০৫:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বটিয়াঘাটা ও কয়রা বিএনপির নবগঠিত কমিটি প্রত্যাখান

  • অফিস ডেক্স।।
  • প্রকাশিত সময় : ১০:২৩:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৩
  • ৪০ পড়েছেন

###    খুলনা জেলা বিএনপির অসাংগঠনিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে বটিয়াঘাটা ও কয়রা উপজেলার নতুন আহবায়ক কমিটি প্রত্যাখ্যান করেছে দুই উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ্।শনিবার খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ূন কবীল বালু মিলনায়তনে পৃথক সাংবাদ সম্মেলনে জেলা কমিটির আহবায়ক আমী এজাজ খান ও সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পী অগঠনতান্ত্রিকভাবে অর্থের বিনিময়ে সরকারের দালাল, বহিষ্কৃত, অযোগ্য ও মাদক ব্যবসায়ীদের দিয়ে গঠিত কমিটি আগামী বাতিল করে দলের ত্যাগী ও প্রকৃত নেতার্মীদের নিয়ে কমিটি গঠনের দাবীতে আল্টিমেটামও দেয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির সদস্য ও বটিয়াঘাটা উপজেলা বিএনপির নেতা সুলতার মাহমুদ এবং কয়রা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক শেখ আব্দুর রশিদ লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। পৃথক সংবাদ সম্মেলনে বটিয়াঘাটা ও কয়রা উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ বলেন, গত ২৪এপ্রিল রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বটিয়াঘাটা ও কয়রাসহ ৫টি উপজেলার ও ২টি পৌরসভার আহবায়ক কমিটি গঠন করার ঘোষনা দেখতে পায়। এ কমিটি গঠনে কোন রকম পূর্বাভাস, আলোচনা অথবা জেলা বিএনপির কোন সভা না করে জেলা আহবায়কেআমীল এজাজ খান এবং সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পী তাদের পকেটের কর্মীদের নিয়ে কমিটি গঠন করেছে। যাদের বিগত দিনে কোন রাজনৈতিক পরিচয় নেই, আন্দোলন সংগ্রামে নেই কোন ভূমি সামাজিক অবস্থাও নেই। হঠাৎ করে এই ধরণের লোকদের দিয়ে কমিটি দেওযায় বটিয়াঘাটা ও কয়রা উপজেলার বিএনপির সকল কর্মীরা হতবাক হয়েছে।

 

আহবায়ক কমিটি নির্বাচিত হয়। সেই কমিটিকে বাইপাস করে ত্যাগী ও পরীক্ষিত রাজনৈতিক কর্মিদের বাদ দিয়ে আহবায়ক ও সদস্য সচিবের ব্যক্তিগত সম্পর্কযুক্ত লোককে আহবায়ক করা হয়েছে। আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমানের ঘোষনা ও সিদ্ধান্তকে অমান্য করে বটিয়াঘাটায় খুলনা জেলা বিএনপির আহবায়কের ভাইকে আহবায়ক করা হয়েছে। কয়রায় আহবায়ক ও সদস্য সচিব করা হয়েছে দলের পদ-পদবী বিক্রির মাধ্যমে অথর্বানিজ্যেযুক্ত ব্যক্তিদের। এছাড়া উপজেলা বিএনপির রাজনীতিতে যাদের কখনও কোনদিন কোনো রাজনৈতিক ভূমিকা ছিলো না তাদেরকে আহবায়ক কমিটির যুগ্ম-আহবায়ক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। বটিয়াঘাটা উপজেলা বিএনপির নেতারা অভিযোগ করেন, আহবায়ক কমিটিতে দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মি বিশেষ করে বীর মুক্তিযোদ্ধা কামরুল ইসলাম, সুরখালী ইউনিয়নের াসবেক চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম সিফার, যুবদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক মুস্তাফিজুর রহমান শাহিন, ছাত্রদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক আরিফুজ্জামান দুলুসহ অসংখ্য ত্যাগী নেতাকে বাদ দেয়া হয়েছে। অপরদিকে, কয়রা উপজেলা বিএনপির নেতারা অভিযোগ করেন জেলা আহবায়ক আমীর এজাজ খান ও সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পী স্বৈরাচারী কায়দায় একনায়কতান্ত্রিকভাবে কয়রা উপজেলা কমিটি করেছেন। এ কমিটিতে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, মহিলাদল ও তাতীদলসহ সকল সংগঠনের উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদেরকে বাদ দেয়া হয়েছে।এমনকি ১/১১-এর সময়কার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নজরুল ইসলামকেও কমিটিতে রাখা হয়নি। কাজেই ত্যগী রাজনৈতিক পরীক্ষিত কর্মি যারা পারিবারিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ সামাজিক অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া তাদেরকে বাদ দিয়েছে যে কমিটি করা হয়েছে সেই কমিটি তারা প্রত্যাখ্যান করার ঘোষনা দেয়। সেই সাথে খুলনা জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খান এবং সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পী দ্রুততম সময়ের মধ্যে যদি কমিটি পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত না নেয় এবং পূর্বের সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে না আসে তাহলে উদ্বুদ্ধ পরিস্থিতির দায় তাদেরকে নিতে হবে। এমনকি পাল্টা কমিটি করারও ঘোষনা দেয়া হয় সংবাদ সম্মেলনে। সংবাদ সম্মেলনে বটিয়াঘাটা উপজেলা বিএনপির যুআজমল হোসেন লিটন, সাকির আহমেদ, মো: রুবেল, জিয়াদুর রহমান, আবুবক্কর সিদ্দিক ডিউ, কামরুল ইসলাম সিফার, মো: কামরুল ইসলামসহ নেতাকর্মীরা এবং কয়রা উপজেলার যুগ্মআহবায়ক এম.এ. হাসান ও আবু সাইদ বিশ্বাস, সাবেক চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান বেল্টু, তেীহিদুল ইসলাম, সরদার মতিউর রহমান, আব্দুর রহিম সানা, আনোয়ারুল ইসলাম, আবুল কাশেম ডাবলু, হাফিজুর রহমান, ফেরদৌস আলম, আ: সামাদ, শেখ সালাহউদ্দিন লিটন, মেহেদী হাসান মিলন, আব্দুর রাজ্জাক, আবুল কালাম আজাদ কাজল, হাবিবুর রহমান হাবিব, জাকারিয়া হোসেন, হাবিবুর রহমান হবি ও আনিসুর রহমানসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

জনপ্রিয়

গলাচিপায় অবৈধ দোকান উচ্ছেদের মাধ্যমে রাস্তা উন্মুক্ত করায় প্রসংশিত মেয়র

বটিয়াঘাটা ও কয়রা বিএনপির নবগঠিত কমিটি প্রত্যাখান

প্রকাশিত সময় : ১০:২৩:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৩

###    খুলনা জেলা বিএনপির অসাংগঠনিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে বটিয়াঘাটা ও কয়রা উপজেলার নতুন আহবায়ক কমিটি প্রত্যাখ্যান করেছে দুই উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ্।শনিবার খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ূন কবীল বালু মিলনায়তনে পৃথক সাংবাদ সম্মেলনে জেলা কমিটির আহবায়ক আমী এজাজ খান ও সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পী অগঠনতান্ত্রিকভাবে অর্থের বিনিময়ে সরকারের দালাল, বহিষ্কৃত, অযোগ্য ও মাদক ব্যবসায়ীদের দিয়ে গঠিত কমিটি আগামী বাতিল করে দলের ত্যাগী ও প্রকৃত নেতার্মীদের নিয়ে কমিটি গঠনের দাবীতে আল্টিমেটামও দেয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির সদস্য ও বটিয়াঘাটা উপজেলা বিএনপির নেতা সুলতার মাহমুদ এবং কয়রা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক শেখ আব্দুর রশিদ লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। পৃথক সংবাদ সম্মেলনে বটিয়াঘাটা ও কয়রা উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ বলেন, গত ২৪এপ্রিল রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বটিয়াঘাটা ও কয়রাসহ ৫টি উপজেলার ও ২টি পৌরসভার আহবায়ক কমিটি গঠন করার ঘোষনা দেখতে পায়। এ কমিটি গঠনে কোন রকম পূর্বাভাস, আলোচনা অথবা জেলা বিএনপির কোন সভা না করে জেলা আহবায়কেআমীল এজাজ খান এবং সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পী তাদের পকেটের কর্মীদের নিয়ে কমিটি গঠন করেছে। যাদের বিগত দিনে কোন রাজনৈতিক পরিচয় নেই, আন্দোলন সংগ্রামে নেই কোন ভূমি সামাজিক অবস্থাও নেই। হঠাৎ করে এই ধরণের লোকদের দিয়ে কমিটি দেওযায় বটিয়াঘাটা ও কয়রা উপজেলার বিএনপির সকল কর্মীরা হতবাক হয়েছে।

