১২:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রংপুরের গঙ্গাচড়ায়  প্রণোদনার সার ও বীজ উদ্ধার

###     রংপুরের গঙ্গাচড়ায় এক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ কৃষি প্রণোদনার ধানবীজ ও রাসায়নিক সার উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আলমগীর হোসেন ওরফে ভাঙ্গারী আলম (৫০) নামের ধান-চাল ও বীজের স্টক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে এসব ধানবীজ ও সার উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বাদি হয়ে  থানায় মামলা করেছেন। মামলা দায়েরের পর থেকে ওই ব্যবসায়ী গা ঢাকা দিয়েছে।

পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার গুদাম থেকে দুটি ভ্যানে করে ১২ বস্তা সার ও ১৪ বস্তা ধানবীজ উপজেলা পরিষদের সামনে দিয়ে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। বীজ ও সার বহনকারী ভ্যান দুটি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রুহুল আমিনের চোখে পড়ে। বিষয়টি সন্দেহ হলে তিনি ভ্যান দুটি আটক করেন এবং চালকদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তার প্রশ্নের সদুত্তোর না পাওয়ায় তিনি ভ্যান চালকদের ইউএনওর কার্যালয়ে নিয়ে যান।

ইউএনওর কার্যালয়ে ভ্যানচালক মিঠু মিয়া ও শরিফুল ইসলাম জানান, এই সার ও ধানবীজ কৃষকের নয়। এগুলো কৃষি অফিস থেকে নেয়ার জন্য ব্যবসায়ী আলমগীর পাঠিয়েছেন। ভ্যানচালকদের কথা অনুযায়ী ইউএনও নাহিদ তামান্না বিষয়টি গঙ্গাচড়া থানা পুলিশকে জানান। পরে সন্ধ্যার পরে গঙ্গাচড়া থানা পুলিশ আলমগীরের গঙ্গাচড়া সদর ইউনিয়নের মুন্সিপাড়ার বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় তার একটি ঘর থেকে খড় দিয়ে ঢেকে রাখা অবস্থায় আরও ১৫৩ বস্তা উফশী জাতের ধানবীজ ও এক বস্তা পাটবীজ উদ্ধার করেন। তবে অভিযানের খবরে আলমগীর মিয়াসহ বাড়ির লোকজন পালিয়ে যান। বাড়ি ও ভ্যান থেকে মোট ১৬৭ বস্তা উফশী জাতের ধান (প্রতি বস্তা ১০ কেজি), এক বস্তা পাটবীজ ও ১২ বস্তা (প্রতি বস্তায় ৫০ কেজি) টিএসপি ও এমওপি সার উদ্ধার করা হয়। ধান ও পাটবীজের গায়ে লেখা ছিল বিক্রয়ের জন্য নহে। গঙ্গাচড়া মডেল থানার ওসি দুলাল হোসেন বলেন, এ ঘটনায় ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেনকে আসামি করে একটি মামলা করা হয়েছে। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। ##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

জনপ্রিয়

কুয়েটে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার জামাত সকাল ৭ টায় 

রংপুরের গঙ্গাচড়ায়  প্রণোদনার সার ও বীজ উদ্ধার

প্রকাশিত সময় : ০৬:৪৭:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ এপ্রিল ২০২৩

###     রংপুরের গঙ্গাচড়ায় এক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ কৃষি প্রণোদনার ধানবীজ ও রাসায়নিক সার উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আলমগীর হোসেন ওরফে ভাঙ্গারী আলম (৫০) নামের ধান-চাল ও বীজের স্টক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে এসব ধানবীজ ও সার উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বাদি হয়ে  থানায় মামলা করেছেন। মামলা দায়েরের পর থেকে ওই ব্যবসায়ী গা ঢাকা দিয়েছে।

পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার গুদাম থেকে দুটি ভ্যানে করে ১২ বস্তা সার ও ১৪ বস্তা ধানবীজ উপজেলা পরিষদের সামনে দিয়ে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। বীজ ও সার বহনকারী ভ্যান দুটি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রুহুল আমিনের চোখে পড়ে। বিষয়টি সন্দেহ হলে তিনি ভ্যান দুটি আটক করেন এবং চালকদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তার প্রশ্নের সদুত্তোর না পাওয়ায় তিনি ভ্যান চালকদের ইউএনওর কার্যালয়ে নিয়ে যান।

ইউএনওর কার্যালয়ে ভ্যানচালক মিঠু মিয়া ও শরিফুল ইসলাম জানান, এই সার ও ধানবীজ কৃষকের নয়। এগুলো কৃষি অফিস থেকে নেয়ার জন্য ব্যবসায়ী আলমগীর পাঠিয়েছেন। ভ্যানচালকদের কথা অনুযায়ী ইউএনও নাহিদ তামান্না বিষয়টি গঙ্গাচড়া থানা পুলিশকে জানান। পরে সন্ধ্যার পরে গঙ্গাচড়া থানা পুলিশ আলমগীরের গঙ্গাচড়া সদর ইউনিয়নের মুন্সিপাড়ার বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় তার একটি ঘর থেকে খড় দিয়ে ঢেকে রাখা অবস্থায় আরও ১৫৩ বস্তা উফশী জাতের ধানবীজ ও এক বস্তা পাটবীজ উদ্ধার করেন। তবে অভিযানের খবরে আলমগীর মিয়াসহ বাড়ির লোকজন পালিয়ে যান। বাড়ি ও ভ্যান থেকে মোট ১৬৭ বস্তা উফশী জাতের ধান (প্রতি বস্তা ১০ কেজি), এক বস্তা পাটবীজ ও ১২ বস্তা (প্রতি বস্তায় ৫০ কেজি) টিএসপি ও এমওপি সার উদ্ধার করা হয়। ধান ও পাটবীজের গায়ে লেখা ছিল বিক্রয়ের জন্য নহে। গঙ্গাচড়া মডেল থানার ওসি দুলাল হোসেন বলেন, এ ঘটনায় ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেনকে আসামি করে একটি মামলা করা হয়েছে। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। ##