০৬:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
খুলনা জেলা নারী উন্নয়ন ফোরামের সংবাদ সম্মেলন :

রাজনৈতিক দলের সব পর্যায়ে ন্যূনতম ৩৩ শতাংশ নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার দাবি

  • অফিস ডেক্স।।
  • প্রকাশিত সময় : ০১:০৩:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ নভেম্বর ২০২২
  • ৪৭ পড়েছেন
###   খুলনা জেলা নারী উন্নয়ন ফোরাম আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে সকল রাজনৈতিক দলের সকল পর্যায়ের কমিটিতে এক-তৃতীয়াংশ (৩৩%) প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে, এই শর্ত রাজনৈতিক দল নিবন্ধন আইন ২০২০-এ যুক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে। তাদের উত্থাপিত সাত দফা দাবিতে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে রাজনৈতিক দলের সম্পাদকমন্ডলী বিশেষ করে সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক পদগুলোর মধ্যে যে কোন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে নারী অর্ন্তভূক্ত করার সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নেরও উল্লেখ রয়েছে। মঙ্গলবার সকালে খুলনা প্রেস ক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তৃতা পাঠ করেন খুলনা জেলা নারী উন্নয়ন ফোরাম-এর সভাপতি ও ফুলতলা উপজেলা পরিষদের ফারজানা ফেরদৌস নিশা। আকলিমা খাতুন তুলির উপস্থাপনায় এ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন দিঘলিয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মমতাজ শিরীন ময়না। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা নারী উন্নয়ন ফোরাম-এর সাধারণ সম্পাদক ও রূপসা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, কয়রো উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম, অপরাজিতা কনিকা গোলদার, আফরোজা খানম মিতা, মনোয়ারা খাতুন শিউলি প্রমূখ।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, রাজনৈতিক দলগুলোর কেন্দ্র থেকে মফঃস্বল পর্যন্ত সকল কাঠামোয় নারীর অংশগ্রহণ এবং নেতৃত্ব পর্যায়ে অবস্থান তাদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের সবচেয়ে বড় সূচকগুলোর একটি। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২ অনুচ্ছেদ ৯০(খ) তে বলা ছিল যে রাজনৈতিক দলগুলির কেন্দ্রীয় কমিটিসহ সকল কমিটিতে ৩৩% নারী প্রতিনিধিত্ব ২০২০ সালের মধ্যে নিশ্চিত করতে হবে। ইতিমধ্যেই ২০২২ সাল অতিক্রম করছি আমরা। তথাপি প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোসহ অন্য কোনো রাজনৈতিক দলই এই শর্ত পূরণে সক্ষম হয়নি। ইসিতে পাঠানো বা পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ২৪ শতাংশ নারী নেতৃত্ব রয়েছে। বিএনপির সব পর্যায়ের কমিটিতে ১৫ ভাগ নারী সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। জাতীয় পার্টি (জাপা)-তে নারী প্রতিনিধিত্ব¡ রয়েছে ২০ শতাংশ, আর আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি-জেপিতে এই হার ১৬ শতাংশ। অন্যান্য দলের মধ্যে সিপিবিতে ১৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ ও জাসদে ১১ দশমিক ৯২ শতাংশ নারী নেতৃত্ব রয়েছে। এনপিপির ২০ শতাংশ, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ ৬ শতাংশ, গণতন্ত্রী পার্টিতে ১৫ শতাংশ ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টে ১ শতাংশ নারী নেতৃত্ব রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, খুলনা জেলার রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আওয়ামী লীগের কমিটিতে ১৩ শতাংশ নারী নেতৃত্ব রয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে আহবায়ক কমিটি রয়েছে যেখানে কোন নারীকে সম্পৃক্ত করা হয়নি। জাতীয় পার্টি (জাপা)-তে নারী প্রতিনিধিত্ব¡ রয়েছে ৯ শতাংশ। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী রাজনৈতিক দলগুলোতে ৩৩ শতাংশ নারী প্রতিনিধিত্ব রাখার বিধান কার্যকর করার বিষয়টি ক্রমশই যেনো অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ২০২০ সালের মধ্যে এই শর্ত পূরণের অঙ্গীকার করে নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে নিবন্ধন নিয়েছিল দলগুলো। নির্ধারিত সময়সীমার পর ইতোমধ্যে দীর্ঘ ২২ মাস পেরিয়ে গেলেও এই শর্ত পূরণে বিশেষ কারও তেমন তৎপরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে না।
সংবাদ সম্মেলনে যে সাত দফা দাবি উপস্থাপন করা হয় তা’ হচ্ছে- ১. রাজনৈতিক দলসমূহে ৩৩% নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার ব্যাপারে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে যে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল (২০২০), তা যেহেতু ইতোমধ্যে অতিক্রান্ত হয়েছে, নতুন একটি সময়সীমা বেঁধে দিয়ে তা অনতিবিলম্বে প্রকাশ করা হোক, এবং বাস্তবায়নের ব্যবস্থা নেওয়া হোক। আমরা চাই এই সময়সীমা হোক ২০২৫ সাল। ২. আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে সকল রাজনৈতিক দলের সকল কমিটিতে এক-তৃতীয়াংশ (৩৩%) প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে, এই শর্ত রাজনৈতিক দল নিবন্ধন আইন ২০২০-এ যুক্ত করতে হবে। ৩. গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে সুনির্দ্দিষ্ট করা প্রয়োজন যে, রাজনৈতিক দলের সম্পাদকমন্ডলী বিশেষ করে সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক পদগুলোর মধ্যে যে কোন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে নারী অর্ন্তভুক্ত করতে হবে। ৪. জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়নে রাজনৈতিক দলের মূল কমিটিতে নারীর অংশগ্রহণ ও অগ্রগতি কতটুকু হলো তা নির্বাচন অফিস/ কর্মকর্তারা নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ পর্যবেক্ষণ করবেন। ৫. জাতীয় ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারীদের ৩৩% মনোনয়ন দেওয়ার শর্ত যুক্ত করা। ৬. রাজনৈতিক দলের কমিটিগুলোর মেয়াদ শেষ হওয়ার সাথে সাথে সম্মেলনের আয়োজন করা। উপজেলা এবং জেলার মূল কমিটিতে ৩৩% নারীর অর্ন্তভূক্তির উদ্যোগ গ্রহণ করা। কার্যনির্বাহী কমিটিতেও ৩৩% নারীকে সম্পৃক্ত করা। এবং ৭. দলীয় মনোনয়নের ক্ষেত্রে দলকে সাহসী ও কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে হবে। স্থানীয় পর্যায়ে কেবল মাত্র প্রতীকী অংশগ্রহণ নয়, নারীর প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে এবং মনোনয়ন বৃদ্ধি করতে হবে।##
Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

