১১:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যু হয়েছে : বিএনপি

###    খুলনায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপি উদ্যোগে দলীয় কার্যালয়ে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেন, আরাফাত রহমান কোকো ছিলেন একজন সাধারণ ক্রীড়াবিদ। রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হলেও তিনি রাজনীতিবিদ ছিলেন না। কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই তাকে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে। ১/১১-এর পর কোকোর ওপর যে নির্যাতন করা হয়েছিল সেই নির্যাতন ছিল অমানবিক। ওই সময় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকেও নির্যাতন করা হয়েছিল। বাংলাদেশে ক্রিকেটের মানোন্নয়নের জন্য আরাফাত রহমান কোকো কাজ করেছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সবচেয়ে আদরের ছেলে ছিলেন আরাফাত রহমান কোকো। আরাফাত রহমান কোকো কোনো রাজনীতিবিদ ছিলেন না, রাজনীতির সঙ্গে সস্পৃক্ত ছিলেন না। কিন্তু তার প্রতি মানুষের যে ভালোবাসা, সেটা দেশের জনগন দেখেছে তার মৃত্যুর পরে।

খুলনা মহানগর বিএনপির আহবায়ক এড. শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে ও মহানগর
বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিনের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহবায়ক আমির এজাজ খান, জেলা সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পি, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আবু হোসেন বাবু, স ম আব্দুর রহমান, শের আলম সান্টু, আবুল কালাম জিয়া, বদরুল আনাম খান, চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, একরামুল হক হেলাল, শেখ সাদী, এনামুল হক সজল, শেক
জাহিদুল ইসলাম, আব্দুর রাজ্জাক, তানভীরুল আজম, শাহিনুল ইসলাম পাখি, মনিরুজ্জামান লেলিন, হাবিবুর রহমান বিশ্বাস, গাজী আফসার উদ্দিন, আনসার আলী, নাসির খান, আব্দুর রহমান ডিনো, নাজমুল হুদা চৌধুরী সাগর, মিজানুর রহমান মিলটন, শফিকুল ইসলাম শফি, আলী আক্কাস, ইস্তিয়াক আহমেদ ইস্তি,
ইঞ্জি. নুর ইসলাম বাচ্চু, এবাদুল হক রুবায়েত, এড. কানিজ ফাতেমা আমিন, তাজিম বিশ্বাস, আসাদুজ্জামান আসাদ, সিরাজুল ইসলাম লিটন, কাজী কামরুল ইসলাম বাবু,  আইয়ুব মোল্লা, হাবিবুর রহমান হাবিব, খান ইসমাইল হোসেন, গোলাম মোস্তফা ভুট্টো, খোদা বক্স কোরায়েশী, জাহিদুল ইসলাম রিপন, মুজিবুর
রহমান, আরিফুর রহমান শিমুল, মুজিবুর রহমান বাবুল, আবু ওয়ারা, জাহাঙ্গীর হোসেন, মাহবুব উল্লাহ শামীম, কে এম মাহবুব আলম, গোলাম কিবরিয়া, মতিউর রহমান বুলেট, সরোয়ার শিকদার, এইচ এম আসলাম, জাহিদুল ইসলাম, ফরহাদ হোসেন, নিঘাত সীমা প্রমূখ। আলোচনা শেষে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা ফারুক হোসেন। দোয়া মাহফিল শেষে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ
করেন মহানগর বিএনপি নেতৃবৃন্দ। উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে ৩ সেপ্টেম্বর বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে কোকোও গ্রেফতার হন। পরে সরকারের নির্বাহী আদেশে ২০০৮ সালের ১৭ জুলাই ছাড়া
পান তিনি। এর একদিন পরই চিকিৎসার জন্য স্ত্রী ও দুই কন্যাসহ থাইল্যান্ড যান কোকো। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বিদেশেই অবস্থান করছিলেন। ##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik Madhumati

জনপ্রিয়

রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যু হয়েছে : বিএনপি

প্রকাশিত সময় : ০১:২৫:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৩

###    খুলনায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপি উদ্যোগে দলীয় কার্যালয়ে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেন, আরাফাত রহমান কোকো ছিলেন একজন সাধারণ ক্রীড়াবিদ। রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হলেও তিনি রাজনীতিবিদ ছিলেন না। কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই তাকে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে। ১/১১-এর পর কোকোর ওপর যে নির্যাতন করা হয়েছিল সেই নির্যাতন ছিল অমানবিক। ওই সময় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকেও নির্যাতন করা হয়েছিল। বাংলাদেশে ক্রিকেটের মানোন্নয়নের জন্য আরাফাত রহমান কোকো কাজ করেছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সবচেয়ে আদরের ছেলে ছিলেন আরাফাত রহমান কোকো। আরাফাত রহমান কোকো কোনো রাজনীতিবিদ ছিলেন না, রাজনীতির সঙ্গে সস্পৃক্ত ছিলেন না। কিন্তু তার প্রতি মানুষের যে ভালোবাসা, সেটা দেশের জনগন দেখেছে তার মৃত্যুর পরে।

খুলনা মহানগর বিএনপির আহবায়ক এড. শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে ও মহানগর
বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিনের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহবায়ক আমির এজাজ খান, জেলা সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পি, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আবু হোসেন বাবু, স ম আব্দুর রহমান, শের আলম সান্টু, আবুল কালাম জিয়া, বদরুল আনাম খান, চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, একরামুল হক হেলাল, শেখ সাদী, এনামুল হক সজল, শেক
জাহিদুল ইসলাম, আব্দুর রাজ্জাক, তানভীরুল আজম, শাহিনুল ইসলাম পাখি, মনিরুজ্জামান লেলিন, হাবিবুর রহমান বিশ্বাস, গাজী আফসার উদ্দিন, আনসার আলী, নাসির খান, আব্দুর রহমান ডিনো, নাজমুল হুদা চৌধুরী সাগর, মিজানুর রহমান মিলটন, শফিকুল ইসলাম শফি, আলী আক্কাস, ইস্তিয়াক আহমেদ ইস্তি,
ইঞ্জি. নুর ইসলাম বাচ্চু, এবাদুল হক রুবায়েত, এড. কানিজ ফাতেমা আমিন, তাজিম বিশ্বাস, আসাদুজ্জামান আসাদ, সিরাজুল ইসলাম লিটন, কাজী কামরুল ইসলাম বাবু,  আইয়ুব মোল্লা, হাবিবুর রহমান হাবিব, খান ইসমাইল হোসেন, গোলাম মোস্তফা ভুট্টো, খোদা বক্স কোরায়েশী, জাহিদুল ইসলাম রিপন, মুজিবুর
রহমান, আরিফুর রহমান শিমুল, মুজিবুর রহমান বাবুল, আবু ওয়ারা, জাহাঙ্গীর হোসেন, মাহবুব উল্লাহ শামীম, কে এম মাহবুব আলম, গোলাম কিবরিয়া, মতিউর রহমান বুলেট, সরোয়ার শিকদার, এইচ এম আসলাম, জাহিদুল ইসলাম, ফরহাদ হোসেন, নিঘাত সীমা প্রমূখ। আলোচনা শেষে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা ফারুক হোসেন। দোয়া মাহফিল শেষে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ
করেন মহানগর বিএনপি নেতৃবৃন্দ। উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে ৩ সেপ্টেম্বর বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে কোকোও গ্রেফতার হন। পরে সরকারের নির্বাহী আদেশে ২০০৮ সালের ১৭ জুলাই ছাড়া
পান তিনি। এর একদিন পরই চিকিৎসার জন্য স্ত্রী ও দুই কন্যাসহ থাইল্যান্ড যান কোকো। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বিদেশেই অবস্থান করছিলেন। ##