 

আহবায়ক কমিটি নির্বাচিত হয়। সেই কমিটিকে বাইপাস করে ত্যাগী ও পরীক্ষিত রাজনৈতিক কর্মিদের বাদ দিয়ে আহবায়ক ও সদস্য সচিবের ব্যক্তিগত সম্পর্কযুক্ত লোককে আহবায়ক করা হয়েছে। আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমানের ঘোষনা ও সিদ্ধান্তকে অমান্য করে বটিয়াঘাটায় খুলনা জেলা বিএনপির আহবায়কের ভাইকে আহবায়ক করা হয়েছে। কয়রায় আহবায়ক ও সদস্য সচিব করা হয়েছে দলের পদ-পদবী বিক্রির মাধ্যমে অথর্বানিজ্যেযুক্ত ব্যক্তিদের। এছাড়া উপজেলা বিএনপির রাজনীতিতে যাদের কখনও কোনদিন কোনো রাজনৈতিক ভূমিকা ছিলো না তাদেরকে আহবায়ক কমিটির যুগ্ম-আহবায়ক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। বটিয়াঘাটা উপজেলা বিএনপির নেতারা অভিযোগ করেন, আহবায়ক কমিটিতে দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মি বিশেষ করে বীর মুক্তিযোদ্ধা কামরুল ইসলাম, সুরখালী ইউনিয়নের াসবেক চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম সিফার, যুবদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক মুস্তাফিজুর রহমান শাহিন, ছাত্রদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক আরিফুজ্জামান দুলুসহ অসংখ্য ত্যাগী নেতাকে বাদ দেয়া হয়েছে। অপরদিকে, কয়রা উপজেলা বিএনপির নেতারা অভিযোগ করেন জেলা আহবায়ক আমীর এজাজ খান ও সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পী স্বৈরাচারী কায়দায় একনায়কতান্ত্রিকভাবে কয়রা উপজেলা কমিটি করেছেন। এ কমিটিতে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, মহিলাদল ও তাতীদলসহ সকল সংগঠনের উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদেরকে বাদ দেয়া হয়েছে।এমনকি ১/১১-এর সময়কার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নজরুল ইসলামকেও কমিটিতে রাখা হয়নি। কাজেই ত্যগী রাজনৈতিক পরীক্ষিত কর্মি যারা পারিবারিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ সামাজিক অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া তাদেরকে বাদ দিয়েছে যে কমিটি করা হয়েছে সেই কমিটি তারা প্রত্যাখ্যান করার ঘোষনা দেয়। সেই সাথে খুলনা জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খান এবং সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পী দ্রুততম সময়ের মধ্যে যদি কমিটি পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত না নেয় এবং পূর্বের সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে না আসে তাহলে উদ্বুদ্ধ পরিস্থিতির দায় তাদেরকে নিতে হবে। এমনকি পাল্টা কমিটি করারও ঘোষনা দেয়া হয় সংবাদ সম্মেলনে। সংবাদ সম্মেলনে বটিয়াঘাটা উপজেলা বিএনপির যুআজমল হোসেন লিটন, সাকির আহমেদ, মো: রুবেল, জিয়াদুর রহমান, আবুবক্কর সিদ্দিক ডিউ, কামরুল ইসলাম সিফার, মো: কামরুল ইসলামসহ নেতাকর্মীরা এবং কয়রা উপজেলার যুগ্মআহবায়ক এম.এ. হাসান ও আবু সাইদ বিশ্বাস, সাবেক চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান বেল্টু, তেীহিদুল ইসলাম, সরদার মতিউর রহমান, আব্দুর রহিম সানা, আনোয়ারুল ইসলাম, আবুল কাশেম ডাবলু, হাফিজুর রহমান, ফেরদৌস আলম, আ: সামাদ, শেখ সালাহউদ্দিন লিটন, মেহেদী হাসান মিলন, আব্দুর রাজ্জাক, আবুল কালাম আজাদ কাজল, হাবিবুর রহমান হাবিব, জাকারিয়া হোসেন, হাবিবুর রহমান হবি ও আনিসুর রহমানসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ##