০৬:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

হোটেল-রেস্তোরাঁতে স্মোকিং জোনের সুযোগ নিয়ে তরুনরা ধূমপানমুখী হচ্ছে

  • অফিস ডেক্স।।
  • প্রকাশিত সময় : ০৯:৩২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
  • ৩৪ পড়েছেন

###    খুলনায় শতভাগ ধুমপানমুক্ত হসপিটালিটি সেক্টর গঠনে হোটেল-রেস্তোরা মালিকদের ভুমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৩ই ফেব্রুয়ারি সোমবার সকালে খুলনার ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনের সভাকক্ষে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সহযোগিতায় ও এডভ্যান্সমেন্ট অব হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট (আহার) বাংলাদেশ কর্তৃক আয়োজিত সেমিনাওে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) এস. এম. মুনিম লিংকন। এ সময় তিনি বলেন, রেস্তোরাঁতে স্মোকিং জোনের সুযোগ নিয়ে তরুনরা ধূমপানমুখী হচ্ছে। তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় স্মোকিং জোন বাতিলের আইন করা জরুরী। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রস্তাবিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশোধনী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি। বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির বাগেরহাট জেলা কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ মোস্তাফিজার রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বাংলাদেশ রেস্তোরা মালিক সমিতি খুলনা মহানগর কমিটির সেক্রেটারী শ্যামল কুমার ঘোষ, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক ও যশোর জেলা সেক্রেটারী আলহাজ¦ শেখ মুকুল হোসেন, মাগুরা জেলা কমিটির সভাপতি আলহাজ¦ নিয়ামত আলী, ঝিনাইদহ জেলা কমিটির সেক্রেটারী নিতাই চন্দ্র, নড়াইল কমিটির সভাপতি আব্দুর রব মোল্লা, সাতক্ষীরা জেলার সভাপতি শাহ আলম, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য ও ওয়াশ সেক্টরের পরিচালক ইকবাল মাসুদ প্রমুখ।
সভায় বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সহ-সভাপতি ও আহার বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এম. রেজাউল করিম সরকার রবিন জানান, পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতি থেকে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় হোটেল-রেস্তোরাঁসহ সকল হসপিটালিটি সেক্টরকে শতভাগ ধূমপানমুক্ত করতে হলে, ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান বা ডিএসএ বা স্মোকিং জোন বাতিলের জন্য সংশ্লিষ্টদের পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি মনিটরিং সেল গঠন করে সকল রেস্টুরেন্টকে মনিটরিং এর আওতায় আনার আহ্বান জানান তিনি। বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট এস হুমায়ুন কবির বলেন, শতভাগ ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতকরণে রেস্তোরাঁতে কোন ধরণের ধূমপানের ব্যবস্থা রাখা অনুচিত। তাই আইন কওে এটা বাতিল করতে হবে। সদিচ্ছা থাকলেই সেটা সম্ভব। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের সমন্বয়কারী মোঃ শরিফুল ইসলাম। প্রবন্ধে তিনি বলেন, বাংলাদেশে পরোক্ষভাবে ধূমপানের শিকার হয় ৩ কোটি ৮৪ লাখ মানুষ। যার মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ শুধুমাত্র রেস্তোরাঁয় পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হয়। বাংলাদেশ রেস্তোরা মালিক সমিতির সহ-সভাপতি ও আহার, বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এম. রেজাউল করিম সরকার রবিনের সভাপতিত্বে এবং ডাম প্রোগ্রার অফিসার শারমিন আক্তার রিনির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ৭০ জন নেতৃবৃন্দ। সংশোধিত খসড়া তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনটি দ্রুত পাশ করে রেস্তোরাঁসহ সকল পাবলিক প্লেসে ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান নিষিদ্ধ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাকে দ্রুত বাস্তবায়ন করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান খুলনা বিভাগ হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা। ##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

জনপ্রিয়

মোল্লাহাটে বিয়ের জন্য মেয়েকে পছন্দ না করায় ছেলের ভগ্নিপতিকে হত্যা, আহত ১০

হোটেল-রেস্তোরাঁতে স্মোকিং জোনের সুযোগ নিয়ে তরুনরা ধূমপানমুখী হচ্ছে

প্রকাশিত সময় : ০৯:৩২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

###    খুলনায় শতভাগ ধুমপানমুক্ত হসপিটালিটি সেক্টর গঠনে হোটেল-রেস্তোরা মালিকদের ভুমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৩ই ফেব্রুয়ারি সোমবার সকালে খুলনার ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনের সভাকক্ষে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সহযোগিতায় ও এডভ্যান্সমেন্ট অব হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট (আহার) বাংলাদেশ কর্তৃক আয়োজিত সেমিনাওে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) এস. এম. মুনিম লিংকন। এ সময় তিনি বলেন, রেস্তোরাঁতে স্মোকিং জোনের সুযোগ নিয়ে তরুনরা ধূমপানমুখী হচ্ছে। তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় স্মোকিং জোন বাতিলের আইন করা জরুরী। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রস্তাবিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশোধনী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি। বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির বাগেরহাট জেলা কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ মোস্তাফিজার রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বাংলাদেশ রেস্তোরা মালিক সমিতি খুলনা মহানগর কমিটির সেক্রেটারী শ্যামল কুমার ঘোষ, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক ও যশোর জেলা সেক্রেটারী আলহাজ¦ শেখ মুকুল হোসেন, মাগুরা জেলা কমিটির সভাপতি আলহাজ¦ নিয়ামত আলী, ঝিনাইদহ জেলা কমিটির সেক্রেটারী নিতাই চন্দ্র, নড়াইল কমিটির সভাপতি আব্দুর রব মোল্লা, সাতক্ষীরা জেলার সভাপতি শাহ আলম, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য ও ওয়াশ সেক্টরের পরিচালক ইকবাল মাসুদ প্রমুখ।
সভায় বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সহ-সভাপতি ও আহার বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এম. রেজাউল করিম সরকার রবিন জানান, পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতি থেকে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় হোটেল-রেস্তোরাঁসহ সকল হসপিটালিটি সেক্টরকে শতভাগ ধূমপানমুক্ত করতে হলে, ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান বা ডিএসএ বা স্মোকিং জোন বাতিলের জন্য সংশ্লিষ্টদের পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি মনিটরিং সেল গঠন করে সকল রেস্টুরেন্টকে মনিটরিং এর আওতায় আনার আহ্বান জানান তিনি। বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট এস হুমায়ুন কবির বলেন, শতভাগ ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতকরণে রেস্তোরাঁতে কোন ধরণের ধূমপানের ব্যবস্থা রাখা অনুচিত। তাই আইন কওে এটা বাতিল করতে হবে। সদিচ্ছা থাকলেই সেটা সম্ভব। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের সমন্বয়কারী মোঃ শরিফুল ইসলাম। প্রবন্ধে তিনি বলেন, বাংলাদেশে পরোক্ষভাবে ধূমপানের শিকার হয় ৩ কোটি ৮৪ লাখ মানুষ। যার মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ শুধুমাত্র রেস্তোরাঁয় পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হয়। বাংলাদেশ রেস্তোরা মালিক সমিতির সহ-সভাপতি ও আহার, বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এম. রেজাউল করিম সরকার রবিনের সভাপতিত্বে এবং ডাম প্রোগ্রার অফিসার শারমিন আক্তার রিনির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ৭০ জন নেতৃবৃন্দ। সংশোধিত খসড়া তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনটি দ্রুত পাশ করে রেস্তোরাঁসহ সকল পাবলিক প্লেসে ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান নিষিদ্ধ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাকে দ্রুত বাস্তবায়ন করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান খুলনা বিভাগ হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা। ##