১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শিক্ষিতরা কৃষিকাজে জড়িত হলে দেশ আরও উন্নত হবে

###    কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ মো. বেনজীর আলম বলেছেন, এক সময় ছিল যা চাষ করব নিজের হলে চলবে, সেই খোরপোশ পদ্ধতির খামার এখন আর নেই। এখন বেশির ভাগ কৃষকরাই বানিজ্যিক চাষাবাদে ঝুকছে। এখন অনেক শিক্ষিত তরুণরাও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে লাভজনক কৃষি খামার করছে। বেকার বসে না থেকে শিক্ষিত তরণরা কৃষি খামার করলে দেশ আরও উন্নত হবে। শুক্রবার বেলা ১১টায় মোল্লাহাট উপজেলার গাড়ফা এলাকার প্রকৌশলী শেখ ফয়সাল আহমেদের মধুমতি এগ্রো ফার্ম পরিদর্শণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন। মধুমতি এগ্রোর স্বত্বাধীকারি শেখ ফয়সাল আহমেদের কৃষি খামারের প্রশংসা করেন তিনি। এসময়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিকল্পনা, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও আইসিটি উইংয়ের পরিচালক কৃষিবিদ মুহাম্মদ এমদাদুল হক, অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ বাদল চন্দ্র বিশ্বাস, কৃষিবিদ মোঃ ফরিদুল হাসান, বাগেরহাটের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ আজিজুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অনিমেষ বালা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রশান্ত বৈদ্য, মধুমতি এগ্রোর স্বত্বাধীকারি শেখ ফয়সাল আহমেদসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। কৃষিবিদ মো. বেনজীর আলম আরও বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরে সারা বিশ্বে এক ধরণের খাদ্য সংকট তৈরি হতে পারে। তবে বাংলাদেশে এই সংকট তৈরি হবে না। কারণ উন্নত কৃষি ব্যবস্থা তৈরি এবং উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য সরকার নানারকম উদ্যোগ নিয়েছে। প্রতি বছর বিভিন্ন সারে কোটি কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি বিনামূল্যে বীজ, সারসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ বিতরণের মাধ্যমে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। এসব কার্যক্রমে দেশে বিভিন্ন ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। ভবিষ্যতে দেশে খাদ্য শস্য ও  সবজির উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে বলে জানান তিনি। মোল্লাহাট উপজেলার গাড়ফা গ্রামের শেখ টিপু সুলতানের বড় ছেলে ফয়সাল আহমেদ। খুলনা পলিটেকনিক থেকে ২০১০ সালে ম্যাকানিক্যাল ট্রেডে ডিপ্লোমা পাশ করে, বেসরকারি চাকুরী শুরু করেন। সর্বশেষ ২০২০ সালে ৪৫ হাজার টাকা বেতনের চাকুরী ছেড়ে বাড়িতে এসে মধুমতি নদীর পাড়ে চর উদয়পুর ও গাড়ফা এলাকায় চাষাবাদ শুরু করেন। প্রথম দিকে নিজস্ব জমিতে বিভিন্ন সবজি চাষ করেন। পরবর্তীতে সাম্মাম চাষ শুরু করেন। প্রথম বছরেই সফলতা পাওয়ায় জমির পরিমান বাড়াতে থাকেন। বর্তমানে ফয়সালের ক্ষেতে বাহুবলী জাতের আগাম টমেটো, লালশাক, ফিলিপাইনের কালো আখ, সাম্মাম, টপলেডি জাতের পেঁপে, ব্লাক বেরি বারোমাসি তরমুজ, বেগুন, শসাসহ নানা জাতের সবজি ও ফল রয়েছে।##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik Madhumati

জনপ্রিয়

গলাচিপা উপজেলায় ঘূর্ণিঝড় ” রেমাল” এর তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

শিক্ষিতরা কৃষিকাজে জড়িত হলে দেশ আরও উন্নত হবে

প্রকাশিত সময় : ১২:২৫:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২

###    কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ মো. বেনজীর আলম বলেছেন, এক সময় ছিল যা চাষ করব নিজের হলে চলবে, সেই খোরপোশ পদ্ধতির খামার এখন আর নেই। এখন বেশির ভাগ কৃষকরাই বানিজ্যিক চাষাবাদে ঝুকছে। এখন অনেক শিক্ষিত তরুণরাও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে লাভজনক কৃষি খামার করছে। বেকার বসে না থেকে শিক্ষিত তরণরা কৃষি খামার করলে দেশ আরও উন্নত হবে। শুক্রবার বেলা ১১টায় মোল্লাহাট উপজেলার গাড়ফা এলাকার প্রকৌশলী শেখ ফয়সাল আহমেদের মধুমতি এগ্রো ফার্ম পরিদর্শণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন। মধুমতি এগ্রোর স্বত্বাধীকারি শেখ ফয়সাল আহমেদের কৃষি খামারের প্রশংসা করেন তিনি। এসময়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিকল্পনা, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও আইসিটি উইংয়ের পরিচালক কৃষিবিদ মুহাম্মদ এমদাদুল হক, অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ বাদল চন্দ্র বিশ্বাস, কৃষিবিদ মোঃ ফরিদুল হাসান, বাগেরহাটের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ আজিজুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অনিমেষ বালা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রশান্ত বৈদ্য, মধুমতি এগ্রোর স্বত্বাধীকারি শেখ ফয়সাল আহমেদসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। কৃষিবিদ মো. বেনজীর আলম আরও বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরে সারা বিশ্বে এক ধরণের খাদ্য সংকট তৈরি হতে পারে। তবে বাংলাদেশে এই সংকট তৈরি হবে না। কারণ উন্নত কৃষি ব্যবস্থা তৈরি এবং উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য সরকার নানারকম উদ্যোগ নিয়েছে। প্রতি বছর বিভিন্ন সারে কোটি কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি বিনামূল্যে বীজ, সারসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ বিতরণের মাধ্যমে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। এসব কার্যক্রমে দেশে বিভিন্ন ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। ভবিষ্যতে দেশে খাদ্য শস্য ও  সবজির উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে বলে জানান তিনি। মোল্লাহাট উপজেলার গাড়ফা গ্রামের শেখ টিপু সুলতানের বড় ছেলে ফয়সাল আহমেদ। খুলনা পলিটেকনিক থেকে ২০১০ সালে ম্যাকানিক্যাল ট্রেডে ডিপ্লোমা পাশ করে, বেসরকারি চাকুরী শুরু করেন। সর্বশেষ ২০২০ সালে ৪৫ হাজার টাকা বেতনের চাকুরী ছেড়ে বাড়িতে এসে মধুমতি নদীর পাড়ে চর উদয়পুর ও গাড়ফা এলাকায় চাষাবাদ শুরু করেন। প্রথম দিকে নিজস্ব জমিতে বিভিন্ন সবজি চাষ করেন। পরবর্তীতে সাম্মাম চাষ শুরু করেন। প্রথম বছরেই সফলতা পাওয়ায় জমির পরিমান বাড়াতে থাকেন। বর্তমানে ফয়সালের ক্ষেতে বাহুবলী জাতের আগাম টমেটো, লালশাক, ফিলিপাইনের কালো আখ, সাম্মাম, টপলেডি জাতের পেঁপে, ব্লাক বেরি বারোমাসি তরমুজ, বেগুন, শসাসহ নানা জাতের সবজি ও ফল রয়েছে।##