১২:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মেহেরপুরে ষোলটাকার ইউপি সদস্য হত্যা মামলায় ২ জনের যাবজ্জীবন

###     মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা ষোলটাকা গ্রামের ইউপি সদস্য কামাল হোসেন হত্যা মামলায় আলমগীর হোসেন এবং মালেক নামের দুই ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম করাদন্ড, ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদন্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরের মেহেরপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রিপতি কুমার বিশ্বাস এ রায় দেন। সাজা প্রাপ্ত আলমগীর হোসেন গাংনী উপজেলার ষোলটাকা গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে এবং আব্দুল মালেক একই গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে। মামলার বিবরণে জানা যায়, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ২০১৭ সালের ২৫ মে আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে তার লোকজন ষোলটাকা গ্রামের কফিল উদ্দিনের বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে আব্দুল মালেকের হুকুমে রাফাতুল ইসলামকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। এ ঘটনা শুনে তৎকালীন ইউপি সদস্য রাফাতুল ইসলামের ভাতিজা কামাল হোসেন জোড়পুকুরিয়া থেকে মোটরসাইকেল যোগে বাড়ি ফিরছিলেন। সকাল দশটার দিকে কামাল হোসেন আব্দুল মালেকের বাড়ির সামনে এসে পৌঁছালে আব্দুল মালেকের নির্দেশে কামাল হোসেনকে কুপিয়ে জখম করা হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। ওই ঘটনায় নিহত কামালের ভাতিজা ফারুক হোসেন বাদী হয়ে দঃবিঃ ৩০২/৩৪ ধারায় আলমগীর হোসেন, আব্দুল মালেক, সবতুল্যাহ বিশ্বাস, রাফাতুল্যাহ বিশ্বাস, আব্দুল গনি, মাজেদুল হক, মাজহারুল ইসলাম, রাজু বিশ্বাস, শহিদুল ইসলাম ও তমিরকে আসামি করে গাংনী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং ২৫৩/১৭। জি আর কেস নং ১৬৯/২০১৭। পরে মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রাথমিক তদন্ত শেষ করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় মোট ১২ জন সাক্ষী তাদের সাক্ষ প্রদান করেন। এতে আসামি আলমগীর হোসেন এবং আব্দুল মালেক দোষী সাব্যস্ত হলে আদালত তাদেরকে যাবজ্জীবন সশ্রম করাদন্ড, ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদন্ডাদেশ দেয়া দেন। মামলার অপর আসামি সবতুল্যাহ বিশ্বাস, রাফাতুল্যাহ বিশ্বাস,আব্দুল গনি, মাজেদুল হক, মাজহারুল ইসলাম, রাজু বিশ্বাস, শহিদুল ইসলাম ও তমিরের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাদেরকে বেকসুর খালাস দেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পিপি কাজী শহীদ এবং আসামি পক্ষে এ কে এম শফিকুল আলম কৌশলী ছিলেন।##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

জনপ্রিয়

কুয়েটে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার জামাত সকাল ৭ টায় 

মেহেরপুরে ষোলটাকার ইউপি সদস্য হত্যা মামলায় ২ জনের যাবজ্জীবন

প্রকাশিত সময় : ০৫:৪০:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মার্চ ২০২৩

###     মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা ষোলটাকা গ্রামের ইউপি সদস্য কামাল হোসেন হত্যা মামলায় আলমগীর হোসেন এবং মালেক নামের দুই ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম করাদন্ড, ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদন্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরের মেহেরপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রিপতি কুমার বিশ্বাস এ রায় দেন। সাজা প্রাপ্ত আলমগীর হোসেন গাংনী উপজেলার ষোলটাকা গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে এবং আব্দুল মালেক একই গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে। মামলার বিবরণে জানা যায়, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ২০১৭ সালের ২৫ মে আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে তার লোকজন ষোলটাকা গ্রামের কফিল উদ্দিনের বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে আব্দুল মালেকের হুকুমে রাফাতুল ইসলামকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। এ ঘটনা শুনে তৎকালীন ইউপি সদস্য রাফাতুল ইসলামের ভাতিজা কামাল হোসেন জোড়পুকুরিয়া থেকে মোটরসাইকেল যোগে বাড়ি ফিরছিলেন। সকাল দশটার দিকে কামাল হোসেন আব্দুল মালেকের বাড়ির সামনে এসে পৌঁছালে আব্দুল মালেকের নির্দেশে কামাল হোসেনকে কুপিয়ে জখম করা হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। ওই ঘটনায় নিহত কামালের ভাতিজা ফারুক হোসেন বাদী হয়ে দঃবিঃ ৩০২/৩৪ ধারায় আলমগীর হোসেন, আব্দুল মালেক, সবতুল্যাহ বিশ্বাস, রাফাতুল্যাহ বিশ্বাস, আব্দুল গনি, মাজেদুল হক, মাজহারুল ইসলাম, রাজু বিশ্বাস, শহিদুল ইসলাম ও তমিরকে আসামি করে গাংনী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং ২৫৩/১৭। জি আর কেস নং ১৬৯/২০১৭। পরে মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রাথমিক তদন্ত শেষ করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় মোট ১২ জন সাক্ষী তাদের সাক্ষ প্রদান করেন। এতে আসামি আলমগীর হোসেন এবং আব্দুল মালেক দোষী সাব্যস্ত হলে আদালত তাদেরকে যাবজ্জীবন সশ্রম করাদন্ড, ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদন্ডাদেশ দেয়া দেন। মামলার অপর আসামি সবতুল্যাহ বিশ্বাস, রাফাতুল্যাহ বিশ্বাস,আব্দুল গনি, মাজেদুল হক, মাজহারুল ইসলাম, রাজু বিশ্বাস, শহিদুল ইসলাম ও তমিরের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাদেরকে বেকসুর খালাস দেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পিপি কাজী শহীদ এবং আসামি পক্ষে এ কে এম শফিকুল আলম কৌশলী ছিলেন।##