০৪:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

“বিএনপি সাজাপ্রাপ্ত আসামিকেই দলের নেতা বানিয়ে নিজের গঠনতন্ত্র নিজেরা ভঙ্গ করেছে” প্রধানমন্ত্রী

  • অফিস ডেক্স।।
  • প্রকাশিত সময় : ১০:৩০:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মার্চ ২০২৩
  • ৩৫ পড়েছেন

 

###  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যে দল বেশি লাফায় সে দলের দুই নেতাই হচ্ছে সাজাপ্রাপ্ত আসামি। সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা না পারবে ইলেকশন করতে, না পারবে ক্ষমতায় আসতে। বিএনপি নিজের গঠনতন্ত্র নিজেরা ভঙ্গ করছে। কারণ, তাদের গঠনতন্ত্রে আছে সাজাপ্রাপ্ত আসামি দলের নেতা হতে পারে না। এখন সেই সাজাপ্রাপ্ত আসামিকেই দলের নেতা বানিয়ে রেখে দিয়েছে। এখন এই দলের কাছে কী আশা করবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রবিবার (১৩ মার্চ) বিকেলে গণভবনে তাঁর সাম্প্রতিক কাতার সফর নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দলীয় সরকারের অধীনেও যে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হতে পারে, সেটা আমরা প্রমাণ করেছি। স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোই এর প্রমাণ। ২০০৮ এর নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বে ২০ দলীয় জোট ৩০০ সিটের মধ্যে পেলো মাত্র ৩০টি সিট। আর ২৭০টি পেলাম আমরা মহাজোট। ২০০৮ এর নির্বাচন যেটাকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে অবাধ, সুষ্ঠু বলা হয়, সেই নির্বাচনেই যখন তাদের (বিএনপি) এই দুরবস্থা, এখন তো আমরা কাজ করে মানুষের আস্থাটা অন্তত অর্জন করতে পেরেছি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য অনেকগুলো আন্তর্জাতিক ও দেশীয় এজেন্সি উন্মুখ হয়ে আছে। ৪০ জনের নামে (ওয়াশিংটন পোস্টের বিজ্ঞাপন) যেটা এসেছে, ওটার পেছনেও কিছু অ্যামবিশন আছে। এতে কোনও সন্দেহ নেই। যাদের ইচ্ছা, তারা জনগণের কাছে যাবে। নির্বাচন যাতে অবাধ-সুষ্ঠু হয়, তার জন্য নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় সংশোধনী বা সংস্কার আনা হয়েছে। নির্বাচন ইভিএমে করতে চেয়েছিলাম উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এতে করে সবাই ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভোট দিতে পারতো, ফলাফলও সঙ্গে সঙ্গে পাওয়া যেতো। কিন্তু এটি নিয়ে এতো আলোচনা-সমালোচনা, আমরা বিষয়টি এখন নির্বাচন কমিশনের ওপর ছেড়ে দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবাদ সম্মেলনে আরো বলেন, এমন কোন চাপ নাই । কারণ আমার শক্তি একমাত্র আমার জনগণ, আর উপরে আল্লাহ আছেন। আমার বাবার আশির্বাদের হাত আমার মাথায় আছে। কাজেই কে কি চাপ দিলো, না দিলো- এতে আমাদের কিছু আসে যায় না। জনগণের স্বার্থে যেটা করার আমরা সেটাই করবো। জনগণের কল্যাণে যে কাজ করার সেটাই করবো। তিনি বলেন,  দেশে কতগুলো আইন আছে। সে আইন অনুযায়ী সব চলবে এবং সেটা চলে। আমাদের বিচার বিভাগ স্বাধীন। শ্রমিকদের অধিকার আমরা রক্ষা করি, ট্যাক্স বিভাগ আছে আলাদা। তারা সেটি আদায় করে। কেউ যদি আইন ভঙ্গ করে, শ্রমিকের অধিকার কেড়ে নেয়, শ্রম আদালত আছে। এই ক্ষেত্রে আমার তো কিছু করার নেই সরকার প্রধান হিসেবে। পদ্মা সেতু কিন্তু করে ফেলেছি, এটুকুই সবাইকে স্মরণ করিয়ে দিলাম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বলেন, সামনে নির্বাচন। অন্তত এইটুকু দাবি করতে পারি, ’৭৫ সালের পর থেকে যে সমস্ত নির্বাচন হয়েছে, আর আমরা ক্ষমতায় আসার পর থেকে যে নির্বাচন হয়েছে, অন্তত সেই ধরনের চুরি, ভোটকেন্দ্র দখল করা, কারচুপি করার সুযোগ তো এখন নেই। এখন ছবিসহ ভোটার তালিকা, আইডি কার্ড হয়ে গেছে। স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স আছে, সিল মেরে ব্যালট বাক্স ভরে ফেলার সুযোগ নেই। বিএনপির আমলে করা এক কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটারও ভোটার তালিকায় এখন আর নেই। নির্বাচন কমিশনের স্বতন্ত্রতা বজায় রেখে আমরা একে সম্পূর্ণ অবাধ নিরপেক্ষ করে গড়ে দিয়েছি, যাতে জনগণ নিজেদের ভোটের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে। তিনি বলেন, জনগণ যাকে খুশি ভোট দেবে- এটা আমাদেরই স্লোগান। ‘আমার ভোট আমি দেবো, যাকে খুশি তাকে দেবো’- আমরা যে গণতান্ত্রিক আন্দোলন করেছি, তার লক্ষ্য ছিল জনগণের ভাতের অধিকার, নিরাপত্তা, জীবনমান উন্নত করা। সেই ভোট-ভাতের আন্দোলন কিন্তু আমাদেরই করা। আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন ‘আমাদের আন্দোলন, রাষ্ট্র পরিচালনায় যে যে কথা আমরা দিয়েছি, আমরা তা রেখেছি। মাঝখানে করোনাভাইরাস আর ইউক্রেন যুদ্ধ যদি না হতো, আমাদের প্রবৃদ্ধি ৮ ভাগের ওপরে ছিল, আমরা আরও এগিয়ে যেতে পারতাম। আমাদের দারিদ্রের হাড় ২০ ভাগে নামিয়ে এনেছিলাম। আরও দুই থেকে তিন শতাংশ দারিদ্র কমিয়ে আনতে পারতাম। তবে এখানে থেমে থাকলে হবে না, হতাশাগ্রস্ত হলে হবে না। আমি কখনও হতাশায় ভুগি না, একটা আত্মবিশ্বাস নিয়ে চলি, আমার তো হারানোর কিছু নেই’।

নতুন রাষ্ট্রপতি (মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন) প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতি একজন পোড় খাওয়া মানুষ এবং একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। পঁচাত্তর পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান তাঁকে গ্রেফতার করে ডান্ডাবেড়ি দিয়ে রেখেছিলেন। কারণ তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদকারী। তিনি জুডিশিয়াল সার্ভিসেও চাকরি করেছেন। বিএনপির আমলে বাধ্য হয়ে তাঁকে চাকরি ছাড়তেও হয়েছে। কাজেই আমি মনে করি, মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তাঁর মাঝে ওই দায়িত্ববোধ, রাজনৈতিক সচেতনতা, দেশপ্রেম ও ব্যক্তিত্ব আছে। নতুন রাষ্ট্রপতিরও সবসময় এই প্রচেষ্টাই থাকবে নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়। শেখ হাসিনা বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব সরকারের একার নয়, সবার। সবাইকে সে দায়িত্ব পালন করতে হবে। এক্ষেত্রে সাংবাদিকদেরও দায়িত্ব আছে। সত্যের জয় হয়। এটা কেউ ঢাকতে পারে না, এটা আমি বিশ্বাস করি। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইসানুল করিম সংবাদ সম্মেলনটি সঞ্চালনায় প্রায় দেড় ঘন্টাব্যাপী এই সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর সাথে ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সংসদ উপনেতা বেগম মতিয়া চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন এবং বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশী মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, এর আগে ৪ থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত স্বল্পোন্নত দেশসমূহের (এলডিসি ৫ : সম্ভাবনা থেকে সমৃদ্ধি) ৫ম জাতিসংঘ সম্মেলনে যোগদানের পর কাতারের রাজধানী দোহা থেকে দেশে ফিরে আসেন প্রধানমন্ত্রী।##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

জনপ্রিয়

যশোরে জমি-জায়গা বিরোধের জের: ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা

“বিএনপি সাজাপ্রাপ্ত আসামিকেই দলের নেতা বানিয়ে নিজের গঠনতন্ত্র নিজেরা ভঙ্গ করেছে” প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত সময় : ১০:৩০:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মার্চ ২০২৩

 

###  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যে দল বেশি লাফায় সে দলের দুই নেতাই হচ্ছে সাজাপ্রাপ্ত আসামি। সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা না পারবে ইলেকশন করতে, না পারবে ক্ষমতায় আসতে। বিএনপি নিজের গঠনতন্ত্র নিজেরা ভঙ্গ করছে। কারণ, তাদের গঠনতন্ত্রে আছে সাজাপ্রাপ্ত আসামি দলের নেতা হতে পারে না। এখন সেই সাজাপ্রাপ্ত আসামিকেই দলের নেতা বানিয়ে রেখে দিয়েছে। এখন এই দলের কাছে কী আশা করবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রবিবার (১৩ মার্চ) বিকেলে গণভবনে তাঁর সাম্প্রতিক কাতার সফর নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দলীয় সরকারের অধীনেও যে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হতে পারে, সেটা আমরা প্রমাণ করেছি। স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোই এর প্রমাণ। ২০০৮ এর নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বে ২০ দলীয় জোট ৩০০ সিটের মধ্যে পেলো মাত্র ৩০টি সিট। আর ২৭০টি পেলাম আমরা মহাজোট। ২০০৮ এর নির্বাচন যেটাকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে অবাধ, সুষ্ঠু বলা হয়, সেই নির্বাচনেই যখন তাদের (বিএনপি) এই দুরবস্থা, এখন তো আমরা কাজ করে মানুষের আস্থাটা অন্তত অর্জন করতে পেরেছি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য অনেকগুলো আন্তর্জাতিক ও দেশীয় এজেন্সি উন্মুখ হয়ে আছে। ৪০ জনের নামে (ওয়াশিংটন পোস্টের বিজ্ঞাপন) যেটা এসেছে, ওটার পেছনেও কিছু অ্যামবিশন আছে। এতে কোনও সন্দেহ নেই। যাদের ইচ্ছা, তারা জনগণের কাছে যাবে। নির্বাচন যাতে অবাধ-সুষ্ঠু হয়, তার জন্য নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় সংশোধনী বা সংস্কার আনা হয়েছে। নির্বাচন ইভিএমে করতে চেয়েছিলাম উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এতে করে সবাই ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভোট দিতে পারতো, ফলাফলও সঙ্গে সঙ্গে পাওয়া যেতো। কিন্তু এটি নিয়ে এতো আলোচনা-সমালোচনা, আমরা বিষয়টি এখন নির্বাচন কমিশনের ওপর ছেড়ে দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবাদ সম্মেলনে আরো বলেন, এমন কোন চাপ নাই । কারণ আমার শক্তি একমাত্র আমার জনগণ, আর উপরে আল্লাহ আছেন। আমার বাবার আশির্বাদের হাত আমার মাথায় আছে। কাজেই কে কি চাপ দিলো, না দিলো- এতে আমাদের কিছু আসে যায় না। জনগণের স্বার্থে যেটা করার আমরা সেটাই করবো। জনগণের কল্যাণে যে কাজ করার সেটাই করবো। তিনি বলেন,  দেশে কতগুলো আইন আছে। সে আইন অনুযায়ী সব চলবে এবং সেটা চলে। আমাদের বিচার বিভাগ স্বাধীন। শ্রমিকদের অধিকার আমরা রক্ষা করি, ট্যাক্স বিভাগ আছে আলাদা। তারা সেটি আদায় করে। কেউ যদি আইন ভঙ্গ করে, শ্রমিকের অধিকার কেড়ে নেয়, শ্রম আদালত আছে। এই ক্ষেত্রে আমার তো কিছু করার নেই সরকার প্রধান হিসেবে। পদ্মা সেতু কিন্তু করে ফেলেছি, এটুকুই সবাইকে স্মরণ করিয়ে দিলাম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বলেন, সামনে নির্বাচন। অন্তত এইটুকু দাবি করতে পারি, ’৭৫ সালের পর থেকে যে সমস্ত নির্বাচন হয়েছে, আর আমরা ক্ষমতায় আসার পর থেকে যে নির্বাচন হয়েছে, অন্তত সেই ধরনের চুরি, ভোটকেন্দ্র দখল করা, কারচুপি করার সুযোগ তো এখন নেই। এখন ছবিসহ ভোটার তালিকা, আইডি কার্ড হয়ে গেছে। স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স আছে, সিল মেরে ব্যালট বাক্স ভরে ফেলার সুযোগ নেই। বিএনপির আমলে করা এক কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটারও ভোটার তালিকায় এখন আর নেই। নির্বাচন কমিশনের স্বতন্ত্রতা বজায় রেখে আমরা একে সম্পূর্ণ অবাধ নিরপেক্ষ করে গড়ে দিয়েছি, যাতে জনগণ নিজেদের ভোটের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে। তিনি বলেন, জনগণ যাকে খুশি ভোট দেবে- এটা আমাদেরই স্লোগান। ‘আমার ভোট আমি দেবো, যাকে খুশি তাকে দেবো’- আমরা যে গণতান্ত্রিক আন্দোলন করেছি, তার লক্ষ্য ছিল জনগণের ভাতের অধিকার, নিরাপত্তা, জীবনমান উন্নত করা। সেই ভোট-ভাতের আন্দোলন কিন্তু আমাদেরই করা। আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন ‘আমাদের আন্দোলন, রাষ্ট্র পরিচালনায় যে যে কথা আমরা দিয়েছি, আমরা তা রেখেছি। মাঝখানে করোনাভাইরাস আর ইউক্রেন যুদ্ধ যদি না হতো, আমাদের প্রবৃদ্ধি ৮ ভাগের ওপরে ছিল, আমরা আরও এগিয়ে যেতে পারতাম। আমাদের দারিদ্রের হাড় ২০ ভাগে নামিয়ে এনেছিলাম। আরও দুই থেকে তিন শতাংশ দারিদ্র কমিয়ে আনতে পারতাম। তবে এখানে থেমে থাকলে হবে না, হতাশাগ্রস্ত হলে হবে না। আমি কখনও হতাশায় ভুগি না, একটা আত্মবিশ্বাস নিয়ে চলি, আমার তো হারানোর কিছু নেই’।

নতুন রাষ্ট্রপতি (মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন) প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতি একজন পোড় খাওয়া মানুষ এবং একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। পঁচাত্তর পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান তাঁকে গ্রেফতার করে ডান্ডাবেড়ি দিয়ে রেখেছিলেন। কারণ তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদকারী। তিনি জুডিশিয়াল সার্ভিসেও চাকরি করেছেন। বিএনপির আমলে বাধ্য হয়ে তাঁকে চাকরি ছাড়তেও হয়েছে। কাজেই আমি মনে করি, মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তাঁর মাঝে ওই দায়িত্ববোধ, রাজনৈতিক সচেতনতা, দেশপ্রেম ও ব্যক্তিত্ব আছে। নতুন রাষ্ট্রপতিরও সবসময় এই প্রচেষ্টাই থাকবে নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়। শেখ হাসিনা বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব সরকারের একার নয়, সবার। সবাইকে সে দায়িত্ব পালন করতে হবে। এক্ষেত্রে সাংবাদিকদেরও দায়িত্ব আছে। সত্যের জয় হয়। এটা কেউ ঢাকতে পারে না, এটা আমি বিশ্বাস করি। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইসানুল করিম সংবাদ সম্মেলনটি সঞ্চালনায় প্রায় দেড় ঘন্টাব্যাপী এই সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর সাথে ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সংসদ উপনেতা বেগম মতিয়া চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন এবং বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশী মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, এর আগে ৪ থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত স্বল্পোন্নত দেশসমূহের (এলডিসি ৫ : সম্ভাবনা থেকে সমৃদ্ধি) ৫ম জাতিসংঘ সম্মেলনে যোগদানের পর কাতারের রাজধানী দোহা থেকে দেশে ফিরে আসেন প্রধানমন্ত্রী।##