০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ভবন পলেস্তারা খসে পড়ছে; তবুও থেমে নাই বানেশ্বর সরকারি কলেজের পাঠদান

  • সংবাদদাতা
  • প্রকাশিত সময় : ০৫:৩০:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর ২০২২
  • ২৫ পড়েছেন

 

মোঃ মেহেদী হাসান পুঠিয়াঃ
রাজশাহীর পুঠিয়া বানেশ্বর সরকারি কলেজর পুরাতন দ্বিতল ভবনের ছাদের ও বারান্দায় অসংখ্য ফাটল মাথার ওপর পলেস্তারা আর ঢালাই ধ্বসে পড়ার আশঙ্কা, ভবনের জরাজীর্ণ অবস্থা ।
১৯-৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বানেশ্বর কলেজ। এরপর থেকে কলেজটি নানা প্রতিকূলতাকে ছাপিয়ে তার শিক্ষা কার্যক্রম অব্যহত রেখেছে ।সরকারিভাবে জাতীয়করণ করা হয় ২০১৮ সালে । বর্তমানে ঐতিহ্যবাহী এই কলেজে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (প্রায় তিন হাজার) পরীক্ষা কেন্দ্রও এটি। ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের শ্রেনীকক্ষে পাঠদান ঝুঁকিপূর্ন জেনেও ক্লাস চলছে নিয়মিত।

সম্কপ্রতি কলেজের দ্বিতীয় তলায় ঘুরে দেখা যায়, কলেজের পাকা ভবনের পলেস্তারা ও ছাদের ঢালাই খসে খসে পড়ছে। ঢালাই খসে গিয়ে ভেতরের রড বেরিয়ে পড়েছে,সামান্য বৃষ্টি হলেই ছাদ চুয়ে পানি পড়ে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায় গত দুই বছর ধরে দূর্ঘটনার শঙ্কা আর নানা ভোগান্তি নিয়ে এভাবেই ঝুঁকিপূর্ণ শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করাচ্ছেন শিক্ষকরা । নিয়মিত ক্লাসে অংশ নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরাও । ফলে ঝুঁকিপূর্ণ শ্রেণীকক্ষে পাঠদান দুর্ঘটনার আশঙ্কায় রয়েছেন। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জানান, আমাদের ক্লাসরুমের ভবনটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ আমরা ভয়ে ভয়ে সব সময় ক্লাস করি, মাঝে মাঝে প্লাস্টারের গুঁড়া এসে আমাদের গায়ে মাথায় পড়ে। এটি ভেঙ্গে ফেলে নতুন ভবন নির্মাণ করলে আমাদের লেখাপড়ার জন্য খুবই ভালো হবে। কোন প্রকার ঝুঁকি থাকবে না আমরা নিরাপদে ক্লাস করতে পারবো।
বানেশ্বর কলেজের অধ্যক্ষ এস এম একরামুল হক বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান করাতে গিয়ে আমাদেরকে ভয়ে ভয়ে থাকতে হয়, তিনি বিষয়টি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় দ্রুত নতুন ভবন নির্মানের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।#

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

dainik madhumati

জনপ্রিয়

ভবন পলেস্তারা খসে পড়ছে; তবুও থেমে নাই বানেশ্বর সরকারি কলেজের পাঠদান

প্রকাশিত সময় : ০৫:৩০:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর ২০২২

 

মোঃ মেহেদী হাসান পুঠিয়াঃ
রাজশাহীর পুঠিয়া বানেশ্বর সরকারি কলেজর পুরাতন দ্বিতল ভবনের ছাদের ও বারান্দায় অসংখ্য ফাটল মাথার ওপর পলেস্তারা আর ঢালাই ধ্বসে পড়ার আশঙ্কা, ভবনের জরাজীর্ণ অবস্থা ।
১৯-৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বানেশ্বর কলেজ। এরপর থেকে কলেজটি নানা প্রতিকূলতাকে ছাপিয়ে তার শিক্ষা কার্যক্রম অব্যহত রেখেছে ।সরকারিভাবে জাতীয়করণ করা হয় ২০১৮ সালে । বর্তমানে ঐতিহ্যবাহী এই কলেজে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (প্রায় তিন হাজার) পরীক্ষা কেন্দ্রও এটি। ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের শ্রেনীকক্ষে পাঠদান ঝুঁকিপূর্ন জেনেও ক্লাস চলছে নিয়মিত।

সম্কপ্রতি কলেজের দ্বিতীয় তলায় ঘুরে দেখা যায়, কলেজের পাকা ভবনের পলেস্তারা ও ছাদের ঢালাই খসে খসে পড়ছে। ঢালাই খসে গিয়ে ভেতরের রড বেরিয়ে পড়েছে,সামান্য বৃষ্টি হলেই ছাদ চুয়ে পানি পড়ে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায় গত দুই বছর ধরে দূর্ঘটনার শঙ্কা আর নানা ভোগান্তি নিয়ে এভাবেই ঝুঁকিপূর্ণ শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করাচ্ছেন শিক্ষকরা । নিয়মিত ক্লাসে অংশ নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরাও । ফলে ঝুঁকিপূর্ণ শ্রেণীকক্ষে পাঠদান দুর্ঘটনার আশঙ্কায় রয়েছেন। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জানান, আমাদের ক্লাসরুমের ভবনটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ আমরা ভয়ে ভয়ে সব সময় ক্লাস করি, মাঝে মাঝে প্লাস্টারের গুঁড়া এসে আমাদের গায়ে মাথায় পড়ে। এটি ভেঙ্গে ফেলে নতুন ভবন নির্মাণ করলে আমাদের লেখাপড়ার জন্য খুবই ভালো হবে। কোন প্রকার ঝুঁকি থাকবে না আমরা নিরাপদে ক্লাস করতে পারবো।
বানেশ্বর কলেজের অধ্যক্ষ এস এম একরামুল হক বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান করাতে গিয়ে আমাদেরকে ভয়ে ভয়ে থাকতে হয়, তিনি বিষয়টি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় দ্রুত নতুন ভবন নির্মানের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।#