১২:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সিটি করপোরেশন নিবাচনী আচরণ বিধি ভাঙলে প্রার্থিতা বাতিল

  • অফিস ডেক্স।।
  • প্রকাশিত সময় : ০৬:৪৩:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৩
  • ৫৯ পড়েছেন

### আগামী ২৫ মে ঢাকা গাজীপুর সিটি করপোরেশন ,  ১২ জুন খুলনা ও বরিশাল সিটি করপোরেশন এবং ২১ জুন রাজশাহী ও সিলেট সিটি করপোরেশনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে । এ নির্বাচনে প্রার্থিদের কেউ আচরণ বিধি ভাঙলে তার প্রার্থিতা বাতিল করে দেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) নির্বাচন ভবনের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময় এ কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর।

পাঁচ সিটির ভোটে অনেকে আচরণ বিধি মানছে না, প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে দোয়া চাচ্ছেন সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশন  বলেন, “যারা দোয়া চেয়েছেন তারা অনেকেই প্রার্থীই না। কিসের দোয়া চেয়েছেন সেটা তো লেখা নাই। যারা নমিনেশন নেবেন এবং জমা দেবেন তারপর বোঝা যাবে। রিটার্নিং অফিসার যিনি আছেন তার লোকবল অল্প, তিনি অনেকগুলো প্রচার সামগ্রী উঠিয়ে নিয়েছেন। প্রতীক বরাদ্দ যেদিন হয়, সেদিন থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু হয়। সেদিন থেকে অফিসিয়ালি আচরণ বিধি না মানলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তার আগে এখন যেটা করছে আমাদের কর্মকর্তারা, সেটা অনেকটা মোটিভেশনাল।” আচরণ বিধিতেপাঁচজনের বেশি লোকবল আনা যায় না নমিনেশন পেপার জমা দেওয়ার সময়। বেশিরভাগ সময়ে এ নীতি মানা হয় না। এ বিয়য়ে ইসি বলেন, আমাদের আইনে আছে শো-ডাউন করা যাবে না। কিন্তু আমাদের কালচারটাই হলো শো-ডাউনের। একটা কালচার তো একদিনে পরিবর্তন হয় না। সেজন্য আমাদের যেটা নিয়ম রিটার্নিং কর্মকর্তাকে বলা আছে, কোনো রকম শো-ডাউন করে যেন না আসে, তারা অন্তত যখন নমিনেশন পেপার জমা দিতে আসবেন, তখন যেন শো-ডাউন না করেন। তিনি আরও বলেন, প্রার্থীদের সঙ্গে ব্যক্তিগত যোগাযোগ করে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে বলার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, আপনারা শো-ডাউন করবেন না। শো-ডাউন করলে প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে এবং এমনও হতে পারে যে শো-ডাউনের বিষয়টি যদি কোনো প্রচারমাধ্যমে আসে নির্বাচন কমিশনের তো একটা ক্ষমতা আছে। নির্বাচন কমিশন যদি মনে করে যে তারা এখানে আসলেই অন্যায় করেছে, তাহলে নির্বাচন কমিশনও ব্যবস্থা নিতে পারে। সে ক্ষমতা ইসির আছে। প্রার্থিতা বাতিলের বিষয়টি নির্ভর করবে অপরাধের মাত্রাটা কেমন ছিল। শো-ডাউনের মাত্রাটা দেখতে হবে না। সামান্য একটা অপরাধের জন্যও তো আর কাউকে ফাঁসি দিতে পারেন না। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর প্রতি ইসির বার্তা সর্ম্পকে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেন, যারা প্রধান আছেন, তাদের সঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তা কথা বলেছেন। জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলেছেন। যত রকম সহযোগিতা দরকার হয়, উনারা করবেন বলেছেন। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে তারা মাঠে নেবে যাবে। এখন মোটিভেশনাল ওয়ার্ক করা হচ্ছে, তখন মাঠে নেমে যাবে। প্রতীক বরাদ্দের পর প্রার্থীদের সঙ্গে মিটিং হবে। এবার আমরা প্রতীক বরাদ্দের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মিটিং করে ফেলব। যাতে প্রার্থীরা আচরণ ভঙ্গ করতে না পারেন। প্রার্থীরা মাঠে, বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার করতে পারবেন। তবে কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে প্রচার চালাতে পারবেন না।##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

জনপ্রিয়

কুয়েটে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার জামাত সকাল ৭ টায় 

সিটি করপোরেশন নিবাচনী আচরণ বিধি ভাঙলে প্রার্থিতা বাতিল

প্রকাশিত সময় : ০৬:৪৩:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৩

### আগামী ২৫ মে ঢাকা গাজীপুর সিটি করপোরেশন ,  ১২ জুন খুলনা ও বরিশাল সিটি করপোরেশন এবং ২১ জুন রাজশাহী ও সিলেট সিটি করপোরেশনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে । এ নির্বাচনে প্রার্থিদের কেউ আচরণ বিধি ভাঙলে তার প্রার্থিতা বাতিল করে দেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) নির্বাচন ভবনের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময় এ কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর।

পাঁচ সিটির ভোটে অনেকে আচরণ বিধি মানছে না, প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে দোয়া চাচ্ছেন সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশন  বলেন, “যারা দোয়া চেয়েছেন তারা অনেকেই প্রার্থীই না। কিসের দোয়া চেয়েছেন সেটা তো লেখা নাই। যারা নমিনেশন নেবেন এবং জমা দেবেন তারপর বোঝা যাবে। রিটার্নিং অফিসার যিনি আছেন তার লোকবল অল্প, তিনি অনেকগুলো প্রচার সামগ্রী উঠিয়ে নিয়েছেন। প্রতীক বরাদ্দ যেদিন হয়, সেদিন থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু হয়। সেদিন থেকে অফিসিয়ালি আচরণ বিধি না মানলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তার আগে এখন যেটা করছে আমাদের কর্মকর্তারা, সেটা অনেকটা মোটিভেশনাল।” আচরণ বিধিতেপাঁচজনের বেশি লোকবল আনা যায় না নমিনেশন পেপার জমা দেওয়ার সময়। বেশিরভাগ সময়ে এ নীতি মানা হয় না। এ বিয়য়ে ইসি বলেন, আমাদের আইনে আছে শো-ডাউন করা যাবে না। কিন্তু আমাদের কালচারটাই হলো শো-ডাউনের। একটা কালচার তো একদিনে পরিবর্তন হয় না। সেজন্য আমাদের যেটা নিয়ম রিটার্নিং কর্মকর্তাকে বলা আছে, কোনো রকম শো-ডাউন করে যেন না আসে, তারা অন্তত যখন নমিনেশন পেপার জমা দিতে আসবেন, তখন যেন শো-ডাউন না করেন। তিনি আরও বলেন, প্রার্থীদের সঙ্গে ব্যক্তিগত যোগাযোগ করে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে বলার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, আপনারা শো-ডাউন করবেন না। শো-ডাউন করলে প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে এবং এমনও হতে পারে যে শো-ডাউনের বিষয়টি যদি কোনো প্রচারমাধ্যমে আসে নির্বাচন কমিশনের তো একটা ক্ষমতা আছে। নির্বাচন কমিশন যদি মনে করে যে তারা এখানে আসলেই অন্যায় করেছে, তাহলে নির্বাচন কমিশনও ব্যবস্থা নিতে পারে। সে ক্ষমতা ইসির আছে। প্রার্থিতা বাতিলের বিষয়টি নির্ভর করবে অপরাধের মাত্রাটা কেমন ছিল। শো-ডাউনের মাত্রাটা দেখতে হবে না। সামান্য একটা অপরাধের জন্যও তো আর কাউকে ফাঁসি দিতে পারেন না। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর প্রতি ইসির বার্তা সর্ম্পকে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেন, যারা প্রধান আছেন, তাদের সঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তা কথা বলেছেন। জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলেছেন। যত রকম সহযোগিতা দরকার হয়, উনারা করবেন বলেছেন। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে তারা মাঠে নেবে যাবে। এখন মোটিভেশনাল ওয়ার্ক করা হচ্ছে, তখন মাঠে নেমে যাবে। প্রতীক বরাদ্দের পর প্রার্থীদের সঙ্গে মিটিং হবে। এবার আমরা প্রতীক বরাদ্দের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মিটিং করে ফেলব। যাতে প্রার্থীরা আচরণ ভঙ্গ করতে না পারেন। প্রার্থীরা মাঠে, বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার করতে পারবেন। তবে কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে প্রচার চালাতে পারবেন না।##