০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই – শাহরিয়ার বাবু 

  • সংবাদদাতা
  • প্রকাশিত সময় : ০৭:৪৯:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জানুয়ারী ২০২৩
  • ৩৬ পড়েছেন
বরিশাল সংবাদদাতা ::
প্রতিটি মানুষের স্বপ্ন থাকে। কিন্তু স্বপ্নের পথে পা বাড়ালেই একের পর এক আসতে থাকে প্রতিবন্ধকতা। যে ব্যক্তি এসব প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে এগিয়ে যাবেন তিনিই হবেন সফল। আজ এমনই একজন সমাজ সেবককে নিয়ে কথা বলব। যিনি অনেক বাধা ও প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে একজন সফল জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।তিনি হলেন দুর্দিনের কাণ্ডারি বরিশাল সরকারী সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস, বরিশাল সদর উপজেলাধীন ১ নং রায়পাশা কড়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও অত্র ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আহম্মদ শাহরিয়ার বাবু। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন। তারপরও মানুষের প্রত্যাশা থাকে।২০২১সালে দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি আওয়ামীলীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্ৰহন করেন।১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জনতার ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর একই বছরের ২০ ডিসেম্বর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব গ্ৰহন করেন। আর দায়িত্ব গ্ৰহনের পর থেকেই ইউপি সদস্য-সদস্যাদের সার্বিক সহযোগিতা, দিক-নির্দেশনায় সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সরকার ঘোষিত কার্যক্রম প্রতিটা ইউনিয়নের উন্নয়নে সফলভাবে সম্পাদন করে আসছেন। বিভিন্ন জনসেবা প্রদানের মাধ্যমে জনবান্ধব
 চেয়ারম্যান হিসেবে অধিষ্ঠিত হয়েছেন।
অত্র ইউনিয়নের প্রত্যেকটি ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনসাধারণ দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে রয়েছে তার সু সম্পর্ক। ইউনিয়নের উন্নয়নে তিনি সকলের দোয়া, সহযোগিতা ও পরামর্শ চেয়েছেন । এছাড়াও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতামূলক কাজ করে দলমত নির্বিশেষে তিনি সকলের মধ্যে আস্থা অর্জন করেছেন।
এলাকায় খোঁজ জানা গেছে, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একমাত্র আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেই দেশের উন্নয়ন সম্ভব। আর সেই লক্ষ্যে তিনি ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে দক্ষিন বাংলার রাজনৈতিক অভিভাবক পার্বত্য শান্তিচুক্তি কমিটির আহবায়ক( মন্ত্রী), বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ (এমপি)র নির্দেশ অনুযায়ী, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্’র দিক নির্দেশনা মোতাবেক উন্নয়নে মহা-পরিকল্পনা গ্রহন করেছেন। গৃহিত পরিকল্পনার আলোকে তিনি একের পর এক উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন।
মসজিদ মাদরাসা উন্নয়ন, এলাকার আইন-শৃংখলা রক্ষায় এবং জনগনের সেবায় কাজ করে যাচ্ছে।
প্রতিমাসে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে তার নির্বাচিত এলাকার সার্বিক উন্নয়নে নানা বিষয়ে আলোচনা হয়ে থাকে। এমনকি ইউনিয়ন পরিষদে বরাদ্দকৃত টিআর, কাবিখা-টাবিখা, কর্মসৃজন প্রকল্প, এলজিএসপি, ওয়ান পারসেন্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বেঞ্চ, কমিউনিটি ক্লিনিকে ফ্যান, চেয়ার, আলমারি, অবহেলিত রাস্তাঘাট সংস্কার ও জলাবদ্ধতা দূরীকরণে ব্রীজ ও কালভার্ট নির্মাণে স্বচ্ছতার পরিচয় দিয়েছেন। জনগণের আস্থাভাজন পরিশ্রমী বিচক্ষণ চেয়ারম্যান আহম্মদ শাহরিয়ার বাবু এলাকার সার্বিক উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করতে চান। সাধারন মানুষের চলাচলের জন্য রাস্তা, কালভার্ট নির্মাণ করে দিয়েছেন। কোন টাকা ছাড়া দিয়েছেন নলকূপ, তার অভিজ্ঞতা রয়েছে অনেক। এসকল সফল মানুষের পেছনে আছে কিছু গল্প, তা অনেকটা রূপকথার মতো। আর সে সব গল্প থেকে মানুষ খুঁজে নেয় স্বপ্ন দেখার সম্বল, এগিয়ে যাওয়ার জন্য নতুন প্রেরণা। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই উল্লেখযোগ্য উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রেখে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন। এলাকার হতদরিদ্র মানুষের উন্নয়নে তাঁর নিরন্তর প্রয়াস সব মহলেই প্রশংসা কুঁড়িয়েছে। ব্যক্তি জীবনে তিনি অত্যন্ত নম্র,ভদ্র,সদাহাস্যোজ্জ্বল, সুশিক্ষায় শিক্ষিত ও সাদা মনের মানুষ। তাঁর মাঝে কোন অহংকার নেই। নিরহংকারী এই মানুষটি দলমত নির্বিশেষে আজ সকলের কাছে প্রিয়। কাজ করছেন নৌকার জন্য। সর্বোপরি কাজ করছেন সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্য।এলাকার গরীব দুঃখী মানুষের পাশে থেকে তিনি সব সময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। গরীব মেহনতী মানুষের প্রকৃত জনদরদী হিসেবে তিনি এলাকায় ব্যাপক পরিচিত ও জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন।
আরো জানা গেছে, চেয়ারম্যান হওয়ার আগে থেকেই অসহায় মানুষের পাশে থেকে সবসময় কাজ করেছেন। মানুষের সকল বিপদ আপদে সবসময় তাদের পাশে থেকে কল্যাণমূলক কাজ করে যেতেন। এমনকি স্কুল,কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোন অসহায় ও গরীব ছাত্র/ছাত্রীদের বই কেনা থেকে শুরু করে ভর্তি এমনকি পোশাক পর্যন্ত কিনে দেন। মেডিকেল ভর্তি করা থেকে শুরু করে পড়ালেখার যাবতীয় খরচ বহনও করেছেন তিনি। করোনার মহামারীতে তিনি সরকারি ত্রাণের পাশাপাশি নিজ তহবিল থেকে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করাসহ সমাজসেবামূলক কার্যক্রমের সাথে এখনও আছেন ভবিষ্যতেও একইভাবে কাজ করে যাবেন।
এই সফল মানুষটি দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে প্রতিটি মানুষের বিপদ আপদে ছুটে যান। এলাকায় তিনি একজন সাদা মনের উদার মানসিকতার ও দানশীল মানুষ হিসেবে ইতিমধ্যে পরিচিতি লাভ করেছেন। এলাকার সাধারণ মানুষের মতে, আমরা তাকে নেতা বা চেয়ারম্যান বুঝিনা। আমাদের চেয়ারম্যান বাবু ভাই একজন ভাল মানুষ। তিনি একজন কর্মঠ ব্যক্তি। আমাদের দু:খ দুর্দশায় তাঁকে সহজেই পাশে পাওয়া যায়।ইতোমধ্যে তিনি সমাজের সকল মতাদর্শের মানুষের কাছে একজন দক্ষ, পরিশ্রমী ও মেধাবী সমাজ সেবক হিসাবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন। নির্বাচনকালীন সময়ে সাধারণ জনগনকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করে একজন সফল ও জনপ্রিয় ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে সবশ্রেনীর মানুষের অন্তরে স্থান করে নিয়েছেন।
একান্ত আলাপকালে আহম্মদ শাহরিয়ার বাবু জানান,বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মানে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমার রাজনৈতিক অভিভাবক পার্বত্য শান্তিচুক্তি কমিটির আহবায়ক( মন্ত্রী), বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ (এমপি)র নির্দেশ অনুযায়ী, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্’র দিক নির্দেশনা মোতাবেক
সারাজীবন মানুষের কল্যাণে ও উন্নয়নে কাজ করতে চাই।
Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

dainik madhumati

জনপ্রিয়

মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই – শাহরিয়ার বাবু 

প্রকাশিত সময় : ০৭:৪৯:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জানুয়ারী ২০২৩
বরিশাল সংবাদদাতা ::
প্রতিটি মানুষের স্বপ্ন থাকে। কিন্তু স্বপ্নের পথে পা বাড়ালেই একের পর এক আসতে থাকে প্রতিবন্ধকতা। যে ব্যক্তি এসব প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে এগিয়ে যাবেন তিনিই হবেন সফল। আজ এমনই একজন সমাজ সেবককে নিয়ে কথা বলব। যিনি অনেক বাধা ও প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে একজন সফল জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।তিনি হলেন দুর্দিনের কাণ্ডারি বরিশাল সরকারী সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস, বরিশাল সদর উপজেলাধীন ১ নং রায়পাশা কড়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও অত্র ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আহম্মদ শাহরিয়ার বাবু। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন। তারপরও মানুষের প্রত্যাশা থাকে।২০২১সালে দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি আওয়ামীলীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্ৰহন করেন।১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জনতার ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর একই বছরের ২০ ডিসেম্বর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব গ্ৰহন করেন। আর দায়িত্ব গ্ৰহনের পর থেকেই ইউপি সদস্য-সদস্যাদের সার্বিক সহযোগিতা, দিক-নির্দেশনায় সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সরকার ঘোষিত কার্যক্রম প্রতিটা ইউনিয়নের উন্নয়নে সফলভাবে সম্পাদন করে আসছেন। বিভিন্ন জনসেবা প্রদানের মাধ্যমে জনবান্ধব
 চেয়ারম্যান হিসেবে অধিষ্ঠিত হয়েছেন।
অত্র ইউনিয়নের প্রত্যেকটি ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনসাধারণ দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে রয়েছে তার সু সম্পর্ক। ইউনিয়নের উন্নয়নে তিনি সকলের দোয়া, সহযোগিতা ও পরামর্শ চেয়েছেন । এছাড়াও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতামূলক কাজ করে দলমত নির্বিশেষে তিনি সকলের মধ্যে আস্থা অর্জন করেছেন।
এলাকায় খোঁজ জানা গেছে, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একমাত্র আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেই দেশের উন্নয়ন সম্ভব। আর সেই লক্ষ্যে তিনি ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে দক্ষিন বাংলার রাজনৈতিক অভিভাবক পার্বত্য শান্তিচুক্তি কমিটির আহবায়ক( মন্ত্রী), বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ (এমপি)র নির্দেশ অনুযায়ী, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্’র দিক নির্দেশনা মোতাবেক উন্নয়নে মহা-পরিকল্পনা গ্রহন করেছেন। গৃহিত পরিকল্পনার আলোকে তিনি একের পর এক উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন।
মসজিদ মাদরাসা উন্নয়ন, এলাকার আইন-শৃংখলা রক্ষায় এবং জনগনের সেবায় কাজ করে যাচ্ছে।
প্রতিমাসে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে তার নির্বাচিত এলাকার সার্বিক উন্নয়নে নানা বিষয়ে আলোচনা হয়ে থাকে। এমনকি ইউনিয়ন পরিষদে বরাদ্দকৃত টিআর, কাবিখা-টাবিখা, কর্মসৃজন প্রকল্প, এলজিএসপি, ওয়ান পারসেন্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বেঞ্চ, কমিউনিটি ক্লিনিকে ফ্যান, চেয়ার, আলমারি, অবহেলিত রাস্তাঘাট সংস্কার ও জলাবদ্ধতা দূরীকরণে ব্রীজ ও কালভার্ট নির্মাণে স্বচ্ছতার পরিচয় দিয়েছেন। জনগণের আস্থাভাজন পরিশ্রমী বিচক্ষণ চেয়ারম্যান আহম্মদ শাহরিয়ার বাবু এলাকার সার্বিক উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করতে চান। সাধারন মানুষের চলাচলের জন্য রাস্তা, কালভার্ট নির্মাণ করে দিয়েছেন। কোন টাকা ছাড়া দিয়েছেন নলকূপ, তার অভিজ্ঞতা রয়েছে অনেক। এসকল সফল মানুষের পেছনে আছে কিছু গল্প, তা অনেকটা রূপকথার মতো। আর সে সব গল্প থেকে মানুষ খুঁজে নেয় স্বপ্ন দেখার সম্বল, এগিয়ে যাওয়ার জন্য নতুন প্রেরণা। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই উল্লেখযোগ্য উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রেখে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন। এলাকার হতদরিদ্র মানুষের উন্নয়নে তাঁর নিরন্তর প্রয়াস সব মহলেই প্রশংসা কুঁড়িয়েছে। ব্যক্তি জীবনে তিনি অত্যন্ত নম্র,ভদ্র,সদাহাস্যোজ্জ্বল, সুশিক্ষায় শিক্ষিত ও সাদা মনের মানুষ। তাঁর মাঝে কোন অহংকার নেই। নিরহংকারী এই মানুষটি দলমত নির্বিশেষে আজ সকলের কাছে প্রিয়। কাজ করছেন নৌকার জন্য। সর্বোপরি কাজ করছেন সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্য।এলাকার গরীব দুঃখী মানুষের পাশে থেকে তিনি সব সময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। গরীব মেহনতী মানুষের প্রকৃত জনদরদী হিসেবে তিনি এলাকায় ব্যাপক পরিচিত ও জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন।
আরো জানা গেছে, চেয়ারম্যান হওয়ার আগে থেকেই অসহায় মানুষের পাশে থেকে সবসময় কাজ করেছেন। মানুষের সকল বিপদ আপদে সবসময় তাদের পাশে থেকে কল্যাণমূলক কাজ করে যেতেন। এমনকি স্কুল,কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোন অসহায় ও গরীব ছাত্র/ছাত্রীদের বই কেনা থেকে শুরু করে ভর্তি এমনকি পোশাক পর্যন্ত কিনে দেন। মেডিকেল ভর্তি করা থেকে শুরু করে পড়ালেখার যাবতীয় খরচ বহনও করেছেন তিনি। করোনার মহামারীতে তিনি সরকারি ত্রাণের পাশাপাশি নিজ তহবিল থেকে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করাসহ সমাজসেবামূলক কার্যক্রমের সাথে এখনও আছেন ভবিষ্যতেও একইভাবে কাজ করে যাবেন।
এই সফল মানুষটি দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে প্রতিটি মানুষের বিপদ আপদে ছুটে যান। এলাকায় তিনি একজন সাদা মনের উদার মানসিকতার ও দানশীল মানুষ হিসেবে ইতিমধ্যে পরিচিতি লাভ করেছেন। এলাকার সাধারণ মানুষের মতে, আমরা তাকে নেতা বা চেয়ারম্যান বুঝিনা। আমাদের চেয়ারম্যান বাবু ভাই একজন ভাল মানুষ। তিনি একজন কর্মঠ ব্যক্তি। আমাদের দু:খ দুর্দশায় তাঁকে সহজেই পাশে পাওয়া যায়।ইতোমধ্যে তিনি সমাজের সকল মতাদর্শের মানুষের কাছে একজন দক্ষ, পরিশ্রমী ও মেধাবী সমাজ সেবক হিসাবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন। নির্বাচনকালীন সময়ে সাধারণ জনগনকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করে একজন সফল ও জনপ্রিয় ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে সবশ্রেনীর মানুষের অন্তরে স্থান করে নিয়েছেন।
একান্ত আলাপকালে আহম্মদ শাহরিয়ার বাবু জানান,বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মানে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমার রাজনৈতিক অভিভাবক পার্বত্য শান্তিচুক্তি কমিটির আহবায়ক( মন্ত্রী), বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ (এমপি)র নির্দেশ অনুযায়ী, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্’র দিক নির্দেশনা মোতাবেক
সারাজীবন মানুষের কল্যাণে ও উন্নয়নে কাজ করতে চাই।