০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সব হারিয়ে আমি আপনাদের পাশে দাঁড়িয়েছি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা 

####

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন শেষে পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌর এলাকার সরকারি মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস ডিগ্রি কলেজ মাঠে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা দিয়েছেন । এদিন দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টার যোগে কলাপাড়া অবতরণ করে মঞ্চে এসে উপস্থিত সকলের সঙ্গে কুশল বিনিময় শেষে নিজের হাতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩১ পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী হিসেবে চাল, ডাল, আলু, তেল, চিনি, লবণসহ অন্যান্য সামগ্রী বিতরণ করেন। এ ছাড়াও ২ হাজার মানুষের জন্য ত্রাণ প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। ত্রাণ বিতরণের পর এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, বাঁধ দ্রুত মেরামতে সরকার কাজ করছে। ইতোমধ্যে যে সমস্ত রাস্তাঘাট ভেঙে গেছে, সেগুলো মেরামত করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যে বাঁধগুলো ভেঙে গেছে, সেগুলোও মেরামতের কাজ ইতোমধ্যে আমরা শুরু করে দিয়েছি। যাতে বর্ষার আগেই আমরা বাঁধগুলো নির্মাণ করে জলোচ্ছ্বাস বা পানির হাত থেকে মানুষকে বাঁচাতে পারি। এসময় সরকার প্রধান বলেন, ‘যাদের ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে ইতোমধ্যে আমরা প্রশাসনের মাধ্যমে খোঁজ নিচ্ছি। এরপর আমি আবারও সবার সঙ্গে বসব। যেখানে যেখানে যাদের বাড়িঘর ভেঙেছে, তাদের ঘরবাড়ি করে দেবো, এইটুকু ভরসা আপনারা রাখবেন।’  ‘জলোচ্ছ্বাসের কারণে অনেক পুকুরের পানি নোনতা হয়ে গেছে। অনেক জায়গায় মাছের ঘের ভেসে গেছে। আমাদের ভাগ্য ভালো যে, ধানকাটা শেষ হয়ে গিয়েছিল। তারপরও তরিতরকারি নষ্ট হয়েছে, কৃষক যাতে আবার সেগুলো উৎপাদন করতে পারে, সেজন্য বীজ, সার, যা যা লাগে সেগুলোর ব্যবস্থা ইনশাল্লাহ আমি করে দেবো। নতুন উদ্যমে আপনারা যাতে চাষ করতে পারেন, আমি চাই আমাদের এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদী থাকবে না। আর সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা পদক্ষেপ নিই। আর সেই ব্যবস্থা আমরা করে দেবো।’ এবারের ঝড়-জলোচ্ছ্বাস খুবই অস্বাভাবিক হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি সাইক্লোন শেল্টার করেছি, সেখানে মানুষ আশ্রয় পেয়েছে। যারা গৃহহীন, তাদের দুর্যোগ সহনীয় ঘর করে দিয়েছি। যে কারণে মানুষ অন্তত আশ্রয়ের জায়গা পেয়েছে। পশুপাখি আশ্রয়ের ব্যবস্থা পেয়েছে। আমরা চাই দুর্যোগ থেকে এই এলাকার মানুষ যেন মুক্তি পায়। আমরা জানি, এই এলাকা সবসময়ই দুর্যোগপ্রবণ।’

শেখ হাসিনা আরও বলেন, আজ ধারাবাহিকভাবে গণতন্ত্র আছে বলেই দুর্যোগ-দুর্বিপাকে মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারি। মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নতি হয়। দেশের আর্থসামাজিক অগ্রগতি আপনারা নিজেরাই দেখতে পাচ্ছেন। রাস্তাঘাট, স্কুল, কলেজ করে দিয়ে আপনাদের যোগাযোগের ব্যবস্থা, বিদ্যুতের ব্যবস্থা সব করে দিয়েছি। মানুষের জীবনের যে চাহিদা অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা তার ব্যবস্থা করার জন্য যা যা দরকার আওয়ামী লীগ সরকার তা করে যাচ্ছে। কমিউনিটি ক্লিনিক করে দিয়েছি, সেখান থেকে বিনামূল্যে ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে। ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার খরচ আর বিনা পয়সায় বই দিচ্ছি। মায়ের নামে আমরা বৃত্তির টাকা পাঠাই। যারা একেবারে হতদরিদ্র বিনা পয়সায় খাদ্য সাহায্য দিই। এখন দ্রব্যমূল্য বেড়েছে, যারা কিনতে পারে না তাদের জন্য পারিবারিক কার্ড করে দিয়েছি। অল্প টাকায় চাল, ডাল, তেল কিনে নিতে পারবে সেই ব্যবস্থাটাও আমরা করে দিয়েছি। দেশের মানুষ যেন না খেয়ে কষ্ট না পায়, সেটিই আমাদের লক্ষ্য। পাশাপাশি মানুষের সার্বিক উন্নতির জন্য কাজ করে যাচ্ছি। রাস্তাঘাটের উন্নয়নের জন্য সব জায়গায় খুব সহজেই যাওয়া যায় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে ঢাকা থেকে রওনা দিয়ে এই পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পাঁচ-ছয় ঘন্টার মধ্যে পৌঁছানো যায়। আগে কিন্তু আসা যেতো না। পাশাপাশি গ্রামেগঞ্জে রাস্তাঘাট করে দিয়েছি। এই দক্ষিণাঞ্চল সবচেয়ে অবহেলিত ছিল।  দক্ষিণাঞ্চলে আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন বিশাল কর্মযজ্ঞের কথাও তুলে ধরেন তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারে এসেছে বলেই এই অঞ্চলের উন্নয়ন হয়েছে। এর আগে যারা ছিল তারা কেউ দৃষ্টি দেয়নি। এই অঞ্চলের মানুষ প্রতিনিয়ত প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ করে বেঁচে থাকে। প্রতিনিয়ত জীবন যুদ্ধে লিপ্ত হয়। আজ অন্তত এটা বলতে পারি, এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসবে কিন্তু সেটিকে মোকাবিলা করে মানুষের জীবন মান রক্ষা করা সেটিই আমাদের লক্ষ্য।  আমরা পায়রা বন্দর, পায়রা পাওয়ার প্ল্যান্টসহ মেগা প্রকল্প এখানে করেছি। আজ এলাকার মানুষ তার সুফল পাচ্ছে। আমরা সব সময় উন্নয়নের ক্ষেত্রে দক্ষিণাঞ্চলকে প্রাধান্য দিয়ে আসছি। ডিজিটাল বাংলাদেশ করে দিয়েছি যার সুফল প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষও পাচ্ছে। এ সরকার আপনাদের জন্য সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে এবং পাশে থাকার অঙ্গীকার করছি।

কলাপাড়া উপজেলা আ’লীগ সহ-সভাপতি নির্মল কুমার নন্দীর সভাপতিত্বে  এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি গাজি মেসবাউল হোসেন সাচ্চু, পানি সম্পদ মন্ত্রী জাহিদ ফারুক, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান, পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজ, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন, বরিশালের সিটি মেয়র আবুল খায়ের আবদুল্লাহ প্রমুখ। সভাস্থল ত্যাগ করে ১:৩০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী কলাপাড়ার শেখ কামাল ব্রিজ পরিদর্শন করেন। তারপর পায়রা পাওয়ার প্ল্যান্ট সেমিনার কক্ষে বরিশাল বিভাগীয় কর্মকর্তাদের নিয়ে এক আলোচনা সভায় যোগ দিতে রওয়ানা হন। বিকেল ৫টায় পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের হেলিপ্যাড থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন বলে জানা গেছে। ##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik Madhumati

জনপ্রিয়

ডুমুরিয়ায় মোটরসাইকেল-ইঞ্জিন ভ্যান সংঘর্ষে নিহত-২,আহত-৪

সব হারিয়ে আমি আপনাদের পাশে দাঁড়িয়েছি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা 

প্রকাশিত সময় : ১২:৫৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০২৪

####

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন শেষে পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌর এলাকার সরকারি মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস ডিগ্রি কলেজ মাঠে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা দিয়েছেন । এদিন দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টার যোগে কলাপাড়া অবতরণ করে মঞ্চে এসে উপস্থিত সকলের সঙ্গে কুশল বিনিময় শেষে নিজের হাতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩১ পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী হিসেবে চাল, ডাল, আলু, তেল, চিনি, লবণসহ অন্যান্য সামগ্রী বিতরণ করেন। এ ছাড়াও ২ হাজার মানুষের জন্য ত্রাণ প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। ত্রাণ বিতরণের পর এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, বাঁধ দ্রুত মেরামতে সরকার কাজ করছে। ইতোমধ্যে যে সমস্ত রাস্তাঘাট ভেঙে গেছে, সেগুলো মেরামত করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যে বাঁধগুলো ভেঙে গেছে, সেগুলোও মেরামতের কাজ ইতোমধ্যে আমরা শুরু করে দিয়েছি। যাতে বর্ষার আগেই আমরা বাঁধগুলো নির্মাণ করে জলোচ্ছ্বাস বা পানির হাত থেকে মানুষকে বাঁচাতে পারি। এসময় সরকার প্রধান বলেন, ‘যাদের ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে ইতোমধ্যে আমরা প্রশাসনের মাধ্যমে খোঁজ নিচ্ছি। এরপর আমি আবারও সবার সঙ্গে বসব। যেখানে যেখানে যাদের বাড়িঘর ভেঙেছে, তাদের ঘরবাড়ি করে দেবো, এইটুকু ভরসা আপনারা রাখবেন।’  ‘জলোচ্ছ্বাসের কারণে অনেক পুকুরের পানি নোনতা হয়ে গেছে। অনেক জায়গায় মাছের ঘের ভেসে গেছে। আমাদের ভাগ্য ভালো যে, ধানকাটা শেষ হয়ে গিয়েছিল। তারপরও তরিতরকারি নষ্ট হয়েছে, কৃষক যাতে আবার সেগুলো উৎপাদন করতে পারে, সেজন্য বীজ, সার, যা যা লাগে সেগুলোর ব্যবস্থা ইনশাল্লাহ আমি করে দেবো। নতুন উদ্যমে আপনারা যাতে চাষ করতে পারেন, আমি চাই আমাদের এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদী থাকবে না। আর সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা পদক্ষেপ নিই। আর সেই ব্যবস্থা আমরা করে দেবো।’ এবারের ঝড়-জলোচ্ছ্বাস খুবই অস্বাভাবিক হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি সাইক্লোন শেল্টার করেছি, সেখানে মানুষ আশ্রয় পেয়েছে। যারা গৃহহীন, তাদের দুর্যোগ সহনীয় ঘর করে দিয়েছি। যে কারণে মানুষ অন্তত আশ্রয়ের জায়গা পেয়েছে। পশুপাখি আশ্রয়ের ব্যবস্থা পেয়েছে। আমরা চাই দুর্যোগ থেকে এই এলাকার মানুষ যেন মুক্তি পায়। আমরা জানি, এই এলাকা সবসময়ই দুর্যোগপ্রবণ।’

শেখ হাসিনা আরও বলেন, আজ ধারাবাহিকভাবে গণতন্ত্র আছে বলেই দুর্যোগ-দুর্বিপাকে মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারি। মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নতি হয়। দেশের আর্থসামাজিক অগ্রগতি আপনারা নিজেরাই দেখতে পাচ্ছেন। রাস্তাঘাট, স্কুল, কলেজ করে দিয়ে আপনাদের যোগাযোগের ব্যবস্থা, বিদ্যুতের ব্যবস্থা সব করে দিয়েছি। মানুষের জীবনের যে চাহিদা অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা তার ব্যবস্থা করার জন্য যা যা দরকার আওয়ামী লীগ সরকার তা করে যাচ্ছে। কমিউনিটি ক্লিনিক করে দিয়েছি, সেখান থেকে বিনামূল্যে ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে। ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার খরচ আর বিনা পয়সায় বই দিচ্ছি। মায়ের নামে আমরা বৃত্তির টাকা পাঠাই। যারা একেবারে হতদরিদ্র বিনা পয়সায় খাদ্য সাহায্য দিই। এখন দ্রব্যমূল্য বেড়েছে, যারা কিনতে পারে না তাদের জন্য পারিবারিক কার্ড করে দিয়েছি। অল্প টাকায় চাল, ডাল, তেল কিনে নিতে পারবে সেই ব্যবস্থাটাও আমরা করে দিয়েছি। দেশের মানুষ যেন না খেয়ে কষ্ট না পায়, সেটিই আমাদের লক্ষ্য। পাশাপাশি মানুষের সার্বিক উন্নতির জন্য কাজ করে যাচ্ছি। রাস্তাঘাটের উন্নয়নের জন্য সব জায়গায় খুব সহজেই যাওয়া যায় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে ঢাকা থেকে রওনা দিয়ে এই পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পাঁচ-ছয় ঘন্টার মধ্যে পৌঁছানো যায়। আগে কিন্তু আসা যেতো না। পাশাপাশি গ্রামেগঞ্জে রাস্তাঘাট করে দিয়েছি। এই দক্ষিণাঞ্চল সবচেয়ে অবহেলিত ছিল।  দক্ষিণাঞ্চলে আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন বিশাল কর্মযজ্ঞের কথাও তুলে ধরেন তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারে এসেছে বলেই এই অঞ্চলের উন্নয়ন হয়েছে। এর আগে যারা ছিল তারা কেউ দৃষ্টি দেয়নি। এই অঞ্চলের মানুষ প্রতিনিয়ত প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ করে বেঁচে থাকে। প্রতিনিয়ত জীবন যুদ্ধে লিপ্ত হয়। আজ অন্তত এটা বলতে পারি, এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসবে কিন্তু সেটিকে মোকাবিলা করে মানুষের জীবন মান রক্ষা করা সেটিই আমাদের লক্ষ্য।  আমরা পায়রা বন্দর, পায়রা পাওয়ার প্ল্যান্টসহ মেগা প্রকল্প এখানে করেছি। আজ এলাকার মানুষ তার সুফল পাচ্ছে। আমরা সব সময় উন্নয়নের ক্ষেত্রে দক্ষিণাঞ্চলকে প্রাধান্য দিয়ে আসছি। ডিজিটাল বাংলাদেশ করে দিয়েছি যার সুফল প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষও পাচ্ছে। এ সরকার আপনাদের জন্য সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে এবং পাশে থাকার অঙ্গীকার করছি।

কলাপাড়া উপজেলা আ’লীগ সহ-সভাপতি নির্মল কুমার নন্দীর সভাপতিত্বে  এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি গাজি মেসবাউল হোসেন সাচ্চু, পানি সম্পদ মন্ত্রী জাহিদ ফারুক, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান, পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজ, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন, বরিশালের সিটি মেয়র আবুল খায়ের আবদুল্লাহ প্রমুখ। সভাস্থল ত্যাগ করে ১:৩০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী কলাপাড়ার শেখ কামাল ব্রিজ পরিদর্শন করেন। তারপর পায়রা পাওয়ার প্ল্যান্ট সেমিনার কক্ষে বরিশাল বিভাগীয় কর্মকর্তাদের নিয়ে এক আলোচনা সভায় যোগ দিতে রওয়ানা হন। বিকেল ৫টায় পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের হেলিপ্যাড থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন বলে জানা গেছে। ##