১০:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শান্তর হাফ-সেঞ্চুরি: ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২০৯ রানে অলআউট বাংলাদেশ

  • অফিস ডেক্স।।
  • প্রকাশিত সময় : ০৮:১০:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ মার্চ ২০২৩
  • ৬৩ পড়েছেন

###    ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্তর ক্যারিয়ারের প্রথম হাফ-সেঞ্চুরি সত্বেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে আগে ব্যাট করে ৪৭ দশমিক ২ ওভারে ২০৯ রানে অলআউট স্বাগতিক বাংলাদেশ। তিন নম্বরে নেমে সর্বোচ্চ ৫৮ রান করেন শান্ত। দলের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩১ রান করেন মাহমুদুল্লাহ। আজ মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্বান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবাল। লিটন দাসকে নিয়ে বাংলাদেশের ইনিংস শুরু করেন তামিম। প্রথম ওভারের পঞ্চম বলে বেচেঁ যান তামিম। দ্বিতীয় ওভারে পেসার জোফরা আর্চারের করা বলে দুটি ও চতুর্থ ওভারে ফ্রি-হিটে ১টি বাউন্ডারি মারেন তামিম। ৪ ওভারের মধ্যে তামিমের ব্যাট থেকে ৩টি চার যোগ হয় ব্যাক্তিগত রানের খাতায়। পঞ্চম ওভারের চতুর্থ বলে পুল করে স্কয়ার লেগ দিয়ে ছক্কা মারেন তিনি। ওকসের করা পরের ডেলিভারিতেই লেগ বিফোরের ফাঁদে পরেন লিটন। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি ১৫ বলে ৭ রান করেন লিটন। দলীয় ৩৩ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয উইকেটে বিপিএলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক নাজমুল হোসেন শান্ত। প্রথম ১২ বলের মধ্যে ৩টি চার মারেন শান্ত।১০ম ওভারে ইংল্যান্ডের পেসার মার্ক উডের ১৪৯ কিলোমিটার গতির বলে তামিমকে পাঠিয়ে দেন সাজ ঘরে । ৪টি চারে ৩২ বলে ২৩ রান করে বিদায় নেন  তামিম। দলীয় ৫১ রান নিয়ে তৃতীয় উইকেটে জুটি বাঁধেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম। ৭তম ওভারে ফিল সল্টের ভুলে জীবন পান মুশফিক। এ ওভারে একটি ছক্কাসহ ৮ রানে যোগ করেন তিন। ২০তম ওভারে স্পিনার আদিল রশিদের চতুর্থ বলে স্লগে ছক্কা মারতে গিয়ে ডিপ মিড উইকেটে উডকে ক্যাচ দেন। ৩৪ বলে ১৬ রান করা মুশফিক। শান্তর সাথে ৬২ বলে ৪৪ রানের জুটি গড়ন মুশফিক। পাঁচ উইকেটে সাকিব আল হাসান সুবিধা করতে পারেননি। মঈনের বলে সুইপ করতে গিয়ে ব্যাট-বলে স্পর্শ করাতে না পারায় সরাসরি  বোল্ড হন। ১২ বলে ১টি চারে ৮ রান করা সাকিব।১০৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। দলকে চাপমুক্ত করতে বড় জুটির চেষ্টা করেন শান্ত ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। ৩১তম ওভারের পঞ্চম বলে ১৬ ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে প্রথম হাফ-সেঞ্চুরির দেখা পান শান্ত। এজন্য ৬৭ বল খেলেন তিনি। ৩৫তম ওভারে বাংলাদেশের রান দেড়শ পার করে দলকে খেলায় ফেরান শান্ত ও মাহমুদুল্লাহ। পরের ওভারে রশিদের বলে জেসন রয়ের দারুন ক্যাচে বিদায় নেয়ার আগে ৬টি চারে ৮২ বল খেলে ৫৮ রান করেন শান্ত। মাহমুদুল্লাহর সাথে জুটিতে ৫৩ রান যোগ করেন শান্ত। পরের ওভারেই বিদায় নেন মাহমুদুল্লাহ। বিদায় ঘটে ৩টি চারে ৪৮ বলে ৩১ রান করা মাহমুদুল্লাহর।পরপর দুই ওভারে দুই সেট ব্যাটার শান্ত ও মাহমুদুল্লাহকে হারিয়ে আবারও চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ১৬২ রানে বাংলাদেশের দুই ভরসা আফিফ হোসেন ও মেহেদি হাসান মিরাজও দ্রুত প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন। আফিফকে ৯ রানে বিদায় দেন অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা অকেশনাল স্পিনার উইল জ্যাকস। মিরাজকে ৭ রানে থামান আর্চার। তাসকিন আহমেদ ও তাইজুল ইসলাম  নবম উইকেটে ২৫ বলে ২৬ রানের জুটি গড়েন। ডাবল শেঞ্চুরি করে বাংলাদেশ। ৪৭তম ওভারে তাসকিনকে ১৪ রানে থামিয়ে জুটি ভাঙ্গেন আর্চার। ১৮ বল খেলে ১টি করে চার-ছক্কা মারেন তাসকিন। পরের ওভারে মঈনের বলে শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হন ১৩ বলে ১০ রান করেন তাইজুল। ৪৭ দশমিক ২ ওভারে ২০৯ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। ইংল্যান্ডের আর্চার-উড-মঈন ও রশিদ ২টি করে উইকেট নেন। ১টি করে শিকার করেন ওকস ও জ্যাকস।##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

জনপ্রিয়

কুয়েটে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার জামাত সকাল ৭ টায় 

শান্তর হাফ-সেঞ্চুরি: ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২০৯ রানে অলআউট বাংলাদেশ

প্রকাশিত সময় : ০৮:১০:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ মার্চ ২০২৩

###    ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্তর ক্যারিয়ারের প্রথম হাফ-সেঞ্চুরি সত্বেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে আগে ব্যাট করে ৪৭ দশমিক ২ ওভারে ২০৯ রানে অলআউট স্বাগতিক বাংলাদেশ। তিন নম্বরে নেমে সর্বোচ্চ ৫৮ রান করেন শান্ত। দলের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩১ রান করেন মাহমুদুল্লাহ। আজ মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্বান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবাল। লিটন দাসকে নিয়ে বাংলাদেশের ইনিংস শুরু করেন তামিম। প্রথম ওভারের পঞ্চম বলে বেচেঁ যান তামিম। দ্বিতীয় ওভারে পেসার জোফরা আর্চারের করা বলে দুটি ও চতুর্থ ওভারে ফ্রি-হিটে ১টি বাউন্ডারি মারেন তামিম। ৪ ওভারের মধ্যে তামিমের ব্যাট থেকে ৩টি চার যোগ হয় ব্যাক্তিগত রানের খাতায়। পঞ্চম ওভারের চতুর্থ বলে পুল করে স্কয়ার লেগ দিয়ে ছক্কা মারেন তিনি। ওকসের করা পরের ডেলিভারিতেই লেগ বিফোরের ফাঁদে পরেন লিটন। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি ১৫ বলে ৭ রান করেন লিটন। দলীয় ৩৩ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয উইকেটে বিপিএলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক নাজমুল হোসেন শান্ত। প্রথম ১২ বলের মধ্যে ৩টি চার মারেন শান্ত।১০ম ওভারে ইংল্যান্ডের পেসার মার্ক উডের ১৪৯ কিলোমিটার গতির বলে তামিমকে পাঠিয়ে দেন সাজ ঘরে । ৪টি চারে ৩২ বলে ২৩ রান করে বিদায় নেন  তামিম। দলীয় ৫১ রান নিয়ে তৃতীয় উইকেটে জুটি বাঁধেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম। ৭তম ওভারে ফিল সল্টের ভুলে জীবন পান মুশফিক। এ ওভারে একটি ছক্কাসহ ৮ রানে যোগ করেন তিন। ২০তম ওভারে স্পিনার আদিল রশিদের চতুর্থ বলে স্লগে ছক্কা মারতে গিয়ে ডিপ মিড উইকেটে উডকে ক্যাচ দেন। ৩৪ বলে ১৬ রান করা মুশফিক। শান্তর সাথে ৬২ বলে ৪৪ রানের জুটি গড়ন মুশফিক। পাঁচ উইকেটে সাকিব আল হাসান সুবিধা করতে পারেননি। মঈনের বলে সুইপ করতে গিয়ে ব্যাট-বলে স্পর্শ করাতে না পারায় সরাসরি  বোল্ড হন। ১২ বলে ১টি চারে ৮ রান করা সাকিব।১০৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। দলকে চাপমুক্ত করতে বড় জুটির চেষ্টা করেন শান্ত ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। ৩১তম ওভারের পঞ্চম বলে ১৬ ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে প্রথম হাফ-সেঞ্চুরির দেখা পান শান্ত। এজন্য ৬৭ বল খেলেন তিনি। ৩৫তম ওভারে বাংলাদেশের রান দেড়শ পার করে দলকে খেলায় ফেরান শান্ত ও মাহমুদুল্লাহ। পরের ওভারে রশিদের বলে জেসন রয়ের দারুন ক্যাচে বিদায় নেয়ার আগে ৬টি চারে ৮২ বল খেলে ৫৮ রান করেন শান্ত। মাহমুদুল্লাহর সাথে জুটিতে ৫৩ রান যোগ করেন শান্ত। পরের ওভারেই বিদায় নেন মাহমুদুল্লাহ। বিদায় ঘটে ৩টি চারে ৪৮ বলে ৩১ রান করা মাহমুদুল্লাহর।পরপর দুই ওভারে দুই সেট ব্যাটার শান্ত ও মাহমুদুল্লাহকে হারিয়ে আবারও চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ১৬২ রানে বাংলাদেশের দুই ভরসা আফিফ হোসেন ও মেহেদি হাসান মিরাজও দ্রুত প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন। আফিফকে ৯ রানে বিদায় দেন অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা অকেশনাল স্পিনার উইল জ্যাকস। মিরাজকে ৭ রানে থামান আর্চার। তাসকিন আহমেদ ও তাইজুল ইসলাম  নবম উইকেটে ২৫ বলে ২৬ রানের জুটি গড়েন। ডাবল শেঞ্চুরি করে বাংলাদেশ। ৪৭তম ওভারে তাসকিনকে ১৪ রানে থামিয়ে জুটি ভাঙ্গেন আর্চার। ১৮ বল খেলে ১টি করে চার-ছক্কা মারেন তাসকিন। পরের ওভারে মঈনের বলে শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হন ১৩ বলে ১০ রান করেন তাইজুল। ৪৭ দশমিক ২ ওভারে ২০৯ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। ইংল্যান্ডের আর্চার-উড-মঈন ও রশিদ ২টি করে উইকেট নেন। ১টি করে শিকার করেন ওকস ও জ্যাকস।##