১০:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মোল্লাহাটে মহিলা ও কিশোরকে জখম করে ছিনতাই অভিযোগ

###    বাগেরহাটের মোল্লাহাটে গভীর রাতে মামুন শেখ (১৭) নামের এক কিশোর’কে কুপিয়ে ও তার চাচী লায়লা খানম (২৬) নামের মহিলাকে পিটিয়ে জখম করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় দুস্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার রাত একটার দিকে উপজেলার নগরকান্দি সপ্তপল্লী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পিছনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে। এঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে মোল্লাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে এলাকাবাসী। এছাড়া থানায় মৌখিক অভিযোগ করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ করা হবে বলেও জানান ভিকটিম পক্ষ। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নগরকান্দী গ্রামের শিপন শেখের স্ত্রী লায়লা খানম বলেন, প্রায় দেড় মাস আগে জিড়েনতলা গ্রামের জনৈক মামুনের নিকট এক লক্ষ টাকায় একটি মটর সাইকেল বন্ধক রাখে আমার স্বামী শিপন শেখ। ঘটনার রাতে বন্ধকী এক লক্ষ টাকা ফেরৎ চেয়ে আমার স্বামীকে জিড়েনতলা এলাকায় বসিয়ে রাখে মামূন। সাথে লাভের আরো বিশ হাজার টাকা দাবি করে। বিষয়টি মোবাইলে আমাকে জানানোর পর গভীর রাত অবধি আত্মীয় স্বজনের থেকে ৭০ হাজার টাকা জোগাড় করি। এরপর আমার স্বামীর মোবাইল বন্ধ পেয়ে মামুনের মোবাইলে ফোন করলে সে একসাথে এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা দাবি করে। এরপর আমার গলার স্বর্ণের চেইন ও নগদ ৭০ হাজার টাকা একত্র করে আমার ভাসুরের ছেলেকে সাথে নিয়ে জিড়েনতলার উদ্দেশ্য যাত্রা করি। আমাদের একই গ্রামে বন্ধকী পাওনাদারের আপন মামা বাড়ি। উক্ত বাড়ি সংলগ্ন সড়কে পৌঁছলে মামুনের মামাতো ভাই   কালু শেখ (৩০), শফিকুল (৪০), হমিম (২৭) ও দাউদ (৫৫) আকষ্মিক ঘিরে ফেলে আমাকে পিছন থেকে জাপটে ধরে। তখন আমার ভাসুরের ছেলে ডাক-চিৎকার করায় তাকে কুপিয়ে জখম করে। এরপর আমাকে রড দিয়ে পিটিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়া সহ আমার কাছে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। আমাদের আর্তচিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসলে ওরা পালিয়ে যায়। এরপর স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এছাড়া ওই রাতেই থানায় মৌখিক অভিযোগ করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ করা হবে বলেও জানান তিনি। ছিনতাইয়ের অভিযোগ অস্বীকার করে শফিকুল ও কালু বলেন, আমরা ঘুমিয়ে ছিলাম, রাত একটার দিকে আব্বা (যার যার পিতা) ডেকে তোলে, তখন আমরা ডাক চিৎকার শুনছি। তবু ওই খানে যাই নাই। ওদের সাথে আমাদের পূর্ব বিরোধ থাকায় এ ঘটনা সাজানো হয়েছে। থানা অফিসার ইনচার্জ সোমেন দাশ বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

জনপ্রিয়

কুয়েটে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার জামাত সকাল ৭ টায় 

মোল্লাহাটে মহিলা ও কিশোরকে জখম করে ছিনতাই অভিযোগ

প্রকাশিত সময় : ০৩:১৭:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ মে ২০২৩

###    বাগেরহাটের মোল্লাহাটে গভীর রাতে মামুন শেখ (১৭) নামের এক কিশোর’কে কুপিয়ে ও তার চাচী লায়লা খানম (২৬) নামের মহিলাকে পিটিয়ে জখম করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় দুস্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার রাত একটার দিকে উপজেলার নগরকান্দি সপ্তপল্লী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পিছনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে। এঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে মোল্লাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে এলাকাবাসী। এছাড়া থানায় মৌখিক অভিযোগ করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ করা হবে বলেও জানান ভিকটিম পক্ষ। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নগরকান্দী গ্রামের শিপন শেখের স্ত্রী লায়লা খানম বলেন, প্রায় দেড় মাস আগে জিড়েনতলা গ্রামের জনৈক মামুনের নিকট এক লক্ষ টাকায় একটি মটর সাইকেল বন্ধক রাখে আমার স্বামী শিপন শেখ। ঘটনার রাতে বন্ধকী এক লক্ষ টাকা ফেরৎ চেয়ে আমার স্বামীকে জিড়েনতলা এলাকায় বসিয়ে রাখে মামূন। সাথে লাভের আরো বিশ হাজার টাকা দাবি করে। বিষয়টি মোবাইলে আমাকে জানানোর পর গভীর রাত অবধি আত্মীয় স্বজনের থেকে ৭০ হাজার টাকা জোগাড় করি। এরপর আমার স্বামীর মোবাইল বন্ধ পেয়ে মামুনের মোবাইলে ফোন করলে সে একসাথে এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা দাবি করে। এরপর আমার গলার স্বর্ণের চেইন ও নগদ ৭০ হাজার টাকা একত্র করে আমার ভাসুরের ছেলেকে সাথে নিয়ে জিড়েনতলার উদ্দেশ্য যাত্রা করি। আমাদের একই গ্রামে বন্ধকী পাওনাদারের আপন মামা বাড়ি। উক্ত বাড়ি সংলগ্ন সড়কে পৌঁছলে মামুনের মামাতো ভাই   কালু শেখ (৩০), শফিকুল (৪০), হমিম (২৭) ও দাউদ (৫৫) আকষ্মিক ঘিরে ফেলে আমাকে পিছন থেকে জাপটে ধরে। তখন আমার ভাসুরের ছেলে ডাক-চিৎকার করায় তাকে কুপিয়ে জখম করে। এরপর আমাকে রড দিয়ে পিটিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়া সহ আমার কাছে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। আমাদের আর্তচিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসলে ওরা পালিয়ে যায়। এরপর স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এছাড়া ওই রাতেই থানায় মৌখিক অভিযোগ করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ করা হবে বলেও জানান তিনি। ছিনতাইয়ের অভিযোগ অস্বীকার করে শফিকুল ও কালু বলেন, আমরা ঘুমিয়ে ছিলাম, রাত একটার দিকে আব্বা (যার যার পিতা) ডেকে তোলে, তখন আমরা ডাক চিৎকার শুনছি। তবু ওই খানে যাই নাই। ওদের সাথে আমাদের পূর্ব বিরোধ থাকায় এ ঘটনা সাজানো হয়েছে। থানা অফিসার ইনচার্জ সোমেন দাশ বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ##