১১:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সরকার শুধুমাত্র বন্দুকের নলের জোরে এখনও ক্ষমতায় টিকে আছে : রুহুল কবির রিজভী

###     বিএনপির সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বর্তমান ভোট ডাকাতির সরকার কোন গনতান্ত্রিক আচরন বোঝে না। জনগনের ন্যায় সঙ্গত প্রতিবাদকে তারা সহ্য করতে পারে না। তারা শুধুমাত্র বন্দুকের নলের জোরে এখনও ক্ষমতায় টিকে আছে। ওদের বন্দুকের নলটি তাক করেছে জনগনের দিকে। যে জনগন সবচাইতে শক্তি ও ক্ষমতার ‍উৎস্য। সেই ক্ষমতার উৎস্যকে ভয় দেখিয়ে দমন করে কুক্ষিগত করতে চায়। তাই জনগনের পক্ষে অধিকার আদায়ে যারা রাজপথে আছে তাদের প্রতি সরকারের ভাষা বন্ধুকের ও বুলেটের শীশার গন্ধের।সেই বুলেটের গন্ধে বিএনপির অসংখ্য নেতৃবৃন্দ আহত হয়েছে। অনেকে মৃত্যু পথযাত্রী, কিছু কিছু নেতৃবৃন্দকে ঢাকায় স্তানান্তর করা হয়েছে। ১০দফা দাবীতে বিএনপির কর্মসূচীতে খুলনায় কারবালা রচনা করেছে সরকার। আমাদের নেতৃবৃন্দের রক্ত ঝরানোর পথ ধরে রাজপথের আন্দোলনের মাধ্যমেই এ সরকারের পতন ঘটানো হবে। শনিবার বিকেলে খুলনা প্রেসক্লাবে বিএনপির শান্তিপূর্ন সমাবেশে হামলা, গুলি ও গনগ্রেফতারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, সরকারের পদত্যাগ, মামলা ও গণগ্রেপ্তার বন্ধ, সরকারের দুর্নীতির প্রতিবাদ, খালেদা জিয়ার মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তিসহ ১০দফা বাস্তবায়নের দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে খুলনায় বিএনপিরিএ সমাবেশ ছিল। এটা আমাদের গনতান্ত্রিক অধিকার। সিটি নির্বাচনের কোন বিষয় একানে নেই। কারন বর্তমান নির্বাচন কমিশন অবৈধ ও ব্যর্থ কমিশন।তাদেরকে জনগন প্রত্যাকান করেছে। কাজেই  তারা কি করলো সেটা দেখার কোন বিষয় নয়। বিএনপির নেতার্মীরা আন্দোলনের কর্মসূচী পালন করবে। শেখ হাসিনার সরকারের পরির্তন না হলে দেশে গনতন্ত্র, মত প্রকাশের ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা আসবে না। কাজেই আগে শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে নির্বাচন অনুষ্টানের ব্যভস্তা করতে হবে। তবেই নির্বাচন কমিশনের কথা মানা হবে। তিনি বলেন, পুলিশের অনুমতি নিয়ে কোন রাজনৈতিক দল কর্মসূচী পালন করতে হবে। পুলিশের অনুমতি নিয়ে কি স্বাধীনতা ও স্বৈরাচারী এরমাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন হয়েছে। পুলিশ গনতান্ত্রিক আন্দোলনের নিরাপত্তা দেবে। কিন্তু তারা শেখ হাসিনার যে বন্দীশালা তৈরী করেছে সেখানে বন্দী করতে চায়। কিন্তু আমরা চাই শেখ হাসিনার বন্দীশালাকে ভেঙ্গে প্রকৃত গনতন্ত্র পিরিয়ে আনার আন্দোলন করছি। দেশে গনতন্ত্র ও স্বাধীন মত প্রকাশের স্বাধীনতা নেই সেটা বিদেশও বলছে। তিনি বিএনপির সমাবেশে হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে জড়িতদের বিুরদ্ধে কটোর শাস্তির ব্যবস্তা করার জন্য তিনি দাবী জানান। পরে তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন আহত নেতাকর্মীদের দেখতে যান। খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি এ্যাড. শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার সম্পাদক কৃষিবিদ মোঃ শামীমুর রহমান শামীম, মহানগর বিএনপির আহবায়ক এসএম শফিকুল আলম মনা, জেলা বিএনপির আহবায়ক আমির এজাজ খান, সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পী, বিএনপি নেতা আশরাফুল আলম নান্নুসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

জনপ্রিয়

কেইউজের নির্বাচন ২৯ জুন :  ভুয়া কমিটি নিয়ে বিভ্রান্ত না হতে সদস্যদের প্রতি নেতৃবৃন্দের আহ্বান

সরকার শুধুমাত্র বন্দুকের নলের জোরে এখনও ক্ষমতায় টিকে আছে : রুহুল কবির রিজভী

প্রকাশিত সময় : ০৯:০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ মে ২০২৩

###     বিএনপির সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বর্তমান ভোট ডাকাতির সরকার কোন গনতান্ত্রিক আচরন বোঝে না। জনগনের ন্যায় সঙ্গত প্রতিবাদকে তারা সহ্য করতে পারে না। তারা শুধুমাত্র বন্দুকের নলের জোরে এখনও ক্ষমতায় টিকে আছে। ওদের বন্দুকের নলটি তাক করেছে জনগনের দিকে। যে জনগন সবচাইতে শক্তি ও ক্ষমতার ‍উৎস্য। সেই ক্ষমতার উৎস্যকে ভয় দেখিয়ে দমন করে কুক্ষিগত করতে চায়। তাই জনগনের পক্ষে অধিকার আদায়ে যারা রাজপথে আছে তাদের প্রতি সরকারের ভাষা বন্ধুকের ও বুলেটের শীশার গন্ধের।সেই বুলেটের গন্ধে বিএনপির অসংখ্য নেতৃবৃন্দ আহত হয়েছে। অনেকে মৃত্যু পথযাত্রী, কিছু কিছু নেতৃবৃন্দকে ঢাকায় স্তানান্তর করা হয়েছে। ১০দফা দাবীতে বিএনপির কর্মসূচীতে খুলনায় কারবালা রচনা করেছে সরকার। আমাদের নেতৃবৃন্দের রক্ত ঝরানোর পথ ধরে রাজপথের আন্দোলনের মাধ্যমেই এ সরকারের পতন ঘটানো হবে। শনিবার বিকেলে খুলনা প্রেসক্লাবে বিএনপির শান্তিপূর্ন সমাবেশে হামলা, গুলি ও গনগ্রেফতারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, সরকারের পদত্যাগ, মামলা ও গণগ্রেপ্তার বন্ধ, সরকারের দুর্নীতির প্রতিবাদ, খালেদা জিয়ার মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তিসহ ১০দফা বাস্তবায়নের দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে খুলনায় বিএনপিরিএ সমাবেশ ছিল। এটা আমাদের গনতান্ত্রিক অধিকার। সিটি নির্বাচনের কোন বিষয় একানে নেই। কারন বর্তমান নির্বাচন কমিশন অবৈধ ও ব্যর্থ কমিশন।তাদেরকে জনগন প্রত্যাকান করেছে। কাজেই  তারা কি করলো সেটা দেখার কোন বিষয় নয়। বিএনপির নেতার্মীরা আন্দোলনের কর্মসূচী পালন করবে। শেখ হাসিনার সরকারের পরির্তন না হলে দেশে গনতন্ত্র, মত প্রকাশের ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা আসবে না। কাজেই আগে শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে নির্বাচন অনুষ্টানের ব্যভস্তা করতে হবে। তবেই নির্বাচন কমিশনের কথা মানা হবে। তিনি বলেন, পুলিশের অনুমতি নিয়ে কোন রাজনৈতিক দল কর্মসূচী পালন করতে হবে। পুলিশের অনুমতি নিয়ে কি স্বাধীনতা ও স্বৈরাচারী এরমাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন হয়েছে। পুলিশ গনতান্ত্রিক আন্দোলনের নিরাপত্তা দেবে। কিন্তু তারা শেখ হাসিনার যে বন্দীশালা তৈরী করেছে সেখানে বন্দী করতে চায়। কিন্তু আমরা চাই শেখ হাসিনার বন্দীশালাকে ভেঙ্গে প্রকৃত গনতন্ত্র পিরিয়ে আনার আন্দোলন করছি। দেশে গনতন্ত্র ও স্বাধীন মত প্রকাশের স্বাধীনতা নেই সেটা বিদেশও বলছে। তিনি বিএনপির সমাবেশে হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে জড়িতদের বিুরদ্ধে কটোর শাস্তির ব্যবস্তা করার জন্য তিনি দাবী জানান। পরে তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন আহত নেতাকর্মীদের দেখতে যান। খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি এ্যাড. শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার সম্পাদক কৃষিবিদ মোঃ শামীমুর রহমান শামীম, মহানগর বিএনপির আহবায়ক এসএম শফিকুল আলম মনা, জেলা বিএনপির আহবায়ক আমির এজাজ খান, সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পী, বিএনপি নেতা আশরাফুল আলম নান্নুসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ##