাসী সিনেমা হল ও কানন সিনেমা হল। এছাড়া ফুলগাজী উপজেলায় ‘বিউটি সিনেমা হল’ ও দাগনভূঞা উপজেলায় ‘ঝর্ণা সিনেমা হল’ নামে আরও দুটি হল ছিল। এক সময় এসব হলে সিনেমা দেখার জন্য হাজার হাজার দর্শক ভিড় করতেন। জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে পরিবার নিয়ে আসতেন অনেকে। দুলাল সিনেমা হলের অন্যতম পরিচালক মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে হলে দর্শক বিমুখ হওয়ায় ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর হলটি একেবারে বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এই হলটি বন্ধের মধ্য দিয়ে রূপালী পর্দা থেকে চিরতরে ফেনীর আলো নিভে গেল। প্রবীণ সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সত্তোরোর্ধ্ব আবু তাহের বলেন, “৬০ বছর আগে গ্রাম থেকে প্রথম সিনেমা দেখতে এসেছিলাম দুলাল সিনেমা হলে। একদল বন্ধুসহ চার আনায়, আট আনায় টিকিট কিনে ছবি দেখেছি। তখনকার সময়ে বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম ছিল দুলাল হল। টিকেট কিনে হলে বসে সিনেমা উপভোগ করা সে মাধ্যমটি আজ বিলীন হয়ে গেল। হারিয়ে গেল স্মৃতিবিজড়িত দুলাল সিনেমা হল।” কথাগুলো বলতে বলতে তিনি কিছুটা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, আকাশ সংস্কৃতি তথা বিদেশি চ্যানেলের প্রভাব দর্শকদের সিনেমা হল বিমুখ করেছে বলে মনে করেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট ফেনী জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাহিদ হোসেন বাবলু। জাহিদ হোসেন বাবলু আরো বলেন, “ পাকিস্তান আমলে দুইটা সিনেমা হল ছিল। একটা সুরত আরেকটি দুলাল হল। দেশ স্বাধীনের পর শহরে আরও দুটা সিনেমা হল গড়ে ওঠে। অল্প কিছুদিন পর ফুলগাজী ও দাগনভূঞায় আরও দুটি চালু হয়। একে একে সবকটি বন্ধ হয়ে গেল। ১৯৫২ সালে ক্রীড়া সংগঠক খায়রুল এছাক মিয়া শহরের রেল স্টেশন সড়কে দুলাল সিনেমা হল চালু করেন। বছর খানেক পর শহরের জিরোপয়েন্ট সংলগ্ন ‘সুরত’ চালু করেন আফজালুর রহমান। ১৯৭৮ সালের দিকে আবুল কালাম আজাদ পেয়ারা ও মমতাজুল হক ভূঞার হাত ধরে মাস্টারপাড়া মোড়ে চালু হয় ‘কানন’ সিনেমা হল। ১৮৮০ সালের পরবর্তী সময়ে নুর মিয়া শহরের একাডেমি রোডে চালু করেন ‘বিলাসী’ নামের আরও একটি সিনেমা হল। ২০০৩ সালে আফজালুর রহমানের মৃত্যুর পর তার ছেলে বাচ্চু মিয়া সুরত হলের দায়িত্ব নেন। পরবর্তীতে সিনেমা হলটি ভেঙে ‘ফেনী সুপার মার্কেট’ করা হয়। বিলাসী সিনেমা হলের প্রতিষ্ঠাতা নুর মিয়া মারা যাওয়ার পর তার ছেলেরা হলটি স্থানীয় কমিশনার ওমর ফারুকের কাছে ভাড়া দেন। তবে দর্শক সঙ্কটের কারণে লোকসানের মুখে ২০০২ সালে হলটি ছেড়ে দেন তিনি। এরপর থেকে সেটি কোনোরকম চললেও অব্যাহত লোকাসানের কারণে ২০১৫ সালে সেটি ভেঙে ফেলা হয়। করোনার আগ পর্যন্ত চালু ছিল কানন সিনেমা হল। কয়েক বছর লোকসান হলেও কর্মচারীদের কথা মাথায় রেখে মালিকপক্ষ এটি চালু রাখে। কিন্তু করোনায় হল বন্ধ হলে তারা অন্য পেশায় চলে যান। সম্প্রতি মালিক পক্ষ হলটি ভেঙে বহুতল ভবন নির্মাণকাজ শুরু করেছেন। এর আগে ৯০ দশকের শেষ দিকে বন্ধ হয়ে যায় ফুলগাজীর বিউটি সিনেমা হল ও দাগনভূঞার ঝর্ণা সিনেমা হল। দুলাল সিনেমা হলের আরেক পরিচালক আবুল কালাম শফি উদ্দীন আহমেদ বলেন, পরিবেশ, নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্ন আসন ব্যবস্থায় দুলাল সিনেমা হল ও সুরত হল দর্শকদের পছন্দের তালিকায় ছিল। ৯০ দশকেও এসব হলে প্রতি শোতে ৭/৮’শ টিকিট বিক্রি হতো। তখনকার সময় অন্য সিনেমা হলগুলোতে ভালো ছবি না থাকায় দর্শক সমাগম কিছুটা কম হতো। তবে সেগুলোতেও প্রতি শোতে ৪/৬’শ দর্শকের সমাগম ঘটত। শহরের চারটি সিনেমা হলে প্রতিদিন অন্তত ১০/১২ হাজার দর্শক বিনোদন সুবিধা পেতেন। আরেক পরিচালক আলাউদ্দিন আহমেদ জানান, হল বন্ধের আগে সর্বশেষ সিনেমা ‘পরান’ প্রদর্শিত হয়েছিল। এক একটি প্রদর্শনে ১০/১২ জনের বেশি দর্শক পাওয়া যেত না। টিকেটের দাম রাখা হতো মাত্র ৩০/৫০ টাকা। এরপরও দর্শক না থাকায় অব্যাহত লোকসানের কারণে হলটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।সেখানে বহুতল বিপণিবিতান নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। তরুণ কলেজ শিক্ষার্থী ফারজানা আহমেদ অহনা বলেন, “হলে এখন সিনেমা দেখার পরিবেশ নেই। মুঠোফোনে ইউটিউব, নেটফ্লিক্সসহ বিভিন্ন অ্যাপসে দেশি-বিদেশি সব ধরনের সিনেমা দেখতে পাওয়া যায়। ভবিষ্যতে মানসম্মত হল তৈরি হলে অবশ্যই আমরা বন্ধু-বান্ধব মিলে হলে সিনেমা দেখতে যাব।” সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট ফেনী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সমর দেবনাথ বলেন, ফেনী প্রবাসী অধ্যুষিত শহর। এখানে স্টার সিনেপ্লেক্সের মত ভবন তৈরি করলে দর্শক হলমুখী হবে। ৩/৫’শ টাকা দিয়ে টিকিট কেটে মানসম্মত হলে সিনেমা দেখার দর্শক ফেনীতে রয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এরকম হল তৈরি করতে এগিয়ে আসবে কে?##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

জনপ্রিয়

দেবহাটায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন এ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত 

সিনেমায় দর্শকবিমুখ হওয়ায় সিনেমা হল বন্ধের কারণ

ফেনীর সবশেষ সিনেমা হল ‘দুলাল’ স্মৃতিচিহ্ন

প্রকাশিত সময় : ১২:৫২:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

###    সত্তর বছর আগে ফেনীতে প্রথম প্রতিষ্ঠিত সিনেমা হলটি ভাঙার মধ্য দিয়ে মুছে যাচ্ছে এই জেলার সিনেমা হলের শেষ স্মৃতিচিহ্ন। হলটি ভেঙে সেখানে নির্মাণ করা হবে বহুতল বিপণি ভবন।১৯৫২ সালে  প্রতিষ্ঠাত  ‘দুলাল সিনেমা হল’ টি ভাঙা শুরু হয় সপ্তাহ আগে । একের পর এক সিনেমা দর্শকবিমুখ হওয়ায় দুলাল সিনেমা হল বন্ধের কারণ বলে জানিয়েছেন হলটির অন্যতম পরিচালক আবুল কালাম শফি উদ্দীন আহমেদ। এই হলে সর্বশেষ প্রদর্শিত সিনেমা ছিল ‘পরান’; এর একেকটি প্রদর্শনে ১০/১২ জনের বেশি দর্শক পাওয়া যেত না বলে মলিকপক্ষ জানিয়েছে। ফেনীর প্রবীণ সংস্কৃতিক সংগঠক, সিনেমা হল মালিক ও নানা কাগজপত্র ঘেঁটে জানা যায়, ফেনী শহরে চারটি সিনেমা হল ছিল । হল গুলো হলো- দুলাল সিনেমা হল, সুরত মহল, বিলাসী সিনেমা হল ও কানন সিনেমা হল। এছাড়া ফুলগাজী উপজেলায় ‘বিউটি সিনেমা হল’ ও দাগনভূঞা উপজেলায় ‘ঝর্ণা সিনেমা হল’ নামে আরও দুটি হল ছিল। এক সময় এসব হলে সিনেমা দেখার জন্য হাজার হাজার দর্শক ভিড় করতেন। জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে পরিবার নিয়ে আসতেন অনেকে। দুলাল সিনেমা হলের অন্যতম পরিচালক মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে হলে দর্শক বিমুখ হওয়ায় ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর হলটি একেবারে বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এই হলটি বন্ধের মধ্য দিয়ে রূপালী পর্দা থেকে চিরতরে ফেনীর আলো নিভে গেল। প্রবীণ সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সত্তোরোর্ধ্ব আবু তাহের বলেন, “৬০ বছর আগে গ্রাম থেকে প্রথম সিনেমা দেখতে এসেছিলাম দুলাল সিনেমা হলে। একদল বন্ধুসহ চার আনায়, আট আনায় টিকিট কিনে ছবি দেখেছি। তখনকার সময়ে বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম ছিল দুলাল হল। টিকেট কিনে হলে বসে সিনেমা উপভোগ করা সে মাধ্যমটি আজ বিলীন হয়ে গেল। হারিয়ে গেল স্মৃতিবিজড়িত দুলাল সিনেমা হল।” কথাগুলো বলতে বলতে তিনি কিছুটা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, আকাশ সংস্কৃতি তথা বিদেশি চ্যানেলের প্রভাব দর্শকদের সিনেমা হল বিমুখ করেছে বলে মনে করেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট ফেনী জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাহিদ হোসেন বাবলু। জাহিদ হোসেন বাবলু আরো বলেন, “ পাকিস্তান আমলে দুইটা সিনেমা হল ছিল। একটা সুরত আরেকটি দুলাল হল। দেশ স্বাধীনের পর শহরে আরও দুটা সিনেমা হল গড়ে ওঠে। অল্প কিছুদিন পর ফুলগাজী ও দাগনভূঞায় আরও দুটি চালু হয়। একে একে সবকটি বন্ধ হয়ে গেল। ১৯৫২ সালে ক্রীড়া সংগঠক খায়রুল এছাক মিয়া শহরের রেল স্টেশন সড়কে দুলাল সিনেমা হল চালু করেন। বছর খানেক পর শহরের জিরোপয়েন্ট সংলগ্ন ‘সুরত’ চালু করেন আফজালুর রহমান। ১৯৭৮ সালের দিকে আবুল কালাম আজাদ পেয়ারা ও মমতাজুল হক ভূঞার হাত ধরে মাস্টারপাড়া মোড়ে চালু হয় ‘কানন’ সিনেমা হল। ১৮৮০ সালের পরবর্তী সময়ে নুর মিয়া শহরের একাডেমি রোডে চালু করেন ‘বিলাসী’ নামের আরও একটি সিনেমা হল। ২০০৩ সালে আফজালুর রহমানের মৃত্যুর পর তার ছেলে বাচ্চু মিয়া সুরত হলের দায়িত্ব নেন। পরবর্তীতে সিনেমা হলটি ভেঙে ‘ফেনী সুপার মার্কেট’ করা হয়। বিলাসী সিনেমা হলের প্রতিষ্ঠাতা নুর মিয়া মারা যাওয়ার পর তার ছেলেরা হলটি স্থানীয় কমিশনার ওমর ফারুকের কাছে ভাড়া দেন। তবে দর্শক সঙ্কটের কারণে লোকসানের মুখে ২০০২ সালে হলটি ছেড়ে দেন তিনি। এরপর থেকে সেটি কোনোরকম চললেও অব্যাহত লোকাসানের কারণে ২০১৫ সালে সেটি ভেঙে ফেলা হয়। করোনার আগ পর্যন্ত চালু ছিল কানন সিনেমা হল। কয়েক বছর লোকসান হলেও কর্মচারীদের কথা মাথায় রেখে মালিকপক্ষ এটি চালু রাখে। কিন্তু করোনায় হল বন্ধ হলে তারা অন্য পেশায় চলে যান। সম্প্রতি মালিক পক্ষ হলটি ভেঙে বহুতল ভবন নির্মাণকাজ শুরু করেছেন। এর আগে ৯০ দশকের শেষ দিকে বন্ধ হয়ে যায় ফুলগাজীর বিউটি সিনেমা হল ও দাগনভূঞার ঝর্ণা সিনেমা হল। দুলাল সিনেমা হলের আরেক পরিচালক আবুল কালাম শফি উদ্দীন আহমেদ বলেন, পরিবেশ, নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্ন আসন ব্যবস্থায় দুলাল সিনেমা হল ও সুরত হল দর্শকদের পছন্দের তালিকায় ছিল। ৯০ দশকেও এসব হলে প্রতি শোতে ৭/৮’শ টিকিট বিক্রি হতো। তখনকার সময় অন্য সিনেমা হলগুলোতে ভালো ছবি না থাকায় দর্শক সমাগম কিছুটা কম হতো। তবে সেগুলোতেও প্রতি শোতে ৪/৬’শ দর্শকের সমাগম ঘটত। শহরের চারটি সিনেমা হলে প্রতিদিন অন্তত ১০/১২ হাজার দর্শক বিনোদন সুবিধা পেতেন। আরেক পরিচালক আলাউদ্দিন আহমেদ জানান, হল বন্ধের আগে সর্বশেষ সিনেমা ‘পরান’ প্রদর্শিত হয়েছিল। এক একটি প্রদর্শনে ১০/১২ জনের বেশি দর্শক পাওয়া যেত না। টিকেটের দাম রাখা হতো মাত্র ৩০/৫০ টাকা। এরপরও দর্শক না থাকায় অব্যাহত লোকসানের কারণে হলটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।সেখানে বহুতল বিপণিবিতান নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। তরুণ কলেজ শিক্ষার্থী ফারজানা আহমেদ অহনা বলেন, “হলে এখন সিনেমা দেখার পরিবেশ নেই। মুঠোফোনে ইউটিউব, নেটফ্লিক্সসহ বিভিন্ন অ্যাপসে দেশি-বিদেশি সব ধরনের সিনেমা দেখতে পাওয়া যায়। ভবিষ্যতে মানসম্মত হল তৈরি হলে অবশ্যই আমরা বন্ধু-বান্ধব মিলে হলে সিনেমা দেখতে যাব।” সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট ফেনী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সমর দেবনাথ বলেন, ফেনী প্রবাসী অধ্যুষিত শহর। এখানে স্টার সিনেপ্লেক্সের মত ভবন তৈরি করলে দর্শক হলমুখী হবে। ৩/৫’শ টাকা দিয়ে টিকিট কেটে মানসম্মত হলে সিনেমা দেখার দর্শক ফেনীতে রয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এরকম হল তৈরি করতে এগিয়ে আসবে কে?##