dainik madhumati

জনপ্রিয়

মোল্লাহাটে বিয়ের জন্য মেয়েকে পছন্দ না করায় ছেলের ভগ্নিপতিকে হত্যা, আহত ১০

খুলনা জেলা নারী উন্নয়ন ফোরামের সংবাদ সম্মেলন :

রাজনৈতিক দলের সব পর্যায়ে ন্যূনতম ৩৩ শতাংশ নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার দাবি

প্রকাশিত সময় : ০১:০৩:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ নভেম্বর ২০২২
###   খুলনা জেলা নারী উন্নয়ন ফোরাম আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে সকল রাজনৈতিক দলের সকল পর্যায়ের কমিটিতে এক-তৃতীয়াংশ (৩৩%) প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে, এই শর্ত রাজনৈতিক দল নিবন্ধন আইন ২০২০-এ যুক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে। তাদের উত্থাপিত সাত দফা দাবিতে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে রাজনৈতিক দলের সম্পাদকমন্ডলী বিশেষ করে সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক পদগুলোর মধ্যে যে কোন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে নারী অর্ন্তভূক্ত করার সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নেরও উল্লেখ রয়েছে। মঙ্গলবার সকালে খুলনা প্রেস ক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তৃতা পাঠ করেন খুলনা জেলা নারী উন্নয়ন ফোরাম-এর সভাপতি ও ফুলতলা উপজেলা পরিষদের ফারজানা ফেরদৌস নিশা। আকলিমা খাতুন তুলির উপস্থাপনায় এ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন দিঘলিয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মমতাজ শিরীন ময়না। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা নারী উন্নয়ন ফোরাম-এর সাধারণ সম্পাদক ও রূপসা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, কয়রো উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম, অপরাজিতা কনিকা গোলদার, আফরোজা খানম মিতা, মনোয়ারা খাতুন শিউলি প্রমূখ।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, রাজনৈতিক দলগুলোর কেন্দ্র থেকে মফঃস্বল পর্যন্ত সকল কাঠামোয় নারীর অংশগ্রহণ এবং নেতৃত্ব পর্যায়ে অবস্থান তাদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের সবচেয়ে বড় সূচকগুলোর একটি। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২ অনুচ্ছেদ ৯০(খ) তে বলা ছিল যে রাজনৈতিক দলগুলির কেন্দ্রীয় কমিটিসহ সকল কমিটিতে ৩৩% নারী প্রতিনিধিত্ব ২০২০ সালের মধ্যে নিশ্চিত করতে হবে। ইতিমধ্যেই ২০২২ সাল অতিক্রম করছি আমরা। তথাপি প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোসহ অন্য কোনো রাজনৈতিক দলই এই শর্ত পূরণে সক্ষম হয়নি। ইসিতে পাঠানো বা পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ২৪ শতাংশ নারী নেতৃত্ব রয়েছে। বিএনপির সব পর্যায়ের কমিটিতে ১৫ ভাগ নারী সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। জাতীয় পার্টি (জাপা)-তে নারী প্রতিনিধিত্ব¡ রয়েছে ২০ শতাংশ, আর আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি-জেপিতে এই হার ১৬ শতাংশ। অন্যান্য দলের মধ্যে সিপিবিতে ১৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ ও জাসদে ১১ দশমিক ৯২ শতাংশ নারী নেতৃত্ব রয়েছে। এনপিপির ২০ শতাংশ, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ ৬ শতাংশ, গণতন্ত্রী পার্টিতে ১৫ শতাংশ ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টে ১ শতাংশ নারী নেতৃত্ব রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, খুলনা জেলার রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আওয়ামী লীগের কমিটিতে ১৩ শতাংশ নারী নেতৃত্ব রয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে আহবায়ক কমিটি রয়েছে যেখানে কোন নারীকে সম্পৃক্ত করা হয়নি। জাতীয় পার্টি (জাপা)-তে নারী প্রতিনিধিত্ব¡ রয়েছে ৯ শতাংশ। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী রাজনৈতিক দলগুলোতে ৩৩ শতাংশ নারী প্রতিনিধিত্ব রাখার বিধান কার্যকর করার বিষয়টি ক্রমশই যেনো অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ২০২০ সালের মধ্যে এই শর্ত পূরণের অঙ্গীকার করে নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে নিবন্ধন নিয়েছিল দলগুলো। নির্ধারিত সময়সীমার পর ইতোমধ্যে দীর্ঘ ২২ মাস পেরিয়ে গেলেও এই শর্ত পূরণে বিশেষ কারও তেমন তৎপরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে না।
সংবাদ সম্মেলনে যে সাত দফা দাবি উপস্থাপন করা হয় তা’ হচ্ছে- ১. রাজনৈতিক দলসমূহে ৩৩% নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার ব্যাপারে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে যে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল (২০২০), তা যেহেতু ইতোমধ্যে অতিক্রান্ত হয়েছে, নতুন একটি সময়সীমা বেঁধে দিয়ে তা অনতিবিলম্বে প্রকাশ করা হোক, এবং বাস্তবায়নের ব্যবস্থা নেওয়া হোক। আমরা চাই এই সময়সীমা হোক ২০২৫ সাল। ২. আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে সকল রাজনৈতিক দলের সকল কমিটিতে এক-তৃতীয়াংশ (৩৩%) প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে, এই শর্ত রাজনৈতিক দল নিবন্ধন আইন ২০২০-এ যুক্ত করতে হবে। ৩. গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে সুনির্দ্দিষ্ট করা প্রয়োজন যে, রাজনৈতিক দলের সম্পাদকমন্ডলী বিশেষ করে সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক পদগুলোর মধ্যে যে কোন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে নারী অর্ন্তভুক্ত করতে হবে। ৪. জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়নে রাজনৈতিক দলের মূল কমিটিতে নারীর অংশগ্রহণ ও অগ্রগতি কতটুকু হলো তা নির্বাচন অফিস/ কর্মকর্তারা নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ পর্যবেক্ষণ করবেন। ৫. জাতীয় ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারীদের ৩৩% মনোনয়ন দেওয়ার শর্ত যুক্ত করা। ৬. রাজনৈতিক দলের কমিটিগুলোর মেয়াদ শেষ হওয়ার সাথে সাথে সম্মেলনের আয়োজন করা। উপজেলা এবং জেলার মূল কমিটিতে ৩৩% নারীর অর্ন্তভূক্তির উদ্যোগ গ্রহণ করা। কার্যনির্বাহী কমিটিতেও ৩৩% নারীকে সম্পৃক্ত করা। এবং ৭. দলীয় মনোনয়নের ক্ষেত্রে দলকে সাহসী ও কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে হবে। স্থানীয় পর্যায়ে কেবল মাত্র প্রতীকী অংশগ্রহণ নয়, নারীর প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে এবং মনোনয়ন বৃদ্ধি করতে হবে।##