১১:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের অবদান মুছে ফেলার চেষ্টা চলছে

  • অফিস ডেক্স।।
  • প্রকাশিত সময় : ০৭:৪৩:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মার্চ ২০২৩
  • ৩৬ পড়েছেন

###    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা, বহুদলীয় গনতন্ত্রের প্রবর্তক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কালুরঘাট বেতর কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। রণাঙ্গনে যুদ্ধ করে বাংলাদেশকে শত্রু মুক্ত করেছেন। তার ঘোষণায় বাংলার মানুষ স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। এটাই ইতিহাস-এর বাইরে কোন ইতিহাস নেই উল্লেখ করে খুলনা বিএনপি নেতারা বলেছেন বর্তমান সরকারের এমপি ও মন্ত্রীরা ‘দ্বিগবিদিক জ্ঞানশুন্য’ হয়ে জিয়াউর রহমানের ‘বীর উত্তম’ খেতাব কেড়ে নেয়ার ধৃষ্টতা এবং মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান নিয়ে আপত্তিকর ও মিথ্যাচার শুরু করেছেন। রবিবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবসে বেলা ২টায় বিএনপি কার্যালয়ে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির উদ্যোগে “স্বাধীনতা যুদ্ধ ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান” শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। খুলনা বিএনপিসহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা দিবসের প্রথম প্রহরে রাত ১১টা ০১ মিনিটে গল্লামারি স্মৃতিসৌধে যুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনে গেলে পুলিশের বাধাদানের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তারা বলেন, পুলিশ আইনের রক্ষক অথচ তারাই আইন ভঙ্গের মাধ্যমে বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর জুলুম চালাচ্ছে। বর্তমান সরকার দেশে একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করেছে। মানুষের কথা বলার কোনো অধিকার কেড়ে নিয়েছে। দেশের মানুষ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কষাঘাতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। ১৯৭১ সালে যে আশা-আকাক্সক্ষা নিয়ে দেশের মানুষ স্বাধীনতাযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছিল তা আজও পূরণ হয়নি। দেশি-বিদেশি চক্রান্তকারীরা নানামুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। সুষ্ঠু নির্বাচনকে চিরদিনের জন্য নির্বাসিত করার মাধ্যমে জনগণকে চূড়ান্তভাবে ক্ষমতাহীন করা হয়েছে। বহুদলীয় গণতন্ত্রের যে যাত্রা শুরু হয়েছিল সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত দিয়ে তা বারবার বিপন্ন করতে চেষ্টা করেছে চক্রান্তকারীরা। কিন্তু আপসহীন নেত্রী বেগম জিয়া বিপন্ন গণতন্ত্রকে বারবার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উদ্ধার করেছেন, সেটিও আজকে ধ্বংস করে গণতন্ত্রের নামে কর্তৃত্ববাদী ফ্যাসিবাদ চালু করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের অবদান ও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তাঁর পরিচয় মুছে ফেলার চেষ্টা চলছে। এমনও বলা হচ্ছে, জিয়াউর রহমান যুদ্ধ করেননি। তিনি পাকিস্তানের চর ছিলেন। এক হীনম্মন্যতা থেকে জিয়াউর রহমান সম্পর্কে এসব প্রচার করা হচ্ছে। মহানগর বিএনপির আহবায়ক এড. শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে ও মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিনের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তারা আরো বলেন স্বাধীনতার ৫২ বছরে এসে আমরা গনতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করছি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আবারো যুদ্ধ করতে হবে। সে যুদ্ধ গনতন্ত্র উদ্ধারের যুদ্ধ। সে যুদ্ধ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার যুদ্ধ। আর সেজন্যে ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নামতে হবে। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খান,সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পি, আবু হোসেন বাবু,  স. ম. আব্দুর রহমান, কাজী মাহমুদ আলী, শের আলম সান্টু, আবুল কালাম জিয়া, বদরুল আনাম খান, চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, একরামুল হক হেলাল,  মাসুদ পারভেজ বাবু,  শেখ সাদী, শাহিনুল ইসলাম পাখি, মুরশিদ কামাল, কে এম হুমায়ূন কবির, বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস, নাজির উদ্দিন নান্নু, এড. মোহাম্মাদ আলী বাবু, নাসির খান, আব্দুস সালাম, তারিকুল ইসলাম, জাহিদুল হোসেন জাহিদ, মিজানুর রহমান মিলটন, শফিকুল ইসলাম শফি, আলী আক্কাস, মুজিবর রহমান, সরদার শফিকুল আমিন লাভলু, আসাদুজ্জামান আসাদ, সিরাজুল ইসলাম লিটন, কাজী কামরুল ইসলাম বাবু, মতলেবুর রহমান মিতুল,  আখতার হোসেন বিপু, আলী হোসেন সানা,  মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, এস এম শরীফুল আলম, জি. এম মঈন উদ্দিন, মাহাবুব উল্লাহ শামীম, মেশকাত আলী, মঞ্জুরুল আলম, সৈয়দ আজাদ হোসেন, সালাউদ্দিন মোল্লা বুলবুল, আসলাম হোসেন, প্রমূখ। এরআগে দিবসের শুরুতে সুর্য্যদ্বয়ের সাথে সাথে নগরী ও জেলার সকল কার্যালয়ে দলের ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন। সকাল সাড়ে ৬টায় গল্লামারি স্মৃতিসৌধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

জনপ্রিয়

কেইউজের নির্বাচন ২৯ জুন :  ভুয়া কমিটি নিয়ে বিভ্রান্ত না হতে সদস্যদের প্রতি নেতৃবৃন্দের আহ্বান

মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের অবদান মুছে ফেলার চেষ্টা চলছে

প্রকাশিত সময় : ০৭:৪৩:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মার্চ ২০২৩

###    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা, বহুদলীয় গনতন্ত্রের প্রবর্তক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কালুরঘাট বেতর কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। রণাঙ্গনে যুদ্ধ করে বাংলাদেশকে শত্রু মুক্ত করেছেন। তার ঘোষণায় বাংলার মানুষ স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। এটাই ইতিহাস-এর বাইরে কোন ইতিহাস নেই উল্লেখ করে খুলনা বিএনপি নেতারা বলেছেন বর্তমান সরকারের এমপি ও মন্ত্রীরা ‘দ্বিগবিদিক জ্ঞানশুন্য’ হয়ে জিয়াউর রহমানের ‘বীর উত্তম’ খেতাব কেড়ে নেয়ার ধৃষ্টতা এবং মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান নিয়ে আপত্তিকর ও মিথ্যাচার শুরু করেছেন। রবিবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবসে বেলা ২টায় বিএনপি কার্যালয়ে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির উদ্যোগে “স্বাধীনতা যুদ্ধ ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান” শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। খুলনা বিএনপিসহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা দিবসের প্রথম প্রহরে রাত ১১টা ০১ মিনিটে গল্লামারি স্মৃতিসৌধে যুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনে গেলে পুলিশের বাধাদানের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তারা বলেন, পুলিশ আইনের রক্ষক অথচ তারাই আইন ভঙ্গের মাধ্যমে বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর জুলুম চালাচ্ছে। বর্তমান সরকার দেশে একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করেছে। মানুষের কথা বলার কোনো অধিকার কেড়ে নিয়েছে। দেশের মানুষ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কষাঘাতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। ১৯৭১ সালে যে আশা-আকাক্সক্ষা নিয়ে দেশের মানুষ স্বাধীনতাযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছিল তা আজও পূরণ হয়নি। দেশি-বিদেশি চক্রান্তকারীরা নানামুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। সুষ্ঠু নির্বাচনকে চিরদিনের জন্য নির্বাসিত করার মাধ্যমে জনগণকে চূড়ান্তভাবে ক্ষমতাহীন করা হয়েছে। বহুদলীয় গণতন্ত্রের যে যাত্রা শুরু হয়েছিল সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত দিয়ে তা বারবার বিপন্ন করতে চেষ্টা করেছে চক্রান্তকারীরা। কিন্তু আপসহীন নেত্রী বেগম জিয়া বিপন্ন গণতন্ত্রকে বারবার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উদ্ধার করেছেন, সেটিও আজকে ধ্বংস করে গণতন্ত্রের নামে কর্তৃত্ববাদী ফ্যাসিবাদ চালু করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের অবদান ও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তাঁর পরিচয় মুছে ফেলার চেষ্টা চলছে। এমনও বলা হচ্ছে, জিয়াউর রহমান যুদ্ধ করেননি। তিনি পাকিস্তানের চর ছিলেন। এক হীনম্মন্যতা থেকে জিয়াউর রহমান সম্পর্কে এসব প্রচার করা হচ্ছে। মহানগর বিএনপির আহবায়ক এড. শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে ও মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিনের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তারা আরো বলেন স্বাধীনতার ৫২ বছরে এসে আমরা গনতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করছি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আবারো যুদ্ধ করতে হবে। সে যুদ্ধ গনতন্ত্র উদ্ধারের যুদ্ধ। সে যুদ্ধ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার যুদ্ধ। আর সেজন্যে ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নামতে হবে। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খান,সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পি, আবু হোসেন বাবু,  স. ম. আব্দুর রহমান, কাজী মাহমুদ আলী, শের আলম সান্টু, আবুল কালাম জিয়া, বদরুল আনাম খান, চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, একরামুল হক হেলাল,  মাসুদ পারভেজ বাবু,  শেখ সাদী, শাহিনুল ইসলাম পাখি, মুরশিদ কামাল, কে এম হুমায়ূন কবির, বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস, নাজির উদ্দিন নান্নু, এড. মোহাম্মাদ আলী বাবু, নাসির খান, আব্দুস সালাম, তারিকুল ইসলাম, জাহিদুল হোসেন জাহিদ, মিজানুর রহমান মিলটন, শফিকুল ইসলাম শফি, আলী আক্কাস, মুজিবর রহমান, সরদার শফিকুল আমিন লাভলু, আসাদুজ্জামান আসাদ, সিরাজুল ইসলাম লিটন, কাজী কামরুল ইসলাম বাবু, মতলেবুর রহমান মিতুল,  আখতার হোসেন বিপু, আলী হোসেন সানা,  মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, এস এম শরীফুল আলম, জি. এম মঈন উদ্দিন, মাহাবুব উল্লাহ শামীম, মেশকাত আলী, মঞ্জুরুল আলম, সৈয়দ আজাদ হোসেন, সালাউদ্দিন মোল্লা বুলবুল, আসলাম হোসেন, প্রমূখ। এরআগে দিবসের শুরুতে সুর্য্যদ্বয়ের সাথে সাথে নগরী ও জেলার সকল কার্যালয়ে দলের ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন। সকাল সাড়ে ৬টায় গল্লামারি স্মৃতিসৌধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ##