১১:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান কাজ জ্ঞান সৃজন ও বিতরণ: খুবি উপাচার্য

####

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের গবেষণা প্রকল্পের অনুকূলে বরাদ্দকৃত অর্থের চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। এ পর্যায়ে ২৯ জন গবেষকের গবেষণা প্রকল্পের অনুকূলে ১ কোটি ৯ লাখ ২০ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়। ১৯ জুলাই (বুধবার) বেলা সাড়ে ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গবেষকদের হাতে চেক এবং সার্টিফিকেট তুলে দেন প্রধান অতিথি উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন। এসময় তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান কাজ জ্ঞান সৃজন ও বিতরণ। আর এটা সম্ভব গবেষণার মাধ্যমে। তিনি শিক্ষকদের উদেশ্যে বলেন, গবেষণায় আরও বেশি মনোনিবেশ করতে হবে পাশাপাশি যুগোপযোগী গবেষণা ও ইন্টারন্যাশনাল কোলাবোরেশন বৃদ্ধি করতে হবে যাতে সমাজ, দেশ ও জাতি উপকৃত হয়। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম দিক থেকেই গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেছে। সম্প্রতি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কিইউএস র‌্যাংকিংয়ে জায়গা করে নিয়েছে। এই র‌্যাংকিংয়ের অবস্থান ধরে রাখার দায়িত্ব আমাদের সবার। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও জাতির আকাক্সক্ষা হলো দক্ষ দেশপ্রেমিক ও জনশক্তি তৈরি করে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখা। এই দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের। আমরা সবাই সেই আকাক্সক্ষা পূরণে কাজ করছি। বর্তমান প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসম্মত গবেষণা বৃদ্ধিতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। বিগত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে গবেষণার জন্য ৩৫ লাখ টাকা বরাদ্দ ছিলো  সেখানে বর্তমান ৪ কোটি টাকা শিক্ষকদের গবেষণার জন্য বরাদ্দ রয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমাদের মনে রাখতে হবে গবেষণায় বরাদ্দপ্রাপ্ত এই অর্থ জনগণের ট্যাক্সের টাকা। এর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। গবেষণা যেনো মানসম্মত হয় এবং গবেষণালব্ধ ফল যেনো জনগণের কল্যাণে আসে সে বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। গবেষকদের শুধুমাত্র অভ্যন্তরীণ তহবিলের ওপর নির্ভর না করে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা থেকে তহবিল সংগ্রহের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা, ট্রেজারার প্রফেসর অমিত রায় চৌধুরী। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস। গবেষণা ও উদ্ভাবনী কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কাজী দিদারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রের যুগ্ম পরিচালক প্রফেসর ড. লস্কর এরশাদ আলী এবং সঞ্চালনা করেন যুগ্ম পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ আমিরুল ইসলাম। অনুদানপ্রাপ্ত গবেষকদের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. সরদার শফিকুল ইসলাম এবং পরিসংখ্যান ডিসিপ্লিনের প্রভাষক আব্দুর রহমান। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কুলের ডিন, ডিসিপ্লিন প্রধান, শিক্ষক ও অনুদানপ্রাপ্ত গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik Madhumati

জনপ্রিয়

কেইউজের নির্বাচন ২৯ জুন :  ভুয়া কমিটি নিয়ে বিভ্রান্ত না হতে সদস্যদের প্রতি নেতৃবৃন্দের আহ্বান

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান কাজ জ্ঞান সৃজন ও বিতরণ: খুবি উপাচার্য

প্রকাশিত সময় : ০১:৩৭:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০২৩

####

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের গবেষণা প্রকল্পের অনুকূলে বরাদ্দকৃত অর্থের চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। এ পর্যায়ে ২৯ জন গবেষকের গবেষণা প্রকল্পের অনুকূলে ১ কোটি ৯ লাখ ২০ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়। ১৯ জুলাই (বুধবার) বেলা সাড়ে ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গবেষকদের হাতে চেক এবং সার্টিফিকেট তুলে দেন প্রধান অতিথি উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন। এসময় তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান কাজ জ্ঞান সৃজন ও বিতরণ। আর এটা সম্ভব গবেষণার মাধ্যমে। তিনি শিক্ষকদের উদেশ্যে বলেন, গবেষণায় আরও বেশি মনোনিবেশ করতে হবে পাশাপাশি যুগোপযোগী গবেষণা ও ইন্টারন্যাশনাল কোলাবোরেশন বৃদ্ধি করতে হবে যাতে সমাজ, দেশ ও জাতি উপকৃত হয়। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম দিক থেকেই গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেছে। সম্প্রতি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কিইউএস র‌্যাংকিংয়ে জায়গা করে নিয়েছে। এই র‌্যাংকিংয়ের অবস্থান ধরে রাখার দায়িত্ব আমাদের সবার। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও জাতির আকাক্সক্ষা হলো দক্ষ দেশপ্রেমিক ও জনশক্তি তৈরি করে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখা। এই দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের। আমরা সবাই সেই আকাক্সক্ষা পূরণে কাজ করছি। বর্তমান প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসম্মত গবেষণা বৃদ্ধিতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। বিগত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে গবেষণার জন্য ৩৫ লাখ টাকা বরাদ্দ ছিলো  সেখানে বর্তমান ৪ কোটি টাকা শিক্ষকদের গবেষণার জন্য বরাদ্দ রয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমাদের মনে রাখতে হবে গবেষণায় বরাদ্দপ্রাপ্ত এই অর্থ জনগণের ট্যাক্সের টাকা। এর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। গবেষণা যেনো মানসম্মত হয় এবং গবেষণালব্ধ ফল যেনো জনগণের কল্যাণে আসে সে বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। গবেষকদের শুধুমাত্র অভ্যন্তরীণ তহবিলের ওপর নির্ভর না করে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা থেকে তহবিল সংগ্রহের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা, ট্রেজারার প্রফেসর অমিত রায় চৌধুরী। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস। গবেষণা ও উদ্ভাবনী কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কাজী দিদারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রের যুগ্ম পরিচালক প্রফেসর ড. লস্কর এরশাদ আলী এবং সঞ্চালনা করেন যুগ্ম পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ আমিরুল ইসলাম। অনুদানপ্রাপ্ত গবেষকদের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. সরদার শফিকুল ইসলাম এবং পরিসংখ্যান ডিসিপ্লিনের প্রভাষক আব্দুর রহমান। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কুলের ডিন, ডিসিপ্লিন প্রধান, শিক্ষক ও অনুদানপ্রাপ্ত গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন।